সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের মধ্যে ‘মুজিববাদ’ এবং ‘বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র’ এই দুই শ্লোগানের পরিচয়ে এক দ্বিধা-বিভক্তি ক্রমশ প্রকাশ পেতে থাকে ৷ ঐ বৎসরের ২৩শে জুলাই একই সময়ে রেসকোর্স এবং পল্টন ময়দানে পৃথক পৃথক সম্মেলন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছাত্রলীগের এই দ্বিধা-বিভক্তি চূড়ান্ত সাংগঠনিক রূপ লাভ করে। একদিকে যখন ‘মুজিববাদ’-পন্থী ছাত্রলীগ দেশে ‘মুজিববাদ’ প্রতিষ্ঠার শপথ নেয়, অন্যদিকে ‘বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রে’র অনুসারী ছাত্রলীগ দেশে ‘শ্রেণী সংগ্রামের মাধ্যমে সামাজিক বিপ্লব সংঘটিত করে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রতিজ্ঞা নেয়। ১৭ই সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবস উপলক্ষে পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগের জনসভায় আ স ম আবদুর রব একটা পার্টি গঠন করার ইঙ্গিত দেন। ৩১শে অক্টোবর মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) জলিল এবং আ স
-
বাংলাদেশে সর্বহারা পার্টি আর পশ্চিম বাংলার নকশালপন্থী। শাসকগোষ্ঠী এবং জোতদার ও বিত্তশালীদের দৃষ্টিতে ‘ভয়াল’ ও ‘ভয়ংকর’। এবারের প্রতিবেদন হোচ্ছে ১৯৮৯ সালে পশ্চিম বাংলার নকশালপন্থীদের হাল-হকিকত সম্পর্কিত। অনেকের মতে, ১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৮০ পর্যন্ত মোট তেরো বছরের নকশাল আন্দোলন এখন বিস্মৃতির অন্তরালে হারিয়ে যাওয়া ইতিহাসের অধ্যায় মাত্র। কিন্তু বাস্তবে কি তাই?
তা'হলে তো গোড়া থেকেই সংক্ষিপ্ত আকারে কথাগুলো বোলতে হোচ্ছে। বাংলাদেশের উত্তর সীমান্তের ওধারে শিলিগুড়ি। আর এই শিলিগুড়ির অদূরে ৩টি থানা যথাক্রমে ‘ফাঁসি দেওয়া’, ‘খড়িবাড়ি’ এবং ‘নকশালবাড়ি’। আজ থেকে ২২ বছর আগে এই এলাকার শোষিত ক্ষেতমজুর এবং চা-বাগানের শ্রমিকদের নেতৃত্বে ঘোষিত হোয়েছিলো এক ‘রক্তাক্ত সশস্ত্র বিপ্লব’। নেতার নাম কমরেড চারু মজুমদার।
-
একটি প্রতিষ্ঠানের পঁচিশ বছর বা রজতজয়ন্তী নিছক একটি মাইলফলক নয়, এটি হচ্ছে আত্মমূল্যায়নের আয়না, অভিজ্ঞতার ভান্ডার, সৃষ্টির নেপথ্য সংগ্রামের ইতিহাস। ‘উৎস প্রকাশন’-এর (২০০১-২০২৫) রজতজয়ন্তী সে রকমই একটি গৌরবোজ্জ্বল মূহূর্ত; যার জন্ম, বিকাশ এবং প্রতিষ্ঠায় আছে একজন নিরলস, মেধাবী, স্বপ্নবান মানুষের নিরবধি শ্রম, একাগ্রতা ও শিল্পবোধ। তিনি মোস্তফা সেলিম। প্রকাশক হিসেবে যেমন তিনি অনন্যতা অর্জন করেছেন, তেমনি লেখালেখি ও গবেষণায় নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন সমীহ জাগানো উচ্চতায়। তিনি, সিলেটি নাগরীলিপির নবজাগরণের পথিকৃৎজন। ‘নাগরীলিপিবিদ’ হিসেবে একাডেমিক অঙ্গনে তাঁর রয়েছে স্বীকৃতি। ফোকলোর এবং মুক্তিযুদ্ধ গবেষক সেলিম ভ্রমণ নিয়েও একাধিক গ্রন্থ উপহার দিয়েছেন পাঠককে। প্রতিভাময় বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব মোস্তফা সেলিম পেশাজীবনের এক স্বর্ণক্ষণে পদার্পণ করেছেন এ-বছর।
-
II ১ II
(ক)
জাসদ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের চরিত্র এবং পুঁজিবাদবিরোধী সংগ্রামের সাথে তার সঠিক আন্তঃসম্পর্ক কি করে বুঝবে, কারণ কে যে সাম্রাজ্যবাদ, সে সম্বন্ধেই তো সে এখনও মনস্থির (!) করে উঠতে পারেনি!
