সাময়িকী
বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর হলো আমাদের নিজস্ব নির্মাণ—যেখানে ইতিহাস, সাহিত্য, এবং সংস্কৃতির গভীরতম স্তর থেকে উঠে আসে মৌলিক কণ্ঠস্বর। এখানে থাকে সেই সব মৌলিক লেখা, যা শুধু বাংলাপুরাণেই প্রকাশ হয়। সেই সব লেখকের লেখনীর মায়াজালে, প্রতিস্বর হয়ে ওঠে বাংলাপুরাণের আত্মার প্রতিধ্বনি—যা পাঠকের হৃদয়ে জাগিয়ে তোলে সংবেদন, প্রশ্ন, এবং প্রত্যয়।
-
রাবার বুলেটের নামকরণ এমনভাবেই করা যেন শুনতে মনে হয় খেলনা রাবারের বুলেট, যেটি কোনো ক্ষতি করতে পারে না। নন-লিথাইল বন্দুক (মারণাস্ত্র নয়) মূলত শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালিত নানা বিক্ষোভ, দাঙ্গা, আন্দোলনকে ছত্রভঙ্গ করতে ব্যাবহৃত হয়ে থাকে। নন-লিথাইল অস্ত্র প্রস্তুত করার মূল লক্ষ্য ছিল সেটি যেন মানুষের কোনো ক্ষতি না করে। রাবার বুলেট নামটা শুনলে যতই খেলনা খেলনা প্লাস্টিক বা রাবারের বুলেটের মত মনে হয়, কিন্ত সেটি মোটেই সেরকম নয়।
রাবার বুলেট মানবদেহের বিভিন্ন স্পর্শকাতর অঙ্গে স্বল্পমেয়াদি বা দীর্ঘমেয়াদি আঘাত করতে পারে, ফলে চিরতরে হাত-পায়ে ভাঙন, চোখে অন্ধ, মস্তিষ্কে রক্তপাত থেকে শুরু করে, কিডলি, লিভারে রক্তপাতের কারণ হতে পারে এবং অতিরিক্ত ইনফেকশন থেকে
-
বেগম সুফিয়া কামাল এদেশের প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ও নারী মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ঐতিহাসিক চরিত্র। মানব ইতিহাসে কেউ মহৎ হয়ে জন্মগ্রহণ করেন, কেউ স্বীয় সাধনায় মহত্ত্ব অর্জন করেন, আবার কারও ওপর মহত্ত্ব আরোপ করা হয়। আলোচ্য বেগম সুফিয়া কামালকে আমরা দ্বিতীয় শ্রেণিতে ফেলতে পারি। কারণ, মহত্ত্ব অর্জন করার জন্য তাকে নিরন্তর আন্দোলন সংগ্রাম করতে হয়েছে। বিংশ শতাব্দীর গোড়া থেকে শেষাবধি প্রদেশের নারী আন্দোলনে ও সংগ্রামে সংম্পৃক্ত থেকে এবং নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ইতিহাসে আলোচনায় এসেছেন।
বরিশালের শায়েস্তায়াদের নবাব পরিবারে জন্ম নিয়ে তিনি কিভাবে নারীর স্বাধীনতা ও অধিকারের আন্দোলনে সামিল হন সে কাহিনী সকলেরই কমবেশি জানা। তার কর্মজীবন শুরু হয় আধুনিকতার অন্যতম স্মৃতিকাগার
-
বই ছাড়া বাংলাদেশে আর কোনো পণ্যে সর্বজনীনভাবে ক্রেতা-পর্যায়ে কমিশন দেওয়ার রেওয়াজ নেই। শুধুমাত্র বইয়েই এই ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। হয়তো গোড়ায় কমিশন ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ছিল পাঠককে বিশেষ সুবিধা দেওয়া। যারা এই ব্যবস্থার প্রবক্তা তাদের চিন্তার অসততা ছিল না, এটাও সহজেই অনুমেয়। কিন্তু বর্তমান ব্যবস্থা বাজার অর্থনীতির সঙ্গে সামঞ্জ্যস্যপূর্ণ নয়। তাছাড়া এই কমিশন ব্যবস্থা পাঠককে কোনো প্রকার সুবিধা দেয় না। শুধু পাঠক কেন, বই-বিক্রেতা অথবা প্রকাশক কাউকেই কোনো সুবিধা দেয় না। পাঠককে যে ২০% বা ২৫% ছাড় দেওয়া হয়, তা বই উৎপাদন-মূল্যের সঙ্গে আগেই যুক্ত করে একটা বাড়তি মূল্য নির্ধারণ করা হয়। এটা প্রকাশক যেমন জানেন, তেমনি জানেন বই-বিক্রেতা ও
-
