সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
১৯৪২ সালের লাহোরের “আদবে-লতিফ” উর্দু মাসিকের বার্ষিক সংখ্যায় আমার “কালো সেলোয়ার” নামক একটি গল্প প্রকাশিত হয়, অনেকে একে অশ্লীল বলে মনে করে থাকে। আমি তাদের ভ্রান্তধারণা দূরীভূত করার উদ্দেশ্যে এই প্রবন্ধ লিখছি।
গল্প লেখা আমার পেশা। গল্প লেখার স্টাইল আমি সম্যক অবগত আছি এবং ইতিপূর্বে এই বিষয়বস্তু নিয়ে বেশ কয়েকটি গল্প লিখেছি। এদের একটি গল্পও অশ্লীল নয়। আগামীতেও গল্প লিখব, তা অশ্লীল হতে পারে না।
গল্প বলার প্রথা বাবা আদমের আমল থেকে প্রচলিত। আমার মতে, এই গল্প বলা কেয়ামত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে এবং এর পট পরিবর্তন হতে থাকবে। মানুষের নিজের আবেগ ও অনুভূতিকে প্রকাশ করার ও অন্যকে জানানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত
-
কোনও রাজশক্তির যখন পতন আসন্ন হয়ে ওঠে তখন তার চারিদিকে কতকগুলি লক্ষণ দেখা দেয়। তার মধ্যে বুদ্ধিনাশটাই বড়।
ভারতেও কয়েকশো বছর ধরে যে তুর্ক-আফগান রাজশক্তি শাসন করছিলেন, যেটাকে সাধারণত ঐতিহাসিকরা পাঠান আমল ব’লে আখ্যা দেন—তাদের পতন ঘনিয়ে এল ঐ যুগের শেষ সুলতান ইব্রাহিম লোদীর আমলে। ইব্রাহিম লোদী যখন সিংহাসনে বসলেন তখন দিল্লীর সাম্রাজ্য বলতে দিল্লীর চারপাশে কয়েকটি মাত্র জেলা বোঝায়, তার বাইরে চারিদিকেই আফগান শাসক ও জমিদাররা প্রবল হয়ে উঠেছেন, হিন্দু জমিদাররাও সুযোগ বুঝে স্বাধীনভাবে মাথা তুলেছেন।
এই সঙ্কটকালে যে স্থিরবুদ্ধি ও কৌশলের প্রয়োজন তা ইব্রাহিমের ছিল না, তিনি কঠোর হস্তে এই সব জমিদারদের শাসন করতে প্রবৃত্ত হলেন। অথচ সে
-
পেশোয়া প্রথম বাজীরাও এমন ভাবে তাঁর উচ্চাভিলাষের উপযুক্ত কর্মক্ষমতা অর্জন করেছিলেন যে আর কিছুদিন বেঁচে থাকলে তাঁর ‘হিন্দু-পাদ-পাদশাহী’ বা হিন্দু সাম্রাজ্য স্থাপনের স্বপ্ন হয়ত আদৌ দুরাশা বলে গণ্য হ’ত না। কিন্তু মাত্র বিয়াল্লিশ বৎসর বয়সেই যে তিনি মারা যাবেন তা কে ভেবেছিল? জীবনের মাঝামাঝি এসেই, যখন তাঁর প্রতিভাসূর্য সবে খ্যাতি ও প্রতিপত্তির মধ্যগগনে পৌঁচেছে—তাঁকে নিজের সকল কীর্তির ইতিহাসে পূর্ণচ্ছেদ টেনে দিয়ে চলে যেতে হ’ল; নইলে ইংরেজ হয়ত কোনওদিনই দিল্লীর তখ্তে বসতে পেত না।
এমন কি নাদির শাহের আগমনের সংবাদ পেয়ে বাজীরাও তার স্পর্ধাকেও চিরদিনের মতো চূর্ণ করার অভিপ্রায়ে নিজের সমস্ত শক্তিকে একত্রিত করতে চেয়েছিলেন, হয়ত তিনি বেঁচে থাকলে তা সম্ভবও
-
অনুবাদ: আখতার-উন-নবী
কংগ্রেস হাউজ এবং জিন্না হল থেকে সামান্য কিছু দূরে একটি প্রস্রাবখানা আছে। সেটাকে বোঘের লোকেরা মুরী বলে। আশে-পাশের বিভিন্ন মহল্লার যাবতীয় ময়লা আবর্জনা সেই দুর্গন্ধময় কুঠুরীর বাইরে সব সময় স্তূপাকারে পড়ে থাকে। এমন দুর্গন্ধ ছড়ায় যে, মানুষকে নাকে রুমাল চাপা দিয়ে বাজার থেকে ফিরতে হয়।
