-
আমাদের বাসায় ইঁদুর এত বেড়ে গেছে যে আর কিছুতেই টেকা যাচ্ছে না। তাদের সাহস দেখে অবাক হতে হয়। চোখের সামনেই, যুদ্ধক্ষেত্রে সৈন্যদলের সুচতুর পদক্ষেপে অগ্রসর হওযার মতো ওরা ঘুরে বেড়ায়, দেয়াল আর মেঝের কোণ বেয়ে-বেয়ে তর-তর করে ছুটোছুটি করে। যখন সেই নির্দিষ্ট পথে আকস্মিক কোনো বিপদ এসে হাজির হয়, অর্থাৎ কোনো বাক্স বা কোনো ভারী জিনিসপত্র সেখানে পথ আগলে বসে, তখন সেটা অনায়াসে টুক করে বেয়ে তারা চলে যায়। কিন্তু রাত্রে আরও ভয়ংকর। এই বিশেষ সময়টাতে তাদের কার্যকলাপ আমাদের চোখের সামনে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শুরু হয়ে যায়। ঘরের যে কয়েকখানা ভাঙা কেরোসিন কাঠের বাক্স, কেরোসিনের অনেক পুরোনো টিন, কয়েকটা ভাঙা
-
Translated by Asoke Mitra
Mice have so vastly multiplied in our house that it seems they will drive us out one day. One is amazed at their cheek. Right under our nose, with adroit steps, they manoeuvre like armies on a battlefield, scurrying along the corners of the floor and walls. When anything is in their way, a box or anything bulky, they just climb over and disappear. But at night it is more terrible. Then they just ignore us and go on their rounds. Strange, incessant sounds emerge from broken packboxes, old kerosene tins, broken stools and earthenware. Strums
-
একটি মাত্র হলে এত পরিচ্ছদ, এত শাড়ির বৈচিত্র্য, তবু গুঞ্জন কোলাহল হইয়া ওঠে নাই, আর হয়ও না। কারণ, যে সমাবেশ, যে পরিবেশ—এখানকার বাতাসে যে সুরুচির সৌরভ, জীবনের বিশেষ অভিব্যক্তি।
মিসেস ঘোষ সমুদ্রপারের মেয়ে, আরও অনেক ইংরেজ মেয়ের মতোই একটি বাঙালি ছেলেকে বিবাহ করিয়া আজ বছর দশেক হয় কলিকাতায়, অর্থাৎ ভারতবর্ষের আকাশের নীচে। বিদেশী এই বিহঙ্গীর বয়স হইয়াছে, কিন্তু চেহারার জৌলুস এতটুকু কমে নাই। বিশেষ করিয়া হাসিটি—বরফের কুচির মতো দাঁতগুলি কী সুন্দর চকচক করিয়া ওঠে। যাই বল, ঘোষ লোকটি ভাগ্যবান, পত্নী-ভাগ্যে ভাগ্যবান। সেই মিসেস ঘোষ আজ এখানে আগত কয়েকটি স্বজাতির সঙ্গে একেবারে মিশিয়া গিয়াছেন। হয়তো ওই প্যাটার্সন লোকটির গা ঘেঁষিয়া তাহার
-
হাজরাদের বাড়ি বীণা বেড়াইতে গিয়াছে। পাড়ার অন্য দুই-একটা বাসা খুঁজিয়া সেখানে রনু গিয়া তাহাকে পাইল। বীণা আরও কয়েকজন মেয়ে ও বধূর সাথে বসিয়া গল্প করিতেছিল।
রনু ঘরের বাহিরে দাঁড়াইয়াই ডাক দিল, ‘বীণাদি, শুনে যান তো।’
বীণা বলিল, ‘ওখান থেকে বলো।’
হাজরাদের বধূ কনক হাসিয়া বলিল, ‘ও, রণজিতের বীণাদি বুঝি এসেছে এখানে? নইলে কোনোদিন যে ভুলেও এ বাড়িতে পা দেয় না, সে আজ এল! বীণাদির সাথে কী কথা আছে আমরা শুনতে পারব রনু?’
