-
কিছুকাল ধ’রে বাংলা সাহিত্য-সমালোচনায় সাহিত্য ও রাজনীতির সম্বন্ধ নিয়ে একটি বাদ-বিসম্বাদের ধারা চলে আসছে যার তীব্রতার বহু মাত্রাভেদ দেখা গেলেও সমগ্রভাবে কোনো মীমাংসা সর্বজনগ্রাহ্য হ’চ্ছে না ৷
গোড়ায় যখন “প্রচার”-সাহিত্যের আবেদন এসেছিল তখনকার পরিমাপে আজকের প্রচারবাদী সাহিত্যিকের সংখ্যা অনেক বিস্তৃতি লাভ করেছে, এবং কেবল যে নিরপেক্ষ ও বিরুদ্ধবাদী বহু সাহিত্যিককে আকৃষ্ট করে এনেছে তাই নয়, নতুন প্রগতিশীল ও সম্ভাবনাপূর্ণ সাহিত্য ও সাহিত্যিকের সৃষ্টি করেছে। এমন কি, দেখা যাচ্ছে যে, বাংলা সাহিত্যের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাও এখানেই অনেকাংশে কেন্দ্রীভূত। নতুন সাহিত্যের অন্য কোনো পথ দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না।
এই বিবর্তনের মধ্য দিয়ে নতুন সাহিত্য নিজের অন্তরের কথাটিকে আরো স্পষ্ট করে, সম্পূর্ণ ক’রে দেখতে পাচ্ছে।
-
প্রকৃতিতে আমরা বিবিধ বিচিত্র বর্ণের বিকাশ দেখিতে পাই। এ সম্বন্ধে গোটা কতক স্কুল কথা এই সন্দর্ভে আলোচ্য।
প্রথমেই প্রশ্ন উঠিতে পারে, বর্ণ কয় প্রকার? সাধারণতঃ বলা হইয়া থাকে, বর্ণ সাত প্রকার। এই উত্তরের একটা ভিত্তি আছে। রামধনুতে আমরা বিবিধ বর্ণের বিকাশ দেখিতে পাই। সূর্য্যের আলো একটা কাচের কলমের ভিতর দিয়া লইয়া গেলে নানা রঙ দেখা যায়। শাদা আলো ভাঙ্গিয়া তাহার মধ্য হইতে কিরূপে মৌলিক বর্ণগুলি বাহির করিতে হয়, তাহা নিউটন প্রথমে দেখাইয়াছিলেন। একটা চুলের মত সঙ্কীর্ণ অথচ দীর্ঘ ছিদ্রের ভিতর দিয়া সূর্য্যের আলোক লইয়া যাইতে হইবে। পরে সেই আলোক একখানা তিন-কোণা কাচের কলমের ভিতর চালাইলে একটা পাঁচ-রঙা আলো দেওয়ালের গায়ে
-
দুঃখব্যাধি-নিপীড়িত চিরাতুর জীবলোকের ব্যাধি-প্রমোচনের জন্য ভগবান শাক্যকুমার সিদ্ধার্থ বৈদ্যরাজের স্বরূপে উৎপন্ন হইয়াছিলেন, মানবজাতির তৃতীয়াংশের অদ্যাপি এইরূপ বিশ্বাস। চিকিৎসকেরা নিদানশাস্ত্রে রোগাৎপত্তির হেতু নির্ণয় করেন। ভব-ব্যাধি-প্রমোচক জ্ঞানদয়াসিন্ধু বৈদ্যরাজ বোধিদ্রুমমূলে সম্বোধি লাভের সময় জীব- ব্যাধির হেতুস্বরূপ দ্বাদশটি নিদানের আবিষ্কার করিয়াছিলেন। সেই নিদানতত্ত্বের নাম প্রতীত্যসমুৎপাদ।
দ্বাদশটি নিদানের নাম যথাক্রমে এই;-অবিদ্যা, সংস্কার, বিজ্ঞান, নামরূপ, ষড়ায়তন, স্পর্শ, বেদনা, তৃষ্ণা, উপাদান, ভব, জাতি ও জরামরণ।
এই নিদানতত্ত্বের বা প্রতীত্যসমুৎপাদের তাৎপর্য্য লইয়া নানা মতভেদ আছে। বৌদ্ধ আচার্য্যেরা সকলে এক মতে ইহার ব্যাখ্যা করেন না। হীনয্যনী আচার্য্যদের ব্যাখ্যা মহাযানীদের সহিত ঠিক মিলেনা; মহাযানীদের মধ্যে সর্ব্ববাদীসম্মত ব্যাখ্যা আছে, এরূপ বোধ হয় না। বৌদ্ধমতাবলম্বীদের বাহিরে অন্যান্য দার্শনিকেরাও ইহার নানারূপ ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