একবার বড় অপারগ হয়ে তাকে সেই মুরীতে প্রবেশ করতে হয়—পেচ্ছাব করার জন্যে। নাকে রুমাল চেপে শ্বাস বন্ধ করে সেই দুর্গন্ধময় স্থানটিতে প্রবেশ করে। সারা মেঝেতে ময়লা-আবর্জনা বুদ্বুদের মতো ফুটে রয়েছে। দেয়ালগুলোতে মানুষের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যক্ষের ছবি বড় বিশ্রীভাবে চিত্রিত করে রেখেছে। সামনে কয়লা দিয়ে কে যেন লিখে রেখেছে—‘মুসলমানো কি বহেন কা পাকিস্তান মারা’।
শব্দগুলো
-
অনুবাদ: আখতার-উন-নবী
সোয়া চারটা বেজে গেছে। কিন্তু রোদের তেজ ঠিক দুপুর বারোটার মতোই কড়া ৷ সে বেলকনিতে এসে বাইরে তাকিয়ে দেখলো, একটি মেয়ে রোদের হাত থেকে বাঁচার জন্য একটি ছায়াদার বৃক্ষের নীচে বড় শ্লথ ভঙ্গীতে বসে আছে ৷
মেয়েটির গায়ের রঙ গাঢ় শ্যামলা। এতো গাঢ় যে, দেখতে তাকে বৃক্ষের ছায়ারই একটি অংশ মনে হয়। সুরেন্দ্র মেয়েটিকে দেখেই কাছে টানার জন্য তীব্র আকর্ষণ অনুভব করলে।। অথচ এই গরমের মধ্যে কাউকে কাছে আকর্ষণ করার মতো বাসনা তার না থাকারই কথা।
সময়টা বড় বাজে। প্রচণ্ড গরম। সোয়া চারটা বেজে গেছে। সূর্য অস্ত যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু সময়টা বড়ই বাজে। দরদর করে ঘাম ছুটছে
-
অনুবাদ: এ বি এম কামালউদ্দিন শামীম
চলচ্চিত্র নির্মাণের ব্যাপারে জহিরের সাথে সাঈদের সাক্ষাৎ হলে সাঈদ খুবই প্রভাবিত হলো। বোম্বেতে সেন্ট্রাল ষ্টুডিওতে জহিরকে দু’ একবার সে দেখেছে, কিছু আলাপও হয়েছে, কিন্তু লাহোরেই প্রথম বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা এবং দীর্ঘ সময় ধরে সাক্ষাৎ হয়।
লাহোরে চলচ্চিত্র প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অনেক, কিন্তু সাঈদ এ তিক্ত অভিজ্ঞতা লাভ করেছিল যে তাদের অধিকাংশের অস্তিত্বই শুধু সাইনবোর্ড পর্যন্ত সীমিত। আকরামের মাধ্যমে জহিরের সাঈদকে ডেকে পাঠানোর পর সাঈদ ভেবেছিল, জহিরও ওসব সাইনবোর্ড সর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের স্বত্ত্বাধিকারীদের মতোই একজন ভুয়া চিত্র-নির্মাতা, যারা লক্ষ লক্ষ টাকার কথা বলে, অফিস স্থাপন করে, ভাড়া করা ফার্নিচার এনে ঘর সাজায়, তারপর একদিন আশেপাশের হোটেলে টাকা বাকি
-
নূর হোসেন পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর আসাম ডিব্রুগড়ের রেলওয়ে ওয়ার্কশপের কাজে অপশন দিয়ে ঢাকায় চলে এলো। ডিব্রুগড়ের ওয়ার্কশপের শ্রমিকদের মধ্যে হিন্দুর চেয়ে মুসলমানই ছিল বেশী। তারা সবাই পূর্ব-পাকিস্তানের লোক। শুধু নূর হোসেন নয়, এরা সবাই ফিরে এল, একজনও বাকী রইল না। কেনই বা থাকবে? তারা ভালো ভালো লোকের মুখে শুনেছে, পাকিস্তান যখন আসবে, তখন দেশে অভাব, অনটন, অশান্তি, শোষণ, জুলুম, অত্যাচার কোনো কিছুই থাকবে না। পাস্তিানের মানুষেরা সবাই মানুষের মতো বেঁচে থাকার সুযোগ পাবে। এতোদিনে, এতো লোকের চেষ্টায়, এতো ক্ষয়-ক্ষতি, রক্তারক্তির পর সেই পাকিস্তান যখন এসেছে, তখন তাকে ছেড়ে এতো দূরে ওই বিদেশ-বিভূঁয়ে পড়ে থাকার কোনো মানে হয়?