একটা মৃদু হাস্য-তরঙ্গ খেলিয়া গেল।
রনু লজ্জায় ঈষৎ কাত করিয়া বলিল, ‘আপনি কী যে বলেন বউদি। হ্যাঁ বীণাদি, শিগগির’—গোটাকতক কথা রনুর সকলের সঙ্গেই থাকে।
কনক বলল, ‘তুমি তো
-
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
ভ্লাদিমির লাভরোভ নামে মস্কোর এক শিল্পীকে বলা হয়েছিল ভল্গার প্রাকৃতিক দৃশ্যের ছবি আঁকতে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি রাজি হয়েছিলেন কিন্তু তাঁর চরিত্রগত দীর্ঘসূত্রতার জন্যে তৈরী হতে হতেই সমস্ত গ্রীষ্মকালটা কেটে গেল। সেপ্টেম্বরের আগে ইস্টিমারে চড়ে ভল্গায় পৌঁছুতে তিনি পারলেন না।
মোটা চোঙাওলা ইস্টিমারটা ঝকঝক করছে, তার গোল গোল জানালাগুলোকে পালিশ করে স্ফটিকের মতো করে তোলা হয়েছে। ইঞ্জিন ধক ধক করতে করতে মসৃণ দৃঢ় গতিতে ইস্টিমারটা চললো তার আলোগুলো আর এক ডেক ভৰ্ত্তি সুসজ্জিত যাত্রী নিয়ে। সহরতলীর অরণ্য আর কাঁকরাকাটা পাড়গুলো গেলো পেরিয়ে। তাদের উপর তখন শীতল সূর্যাস্তের আভা মিলিয়ে আসছে। ইতিমধ্যেই অরণ্যের রঙ হয়েছে পিঙ্গল আর সোনালী। শরতের
-
লেখক: নুরমুরাদ সারিখানভ
তুর্কমেন বিজ্ঞান আকাদমির সাহিত্য ইনস্টিটিউটের নির্দেশক্রমে আমার কাজ পুরনো পুঁথি জোগাড় করা। ভাগ্যচক্রে সেবার গিয়ে পড়েছিলাম কারা-কুমের একেবারে গভীরে, পশুপালক একটা আউলে, চারিদিকে বালির মধ্যে অনতিবৃহৎ একটা খাদের মতো জায়গাটা।
যা হয়, আউলের লোকেরা উৎসুক হয়ে উঠল: কোথা থেকে এসেছি, কেন এসেছি? আগমনের কারণ জানালাম। উঠেছিলাম কলখোজ সভাপতির বাড়িতে। তাঁর কাছে শুনলাম তাঁর পড়শী ভেলমুরাত-আগার কাছে একটি কিতাব আছে, ঠিক যেমনটি আমার দরকার তেমনি।
বললেন, ‘জিনিসটা খুবই দুর্লভ! ভেলমুরাত-আগা ওটিকে চোখের মণির মতো আগলে থাকে। কতবার বলেছে, অমন কিতাব সোনার সিন্দুকে তুলে রাখার মতো…’
গেলাম কিতাবের মালিকের কাছে। মালিককে ঘরেই পেলাম। লোকটির বয়স হয়েছে, এক বুক সুন্দর
-
লেখক: আবদুল্লা কাখহার
চুল্লির চাকতিটা খুলে দাদী রোখাৎ পায়ে আঁচ পোয়াচ্ছিল। কিছুকাল থেকে পা দুখানা বড়ো ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে, কনকন করছে, ঘর তেমন ঠান্ডা না হলেও ভারি শীতে জমে যাচ্ছে সে। নাতি বইয়ের মলাট ছিঁড়ে ফেলেছিল, জানলার কাছে সেটা আঁটা দিয়ে জুড়তে জুড়তে বুড়ো বললে: ‘আগুন পোয়াতে হয় কী করে তা আর তোমায় শেখানো গেল না! চুল্লির দরজা খোলা রাখা আর আকাশ গরম করা একই কথা।’
দাদী রোখাৎ দরজা বন্ধ করে সোফায় গা এলালে। তারপর শুয়েই থাকল। প্রথমটা উঠতে ইচ্ছে করছিল না, পরে আর উঠতেই পারল না। তৃতীয় দিনে বুড়ি মারা গেল।
হিকমৎ-ববো দাঁড়িয়ে রইল একেবারে বজ্রাহতের মতো। ঘরে যখন
-
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
সেই শরতে সুরকার এদভার্দ গ্রিগ বের্গেন-এর কাছের অরণ্যময় অঞ্চলে ছিলেন।
পাতার মর্মর আর ব্যাঙের ছাতার তীব্র গন্ধময় সমস্ত অরণ্যগুলি ভারি চমৎকার; কিন্তু যে অরণ্যগুলি সমুদ্রের পাশের পাহাড়ের গা বেয়ে উঠেছে সেগুলির সৌন্দর্য এক বিশেষ ধরনের। ঢেউয়ের মর্মর ধ্বনি সেখানে হয় প্রতিধ্বনিত, সমুদ্র-কুয়াশা জড়িয়ে থাকে তাদের গাছগুলিকে আর ভিজে বাতাসে বেঁচে থাকা সবুজ শ্যাওলা গাছের ডাল থেকে মাটি পর্যন্ত দাড়ির মতো থাকে ঝুলে।