-
রসুলপুরের মির সাহেবদের অবস্থা দেখিতে দেখিতে ফুলিয়া ফাঁপাইয়া উঠিল। লোকে কানাঘুষা করিতে লাগিল, তাহারা জিনের বা যক্ষের ধন পাইয়াছে। নতুবা এই দুই বৎসরের মধ্যে আলাদিনের প্রদীপ ব্যতীত কেহ এরূপ বিত্ত সঞ্চয় করিতে পারে না।
দশ বৎসর পূর্বেও মির সাহেবদের অবস্থা দেশের কোনো জমিদারের অপেক্ষা হীন ছিল না সত্য, কিন্তু সে জমিদারি কয়েক বৎসরের মধ্যেই ‘ছিল ঢেঁকি হল তুল, কাটতে কাটতে নির্মূল’ অবস্থায় আসিয়া ঠেকিয়াছিল।
মুর্শিদাবাদের নওয়াবের সহিত টেক্কা দিয়া বিলাসিতা করিতে গিয়াই নাকি তাঁদের এই দুরবস্থার সূত্রপাত।
লোকে বলে, তাঁহারা খড়মে পর্যন্ত সোনার ঘুঙুড় লাগাইতেন। বর্তমান মির সাহেবের পিতামহ নাকি স্নানের পূর্বে তেল মাখাইয়া দিবার জন্য এক গ্রোস যুবতি সুন্দরী
-
আধুনিক দৃষ্টিতে জনশিক্ষা বলতে আমরা যা বুঝি ঊনবিংশ শতাব্দীতে তা ছিল না। জনশিক্ষার প্রতি সমাজের দৃষ্টিও সেভাবে আকৃষ্ট হয়নি। দেশের উচ্চ ও মধ্যবিত্তের ছেলেরাই কিছু কিছু শিক্ষার সুযোগ পেতো, বেশীর ভাগ গরীব অন্ত্যজ শ্রেণীর লোকেরা কোনরকম সুযোগ পেতো না।
স্যার জন শোরের শাসনকালেই (১৭৯৩-৯৮) ভারতবর্ষে জনশিক্ষার প্রশ্নটি সরকারী ভাবে উত্থিত হয়। তার Notes on Indian Affairs দলিলে তিনি এই প্রসঙ্গের উল্লেখ করেন এবং মাতৃভাষার মাধ্যমে যাতে দেশের সাধারণ মানুষ শিক্ষালাভ করতে পারে তার জন্য তৎকালিক বিদ্যালয়গুলির উন্নতি সাধন ও প্রয়োজনবোধে নতুন বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
সুচিন্তিত সরকারী প্রচেষ্টা কিংবা দেশীয় বিদ্যোৎসাহী বা মিশনারীদের পদক্ষেপের পূর্বেই ১৮০০ সালে
-
আইনস্টাইন-রবীন্দ্রনাথ সংলাপ একটি বহুল আলোচিত বিষয়। সে সম্পর্কে কৌতুহল থাকাটা খুবই স্বাভাবিক। দুজনেই বিশ্ব ইতিহাস বিখ্যাত। একজন ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক আরেকজন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সাহিত্য প্রতিভার অন্যতম। বয়েসের দিক দিয়ে রবীন্দ্রনাথ বড়। আইনস্টাইনের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের সম্ভবত কয়েকবার দেখা হয়েছিল। দুইবারের সাক্ষাৎ ও কথোপকথন রেকর্ড করা হয়েছিল। টেপ রেকর্ডে নয়। দোভাষী দিমিত্রি মারিয়ানফ যেভাবে লিখে রেখেছিলেন, সেইভাবেই তা প্রকাশিত হয়েছিল। প্রথমবার ১৯৩০ সালের ১৪ জুলাই বার্লিনের উপকণ্ঠে কাপুথে। পরেরবার একই বৎসর ১৯ আগস্ট বার্লিনে। দুইবারই রবীন্দ্রনাথ ছিলেন বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের অতিথি। আইনস্টাইন বলেছেন জার্মান ভাষায়, রবীন্দ্রনাথ ইংরেজিতে। প্রথমবারের সংলাপ, যা দোভাষী রেকর্ড করেছিলেন তাই-ই ছাপা হয়েছিল একই বৎসরে আগস্ট মাসে নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায়।
