সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
লেখক: রফিকুল ইসলাম
১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশ পূর্ব বাংলায় অনুষ্ঠিত প্রথম সাধারণ নির্বাচনে বায়ান্নোর একুশের প্রতীক ২১-দফার ভিত্তিতে হক-ভাসানী-সোহ্রাওয়ার্দীর নেতৃত্বে গঠিত যুক্তফ্রন্ট তদানীন্তন ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করার পর শেরে বাংলার নেতৃত্বে পূর্ব বাংলায় যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠিত হয়েছিল। এ সরকার পঞ্চাশ দিনের বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। কেন্দ্রীয় পাকিস্তান সরকার যুক্তফ্রন্ট সরকারকে ভেঙে দিয়েছিল। সে সুযোগ অবশ্য করে দিয়েছিল '৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর তড়িঘড়ি শেরে বাংলার নেতৃত্বে গঠিত কৃষক শ্রমিক দলের ক্ষমতা দখল। যুক্তফ্রন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল আতাউর রহমান খানের আওয়ামী লীগ; কিন্তু যুক্তফ্রন্ট সরকারে আওয়ামী লীগ প্রথমে যোগ দেয়নি, যদিও ওই দলের ১৪৩ জন সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। কৃষক
-
লেখক: দুলাল ভৌমিক
দেশ ও জাতির স্বার্থে, এমনকি আমাদের জীবন ও জীবিকার স্বার্থেও ১৯৭১ সনে আমরা পাকিস্তানী দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মরণপণ লড়াই করেছিলাম। সে লড়াইয়ে জিতেছিলাম বলেই আজ বাংলাদেশ স্বাধীন, বাঙালি জাতি স্বাধীন; আজ আমরা রবীন্দ্রনাথের সেই তালগাছের মতো বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু হেরে গেলে বাঙালি জাতি যে বিশ্বমানচিত্র থেকে মুছে যেত, এ ব্যাপারে সন্দেহের অবকাশ নেই। জেতার পরেও বারংবার ভুলের কারণে আমাদের অস্তিত্ব আজ সঙ্কটের সম্মুখীন। তবে আশা-এ সঙ্কট একদিন কেটে যাবে।
আমরা যুদ্ধ করেছিলাম আমাদের স্বার্থে। আমাদের রাজনৈতিক মুক্তির স্বার্থে, অথনৈতিক মুক্তির স্বার্থে, বাঙালির সভ্যতা-সংস্কৃতি রক্ষার স্বার্থে। কিন্তু অবাঙালি ও অবাংলাদেশী অনেক ব্যক্তি এ যুদ্ধে
-
১৯৭১, ২১ ফেব্রুয়ারি। বাংলা একাডেমীতে শেখ মুজিব আসবেন। সভার সভাপতি কবির চৌধুরী, একাডেমীর পরিচালক। প্রধান অতিথি শেখ মুজিব। লেখকদের পক্ষে বক্তব্য রাখব আমি। সকাল দশটার ভেতর একাডেমীর প্রাঙ্গণ লোকে লোকারণ্য। হোটেল পূর্বাণীতে আলোচনা চলছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে। লোকজনের ভিতর টানটান উত্তেজনা। লোকজনের ভিতর বৈপ্লবিক পূর্বাভাস। এই উত্তেজনা, এই পূর্বাভাস বুকে ভরে আমি বক্তব্য উপস্থাপিত করলাম: আমরা বাঙালি, শেখ মুজিব আপনি দেশকে স্বাধীন করুন। স্বাধীনতার সঙ্গে কোন আপোস নয়। জবাবে শেখ মুজিব বললেন, আমার ভাই জাহাঙ্গীর যা বললেন তা আমাদেরও কথা। স্বাধীনতাই আমাদের বাঁচার একমাত্র পথ। জয় বাংলা। বিপুল করতালিতে, আগুনের মতো শ্লোগানে ভরে গেল প্রাঙ্গণ।
ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে
-
লেখক: কামাল হোসেন
স্বাধীনতার স্বপ্ন বলতে গেলে প্রথমে সেই ষাটের দশকের কথা যদি আমরা চিন্তা করি, আমরা সবাই তরুণ ছিলাম। আমি নিজেও একজন তরুণ আইনজীবী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষক। আজকে যাঁরা নেতৃস্থানীয়, ষাটের দশকে তাঁদের বেশির ভাগই ছিলেন তরুণ ছাত্র। সেই পাকিস্তানে আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েও অসহায় বোধ করতাম।
ষাটের দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখালেখি শুরু হলো অর্থনৈতিক বৈষম্য নিয়ে। আমরা বাঙালিরা সংখ্যায় বেশি হয়েও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে, শিক্ষার সুযোগের ক্ষেত্রে, সিভিল সার্ভিসে, সামরিক বাহিনীতে বিভিন্ন ধরনের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার ছিলাম। ১৯৪৬ সালে পূর্ব বাংলায় যখন ভোট হয়েছিল, আমরা ভোট দিয়েছিলাম। আমরা চেয়েছিলাম, এই রাষ্ট্রটি হোক। তখন কেউ কেউ এটা সাম্প্রদায়িক
-
আমরা যখন নানাকে দেখি তখন তার অনেক বয়স হয়ে গেছে। তখন আইন ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। প্রচুর অর্থ উপার্জন করেছিলেন ঐ ব্যবসায়। অনেক জমিজামা করা ছাড়াও তিনি ভুবনঘরের মতো অজপাড়াগায়ে নিজেদের থাকার জন্য চকমিলানো বিশাল এক অট্টালিকা নির্মাণ করেছিলেন। নানার কথা আমার খুব বেশি মনে নেই। ফরসা টকটকে রঙ ছিল তার। খুবই শান্ত প্রকৃতির, কোমল স্বভাবের, দয়ালু। খুব কম কথা বলতেন। সে তুলনায় নানী ছিলেন প্রবল ব্যক্তিত্বময়ী, আলাপচারিতায় নিপুণ, স্নেহময়ী, প্রয়োজনে কঠোর শাসক। ভুবনঘরের নানাবাড়িতে অনেক আনন্দময় দিন কেটেছে আমাদের। বিশাল দোতলা বাড়ি, সে আমলের কথা অনুযায়ী বড় বড় উঁচু ছাদওয়ালা ঘর, চওড়া বারান্দা। দোতলার ঘরগুলোর সামনের দিকে বেশ খানিকটা