এই সব অরণ্যে আছে এক ধরনের আনন্দিত প্ৰতিধ্বনি, শব্দানুকারী গায়ক পাখীর মত, যে কোনো শব্দকে ধরতে আর সেগুলোকে পাহাড়ের উপর দিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে পাঠাতে সর্বদাই উৎসুক।
এই ধরনের এক অরণ্যে গ্রিগ-এর সঙ্গে দেখা হয়েছিল ছোট্ট
-
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
ওকার উত্তরে সমস্ত অরণ্যময় জায়গাটাকে বরাবরই ‘দ্রেমুচি’[১]বলে উল্লেখ করা হয়।
এই অরণ্যের মধ্যে অনেক মাইল ধরে আর্কাদি গাইদার[২]এবং আমি ঘুরে বেড়িয়েছি। সেটা কিন্তু অনেক দিন আগেকার কথা—চতুর্থ দশকের গোড়ার দিকে।
ঘুরে বেড়াবার সময় একাধিকবার এই প্রাচীন কথা ‘দ্রেমুচি’ অরণ্য সম্বন্ধে আলোচনা করেছিলাম। রুশ ভাষার প্রয়োগনৈপুণ্য আমাদের অতিশয় আনন্দ দিয়েছিলো, কারণ বাস্তবিকই এই ঘন অরণ্যকে মনে হয়েছিল বুঝি গান গেয়ে ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এক ধ্যানমগ্ন স্তব্ধতা শুধু যে অরণ্যের উপরই নেমে এসেছে তাই নয়, হ্রদ এবং গেরুয়া রঙের জলে ভরা মন্থর নদীগুলির উপরেও। তাদের তীরগুলোয় সারবন্দী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে লিনিস গাছ, যেগুলোর অন্য
-
লেখক: মামেদকুলিজাদে (১৮৬৬-১৯৩২)
[বর্তমান আজেরবাইজান সাহিত্যের পথপ্রদর্শক, প্রাচ্যের সুপরিচিত পত্রিকা ‘মোল্লা নাসিরুদ্দিনের’ স্রষ্টা ও সম্পাদক। তিনি রেখে গেছেন অমূল্য সাহিত্যসম্পদ ছোট গল্প, হাস্যরসিক প্রবন্ধ, বড় গল্প (‘হারিয়ে যাওয়া গাধা’ ইত্যাদি), নাটক (‘লাশ’, ‘কেমান্চা’ ইত্যাদি), উপন্যাস ‘দানাবাশা গ্রামে’ ইত্যাদি। এখন পর্যন্তও আজেরবাইজানের শ্রেষ্ঠ ছোট গল্প লেখক বলে স্বীকৃত। তীব্র সামাজিক বিরোধ হল তাঁর ছোট গল্পগুলির মূল বিষয়। ছোট গল্পগুলি সংক্ষিপ্ত, ভাবগর্ভ। এই সংকলনে অন্তর্ভুক্ত ছোট গল্প ‘ডাকবাক্স’—এক গরীব কৃষকের সম্বন্ধে হাস্যকর, বিষণ্ণ গল্প।]
সে দিনটা ছিল বারই নভেম্বর। শীত বেশ পড়েছে কিন্তু বরফ পড়া এখনও আরম্ভ হয় নি।
ডাক্তারবাবু ভেলি-খানের অসুস্থা স্ত্রীকে আর একবার বেশ ভাল করে পরীক্ষা করে বললেন যে
-
লেখক: হুসেন আবাসজাদে (জন্ম: ১৯২২)
[সাহিত্যিক জীবনের শুরু কবি হিসাবে, কিন্তু সুপরিচিতি লাভ করেন গদ্যলেখক হিসাবে। পিতৃভূমির মহাযুদ্ধে সোভিয়েত জনগণের কীর্তিকাহিনী রূপায়িত হয়েছে তাঁর ‘জেনারেল’, ‘মুসি আবেল, আপনি কে?’, ‘কারাদাগের ঘটনা’ প্রভৃতি সাহিত্যরচনায়। ‘জলাবর্ত’ উপন্যাসে তুলে ধরা হয়েছে একটা বিরাট সময়ের ছবি প্রায় শতাব্দীর শুরু থেকে আজ পর্যন্ত। এতে দেখান হয়েছে নতুন জীবনের ঘূর্ণাবর্তে প্রতিটি মানুষের জড়িয়ে পড়ার অনিবার্যতা, এমনকি যারা খুব সক্রিয় নয় তাদেরও। সাধারণ শ্রমিকদের চরিত্রগুলি চমৎকার পরিস্ফুট হয়েছে তাঁর ‘সুপারিশ’ উপন্যাসে এবং এই সংকলনে অন্তর্ভুক্ত ‘মানুষের নাম’ ছোট গল্পে।]
ওয়াহিফ স্ট্রীটে পিরভের্দি ট্রলিবাস থেকে নামল। রেইনকোটের পকেট থেকে ঠিকানা-লেখা-কাগজটা বার করল, কাছের বাড়ীটার নম্বর দেখল। ঠিক আছে।
-
পথ চলার সময় মানুষকে যেমন মন খুলে কথা বলায় পেয়ে বসে, এমন আর কখনও হয় না। যে কথা আমরা ঘনিষ্ঠতম বন্ধুকেও কখনো বলব না, সে কথা একেক সময় দেখেছি সহযাত্রীকে সহজেই বলে ফেলেছি। তার সঙ্গে এই প্রথম দেখা, জীবনে আর হয়ত কোনদিন দেখা হবে না, তাই যে কথা বার কয়েক বলেও মনের ভার লাঘব করা যায়নি সে কথা বলার পক্ষে এই লোকটিই কি সবচেয়ে ভাল নয়? এই লোকটি ছাড়া আর কার কাছে প্রকাশ করব বহুদিনের সঞ্চিত অভিজ্ঞতা, অন্যের মুখে শোনা কাহিনী আর তেমন হলে কিছু অহঙ্কারও?
