সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
বাড়ি বসিয়া লিখিতেছিলাম। সকালবেলাটায় কে আসিয়া ডাকিল— জ্যাঠামশাই?.একমনে লিখিতেছিলাম, একটু বিরক্ত হইয়া বলিলাম—কে?
বালিকা-কণ্ঠে কে বলিল—এই আমি, হাজু।
—হাজু? কে হাজু?
বাহিরে আসিলাম। একটি ষোলো-সতরো বছরের মলিন বস্ত্র পরনে মেয়ে একটি ছোটো ছেলে কোলে দাঁড়াইয়া আছে। চিনিলাম না। গ্রামে অনেকদিন পরে নতুন আসিয়াছি, কত লোককে চিনি না। বলিলাম—কে তুমি?
মেয়েটি লাজুক সুরে বলিল—আমার বাবার নাম রামচরণ বোষ্টম।
এইবার চিনিলাম-রামচরণের সঙ্গে ছেলেবেলায় কড়ি খেলিতাম। সে আজ বছর পাঁচ-ছয় হইল ইহলোকের মায়া কাটাইয়া সাধনোচিত ধামে প্রস্থান করিয়াছে সে সংবাদও রাখি। কিন্তু তাহার সাংসারিক কোনো খবর রাখিতাম না। তাহার যে এতবড়ো মেয়ে আছে, তাহা এখনই জানিলাম।
বলিলাম—ও! তুমি রামচরণের মেয়ে? বিয়ে হয়েছে দেখচি,
-
লেখক: দাউদ হোসেন
তেতাল্লিশতম ‘কোলকাতা আন্তর্জাতিক পুস্তক মেলা’য় সংঘ প্রকাশন-এর স্টলে বসে আমি তাঁকে[★]করজোড়ে অনুনয় করে বললাম, দেখুন দাদা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে আমার বিশেষ কোন ভূমিকা নেই, অন্ততপক্ষে যেমনটা থাকলে সেটার একটা স্মৃতি থাকতে পারতো তেমনটা তো নেই-ই। তাই এ যাত্রায় আমাকে ক্ষমা করে দিন। আর এমনিতেই আমি কোন কবি সাহিত্যিক নই যে, কলম ধরে ফসফস্ করে দু’চার পাতা লিখে দেবো। সবচেয়ে বড় কথা আমার হাতে এখন কিছু অন্তিম কাজ আছে—আমার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আগেই সেগুলি সম্পূর্ণ হওয়া দরকার। মহামতি কার্ল মার্ক্সের পুঁজি’র তৃতীয় খণ্ডের সংঘ-সংস্করণের কাজ চলছে—এটা সমাধা হলেই আপনার ‘জলঘড়ি'র জন্য এক সেট বই সৌজন্য হিসেবে দিয়ে দেবো। কিন্তু
-
রাধাকৃষ্ণ
প্রকৃতির সব অনু-পরমাণু থেকে, মাটি গাছপালা লতাপাতা, সব জীবজন্ত মানুষের ভেতরের আত্মা থেকে এই ক্রন্দন, এক তীব্র আবেগ, একটিই কামনা, একটাই বোধ পরমাত্মার জন্যে “প্রতি অঙ্গ কাঁদে মোর প্রতি অঙ্গ লাগি”।
রাধা যখন কৃষ্ণের উদ্দেশ্যে এ জাতীয় প্রেমবাণী উচ্চারণ করেন কিংবা তাঁদের ‘অবৈধ’ প্রেমলীলা যখন সামাজিক নিয়মকানুন, শৃঙ্খলাকে পদদলিত করতে উদ্যত হয় তখন সমাজের শৃঙ্খলা রক্ষাকারীরা বলেন, “রাধা হচ্ছে প্রকৃতির প্রতীক আর কৃষ্ণ হচ্ছে পরমাত্মা; কাজেই তাদের যে প্রেমলীলা অবৈধ মনে হচ্ছে তা আসলে পাথির্ব মানবিক কিছ নয়; অতিমানবিক। তাদের মিলন আসলে আত্মার সঙ্গে পরমাত্মার মিলন।” কাজেই তার অবৈধ হবার সুযোগ নেই।
পরমাত্মার ছোঁয়া পাবার জন্যে মানুষের, প্রকৃতির অনুপরমাণু,
-