-
আমার বাড়ির পাশেই বাজারের কসাইখানা। সপ্তাহের প্রায় প্রতিদিনই মোষ, গোরু, ছাগল জবাই হয়। এমনকি সপ্তাহের যে দু'দিন মাংসবিহীন থাকার কথা সে নিয়মও কেউ খুব কড়াকড়ি মানে না। মাঝে মাঝে হাড় জিরজিরে মৃতপ্রায় কিংবা চোরাই গোরু, এমনকি ভাগাড়ে যাওয়ার পথ থেকেও দু’-একটা কসাইখানায় চলে আসে। এসব অবশ্য শোনা কথা। তাই বলে বিক্রি না হয়ে দু’-চার টুকরো পড়ে থাকে এমনটিও কেউ কখনো দেখে নি।
বাড়ির পাশেই মিশনারী হাসপাতাল ও স্কুল। পাহাড়ের উপর বাংলোবাড়িতে ডাক্তারদের ঘর। পাশে কর্ণফুলী। কর্ণফুলীতে মিশেছে একটা ছড়া। এই ছড়া বা নদীর ওপারে বাজার, এপারে আমার বাড়ির পাশেই কসাইখানা।
মাঝে মাঝে আমি হাটে যাই। স্কুল ছুটির পর ঠাণ্ডা ভাত
-
বাংলাদেশ হানাদার বাহিনী মুক্ত হওয়ার পর বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হন। শত্রুমুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশের তিনি প্রথম রাষ্ট্রপতি এটাই তার বড় পরিচয় নয়। এর চেয়ে তাঁর মহত্তর স্বীকৃত হলো যে, সশস্ত্র মুক্তি সংগ্রামের দিনগুলোতে বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী বৃটেন, ইউরোপ ও আমেরিকায় মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে জনমত গঠন, প্রবাসী বাঙালিদের সংগঠিত করা এবং মুক্তিযুদ্ধে সর্বতোভাবে সাহায্য করার প্রত্যক্ষ কর্মকাণ্ডে নিজেকে জড়িত রেখেছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের মূল নেতৃত্ব এবং নেতা সম্পর্কে তাঁর মনে কোন দ্বিধাদ্বন্দ্ব, কোন সংশয় কিংবা বিপথগামী চিন্তা তাঁকে স্পর্শ করতে পারে নি।
তাঁর 'মানবাধিকার' শীর্ষক বইতে বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী বলেছেন, "১৯৭১-এ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের স্থান পূরণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু
-
আমাদের ধর্ম ইসলামের ভিত্তি হচ্ছে একত্ববাদ (তৌহিদ)। আমাদের এক আল্লাহ, এক রসূল, এক কেতাব (কোরআন), এক কাবা এবং বলা হয় উম্মা হিসেবেও আমরা এক। কিন্তু ইসলামের দেড় হাজার বছরের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, আত্মঘাতী বিরোধ, রক্তপাত এবং অনৈক্য ছাড়া মুসলমানদের ইতিহাসে পুরো একটি শতাব্দীরও শান্তি ও ঐক্যের নজির খুঁজে পাওয়া যায় না। প্রথম যুগের চার খলিফার মধ্যে তিনজনকেই হত্যা করা হয়েছে। পরবর্তী যুগে আব্বাসীয় ও উমাইয়াদের মধ্যে বিরোধে যে নৃশংসতার রেকর্ড প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, তার তুলনা সে যুগেও বিরল। এ যুগেও দেখা যাচ্ছে মুসলমান দেশগুলোর মধ্যে কোন ঐক্য নেই। একই দেশের মুসলিম উম্মার মধ্যেও শান্তি ও পারস্পরিক সম্প্রীতি নেই। এজন্য
-
1. THE NATION IDENTITY AND ECOLOGY
THE nation of which we speak is about 80 million strong; God willing, it is likely to be in the year 2000 A.D. nearly 115 million. The habitat is approximately 55 thousand square miles to-day and we assume, will continue to be that in the 2000 A.D. It is probably the most densely populated 55 thousand square miles on earth. The volume of production, processed, semi-processed and unprocessed, after necessary exercise, gives us nearly the lowest per capita income in the world. These indubitable and unflattering facts have enabled international jesters to exercise their
-
Mental fortifications in Dacca and physical defences on the border, seemed to hinge on each other. Fluctuations in one affected the fate of the other. If any other element had any significant influence it was the progress of war on the West Pakistan front. General Niazi, who literally flexed himself like a wrestler at the ill-founded news of our successes on the Lahore front on the second day of war, gradually lapsed into disillusionment by 7 December. At about the same time, the Indians occupied Jessore and Jhenida in 9 Division, ambushed the G.O.C. on 16 Division's main line of
-