ভ্রমণ মানে শুধু চলাই নয়। হয়ত বদলীর ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছি কিম্বা রাস্তার মোড়ে
উৎস
- পুরাণের গল্প
- শিউলি-মালা
- বনফুল গল্পসমগ্র
- পাতাবাহার
- প্রক্রিয়াধীন
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- বাংলাদেশ কথা কয়
- কুশলপাহাড়ী
- গল্পগুচ্ছ
- বিজ্ঞানচেতনা
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বিজ্ঞান পাঠ
- ফুলকি ও ফুল
- কথা পাঞ্জাব
- বারো মামার এক ডজন
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- মানুষের জন্ম
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- রাঙা পাল
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- রূপহলুদ
- জ্যোতিরিঙ্গন
- অগ্রন্থিত গল্পাবলি
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- পরিচয়
- ভেদ-বিভেদ (২)
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- রূপের ডালি খেলা
- বিধু মাস্টার
- নবাগত
- মেঘমল্লার
- জন্ম ও মৃত্যু
- কিন্নর দল
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- উপলখণ্ড
- ক্ষণভঙ্গুর
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
- সুকান্তসমগ্র
- গল্প ভারতী
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- ছায়াছবি
- মৌরীফুল
- যাত্রাবদল
- তালনবমী
- অসাধারণ
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- অনুসন্ধান
- নয়নচারা
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প
- ব্যথার দান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮৬)
- ২০২৫ (৬৪)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৫ (১০)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (৩৫)
- ১৯৬৩ (৪)
- ১৯৬১ (১)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৪)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১২)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (৩)
- ১৯৪৮ (৪)
- ১৯৪৭ (৪)
- ১৯৪৬ (৯)
- ১৯৪৫ (২২)
- ১৯৪৪ (৮)
- ১৯৪৩ (৮)
- ১৯৪২ (৮)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৪০ (১)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯২২ (৫)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯১৩ (৬)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অস্কার ওয়াইল্ড (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আবু ইসহাক (৩)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সান্দ্র কোনোনভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (১০)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৪)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীহাররঞ্জন গুপ্ত (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৯)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (৪)
- মাৎভেই তেভেলেভ (৯)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখ ওয়াজেদ আলি (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৪৮)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.