কাজেই আর সকলের
-
দু’বছর সাজা খেটে জেল থেকে বেরিয়ে এলো হোসেন। তখন ১৯৫১ সালের শেষ ভাগ। হোসেন অনেক দিন আগে থেকেই শ্রমিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু এবার তাকে জেল খাটতে হয়েছে বিশুদ্ধ রাজনৈতিক কারণে। সেই ইতিহাসটা প্রথমে বলে নেওয়া দরকার। ১৯৪৯ সাল। তখন ক্ষমতাসীন মুসলীম লীগ সরকার দোর্দণ্ড প্রতাপে তার স্বেচ্ছাচারী শাসনকার্য চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের বিচারে সরকারের বিরুদ্ধে কোনো কিছু বলা বা কোনো কিছু করা রাষ্ট্রদ্রোহিতার নামান্তর। সরকারের অনাচার ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে যাঁরাই প্রতিবাদ করতে গেছেন অথবা সরকার যে কোনো কারণেই হোক, যাদের কার্যকলাপ আপত্তিকর বলে বিবেচনা করেছেন, তাদের সবাইকে বিনা বিচারে জেলখানায় আটক করা হয়েছে। আবার বহু রাজনৈতিক কর্মী, শ্রমিক কর্মী ও
-
শুধু বৃহত্তর ইউরোপে নয়, সমগ্র পৃথিবীর সাহিত্যানুরাগীদের কাছে মৌলিক, সহৃদয় ও বুদ্ধিদীপ্ত এক বিশ্লেষণে দস্তয়েভ্স্কিকে উপস্থিত করেছিলেন অঁদ্রে জিদ্। বলা যেতে পারে, পরবর্তীকালের দস্তয়েভ্স্কি ও রুশ সাহিত্যের ব্যাপক চর্চার মূলে আছে জিদের ওই অসাধারণ স্টাডি।
‘দস্তয়েভস্কি’-শীর্ষক গ্রন্থে সংকলিত বক্তৃতামালার এক জায়গায় জিদ্ বলেছেন: আমরা অর্থাৎ ফরাসীরা ফর্মুলা শুনতে ও প্রয়োগ করতে ভালবাসি। একজন লেখককে মার্কা দিয়ে শো-কেসে সাজিয়ে রাখার এটি একটি সহজ পথ। সহজে মনে রাখা যায় এমন তথ্যই আমরা চাই। আলাদা করে মাথা খাটাতে কে আর পছন্দ করে। ফর্মুলাগুলি এইরকম—। নীৎশে? দাঁড়াও বলছি, নীৎশে হল ‘দি সুপারম্যান। বি রুখলেস। লিভ ডেঞ্জারাসলি।’ তলস্তয় ‘নন-রেজিসটান্স টু ইভিল।’ ইবসেন? ‘নর্দার্ন মিস্টস।’ ডারউইন?
-
অনুবাদ: আশিস মুখোপাধ্যায়
আমিও তাদের মধ্যে একজন, যারা এমনকি একটি সাধারণ আকৃতির মূষিককেও বিরক্তিকর বলে মনে করে। সম্ভবত, তারা বিরক্তিতে মারা যেত, যদি তারা সেই বড়ো আকারের মূষিকটিকে দেখত; যেটি আমাদের প্রতিবেশী একটি গ্রামে কয়েক বছর আগে দেখা গিয়েছিল। এবং স্বভাবতই যেটি একরকম অল্পকালস্থায়ী প্রসিদ্ধি অর্জন করেছিল। তারপর অনেকদিন হল ঘটনাটি বিস্মৃতিতে ডুবে গেছে। এ ব্যাপারে কেবলমাত্র কিছু অস্পষ্টতা থেকে গেছে যা ব্যাখ্যা করা একেবারেই অসাধ্য। কিন্তু স্বীকার করা উচিত, সেটিকে ব্যাখ্যা করার জন্য সাধারণ মানুষ খুব একটা কষ্ট স্বীকার করেনি। এবং তাই, যে বিষয়টি নিয়ে তাদের ভাবা উচিত ছিল, যেহেতু তারা অনেক বেশী তুচ্ছ ব্যাপার নিয়ে ইতিপূর্বে প্রচুর আগ্রহ
-
পোর্তুগিজ বণিকেরা সপ্তগ্রাম বন্দরে আসে ১৫৩০ থেকে ১৫৩৭ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে। সেখান থেকে তারা ১৫৭৮ কিংবা ১৫৮০ সনে হুগলিতে যায়। ইংরেজরা বাংলাদেশে প্রথম বাণিজ্যকুঠি স্থাপন করে হুগলিতে, ১৬৫১ খ্রিস্টাব্দে। ডাচেরা চুঁচড়ায় তাদের কুঠি স্থাপন করে প্রায় ওই সময়েই। হুগলি শহরে ইংরেজদের কুঠি থাকায় ও হুগলি শহর ভাগীরথী নদীর তীরে অবস্থিত হওয়ায় ইংরেজরা ভাগীরথী বা গঙ্গানদীর নাম রাখে হুগলি নদী।
পোর্তুগিজদের ও ডাচেদের ৬০০ টনের কাঠের তৈরি পালের জাহাজ (Gally or Gallcon or Galleass) সাগরমুখ (Sindhead) থেকে হুগলি নদী দিয়ে প্রথম গার্ডেনরিচ ও বেতর পর্যন্ত চলে আসত, নদীতে অনেক বিপজ্জনক বাঁক ও চড়া থাকা সত্ত্বেও। পরে পোর্তুগিজ জাহাজ হুগলি ও ডাচ জাহাজ
