সাময়িকী
বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর হলো আমাদের নিজস্ব নির্মাণ—যেখানে ইতিহাস, সাহিত্য, এবং সংস্কৃতির গভীরতম স্তর থেকে উঠে আসে মৌলিক কণ্ঠস্বর। এখানে থাকে সেই সব মৌলিক লেখা, যা শুধু বাংলাপুরাণেই প্রকাশ হয়। সেই সব লেখকের লেখনীর মায়াজালে, প্রতিস্বর হয়ে ওঠে বাংলাপুরাণের আত্মার প্রতিধ্বনি—যা পাঠকের হৃদয়ে জাগিয়ে তোলে সংবেদন, প্রশ্ন, এবং প্রত্যয়।
-
রাবার বুলেটের নামকরণ এমনভাবেই করা যেন শুনতে মনে হয় খেলনা রাবারের বুলেট, যেটি কোনো ক্ষতি করতে পারে না। নন-লিথাইল বন্দুক (মারণাস্ত্র নয়) মূলত শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালিত নানা বিক্ষোভ, দাঙ্গা, আন্দোলনকে ছত্রভঙ্গ করতে ব্যাবহৃত হয়ে থাকে। নন-লিথাইল অস্ত্র প্রস্তুত করার মূল লক্ষ্য ছিল সেটি যেন মানুষের কোনো ক্ষতি না করে। রাবার বুলেট নামটা শুনলে যতই খেলনা খেলনা প্লাস্টিক বা রাবারের বুলেটের মত মনে হয়, কিন্ত সেটি মোটেই সেরকম নয়।
রাবার বুলেট মানবদেহের বিভিন্ন স্পর্শকাতর অঙ্গে স্বল্পমেয়াদি বা দীর্ঘমেয়াদি আঘাত করতে পারে, ফলে চিরতরে হাত-পায়ে ভাঙন, চোখে অন্ধ, মস্তিষ্কে রক্তপাত থেকে শুরু করে, কিডলি, লিভারে রক্তপাতের কারণ হতে পারে এবং অতিরিক্ত ইনফেকশন থেকে
-
বই ছাড়া বাংলাদেশে আর কোনো পণ্যে সর্বজনীনভাবে ক্রেতা-পর্যায়ে কমিশন দেওয়ার রেওয়াজ নেই। শুধুমাত্র বইয়েই এই ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। হয়তো গোড়ায় কমিশন ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ছিল পাঠককে বিশেষ সুবিধা দেওয়া। যারা এই ব্যবস্থার প্রবক্তা তাদের চিন্তার অসততা ছিল না, এটাও সহজেই অনুমেয়। কিন্তু বর্তমান ব্যবস্থা বাজার অর্থনীতির সঙ্গে সামঞ্জ্যস্যপূর্ণ নয়। তাছাড়া এই কমিশন ব্যবস্থা পাঠককে কোনো প্রকার সুবিধা দেয় না। শুধু পাঠক কেন, বই-বিক্রেতা অথবা প্রকাশক কাউকেই কোনো সুবিধা দেয় না। পাঠককে যে ২০% বা ২৫% ছাড় দেওয়া হয়, তা বই উৎপাদন-মূল্যের সঙ্গে আগেই যুক্ত করে একটা বাড়তি মূল্য নির্ধারণ করা হয়। এটা প্রকাশক যেমন জানেন, তেমনি জানেন বই-বিক্রেতা ও
-
হেজিমনি (Hegemony) শব্দটির সঙ্গে আমরা কম-বেশি পরিচিত। ধারণা থাকলেও এ বিষয়ে বিশদে অনেকেরই অজানা। ফলে শব্দটি দিয়ে কী বোঝাতে চাইছে, তা বোঝা গেলেও ব্যাখ্যা করতে গেলেই মুশকিলে পড়তে হয়। প্রকৃত অর্থে বাংলায় এর সঠিক প্রতিশব্দ নেই। তবে বাংলা ভাষায় এর অর্থ বোঝাতে ‘নেতৃত্ব’, ‘কর্তৃত্ব’, ‘প্রাধান্য’, ‘আধিপত্য’ শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে মূল শব্দটির সবচেয়ে কাছাকাছি বাংলা প্রতিশব্দটি হলো ‘আধিপত্য’। তবে মূল বাংলা ‘আধিপত্য’ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দটি হলো ‘Domination’। Domination ও Hegemony শব্দদুটি গুণগত পার্থক্য বিস্তর। শব্দদুটির কর্মকৌশলও ভিন্ন। উদাহরণ হিসেবে—‘Hegemony refers to a kind of domination’—এই কথাটির বাংলা করতে গেলে কিছুটা জটিলতায় পড়তে হবে! এক্ষেত্রে Hegemony-কে আধিপত্য ও Domination-কে কর্তৃত্ব
-