Major-General Rahim, who sustained minor injuries while fleeing from Chandpur, was convalescing at General Farman's residence after initial medical treatment. He lay in a secluded part of the house. Farman was with him. It was 12 December, the ninth day of all-out war. Their minds naturally turned to the most crucial subject of the day: Is Dacca defensible? They had a frank exchange of opinion. Rahim was convinced that cease-fire alone was the answer. Farman was surprised to hear this suggestion from Rahim, who had always advocated a prolonged and decisive war against India. He said with a tinge of
-
আমরা তাদেরকে খুঁজে খুঁজে খতম করছি।—মেজর বশির, কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ। রাত আটটা ধানমন্ডিস্থ ৩২নং সড়কের প্রবেশমুখে একটি গলিতে একটি পরিচিত রিকশা দ্রুতগতিতে এসে থামলো। যে ভবনের বাইরে এসে থেমেছে সে ভবনটি হলো শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবন। রিকশা চালক কাশছিল এবং হাঁপাচ্ছিল। সে বললো, 'বঙ্গবন্ধুর জন্য একটি জরুরি চিরকুট নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট থেকে রিকশা চালিয়ে এসেছি। বাংলায় লেখা স্বাক্ষরবিহীন চিরকুট বার্তাটি ছিল সংক্ষিপ্ত: "আপনার বাসভবন আজ রাতে আক্রান্ত হতে যাচ্ছে।”
সে সময়ে সেখানে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের একজন আমাকে বলেছিলেন যে, পশ্চিম পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আসন্ন হামলার খবর ঐ চিরকুটে তাঁরা প্রথমবারের মতো পেয়েছিলেন। সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- এনজিও
- গদ্য
- সমাজ
- সরকার
- ছোটগল্প
- বই
- মুক্তিযুদ্ধ
- আন্দোলন
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- পাকিস্তান
- ভাষা
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- ভারত
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- যুদ্ধ
- গবেষণা
- সিলেট
- বিজ্ঞান
- ভাষণ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ভৌতিক
- নদী
- পশ্চিমবঙ্গ
- বঙ্গবন্ধু
- বাংলা
- কবিতা
- শিশুতোষ
- অতিপ্রাকৃত
- জীবনী
- স্মৃতিকথা
- বইমেলা
- অনুবাদ
- রূপকথা
- চট্টগ্রাম
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- যুক্তরাষ্ট্র
- লেখক
- সমালোচনা
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- ফ্যাসিবাদ
- রবীন্দ্রনাথ
- বিজ্ঞানী
- কিশোর
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- ঢাকা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- সাংবাদিকতা
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- ইংরেজি
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- জাতীয়তাবাদ
- ব্যাঙ্গাত্মক
- কারুশিল্প
- পুঁজিবাদ
- ছাত্র আন্দোলন
- অর্থনীতি
- আলোচনা
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- সাম্রাজ্যবাদ
- লালন
- কলকাতা
- আর্টিস্ট
- গণহত্যা
- চিঠি
- রাশিয়া
- ময়মনসিংহ
- খুলনা
- ভূমিকা
- নারীবাদী
- চিরায়ত
- নজরুল
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- জাতীয়
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- রংপুর
- আত্মজীবনী
- রমন্যাস
- দুঃসাহসিক
- নারী
- ফুল
- আইন
- সংবিধান
- শৈশব
- সংবাদ
- লোককাহিনী
- গান
- বিপ্লব
- অভ্যুত্থান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪৯)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (৩)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (২)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (১৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (২)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৫ (৭)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯২৩ (১)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এম এম আকাশ (২)
- এমদাদুল হক মিল্লাত (১)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জে এ কাউচুমো (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নারায়ণ চৌধুরী (৩)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৪)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মওলানা হোসেন আলী (১)
- মণি সিংহ (১)
- মফিদুল হক (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লুনা নূর (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনির্মল বসু (৩)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৮)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.