পুশকিন ছিলেন রাশিয়ার বসন্ত, পুশকিন ছিলেন রাশিয়ার সকাল, পুশকিন ছিলেন রূশী আদম। দান্তে এবং পেত্রার্ক ইতালীর জন্যে যা করেছিলেন, সতেরো শতকে সাহিত্যের অতিকায় বরপুত্রগণ ফ্রান্সের জন্যে যা করেছিলেন, এবং জার্মানদের জন্যে যা করেছিলেন লেসিং, শিলার আর গ্যাটে, পুশকিন তা-ই করেছিলেন আমাদের জন্যে।' এই উত্তি আবেগতাড়িত কোনো তরুণ কবির নয়, বৃদ্ধিদীপ্ত, যুক্তিনিষ্ঠ, বিদগ্ধ রুশ সাহিত্যসমালোচক আনাতিল ল,নাচারিস্কির। অসম্ভব কোনো রুশীর পক্ষে পুশকিন বিষয়ে বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত না হওয়া। আমরা যারা বাঙালি তাদের পক্ষেও কি সম্ভব রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে আবেগরহিত কোনো উত্তি করা? যে-কোনো শিক্ষিত রূশীর সত্তার অন্তর্গত আলেক-জান্দর পুশকিন। রাশিয়ার জাতীয় কবি তিনি; রুশ ভাষার অন্য কোনো কবি তাঁর সমকক্ষ নন; তাঁর
-
সাজ্জাদ জহীর ১৯৬৫ সালে ‘প্রগতি সাহিত্য আন্দোলনের তিরিশ বছর’ নাম দিয়ে একটি প্রবন্ধ লেখেন নিজ মাতৃভাষা উর্দুতে। এই প্রবন্ধটি তাঁর মৃত্যুর পরে একটি সংকলনের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৩৫ থেকে ১৯৬৫, এই তিরিশ বছরের প্রগতি সাহিত্যের ইতিবৃত্ত বিশ্লেষণে রবীন্দ্রনাথ এসেছেন পুরোভাগে। এতে রবীন্দ্রনাথের একটি দুষ্প্রাপ্য বক্তব্য এবং রবীন্দ্রনাথ সম্বন্ধে সাজ্জাদ জহীরের মূল্যায়ন আমাদের মনে করিয়ে দেয় রবীন্দ্রনাথ নব নব প্রজন্মের কাছে কত প্রাসঙ্গিক।
সাজ্জাদ জহীর এই প্রবন্ধে লিখেছেন: “প্রেমচাঁদ, জোশ মলিহাবাদী ও সুমিত্রানন্দন পন্থ প্রগতি লেখক সংঘ ও তার আন্দোলনকে বৈপ্লবিক প্রেরণা জুগিয়েছিলেন। তবে এঁদের সবাইকে সম্ভবত বক্তব্যের দিক থেকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।”
এই বক্তব্যের যুক্তি হিসাবে সাজ্জাদ জহীর
-
উপনিবেশিক সাম্রাজ্যবাদী শৃঙ্খলে আবদ্ধ উপমহাদেশে সকল ভাষাভাষী জনগণের সম্মিলিত জাতীয় মুক্তির অভ্যুদয়ে সমাজতান্ত্রিক ভাবধারা ও শ্রমজীবী শ্রেণীর আন্তর্জাতিক ভ্রাতৃত্বের প্রসার সাধনে, কমিউনিস্ট সংগঠন গড়ে তোলার কাজে এবং প্রগতিবাদী লেখক-লেখিকাদের সমবায়ী প্রয়াসে সাজ্জাদ জহীরের বহুমুখী অবদান রয়েছে। তিনি অবশ্য প্রধানতঃ ১৯৩৫ থেকে সত্তরের দশকের শুরু পর্যন্ত প্রগতি সাহিত্যের কর্ণধার হিসাবে পরিচিত। তিনি একাধারে একদিকে যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও প্রেমচাঁদের মতো দিকপাল প্রবীণদের গণমুখী সাহিত্যের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ব্রতী নবীন লেখক-লেখিকাদের দলবাঁধা প্রয়াসের মধ্যে নিয়ে এসেছিলেন, তেমনি এই ঐক্যের ধারাকে প্রত্যক্ষভাবে সাম্রাজ্যবাদ ও তার দেশীয় তাঁবেদার কায়েমী স্বার্থবাদীদের বিরুদ্ধে বিরাট বিরাট গণ-অভ্যুদয়ে শরিক করে বিপর্যয়ের অগ্নিপরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ করেছিলেন।
১৯৭৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ৬৮ বছর
-
লেখক: মঈন চৌধুরী