আমরা মুক্তিযুদ্ধের তৃতীয় প্রজন্ম। সঙ্গত কারণেই ব্রিটিশবিরোধী লড়াকু বিপ্লবীদের সান্নিধ্য আমরা পাইনি। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখযোদ্ধাদের আমরা দেখেছি, সান্নিধ্যও পেয়েছি। তাঁদের আত্মত্যাগ আমাদের উদ্বুদ্ধ করে, তাঁদের সংগ্রাম আমাদের উদ্বেলিত করে। আগে এক শিশুতোষ ভাবনা ছিল—যদি সেই অগ্নিযুগে জন্ম হতো তবে দেশমাতার মুক্তির জন্য ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করতাম, অথবা মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করতাম। এখন বুঝি, এসব রোমান্টিক ভাবনা নেহাতই ছেলেমানুষি। লড়াই বা সংগ্রাম শুধু ঘটমান অতীত বিষয়টি মোটেও তেমন নয়—লড়াই—ছিল, আছে, এবং থাকবে। এই সময়ে চলমান লড়াইকে সুসংঘবদ্ধ ও সুসংহত করতে পারলে নিশ্চয়ই অতীতের মতো আমরাও ইতিহাসের পাতায় স্বাক্ষর রাখতে পারবো।
মানুষের মুক্তির মন্ত্র ঘরের মধ্যে অথবা নিজের
-
সন্ধ্যা ঘনিয়ে ওঠার অনেক আগে থেকেই কড়ইতলার শেকড়ে নাও বেঁধে গোরস্থানের আশপাশটায় ঘুরঘুর করছে কেরায়া নাওয়ের মাঝি মকবুল। তার দোস্ত খায়রুল সেই যে গেছে―এখনও আসছে না দেখে বিরক্তি নিয়ে একটা অস্থিরতার মধ্যে আছে সে। খায়রুলও অপেক্ষা করছিল আরও দুজনের জন্য। অপেক্ষা করে করে বড় রাস্তার দিকে তালাশ নিতে গেছে।
গোরস্থানের শেষ প্রান্তে বিষখালির ভাঙন ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে ওই শিলকড়ই। এমনই অতিকায় সে―পাঁচজনে হাত ধরাধরি করেও বেড় পাওয়া যায় না বৃক্ষটার। বাকলে ফাটল ধরে পাথর হয়ে আছে। চারদিকে ছড়ানো শ্যাওলাজমা মস্ত ডালগুলোতেও তেমন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নদীর এই নির্জনে এটিকে এভাবেই দেখে আসছে সবাই।
একটু আগেই বড় রাস্তার ওপারের মসজিদে
-
সংস্কৃতির সাধনা মানুষকে মানবিক করে তোলে, তাকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। সমাজের প্রতি, রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধ করে। শুধু মানুষ-সমাজ বা রাষ্ট্র নয়, মূলত তাকে জীবনের প্রতি, প্রাণ-প্রকৃতির প্রতি সংবেদনশীল করে বিশ্বদৃষ্টিসম্পন্ন করে তোলে। অগণিত মানুষের মাঝে সে তার কৃত্তির স্বাক্ষর রেখে যেতে পারে। উদীচীর প্রয়াত সভাপতি বদিউর রহমান তাঁর কৈশোর থেকেই এক ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সময়কে অতিক্রম করেও হয়ে উঠেছিলেন সেরকম এক ফলবান বৃক্ষ। হাসিমূখে জয় করে নিয়েছিলেন পরম দুঃখকেও। তাঁর প্রতি আভূমিনত শ্রদ্ধা।
বদিউর রহমান জন্ম নিয়েছিলেন ১৯৪৭ সালের ১৫ জানুয়ারি বরিশালে। তাঁর বাবা হাবিবুর রহমান ছিলেন রাজনীতি সচেতন একজন মানুষ। তিনি এ কে ফজলুল হকের কেএসপি’র সঙ্গে ঘনিষ্টভাবে যুক্ত ছিলেন। মা
-
ঘুম যখনই ভাঙুক না কেন, একটা না একটা দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দ পাওয়াই যায়। এক অশরীরী দম্পতি হাত ধরাধরি করে এক ঘর থেকে আরেক ঘরে যাচ্ছে। এখানে এটা তুলছে, ওখানে সেটা খুলছে। আবার দেখছে সব ঠিক আছে কি না।
‘দেখো দেখো! এটা এখানেই রেখে গিয়েছিলাম!’ মেয়েটা বলে।
ছেলেটা সঙ্গে জুড়ে দেয়, ‘হ্যাঁ! এই যে দেখো এখানেও!’
