-
তন্ত্র-প্রসঙ্গে একটি চিত্তাকর্ষক তথ্য চোখে পড়ল ৷ যতদূর জানি, আধুনিক বিদ্বৎসমাজ তথ্যটির সম্যক বিশ্লেষণ করেন নি। বর্তমান প্ৰবন্ধ উপলক্ষে সেটির প্রতি বিদ্বানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই।
এ-কথা অবশ্যই সুবিদিত যে মনুস্মৃতির টীকা করে কুল্লুকভট্ট বলেছেন, শ্রুতি দু-ধরনের বা দ্বিবিধ: বৈদিকী এবং তান্ত্রিকী। বৈদিক ঐতিহ্যের সঙ্গে তান্ত্রিক ঐতিহ্যের পার্থক্য এখানে স্পষ্টভাবে নির্দিষ্ট হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, এ-নির্দেশ কতদিনকার পুরনো?
কুল্লুকভট্ট খুব পুরনো কালের লেখক ছিলেন না। মহামহোপাধ্যায় কাণের মতে, মনুস্মৃতির তারিখ খ্রীষ্টপূর্ব ২০০ থেকে ২০০ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যে এবং কুল্লুকরচিত টীকার তারিখ ১১৫০–১৩০০ খ্রীষ্টাব্দ ৷
কিন্তু কুল্লুক এই যে-কথাটি বলছেন, এর পিছনে প্রাচীনতর ঐতিহ্যের কোনো সাক্ষ্য আছে কি? আছে। কথাটি বলবা’র সময়
-
মহাভারত
মহাকাব্য অপেক্ষা ‘ইতিহাস’ হিসাবে মহাভারতের প্রসিদ্ধি সর্বাধিক। রবীন্দ্রনাথ-এর কথায়: ‘ইহা একটি জাতির স্বরচিত স্বাভাবিক ইতিহাস!’ তাঁর মতে আর্যসমাজে যত কিছু জনশ্ৰুতি ছড়িয়ে ছিল, ব্যাসদেব সেগুলিকে একত্রিত করেছিলেন। ‘জনশ্রুতি নহে, আর্যসমাজে প্রচলিত সমস্ত বিশ্বাস, তর্কবিতর্ক ও চারিত্রনীতিকেও তিনি এই সঙ্গে এক করিয়া একটি জাতির সমগ্রতার এক বিরাট মূর্তি এক জায়গায় খাড়া করিলেন। ইহার নাম দিলেন মহাভারত।’ শুধু তাই নয়। ‘মহাভারত অতি প্রাচীন সমাজ ও নীতি বিষয়ক তথ্যের অনন্ত ভাণ্ডার।’ অর্থাৎ মহাভারতে আমরা সুপ্রাচীন সমাজের এবং তৎকালীন সভ্যতার একটা স্পষ্ট বিবরণ বা চিত্র পাচ্ছি। এবং তা থেকে সে-যুগের চলমান জীবনের প্রকৃতি উপকরণ ইত্যাদির পরিচয়ও পাই। সমাজতথ্যের এহেন অনন্ত ভাণ্ডার মন্থন করে
-
মনুষ্যের সৌন্দর্য্য-বুদ্ধির বিকাশ হইল কিরূপে, ইহা একটা সমস্যা। বড় বড় পণ্ডিতে এই সমস্যা মীমাংসা করিতে গিয়া হারি মানিয়াছেন। বর্তমান প্রসঙ্গে এই বিষয়ের আলোচনা করা যাইবে মাত্র, মীমাংসার কোন চেষ্টা হইবে না। বহু মানবধৰ্ম্ম প্রাকৃতিক নির্ব্বাচনে বিকাশলাভ করিয়াছে বুঝা যায়। ইংরেজীতে যাহাকে ইউটিলিটি বলে, প্রাকৃতিক নির্বাচন তাহাই দেখিয়া চলে। ইউটিলিটির বাঙ্গালা অর্থ হিতকারিতা, উপকারিতা, উপযোগিতা, কাজে লাগা। যাহা কিছু কাজে লাগে, যাহা জীবনের পক্ষে হিতকর, যাহা জীবন-সংগ্রামে অনুকূল, কোন-না-কোনরূপে জীবন-সংগ্রামে যাহা সাহায্য করে, জীবন কালক্রমে তাহাই অর্জন করে। মানুষ দুই পায়ে ভর দিয়া দাঁড়াইতে পারে, মানুষের মাথায় এক রাশি মস্তি ক আছে, মানুষের হাত দুইখানা অস্ত্রনির্মাণের ও অস্ত্র প্রয়োগের উপযোগী, মানুষ
-
অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে রক্তাক্ত পথ বেয়ে এসেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। ১৯৫০ সালের তেভাগা, নানকার, টংকের কৃষক বিদ্রোহ ’৪৮, ৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ’৫২-এর সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারের রক্তে রক্তাক্ত মহান একুশের জন্য। ২১ দফার ভিত্তিতে হক, ভাসানী, সোহরাওয়ার্দীর ’৫৪-তে যুক্তফ্রন্টের ধস নামানো বিজয়, মুসলিম লীগের ভরাডুবি। যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ও আমলাতন্ত্রের চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র। ৫৮’র মার্শাল ল’, জেনারেল আইয়ুবের ক্ষমতা দখল। ’৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৪-তে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে সম্মিলিত বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর বোন মাদার এ মিল্লাতের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা, পূর্ব পাকিস্তানে (আজকের বাংলাদেশ) জনজোয়ার। কিন্তু অপ্রত্যক্ষ নির্বাচনের কারণে অর্থাৎ ইউনিয়ন কাউন্সিলের মেম্বারদের ভোটে
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- ছোটগল্প
- অস্ত্র
- আন্দোলন
- প্রযুক্তি
- বিজ্ঞান
- বাংলা
- আলোচনা
- বই
- পুঁজিবাদ
- ফ্যাসিবাদ
- ভূমিকা
- কবিতা
- মধ্যপ্রাচ্য
- জীবনী
- মার্কসবাদ
- জাতীয়তাবাদ
- পাকিস্তান
- ভাষা
- যুদ্ধ
- লেখক
- মুক্তিযুদ্ধ
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- গোয়েন্দা
- নির্বাচন
- অনুবাদ
- চিরায়ত
- রসায়ন
- শিশুতোষ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- গদ্য
- ব্যাঙ্গাত্মক
- বিজ্ঞানী
- স্মৃতিকথা
- উদ্ভিদ
- উদ্ভিদবিদ্যা
- উদ্ভাবন
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- হিন্দু
- গণিতশাস্ত্র
- ওষুধ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- ভৌতিক
- আধ্যাত্মিকতা
- পৌরাণিক
- সাংবাদিকতা
- চট্টগ্রাম
উৎস
লেখক
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৩)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আহমদ রফিক (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (২)
- ক্যারল ভিনসেন্ট নিউসম (১)
- গোপাল হালদার (১)
- চিন্মোহন সেহানবীশ (১)
- জঁ-পল সার্ত্র (১)
- জগদীশ চন্দ্র বসু (২)
- জর্জ বার্নার্ড শ (১)
- জহির রায়হান (১)
- তারাপদ পান (১)
- ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্তী (১)
- দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (১)
- নজরুল ইসলাম (১)
- পশুপতি ভট্টাচার্য (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫)
- প্রমা ইসরাত (১)
- ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- মঙ্গলাচরণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মুনীর চৌধুরী (২)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২৫)
- রাজশেখর বসু (৫)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শান্তিময় রায় (১)
- শ্রীনিবাস গণেশ সরদেশাই (১)
- সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (২)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৬)
- সুশীল জানা (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হাসান তারেক (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.