[আমি মানুষ, তুমি মানুষ, সৃষ্টির সেরা আশরাফুল মুখলোকাত। তোমার আর আমার মাঝে এমন সব গুণ সৃষ্টিকর্তা দিয়েছেন যার ফলে আমরা হয়েছি ফেরেশতা কিংবা জ্বীন থেকে অনেক অনেক মহৎ। আমাদের মাঝেই ঈশ্বর স্থাপন করেছেন দেবতার গুণাবলী; আমরা হয়েছি ঈশ্বরের অবতার। সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত এই গুণাবলীকে কেন্দ্র করেই মাঝে মধ্যে আমরা জন্ম নিচ্ছি পীর, ফকির, সাধু, সন্ন্যাসী কিংবা সমাজ সংস্কারক হিসেবে। মানবত্বের বাণী প্রচার করে আমরা তোমাদের জীবন আর সমাজকে সুন্দর করব, আমরা জাগিয়ে তুলব তোমাদের বিবেককে। তোমরা যদি আধুনিক যুক্তিবাদী হও, যদি অবিশ্বাস কর সাধু, সন্ন্যাসী, পীর, ফকির কিংবা ধর্মকেন্দ্রিক সমাজ সংস্কারকের ভূমিকা, তবু আমরা মানবত্ব প্রচারের তাগিদেই বারবার
-
লেখক: ড. তাইবুল হাসানলেনিনের নেতৃত্বে রাশিয়ায় বলশেভিক পার্টি' যে সফল সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব করেছে তা'কোন আকস্মিক ঘটনা নয়। লেনিনের রচনায় স্পষ্ট প্রতিয়মান যে এই বিপ্লবের পশ্চাতে রয়েছে রুণ বিপ্লবী আন্দোলনের সুদীর্ঘ ইতিহাস। বুর্জোয়া কিছু ইতিহাসবিদ সমাজবিজ্ঞানীরা বস্তুনিষ্ঠতার পরিবর্তে রুশ বিপ্লবের ইতিহাসকে বিকৃত করে মূলতঃ সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের গভীরতাকে খাট করে দেখার চেষ্টা করেছেন। তারা বলশেভিক বিপ্লবকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মুষ্টিমেয়দের ক্ষমতা দখল বলে অভিহিত করেছেন। আলোচ্য অধ্যায়ে লেনিনের রচনার আলোকে রুশ বিপ্লবী আন্দোলনের ঐতিহাসিক দ্বন্দ্ব এবং শ্রেণী সংগ্রামের তীব্রতার চূড়ান্ত পর্যায়ে রাশিয়ার শ্রমিক কৃষক ও মেহনতী মানুষরা যে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে তার পূর্বকথা আলোচিত হয়েছে।রাশিয়ার বিপ্লবী আন্দোলনের ইতিহাসকে লেনিন তিনটি অধ্যায়ে
-
সেই যে ১৯৬২ সালে আনিস স্যারের অধ্যাপনায় মুগ্ধ হয়েছিলাম আজ অবধি সেই মুগ্ধতায় চিড় পড়ে নি। বাংলা বিভাগে পড়ার আগে থেকেই স্যারের গুণমুগ্ধ হয়েছিলাম আমার দুই ভাই মুনীর চৌধুরী (শহীদ) ও আব্দুল হালিম (প্রয়াত) এবং বোন মমতাজ বেগমের সূত্রে নানা প্রসঙ্গে তাঁর প্রগতিশীল চিন্তাধারা ও কর্মকান্ড জেনে। সে সময়টা ছিল ছাত্র আন্দোলন, হল নির্বাচন, 'ডাকসু' নির্বাচন, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড, কবিতা-পত্রিকা প্রকাশনা, গল্প, সাহিত্যচর্চা, একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবসকে কেন্দ্র করে নানা কর্মকান্ডের যুগ। প্রায় প্রতিদিনই আমরা ছাত্র-ছাত্রীরা উদ্বুদ্ধ থাকতাম ক্লাসের লেখাপড়া, লাইব্রেরির পড়াশোনা এবং অবসর সময়ে কাব্য-গদ্য চর্চায়। বাংলা বিভাগের অধ্যাপকদের প্রায় সকলেই আমাদের উৎসাহ দিতেন। তাঁদের মধ্যে মুহম্মদ আবদুল হাই, মোফাজ্জল
-
বাংলাদেশে বিদ্বজ্জনের একেবারে আকাল পড়ে নি, জ্ঞান-সাধনায় নিমগ্ন মানুষও দুর্লক্ষ্য নয়, কিন্তু বাঙালি মনীষা আমি বিশেষ দেখতে পাই না। বাঙালির মনস্বিতার একটি আলাদা মাত্রা রয়েছে, এর গড়নটি আমরা পরিপূর্ণভাবে বুঝি পাই পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মধ্যে, উনিশ শতকের বঙ্গীয় সমাজে। তিনি জ্ঞানের সাধক বটে, তবে বিশুদ্ধ জ্ঞান বলতে যেমন পরীক্ষাগারের শীতলতা বোঝায় তার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা রক্তমাংসের সজীব এই সাধনা, যে-সাধনার পরতে পরতে মিশে থাকে মানবিকতা। জ্ঞানোপলব্ধি সাধককে সমকালীন সমাজ থেকে অনেক অগ্রসর করে দিলেও সেই অগ্রমান্যতা তিনি মানতে রাজি নন, বরং পরম নিষ্ঠা ও একাগ্রতা নিয়ে ব্রতী থাকেন সকলকে সেই অগ্রবর্তিতার সাথী করে নিতে। এমন প্রবলভাবে সামাজিক মনস্বিতাকেই আমি বলব