'ওপরতলায়', মেয়েটা বিড়বিড় করে, ‘আর বাগানেও।’
ছেলেটা ফিসফিস করে বলে, ‘আরে! চুপ চুপ!’ তারপর দুজনে একসঙ্গে বলে, ‘নইলে যে ওদের ঘুম ভেঙে যাবে!’
ব্যাপারটা কিন্তু এমন নয় যে ওরা আমাদের ঘুম ভাঙায়। একদমই অমন কিছু হয় না। ‘দেখেছ, ওরা না খুঁজেই চলেছে; কেমন পর্দা
-
দ্য জাকার্তা মেথড: ওয়াশিংটন’স অ্যান্টি-কমিউনিস্ট ক্রুসেড অ্যান্ড দ্য মাস মার্ডার প্রোগ্রাম দ্যাট শেপড আওয়ার ওয়ার্ল্ড (The Jakarta Method: Washington's Anticommunist Crusade and the Mass Murder Program that Shaped Our World)
লেখক: ভিনসেন্ট বেভিনস (Vincent Bevins)
প্রকাশক: পাবলিক অ্যাফেয়ার্স (PublicAffairs)
প্রকাশকাল: মে ২০২০
নিজেকে সমাজতন্ত্রী বলে পরিচয় দেওয়া যে কাউকে জীবনের কোনো না কোনো সময় একটি প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে। প্রশ্নটি হলো, ‘সমাজতন্ত্রের নামে এ পর্যন্ত কত মানুষের প্রাণ গেছে?’ উত্তরে তারা একথা বলতে পারেন যে সোভিয়েত ধাঁচের রাষ্ট্রীয় সমাজতন্ত্রের সঙ্গে জেরেমি করবিনের মতো হাল আমলের রাজনীতিবিদদের উপস্থাপিত গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রের পার্থক্য প্রায় ঠিক ততটাই, যতটা পার্থক্য রয়েছে প্রায় দেখতে একই রকম
-
রোকেয়া যতটা উচ্চারিত, তার খুব সামান্যই পঠিত এবং গৃহীত। কারণ আজও তিনি নানা খণ্ডীকরণের খপ্পড়ে অবরুদ্ধ। ‘মুসলিম নারী শিক্ষার অগ্রদূত’, ‘নারী জাগরণের প্রতীক’, ‘মুসলিম সমাজ সংস্কারক’, ‘ইসলামী নারীবাদী’, ‘আমূল নারীবাদী’, ‘বিশিষ্ট মুসলিম লেখিকা’ ইত্যাদি নানা পরিচয়ে রোকেয়ার সংকোচন ঘটেছে। তার কালের জাতীয় ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সামগ্রিকভাবে রোকেয়ার মূল্যায়ন এখনও অনুপস্থিত।
এই কারণেই বোধ হয় ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত শামসুন নাহার মাহমুদ রচিত ‘রোকেয়ার জীবনী’ গ্রন্থের ভূমিকায় প্রখ্যাত সাহিত্যিক পণ্ডিত অধ্যাপক সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন—“কিন্তু রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাস্তবিক যে কত বড় ছিলেন, তাহা বাহিরের লোকেদের কাছে অজানা রহিয়া গেল। এই অজানার অন্ধকার আমাদের আদৌ কাটেনি বরং রোকেয়া দিবস, রোকেয়া পদক, রোকেয়ার
-
বাবা খুব ভোরে উঠতেন। উঠে গান বাজাতেন আর পড়ার টেবিলে বসতেন। সেই ছোটবেলা থেকেই আমাদের ঘুম ভাঙতো গানের সুরে। আর বাবা যে পড়ার টেবিলে বসতেন এটা আমাদের কাছে ছিল নিত্যদিনের অভ্যাসের মতো। তাঁর লেখালেখি বা তিনি যে বরিশাল উদীচীর সভাপতি—এটা খুব স্বাভাবিক ছিল আমাদের কাছে। তিনি একাধারে একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং একজন দক্ষ সংগঠক। তবে আমার কাছে তিনি শুধুই ‘বাবা’। আর বাবার সঙ্গে একদম ছোটবেলা থেকে যেতাম উদীচীতে। বিজ্ঞজনদের কথা শুনেই আমার বড় হওয়া। কি বুঝতাম জানি না। তবে বাবার সঙ্গেই থাকতাম। একুশে ফেব্রুয়ারিতে যখন বাবার হাত ধরে হেঁটে শহিদ মিনারে যেতে পারতাম না, তখন যে ভ্যানে বাদ্যযন্ত্র থাকতো সেই ভ্যানে
-