-
খানিকক্ষণ চুপ করে থাকলেন তিনি। তারপর ধীরে ধীরে স্মৃতি উদ্বেলিত হয়ে উঠলেন। পেছনের ফেলে আসা দিনগুলোর মাঝে হারিয়ে যেতে চাইছিলেন তিনি। ১৯৫৩ সালের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সেই উত্তপ্ত দিনগুলোতে ডিসেম্বর আর জানুয়ারীর শীতার্ত রাতগুলোতে। যখন জেলের একটি কামরায় বসে দারুন এক অস্থিরতার শিকার হয়ে সমস্ত মন দিয়ে ছোট্ট একটি খাতায় লিখছিলেন ‘কবর’ নাটিকাটি। বিষয় বস্তুর নির্বাচনে, আঙ্গিকের নতুনত্বে দৃশ্যকল্প নির্মাণে, সব দিক থেকেই যা অভিনবত্বের স্বাক্ষর বহন করছে। তাই আজও ‘কবর’ নাটিকাটি এত প্রিয়।
মুনীর চৌধুরী তখন জেলে। ভাষা আন্দোলনে গ্রেফতার হয়েছেন তিনি অনেকের সাথে রনেশ দাশগুপ্তও তাদের মধ্যে ছিলেন।
“রনেশদাই গোপনে চিঠি লিখেছিলেন আমাকে। সামনে একুশে ফেব্রুয়ারী। একটা নাটক
-
মাওলা ব্রাদার্স থেকে প্রকাশিত, কাইয়ুম চৌধুরির আঁকা প্রচ্ছদের এই আত্মজীবনীটি আমাকে একদম শুষে নেবে ভেতরের দিকে, অতোটা আশা করিনি। প্রচ্ছদটি দেখে আমার মন কাড়েনি। কিন্তু ভেতরে যা আছে, তা আমাকে এক অন্যরকম পৃথিবী দেখিয়েছে। একজন নারীর শৈশব, যিনি দেখেছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, যিনি দেখেছেন সাতচল্লিশের দেশভাগ। যার শৈশব কৈশোর জুড়ে রয়েছে, যশোরের চুড়িপট্টি। নানান বঞ্চনা, গঞ্জনা, অ্যাডভেঞ্চার, আর শেকল ভাঙার নানান ব্যর্থ চেষ্টাসমৃদ্ধ একটা শিশু জীবন।
যে শিশু জীবন দেখেছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, দেশভাগ, হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা, হিন্দু বাঙালির দেশ ছাড়ার মিছিল। বাঁশের সাঁকোর মতো নড়বড়ে একটা শৈশব-কৈশোর, ভয়ে ভয়ে পার করে হয়ে উঠেছেন যুবতী। আনোয়ারা সৈয়দ হকের শৈশবের আকর্ষণীয় দিকটি হচ্ছে,
-
আর কিছুই নয়, মাসিক পত্রে একটা ভারি মজার প্রবন্ধ লিখিয়াছিলাম। পড়িয়া অন্তরঙ্গ বন্ধুরা তো হাসিয়াছিলই, আবার শত্রুপক্ষও খুব হাসিতেছে।
অষ্টপাইকা, সাপ্টিবারি ও টাঙ্গাইল হইতে তিন জন পাঠক জিজ্ঞাসা করিয়া পাঠাইয়াছেন প্রবন্ধটির অর্থ কী। তাঁহাদের মধ্যে একজন ভদ্রতা করিয়া অনুমান করিয়াছেন ইহাতে ছাপাখানার গলদ আছে; আর-এক জন অনাবশ্যক সহৃদয়তাবশত লেখকের মানসিক অবস্থা সম্বন্ধে উৎকন্ঠা প্রকাশ করিয়াছেন; তৃতীয় ব্যক্তি অনুমান এবং আশঙ্কার অতীত অবস্থায় উত্তীর্ণ, বস্তুত আমিই তাঁহার জন্য উৎকন্ঠিত।
শ্রীযুক্ত পাঁচকড়ি পাল হবিগঞ্জ হইতে লিখিতেছেন—
‘গোবিন্দবাবুর এ প্রবন্ধের উদ্দেশ্য কী? ইহাতে কি ফরাসডাঙার তাঁতিদের দুঃখ ঘুচিবে? দেশে যে এত লোককে খেপা কুকুর কামড়াইতেছে এ প্রবন্ধে কি তাহার কোনো প্রতিকার কল্পিত হইয়াছে?’