১৯৭৪ সালে তারা যে ‘থিসিস’ প্রকাশ করেছিলেন, তার শুরু হয়েছিল ‘আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি’ আলোচনার মধ্য দিয়ে। সেখানে বেশ কৃতিত্বের (!) সাথে আবিষ্কার করা হয়েছিল যে, “ষাটের দশক থেকে আধিপত্য স্থাপনের প্রতিযোগিতায় সংশোধনবাদীদের নেতৃত্বে রাশিয়ার অবতরণ বিশ্বসংকটের চরিত্রে এক ব্যাপক পরিবর্তন সাধন করেছে। সমাজবাদ ও সাম্রাজ্যবাদী শিবিরের বিরোধ এবং সাম্রাজ্যবাদী শক্তিসমূহের নিজেদের মধ্যেকার বিরোধের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দুই বৃহৎ শক্তি রাশিয়া ও আমেরিকার আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগিতা। ফলে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে
-
লেখক: ড. তাইবুল হাসানলেনিনের নেতৃত্বে রাশিয়ায় বলশেভিক পার্টি' যে সফল সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব করেছে তা'কোন আকস্মিক ঘটনা নয়। লেনিনের রচনায় স্পষ্ট প্রতিয়মান যে এই বিপ্লবের পশ্চাতে রয়েছে রুণ বিপ্লবী আন্দোলনের সুদীর্ঘ ইতিহাস। বুর্জোয়া কিছু ইতিহাসবিদ সমাজবিজ্ঞানীরা বস্তুনিষ্ঠতার পরিবর্তে রুশ বিপ্লবের ইতিহাসকে বিকৃত করে মূলতঃ সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের গভীরতাকে খাট করে দেখার চেষ্টা করেছেন। তারা বলশেভিক বিপ্লবকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মুষ্টিমেয়দের ক্ষমতা দখল বলে অভিহিত করেছেন। আলোচ্য অধ্যায়ে লেনিনের রচনার আলোকে রুশ বিপ্লবী আন্দোলনের ঐতিহাসিক দ্বন্দ্ব এবং শ্রেণী সংগ্রামের তীব্রতার চূড়ান্ত পর্যায়ে রাশিয়ার শ্রমিক কৃষক ও মেহনতী মানুষরা যে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে তার পূর্বকথা আলোচিত হয়েছে।রাশিয়ার বিপ্লবী আন্দোলনের ইতিহাসকে লেনিন তিনটি অধ্যায়ে
-
মেঘালয়ের তুরাতে এফ জে সেক্টরে মুক্তিবাহিনীর ট্রেনিং সেন্টারে দীর্ঘ আট মাস মোটিভেশনের দায়িত্বে ছিলাম। এই কয়মাসে প্রায় ১৬ হাজার মুক্তিবাহিনীর সদস্য আমার হাত দিয়ে শপথ নিয়ে দেশের অভ্যন্তরে ঢোকে। আমি নিজেও দীর্ঘ চার মাস গেরিলা ট্রেনিং গ্রহণ করি। টাঙ্গাইলের গেরিলা নেতা কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে সর্বপ্রথম আমার প্রত্যক্ষ যোগাযোগ হয়। মুক্তিবাহিনীর ছেলেদের ট্রেনিং গ্রহণ করার পর টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহের ভাল ভাল ছেলেদের সরাসরি কাদের সিদ্দিকীর নিকট পাঠিয়ে দেই।কাদের সিদ্দিকীর জন্য কিছু (উচ্চমানের) অস্ত্রশস্ত্র পাঠানোর ব্যাপারে আমি ভারতীয় উক্ত সেক্টরের বিগ্রেডিয়ার সাচ্চু সিংহের সঙ্গে দেনদরবার করি। এই খবর পাক বাহিনী পায়। ফলে আমার স্ত্রী-পুত্র-পরিবারকে বন্দী করে তাদেরকে কঠোর ইন্টারগেশন করে। অবশ্য অন্য কোন
-
‘হযরত হাসানের পবিত্র মাযার যেন আমার তরফ থেকে এক টুকরো কাপড়ে ঢেকে দেওয়া হয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় টাকা রাখা আছে আমার পুত্র শাহ্জাদা আযমের কাছে। টুপি সেলাই করে আমার উপার্জিত চার টাকা দু’আনা রয়েছে আয়া বেগার কাছে। সে টাকাটা আমার কাফনের জন্য ব্যয় করবে। কুরআন শরীফ নকল করে মজুরি বাবদ যে তিন শ’ পাঁচ টাকা আমি পেয়েছি, তা যাবে আমার নিজস্ব তহবিলে। আমার মৃত্যুর দিনে সে টাকা গরীবদের ভেতর বিলিয়ে দেবে। আমার মাথা অনাবৃত রেখে আমাকে কবর দিও, আমি যেন সর্বশক্তিমান আল্লাহ্র করুণা দেখতে পাই। আমার মৃতদেহ সবচেয়ে কাছের গোরস্থানে বয়ে নিয়ে যাবে। অনাবশ্যক কফিনে না রেখে কবরের মাটিতে শুইয়ে