বেগম সুফিয়া কামাল এদেশের প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ও নারী মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ঐতিহাসিক চরিত্র। মানব ইতিহাসে কেউ মহৎ হয়ে জন্মগ্রহণ করেন, কেউ স্বীয় সাধনায় মহত্ত্ব অর্জন করেন, আবার কারও ওপর মহত্ত্ব আরোপ করা হয়। আলোচ্য বেগম সুফিয়া কামালকে আমরা দ্বিতীয় শ্রেণিতে ফেলতে পারি। কারণ, মহত্ত্ব অর্জন করার জন্য তাকে নিরন্তর আন্দোলন সংগ্রাম করতে হয়েছে। বিংশ শতাব্দীর গোড়া থেকে শেষাবধি প্রদেশের নারী আন্দোলনে ও সংগ্রামে সংম্পৃক্ত থেকে এবং নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ইতিহাসে আলোচনায় এসেছেন।
বরিশালের শায়েস্তায়াদের নবাব পরিবারে জন্ম নিয়ে তিনি কিভাবে নারীর স্বাধীনতা ও অধিকারের আন্দোলনে সামিল হন সে কাহিনী সকলেরই কমবেশি জানা। তার কর্মজীবন শুরু হয় আধুনিকতার অন্যতম স্মৃতিকাগার
-
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস মূলত রাজনৈতিক মুক্তির ইতিহাস। কিন্তু রাজনৈতিক স্বাধীনতা মাত্রই সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানসিক মুক্তির নিশ্চয়তা দেয় না। প্রায় দুইশ বছরের লড়াই-সংগ্রাম আর আত্মদানের ধারাবাহিকতায় ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে এবং ত্রিশ লক্ষ মানুষের প্রাণের বিনিময়ে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানি রাষ্ট্রীয় উপনিবেশ থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্র গঠিত হলেও ঔপনিবেশিকতার প্রভাব এখনো পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়নি। এই প্রভাব সমাজ, রাষ্ট্র, অর্থনীতি ও চিন্তার গভীরে সক্রিয় রয়েছে—যা সমকালীন তাত্ত্বিক পরিভাষায় কলোনিয়ালিটি (Coloniality) বা ঔপনিবেশিকতা নামে পরিচিত। মার্কসবাদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কলোনিয়ালিটিকে বোঝা যায় একটি ঐতিহাসিক উৎপাদন সম্পর্ক, শ্রেণি শোষণ ও বৈশ্বিক পুঁজিবাদী ব্যবস্থার ধারাবাহিক রূপ হিসেবে। ঔপনিবেশিক
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- অস্ত্র
- আন্দোলন
- প্রযুক্তি
- বিজ্ঞান
- গদ্য
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- পুঁজিবাদ
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- স্মৃতিকথা
- ছোটগল্প
- নদী
- জীবনী
- প্রতিস্বর
- লেখক
- অনুবাদ
- আলোচনা
- ইংরেজি
- বই
- সমালোচনা
- নারীবাদী
- ভাষণ
- সমসাময়িক
- পাকিস্তান
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- ভারত
- কবিতা
- বিয়োগান্তক
- গণতন্ত্র
- বিপ্লব
- মধ্যপ্রাচ্য
- সংঘর্ষ
- কিশোর
- প্রাচীন
- শিশুতোষ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- নির্বাচন
- উদ্ভাবন
- জ্যোতির্বিদ্যা
- দর্শন
- মুক্তিযুদ্ধ
লেখক
- অমিত রঞ্জন দে (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (২)
- এহসান হায়দার (২)
- কল্লোল বনিক (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (৪)
- গ্রেস ব্ল্যাকলি (১)
- চন্দন লাহিড়ী (১)
- নজরুল ইসলাম (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- প্রমা ইসরাত (১)
- বিকাশ সাহা (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মনি হায়দার (১)
- মিশেল ফুকো (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (২)
- শাহীন রহমান (৩)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সুপা সাদিয়া (১)
- সৈয়দ তোশারফ আলী (১)
- হরবোলা (২)
- হাসান তারেক (৩)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.