-
জন্ম: কাজী আবদুল বারী [মাসুক মিয়া) ১৯৩৫ সালের' ২১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার মাতুলালয় কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার দশপাড়া গ্রামের খোন্দকার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতৃভূমি কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম। পিতা অষ্টগ্রাম সদরের কাজী পাড়ার কাজীবাড়ির সন্তান কাজী আবদুল আউয়াল ও মাতা কুমিল্লার দেবীদ্বার থানার দশপাড়া গ্রামের পীর খোন্দকার কবীর উদ্দিনের কন্যা আফরোজা বেগম। কাজী আবদুল আউয়াল ছিলেন অষ্টগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রতিষ্ঠাতা-প্রধান শিক্ষক। পরে তিনি প্রথমে খাদ্য পরিদর্শক ও শেষে ময়মনসিংহ জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট হিসেবে আইন পেশায় যোগদান করেন।
শিক্ষা: নিজ গ্রাম অষ্টগ্রামে প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হলেও দু'তিন বছরের মধ্যেই কাজী আবদুল বারী তার পিতার কর্মস্থল ঢাকার আরমানিটোলা বিদ্যালয়ে ভর্তি হন।
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- গদ্য
- জীবনী
- বাংলা
- আন্দোলন
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- কবিতা
- নজরুল
- রমন্যাস
- লেখক
- ছোটগল্প
- নদী
- ফুল
- স্মৃতিকথা
- মুক্তিযুদ্ধ
- সাংবাদিকতা
- শিশুতোষ
- পশ্চিমবঙ্গ
- বঙ্গবন্ধু
- ভাষণ
- ভাষা
- সমাজ
- গণহত্যা
- পাকিস্তান
- ভারত
- যুক্তরাষ্ট্র
- অনুবাদ
- পুঁজিবাদ
- বইমেলা
- রবীন্দ্রনাথ
- কিশোর
- রূপকথা
- ভৌতিক
- জাতীয়
- জাতীয়তাবাদ
- বিজ্ঞান
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- ইংরেজি
- যুদ্ধ
- রাশিয়া
- ছাত্র আন্দোলন
- সাম্রাজ্যবাদ
- বই
- সমালোচনা
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- বিপ্লব
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- ফ্যাসিবাদ
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- হিন্দু
- সংঘর্ষ
- ঢাকা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- আইন
- সংবিধান
- আর্টিস্ট
- চীন
- ময়মনসিংহ
- লোককাহিনী
- ভূমিকা
- গবেষণা
- সিলেট
- ব্যাঙ্গাত্মক
- বিজ্ঞানী
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- অভ্যুত্থান
- নারী
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- শৈশব
- চট্টগ্রাম
- সরকার
- চিঠি
- অতিপ্রাকৃত
- গান
- আলোচনা
- কারুশিল্প
- খুলনা
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- রংপুর
- আত্মজীবনী
- দুঃসাহসিক
- কলকাতা
- লালন
- চিরায়ত
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- অর্থনীতি
- যুক্তরাজ্য
- সংবাদ
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪০)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (৪)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (২)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (১৯)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৩)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৮)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.