-
লেখক: সনৎকুমার সাহা
অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের আমি ছাত্র হতে পারি নি। পড়াশোনা করেছি মফস্বল শহরে। এখনও সেখানেই পড়ে আছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর সহকর্মী হবারও তাই কোনো সুযোগ ঘটে নি। ঢাকা-চট্টগ্রাম দুই-ই আমার কাছে অনেক দূরের। তাঁর কর্মক্ষেত্র প্রধানত ঢাকা। মাঝখানে একটা উল্লেখযোগ্য অংশ চট্টগ্রাম। তাঁকে ঘিরে মেধার চর্চা ওই দুই জায়গাতেই। এখানেও কখনো কখনো আসেন। তবে অতিথি হয়। প্রতিদিনের কাজে আমরা তাঁকে পাই না। তাই বলে তিনি দূরের মানুষ নন। আসলে যখন আমরা ছাত্র, তখনই তাঁর নাম জানি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রত্ন। খ্যাতি তাঁর সারা দেশে ছড়ায়। মনে মনে তাঁকে আদর্শ বলে মানি। তিনি অবশ্য তা জানতেও পারেন না।
বিপুল অধ্যয়নের সঙ্গে মানবমুক্তির
-
১৯৫০ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাঁওতাল অধ্যূষিত এলাকা নাচোলে যে রক্তক্ষয়ী কৃষক বিদ্রোহ সংঘটিত হয় তাঁর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রামচন্দ্রপুরের জমিদার পুত্রবধূ বিপ্লবের অগ্নিকন্যা ইলা মিত্র (১৯২৫-২০০২)। এলাকায় তিনি পরিচিতা ছিলেন ‘বধূমাতা’ হিসেবে। ১৯৪৫ সালে রামচন্দ্রপুরের জমিদার পুত্র কমিউনিস্ট কর্মী রমেন মিত্রর সঙ্গে বিয়ে হয়। এবং এক সময় তিনি নিজে স্বামীর মত ও পথের সহযাত্রী হন। প্রথম রামচন্দ্রপুরে স্থাপন বালিকা বিদ্যালয়। তারপর আর থেমে নেই। ১৯৪৬ সালে হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা প্রতিহত করতে এক বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। সে বছর বাগেরহাটের মৌভোগে যে ঐতিহাসিক বঙ্গীয় কৃষাণ সভার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় চির অবহেলিত কৃষকদের তে-ভাগা আন্দোলনের। সে আন্দোলনের নেতৃত্বদান করেন ইলা মিত্র।
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- আন্দোলন
- ছোটগল্প
- পাকিস্তান
- ভাষা
- গদ্য
- জীবনী
- বাংলা
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- ভারত
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- অনুবাদ
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- শিশুতোষ
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- স্মৃতিকথা
- নারী
- বই
- চলচ্চিত্র
- পশ্চিমবঙ্গ
- সমালোচনা
- মুক্তিযুদ্ধ
- ভৌতিক
- চট্টগ্রাম
- উদ্ভিদ
- ঢাকা
- পরিবেশ
- ভাষণ
- সাংবাদিকতা
- মধ্যপ্রাচ্য
- যুদ্ধ
- গবেষণা
- সিলেট
- কবিতা
- চিরায়ত
- কিশোর
