-
[বহুদিন ধরেই আমাদের পরিকল্পনা চলছিল রণেশদার সাক্ষাৎকার নেওয়ার। ব্যক্তি হিসাবে যেমন বিশাল তাঁর মাপ, তেমনই সুদীর্ঘ সময়ের অগাধ, গভীর ও মূল্যবান অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ তাঁর জীবন। স্বাধীনতার আগে ও পরে সাত দশকের অধিককাল জুড়ে চলে তাঁর কর্মকাণ্ড। চলে সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশ জুড়ে, কখনও প্রকাশ্যে, কখনও গোপনে, কখনও জেলখানার ভেতরে, কখনও বাইরে। রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংবাদিক, সাহিত্যিক সর্বক্ষেত্রেই তার অবাধ ও স্বচ্ছন্দ বিচরণ। তার সমস্ত কর্ম, ভাবনা ও সৃষ্টির মূলে একটিই স্বপ্ন, মানুষের মুক্তি। ক্ষুধা ও দারিদ্র থেকে নয়, অন্তরে বাহিরে যাবতীয় পীড়ন ও বন্ধন থেকে মুক্তি। এই মুক্তির সংগ্রামে তাঁর মন্ত্র ও অস্ত্র মার্কসীয় জীবনবীক্ষা, মানবিকতার সাধনায় শ্রেষ্ঠতম দর্শন। শুধুমাত্র বহু চেষ্টার
-
[গত ২৫শে জুন, ১৯৯৭ বাংলাদেশের লেখক, শিল্পী, সাংবাদিক তথা সর্বস্তরের, সর্বজন স্বীকৃত বুদ্ধিজীবীরা রণেশ দাশগুপ্তকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাবার জন্য যে আবেদন জানান তার অনুলিপি নীচে প্রকাশ করা হল।]
শ্রী রণেশ দাশগুপ্ত
শ্রদ্ধাভাজনেষু
বাংলাদেশে আপনার নবীন-প্রবীণ অগণিত অনুরাগীজনের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা গ্রহণ করুন। এদেশের মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসিকান্না, আনন্দবেদনার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত থেকে আপনার আদর্শ-উজ্জ্বল ত্যাগী সুদীর্ঘ সংগ্রাম আমরা সর্বদা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। পাকিস্তানি যুগের সূচনা থেকে বাঙালি জাতির মুক্তিচেতনা পরিপুষ্ট করতে, জেল-জুলুম-নিপীড়ন হাসিমুখে উপেক্ষা করে আপনি যে জীবনসংগ্রামে ব্রতী ছিলেন তা আমাদের কাছে অশেষ প্রেরণাদায়ক হয়ে আছে। আপনার বিপুল পঠন-পাঠন ও গভীর জীবন জিজ্ঞাসার পরিচয়বহ রচনাসমূহ আমাদের সাহিত্য ও শিল্পচেতনাকে
-
[১৯৯৭ সনের ১৫ই জানুয়ারী, লেনিন স্কুলে আয়োজিত তাঁর জন্মদিনে রণেশ দাশগুপ্ত শেষ ভাষণ দেন। মালবিকা চট্টোপাধ্যায়ের সৌজন্যে প্রাপ্ত রেকর্ড করা সেই ভাষণের প্রধান অংশ আমরা প্রকাশ করছি।]
প্রিয় বন্ধুরা,
গতবারের মতই, কিংবা তার থেকে একটু ভালভাবে…যাকে আমরা বলি, একটু সমৃদ্ধ আকারে…আমি তো উপলক্ষ…এই যে আলোচনা…এটা আমি…প্রথম আমরা এখানে এলাম। আমি উপলক্ষ বলেই এরকম একটা সমাবেশ হল। যেটার অভাব প্রতিনিয়ত আমার মনে হয়, বিপ্লবী বুদ্ধিজীবীরা, সেই সমস্ত…বয়ঃসীমা ছাড়িয়ে, বৃদ্ধ থেকে একবারে তরুণ-তরুণী—সকলেই বোধহয় অনুভব করে যে কিছু একটা করা দরকার—যেখানে একসঙ্গে বসে—প্রগতি সাহিত্য আমি শুধু বলব না, গণসাহিত্য বলব না, বাংলার বাস্তববাদী সাহিত্য বলব না—সমগ্রভাবে বাংলার—সেই রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র, বুদ্ধদেব বসু—এঁরা সবাই
Page 1 of 1
ক্যাটাগরি
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.