-
চলতি বছরের গোড়ার দিকে এক মার্কিন সাংবাদিক বৈরুতে এসেছিলেন যুদ্ধসংঘাতপূর্ণ এলাকার বালকদের জীবন নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রণয়নের উদ্দেশে। সেখানে তিনি ছয় মাসের শিশু ‘প্যালেস্টাইনের’ দেখা পান—১৯৮১ সালের জুলাইতে বৈরুতের আবাসিক অঞ্চলে ইজরায়েলের নৃশংস বিমান হামলার সময় শিশুটির জন্ম। বোমা-বিধ্বস্ত এলাকার রাজপথে পড়েছিলো রক্তাক্ত মায়ের মৃতদেহ। চারপাশের ধ্বংসের মাঝে বিস্ময়করভাবে বেঁচে যাওয়া সদ্য-প্রসূত শিশুটির কান্না সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। মৃতা মায়ের কোনো পরিচয় উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং নবজাতককে বুকে তুলে নিল যে উদ্বাস্তু পরিবার তারা শিশুটির নাম রেখেছিলেন ‘প্যালেস্টাইন’। দুঃখের অসীম পাথারে বহমান জীবনের সাক্ষ্য বহন করে চলেছে যে শিশু, নিশ্চিতভাবেই সে মূর্ত প্রতীক হয়ে উঠেছে আপন জাতির বেদনাময় কিন্তু,
-
অক্টোবর বিপ্লব ও গ্রামের গরিব
আজ যে কাহিনী বলিব, ৭০ বৎসর আগে তাহার শুরু হইয়াছিল। রাশিয়ায় শ্রমিক, ক্ষেতমজুর আর কৃষকরা মিলিয়া—জোট বাঁধিয়া ঘটাইয়াছিল এই মহান ঘটনা। ইহার ফলে সারা দুনিয়ার নগরবাসী বড়লোকদের বুক কাঁপিয়া উঠিয়াছিল। শ্রমিক আর গ্রামের গরিবদের ভাগ্য বদল সেই দিন হইতে শুরু হইয়াছিল রাশিয়ায়। তারপর তাহাদের দেখাদেখি আরো কয়েকটি দেশের খাটিয়া খাওয়া শোষিত মানুষরা এইরূপ ঘটনা ঘটাইল। আর এখন সারা দুনিয়ার শ্রমিক আর গ্রামের গরিব মানুষদের কাছে যতই ধরা পড়িতেছে কিভাবে তাহারা ঠকে, ততই তাহারা এই রকম ঘটনা ঘটাইবার যোগাড় করিতেছে।
আজ হইতে ৭০ বৎসর আগে ইংরেজি ১৯১৭ সালে রাশিয়ার শ্রমিক আর গ্রামের গরিব মানুষ সারা দেশময়
-
দাঁড়াও, পথিকবর।
এই দেশে ত তোমার জন্ম। একবার দাঁড়াও। একটু দাঁড়াও। তুমি ত সীমার নও। কারবালার যুদ্ধের পর ইমাম হোসেনের কাটা শির নিয়ে দামেস্ক নগরীর দিকে ধাইছ। হঠাৎ এসে পড়েছো। কেউ ত এদিকে আসে না। যখন এসে পড়েছ, একটু দাঁড়াও।
আমি জানি, কেন এমন বে-পথে তুমি এসেছ। বন-জঙ্গলের পথে কেউ হাঁটে না। কিন্তু বাঙলাদেশের মোহিনী মায়া সকলকে টেনে নিয়ে যায়। আর তোমার জন্ম ত এই বঙ্গে। তুমি বে-পথু হবে, তা আর আশ্চর্য কী?
কতো দরিদ্র আমাদের গ্রাম। কী আছে মানুষের সম্পদ? একটা খড়ো ঘর বা কুটির। এক চিলতে উঠান। হয়ত কয়েকটা কলাগাছ বা বাঁশগাছ বাস্তুর ধারে। দুনিয়ার দৌলত নেই। সেই
-
রাশিয়া ছিল শিল্পের দিক থেকে অনুন্নত দেশ। সেই কারণে এ দেশে শ্রমিক আন্দোলনের সূচনা হয় কেবলমাত্র উনিশ শতাব্দীর শেষ দশকের মধ্যে, যখন অন্যান্য বেশ কয়েকটি দেশের শ্রমিক শ্রেণি ব্যাপকভাবে বিপ্লবী সংগ্রাম শুরু করে দিয়েছে—১৮৭১ সালের প্যারি কমিউন ও ১৮৪৮ সালের বিপ্লবের অভিজ্ঞতা তাদের পিছনে। আন্তর্জাতিক শ্রমিক আন্দোলনের মহান বিপ্লবী নেতা মার্কস এবং এঙ্গেলস বিপ্লবী সংগ্রামের মধ্যে থেকে পোক্ত হয়ে উঠেছিলেন। সামাজিক বিকাশের পথ মার্কসবাদ উজ্জল করে তুলেছে, পুঁজিবাদের বিনাশ এবং সে জায়গায় কমিউনিজমের প্রতিষ্ঠা যে অনিবার্য তা প্রকাশ করে দিয়েছে। দেখিয়েছে সমাজের নতুন রূপ বিকাশের পথ। শ্রেণি সংগ্রামের পথ, সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের পথ। এই সংগ্রামে প্রলেতারিয়েতের ভূমিকা কী তা ব্যাখ্যা করে