- রূপকথা
- আলোচনা
- নদী
- ইংরেজি
- গণহত্যা
- পুঁজিবাদ
- ছাত্র আন্দোলন
- যুক্তরাষ্ট্র
- সাম্রাজ্যবাদ
- গান
- ফ্যাসিবাদ
- রবীন্দ্রনাথ
- লেখক
- বিজ্ঞান
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- সমাজ
- অভ্যুত্থান
- কলকাতা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- সংবাদ
- সরকার
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- আত্মজীবনী
- খুলনা
- বইমেলা
- বিপ্লব
- ব্যাঙ্গাত্মক
- বিজ্ঞানী
- নজরুল
- অর্থনীতি
- রংপুর
- আইন
- সংবিধান
- শৈশব
- বঙ্গবন্ধু
- অতিপ্রাকৃত
- রাশিয়া
- চিঠি
- রমন্যাস
- ভূমিকা
- নারীবাদী
- এনজিও
- ফিচার
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- জাতীয়তাবাদ
- কারুশিল্প
- জাতীয়
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- দুঃসাহসিক
- ফুল
- লালন
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- আর্টিস্ট
- ময়মনসিংহ
- লোককাহিনী
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৫৩)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (৪)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৮)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (৩)
- ১৯৮৬ (২)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (২)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৫)
- ১৯৭৮ (১)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (১৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (৩)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৭ (১)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬৫ (২)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৫ (৭)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯২৩ (১)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এম এম আকাশ (২)
- এমদাদুল হক মিল্লাত (১)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জে এ কাউচুমো (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নারায়ণ চৌধুরী (৩)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৩)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মওলানা হোসেন আলী (১)
- মণি সিংহ (১)
- মফিদুল হক (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (৯)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৪)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লুনা নূর (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৪)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনির্মল বসু (৩)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সের্গেই বারুজদিন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৮)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (৩)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.