হেজিমনি (Hegemony) শব্দটির সঙ্গে আমরা কম-বেশি পরিচিত। ধারণা থাকলেও এ বিষয়ে বিশদে অনেকেরই অজানা। ফলে শব্দটি দিয়ে কী বোঝাতে চাইছে, তা বোঝা গেলেও ব্যাখ্যা করতে গেলেই মুশকিলে পড়তে হয়। প্রকৃত অর্থে বাংলায় এর সঠিক প্রতিশব্দ নেই। তবে বাংলা ভাষায় এর অর্থ বোঝাতে ‘নেতৃত্ব’, ‘কর্তৃত্ব’, ‘প্রাধান্য’, ‘আধিপত্য’ শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে মূল শব্দটির সবচেয়ে কাছাকাছি বাংলা প্রতিশব্দটি হলো ‘আধিপত্য’। তবে মূল বাংলা ‘আধিপত্য’ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দটি হলো ‘Domination’। Domination ও Hegemony শব্দদুটি গুণগত পার্থক্য বিস্তর। শব্দদুটির কর্মকৌশলও ভিন্ন। উদাহরণ হিসেবে—‘Hegemony refers to a kind of domination’—এই কথাটির বাংলা করতে গেলে কিছুটা জটিলতায় পড়তে হবে! এক্ষেত্রে Hegemony-কে আধিপত্য ও Domination-কে কর্তৃত্ব
-
রোকেয়া যতটা উচ্চারিত, তার খুব সামান্যই পঠিত এবং গৃহীত। কারণ আজও তিনি নানা খণ্ডীকরণের খপ্পড়ে অবরুদ্ধ। ‘মুসলিম নারী শিক্ষার অগ্রদূত’, ‘নারী জাগরণের প্রতীক’, ‘মুসলিম সমাজ সংস্কারক’, ‘ইসলামী নারীবাদী’, ‘আমূল নারীবাদী’, ‘বিশিষ্ট মুসলিম লেখিকা’ ইত্যাদি নানা পরিচয়ে রোকেয়ার সংকোচন ঘটেছে। তার কালের জাতীয় ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সামগ্রিকভাবে রোকেয়ার মূল্যায়ন এখনও অনুপস্থিত।
এই কারণেই বোধ হয় ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত শামসুন নাহার মাহমুদ রচিত ‘রোকেয়ার জীবনী’ গ্রন্থের ভূমিকায় প্রখ্যাত সাহিত্যিক পণ্ডিত অধ্যাপক সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন—“কিন্তু রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাস্তবিক যে কত বড় ছিলেন, তাহা বাহিরের লোকেদের কাছে অজানা রহিয়া গেল। এই অজানার অন্ধকার আমাদের আদৌ কাটেনি বরং রোকেয়া দিবস, রোকেয়া পদক, রোকেয়ার
-
সন্ধ্যা ঘনিয়ে ওঠার অনেক আগে থেকেই কড়ইতলার শেকড়ে নাও বেঁধে গোরস্থানের আশপাশটায় ঘুরঘুর করছে কেরায়া নাওয়ের মাঝি মকবুল। তার দোস্ত খায়রুল সেই যে গেছে―এখনও আসছে না দেখে বিরক্তি নিয়ে একটা অস্থিরতার মধ্যে আছে সে। খায়রুলও অপেক্ষা করছিল আরও দুজনের জন্য। অপেক্ষা করে করে বড় রাস্তার দিকে তালাশ নিতে গেছে।
গোরস্থানের শেষ প্রান্তে বিষখালির ভাঙন ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে ওই শিলকড়ই। এমনই অতিকায় সে―পাঁচজনে হাত ধরাধরি করেও বেড় পাওয়া যায় না বৃক্ষটার। বাকলে ফাটল ধরে পাথর হয়ে আছে। চারদিকে ছড়ানো শ্যাওলাজমা মস্ত ডালগুলোতেও তেমন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নদীর এই নির্জনে এটিকে এভাবেই দেখে আসছে সবাই।
একটু আগেই বড় রাস্তার ওপারের মসজিদে
-
‘ওরা স্বেচ্ছায় আমাদের ছেড়ে দেবে না। অন্তত যতটা অনিচ্ছায় ভিয়েতনাম ছেড়েছে তার চেয়েও বেশি অনিচ্ছায় আমাদের ছাড়বে।’ আমি বলতে চেয়েছিলাম যে ওরা ভিয়েতনাম ছাড়ার চেয়েও অনেক বেশি অনিচ্ছুক তোমাদের ছাড়তে। কারণ তেল, কারণ মধ্যপ্রাচ্য। তবে এখন মনে হয় ক্যাম্প ডেভিডের পরে লেবাননে সিরিয়ার শাসন ও রাশিয়ার প্রভাব মেনে নিতে ওরা প্রস্তুত। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র কি আসলে নিজেদের প্রকৃত অবস্থান থেকে বঞ্চিত করতে প্রস্তুত? যেখান থেকে সে প্রাচ্যে হস্তক্ষেপ করতে পারবে বা শান্তি-অবস্থা পর্যবেক্ষণ করবে?