-
১৯৩৭ ও ১৯৩৮ সালে কংগ্রেসের ভিতর থেকে অনেকেই আমাদের জিজ্ঞাসা করতেন যে, আলাদা কৃষক সভা গড়ার আবার কী দরকার আছে? কংগ্রেসই তো কৃষক সভা, কংগ্রেসের দ্বারাই কৃষকদের দাবি-দাওয়ার আন্দোলন ও লড়াই চলতে পারে। কংগ্রেসের ভিতর থেকে কেউ কেউ আমাদের বিরুদ্ধে এই নালিশও করেছেন যে, কৃষক সভা গড়তে গিয়ে আসলে আমরা একটা পাল্টা কংগ্রেস গড়ছি। পরে অবশ্য এই সব আপত্তি কমে যায়। পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর মতো বড় বড় কংগ্রেস নেতা মেনে নেন যে কৃষকদের আলাদা সংগঠনের, অর্থাৎ, কৃষক সভার দরকার আছে।
বাংলার মুসলিম লীগের অনেকেও ঐ রকম কথাই তুলেছেন। তাঁরা বলছেন, কী দরকার আছে আলাদা কৃষক সমিতির? মুসলিম লীগই তো কৃষকদের
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- আন্দোলন
- ছোটগল্প
- পাকিস্তান
- ভাষা
- ভৌতিক
- সঙ্গীত
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- গদ্য
- জীবনী
- মধ্যপ্রাচ্য
- যুদ্ধ
- অনুবাদ
- কবিতা
- চিরায়ত
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- জাতীয়তাবাদ
- ভাষণ
- নদী
- শিশুতোষ
- পশ্চিমবঙ্গ
- বাংলা
- ভারত
- মুক্তিযুদ্ধ
- বই
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- বিপ্লব
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ইসলাম
- সংঘর্ষ
- চলচ্চিত্র
- সমালোচনা
- গান
- ইউরোপ
- দাঙ্গা
- গবেষণা
- সিলেট
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- ফ্যাসিবাদ
- রবীন্দ্রনাথ
- লেখক
- বিজ্ঞান
- ব্যাঙ্গাত্মক
- বিজ্ঞানী
- স্মৃতিকথা
- হিন্দু
- ঢাকা
- নজরুল
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- আলোচনা
- কারুশিল্প
- পুঁজিবাদ
- যুক্তরাষ্ট্র
- কিশোর
- খুলনা
- অর্থনীতি
- জাতীয়
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- রংপুর
- আত্মজীবনী
- বিশ্ববিদ্যালয়
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- সমাজ
- ছাত্র আন্দোলন
- অভ্যুত্থান
- রমন্যাস
- দুঃসাহসিক
- রূপকথা
- নারী
- ফুল
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- কলকাতা
- আইন
- সংবিধান
- ইংরেজি
- শৈশব
- সাম্রাজ্যবাদ
- বঙ্গবন্ধু
- চট্টগ্রাম
- লালন
- গণহত্যা
- সাংবাদিকতা
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- সংবাদ
- আর্টিস্ট
- সরকার
- চিঠি
- অতিপ্রাকৃত
- রাশিয়া
- ময়মনসিংহ
- লোককাহিনী
- ভূমিকা
- বইমেলা
- নারীবাদী
- এনজিও
- দুর্ভিক্ষ
- বিয়োগান্তক
- বিশ্লেষণ
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৬৫)
- ২০২৫ (৬৪)
- ২০২৪ (১৩)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (২)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৮)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (১০)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (২)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (৩)