আমেরিকানরা কী শাহকে নতুন কোনো শক্তির পরীক্ষায় দ্বিতীয় ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’র দিকে ঠেলে দেবে? বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনরায় ক্লাস শুরু হওয়া, সাম্প্রতিক ধর্মঘটগুলো, আবার শুরু হওয়া সবগুলো সংকট আর আগামী
-
সংবিধান হচ্ছে প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন। সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বপ্রথম সংবিধান সম্পর্কে মহামতি লেনিন মন্তব্য করেছিলেন যে—এ যাবৎ সব সংবিধানই শাসক শ্রেণির স্বার্থকে সুরক্ষা প্রদান করেছে। সোভিয়েত সংবিধানই প্রথম কোনো সংবিধান যা শ্রমিক শ্রেণির স্বার্থকে সংহত করতে ভূমিকা রাখবে। সোভিয়েত সংবিধান হবে সমাজতন্ত্রের লক্ষ্যে অগ্রযাত্রার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা। ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ একটি পূর্ণাঙ্গ সংবিধান লাভ করে, যা ছিল বাংলা ভাষায় লেখা এই অঞ্চলের মানুষের জন্য প্রথম কোনো সংবিধান। পাকিস্তান আমলে সংবিধান প্রণয়নে প্রায় নয় বছর লেগেছিল, যদিও সেটি আড়াই বছরের বেশি কার্যকর ছিল না। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ও ন্যাপ(মোজাফ্ফর) কিছু পরিবর্তন ও সংশোধনের সুপারিশসহ
-
কমিউনিস্টদের প্রধান শত্রু হলো সাম্রাজ্যবাদ, লুটেরা পুঁজিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মীয় মৌলবাদ, সামন্তবাদ ও প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি। মার্কসবাদী বিশ্লেষণ মতে, সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মীয় মৌলবাদ কেবল সাংস্কৃতিক প্রবণতা নয়; বরং এগুলো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির হাতিয়ার, যা মানুষের চেতনা বিভক্ত করে, শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামকে দুর্বল করে। কমিউনিস্টরা পরকাল বা কল্পিত স্বর্গের প্রত্যাশায় নয়—বরং বাস্তব পৃথিবীকে মানুষের মুক্তির উপযোগী করে তুলতেই সংগ্রাম করে। কমিউনিস্টরা এই পৃথিবীকে সবার জন্য বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য সমাজ সংষ্কার করে, রূপান্তরের পথে অগ্রসর হয়। তারা বস্তুবাদী, সেক্যুলার ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিচালিত।
কমিউনিস্ট পার্টি শ্রেণি সংগ্রামের পার্টি, বিপ্লবের পার্টি। এই পার্টি পেশাদার বিপ্লবী তৈরি করে, যারা মার্কসবাদ-লেনিনবাদের বিজ্ঞানসম্মত তত্ত্ব ধারণ করে সমাজের
-
বাংলাদেশের আর্থ-রাজনৈতিক সামাজিক অবস্থা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) তথ্যমতে, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার (৭+ বছর বয়সী) ৭৭.৯ শতাংশ। স্বাক্ষরতা আর শিক্ষা যেদুইটি আলাদা বিষয় তা বলাই বাহুল্য। একাডেমিক পাসে কিছু বিষয়ের প্রারম্ভিক ধারণাসহ স্বাক্ষরজ্ঞান তৈরি হয় মাত্র, কিন্তু শিক্ষা এক বিস্তৃত বিষয়, যা অর্জন ও প্রয়োগ সংশ্লিষ্ট শর্তের ওপর নির্ভর করে। বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে আর্থ-রাজনৈতিক অসৎ প্রভাব প্রবল। এখানে বহুধারার বিপরিতিমুখী সাংঘর্ষিক বহুকারণের শিক্ষা সিলেবাস বর্তমান। যা আমাদের মনোজগতকে এমনকি অন্ততঃ কিছু মৌল বিষয়ের প্রতিও ঐক্যমত তৈরিতে বাধার সৃষ্টি করে যাচ্ছে। যে বাধা সংঘর্ষে রূপ নিচ্ছে; যার কারণ ঐতিহাসিক রাজনৈতিক নানা বাঁক। যা আমাদের প্রগতির পথকে আরো দীর্ঘ এবং
-
তুমি ফোন করেছিলে?