- ১৯৮৬ (২)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (২)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৫)
- ১৯৭৮ (১)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (১৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (৩)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৭ (১)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (৩)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬১ (১)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৭ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৫ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৪২ (১)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯২৩ (১)
- ১৯১৬ (১)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (২)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অমৃত রাই (১)
- অস্কার ওয়াইল্ড (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিন (১)
- আবু ইসহাক (৩)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (২)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আলেক্সান্দ্র কোনোনভ (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- উৎপল দত্ত (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৪)
- এম এম আকাশ (২)
- এমদাদুল হক মিল্লাত (১)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- গৌরী আইয়ুব দত্ত (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (২)
- জাফর আলম (১)
- জে এ কাউচুমো (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নাদেঝদা ক্রুপস্কায়া (১)
- নারায়ণ চৌধুরী (৩)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন গুপ্ত (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৪৭)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মওলানা হোসেন আলী (১)
- মণি সিংহ (১)
- মফিদুল হক (২)
- মানস (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (৩)
- মালেকা বেগম (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (৯)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৪)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (২)
- লীলা মজুমদার (১)
- লুনা নূর (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শাহীন রহমান (১)
- শেখ ওয়াজেদ আলি (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সলিল চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (২)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনির্মল বসু (৩)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সের্গেই বারুজদিন (১)
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী (১)
- সৈয়দ মুজতবা আলী (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৭)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (৩)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হিরণ্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
- হো চি মিন (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.