কোথায়?
কোথায় শব্দটা উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে আমার স্ত্রী শবনব আরার কোমল চেহারা পাল্টে যায়। স্বাভাবিক চোখ অস্বাভাবিক বড় করে আমার দিকে তাকায়, তুমি আসলে কী? একটা ফোন করবে, সেটাও করতে পারো না! সেই কবে, প্রায় আট-নয়দিন আগে মৌচাকে বালিশের অর্ডার দিয়ে এসেছি। লোকটা, খালেক সাহেব বলেছিল চারদিন পর ফোনে খোঁজ নিতে...
শবনব আরা নিজের ভূগোল নির্মাণ করে যাচ্ছে। আমি অফিস শেষ করে, বাইরে আরও দুটো গুরুত্বপূর্ণ কাজ শেষ করে রাত সাড়ে নটায় বাসায় এলাম। বাসায় আসার আগে মালিবাগ নেমে ফোন দিয়েছি। দু দুবার রিং হওয়ার পরও শবনম ফোন রিসিভ করেনি। এই ফোন রিসিভ না করা শবনমের একটা
-
মওদুদীর জন্ম ভারতের মহারাষ্ট্রে ১৯০৩ সালের সেপ্টেম্বরে আর মৃত্যু ১৯৭৯ সালে। পারিবারিকভাবে সুফি ইসলামের হেরাত অঞ্চলের চিশতিয়া তরিকার মওদুদ চিশতীর উত্তরাধিকার বহন করতেন, সেই সূত্রেই তার নামের শেষে মওদুদী পদবীর সংযুক্তি। তবে নানা সমাজতাত্বিক চিন্তাচর্চার মধ্য দিয়ে তিনি পারিবারিক ঐতিহ্য থেকে ক্রমে বেরিয়ে আসেন। ১৯৪১ সালের ২৬ আগস্ট লাহোরে জামাতে ইসলামির গোড়াপত্তন। মওদুদী জামাতে ইসলামির প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম আমির। তিনি পাকিস্তানের বিরোধিতা করেন, জাতীয়তাবাদের কারণে তিনি মনে করতেন এটা ইসলামসম্মত নয়। মওদুদী লাহোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করে তার লেখায় সম্ভাব্য পাকিস্তানকে ‘নাপাক-স্থান’ হয়ে পড়ার কথা বলেন।
- ইসলামিক রাষ্ট্র ও জনগণ : তার মতে মানুষের মধ্যে জন্মগতভাবেই দুর্বলতা রয়েছে যে কারণে মানুষ
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- অস্ত্র
- আন্দোলন
- প্রযুক্তি
- বিজ্ঞান
- নারীবাদী
- ভাষণ
- সমসাময়িক
- গদ্য
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- পুঁজিবাদ
- মার্কসবাদ
- লেখক
- ছোটগল্প
- নদী
- বিপ্লব
- মধ্যপ্রাচ্য
- সংঘর্ষ
- নির্বাচন
- মুক্তিযুদ্ধ
- গণতন্ত্র
- উদ্ভাবন
- কিশোর
- জ্যোতির্বিদ্যা
- দর্শন
- প্রতিস্বর
- প্রাচীন
- শিশুতোষ
- সমালোচনা
- জীবনী
- স্মৃতিকথা
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- আলোচনা
- বই
- কবিতা
- বিয়োগান্তক
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ইংরেজি
- অনুবাদ
- পাকিস্তান
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- ভারত
লেখক
- অমিত রঞ্জন দে (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (২)
- এহসান হায়দার (২)
- কল্লোল বনিক (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (৪)
- গ্রেস ব্ল্যাকলি (১)
- চন্দন লাহিড়ী (১)
- নজরুল ইসলাম (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- প্রমা ইসরাত (১)
- বিকাশ সাহা (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মনি হায়দার (১)
- মিশেল ফুকো (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (২)
- শাহীন রহমান (৩)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সুপা সাদিয়া (১)
- সৈয়দ তোশারফ আলী (১)
- হরবোলা (২)
- হাসান তারেক (৩)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.