-
মানুষের জীবন এগিয়ে চলে নানা ঘাতপ্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে। যারা সচেতনভাবে বৃহত্তর জীবনের পথ বেছে নিতে চায় তাদের বেলায় সংঘাত হল অনুক্ষণের সাথী। তাই বুঝি কিছুদিন পরেই প্রিয় সঙ্গীর সঙ্গে তীব্র মতান্তর শুরু হয়। আমার ওপর তখন অধ্যাত্মবাদের প্রভাব খুব বেশি। বাড়িতে দাদার আমন্ত্রণে নানা আশ্রমের সন্ন্যাসীরা এসে সময়ে সময়ে অতিথি হন। দাদার সঙ্গে তাঁদের শাস্ত্র ও দর্শন সম্বন্ধে অনেক আলোচনা হয়। কখনও বা হয় তুমুল তর্কবিতর্ক। তার অনেক কিছুই বুঝতে পারি না, তবু মনে কিছু কিছু রেশ থেকে যায়। সেগুলিকে নিজের ধারণার রঙে রাঙিয়ে নিতে চাই। সেই সময়টা হিন্দু মিশন থেকে পার্থসারথিরূপে শ্রীকৃষ্ণের একখানা ছবিকে খুব জনপ্রিয় করে তুলেছিল। সেটি
-
সমাজতন্ত্রবাদের প্রতিষ্ঠাতা মার্কস ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে ভারতীয় সমস্যা সম্পর্কে আধুনিক চিন্তাধারার গোড়াপত্তন করে গেছেন। ভারতে ব্রিটিশ শাসনের ফলাফল, তার সংহারমূর্তি, “অজ্ঞাতসারে ইতিহাসের যন্ত্ররূপে তার বিপ্লবী ভূমিকা, ভারতকে “পুনরুৎপাদক দেশে” রূপান্তরিত করবার আয়োজন, আধুনিক শিল্পের প্রকৃত অগ্রদূত হিসাবে রেলপথের ভূমিকা, ভূমি-ব্যবস্থার স্বরূপ প্রভৃতি সম্পর্কে নূতন আলোকসম্পাত এবং একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গীর প্রবর্তন মার্কসই করেছেন। পরিণত বয়সে রচিত (এবং তাঁর মৃত্যুর পরে এঙ্গেলস কর্তৃক সম্পাদিত) ক্যাপিটালের তৃতীয় খণ্ডে ভারতের অর্থনীতি প্রসঙ্গে মার্কস যে মূলসূত্র প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তার যথার্থতা এবং বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আধুনিক ঐতিহাসিক গবেষণার ফলাফলে স্বীকৃত। দীর্ঘকাল ভারত প্রসঙ্গে মার্কস এবং এঙ্গেলসের রচনাবলী অপ্রকাশিত এবং অবজ্ঞাত ছিল। বিগত পঁচিশ বৎসরের মধ্যে অনুসন্ধিৎসুরা (বিংশ
-
আবার বজ্র ঝলসে উঠছে সিনাই উপত্যাকায় রং লেগেছে আবার বাস্তবের মুখশ্রীতেএসেছে বিলয়ের বার্তা, সত্য দর্শনের আমন্ত্রণ
হে দেখার দৃষ্টি এখন সময়, বলো, সাক্ষী থাকার সাহস আছে কি নেই এখন প্রাণের শত্রু দুঃখ নিদানের সহায় ইরমের স্বর্গোদ্যান এখন অনস্তিত্তের মরুর প্রতিচ্ছবিও পাগলামির ভাবনা! না থাকার পথ বেয়ে চলবার সাহস আছে কি নেই!
হে দেখার দৃষ্টি আবার হৃদয়কে সাফ করো, হয়তো এই ফলকে তোমার আমার মাঝে নতুন কোনো প্রতিশ্রুতি উঠবে ফুটে এখন অত্যাচারের প্রথা পৃথিবীতে অভিজাতদের হাতিয়ার তাকে বৈধ করতে ধর্মগুরুরা হয়েছে দক্ষ এখন বহু যুগের বাধ্যতার প্রথায় আনতে বদল অস্বীকারের ফরমান নেমে আসা হয়ে গেছে অনিবার্য
আর শোনো হয়তো এই নির্মল
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- উদ্ভিদ
- উদ্ভিদবিদ্যা
- বিজ্ঞান
- শিশুতোষ
- অস্ত্র
- আন্দোলন
- প্রযুক্তি
- রূপকথা
- রোজনামচা
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ছোটগল্প
- মধ্যপ্রাচ্য
- যুদ্ধ
- পুঁজিবাদ
- ফ্যাসিবাদ
- বই
- ভূমিকা
- ওষুধ
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- জীবনী
- মার্কসবাদ
- ক্রিকেট
- রসায়ন
- বাংলা
- নির্বাচন
- আলোচনা
- গদ্য
- চট্টগ্রাম
- মুক্তিযুদ্ধ
- নারী
- কবিতা
- চীন
- জাতীয়তাবাদ
- অনুবাদ
- লেখক
- বিজ্ঞানী
- স্মৃতিকথা
- কিশোর
- চিরায়ত
- ব্যাঙ্গাত্মক
- উদ্ভাবন
- ভাষা
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- হিন্দু
- যুক্তরাষ্ট্র
- পাকিস্তান
- অভ্যুত্থান
- ইউরোপ
- দুর্ভিক্ষ
- ঢাকা
- ভৌতিক
- নৃত্য
- গোয়েন্দা
- ভারত
- সমাজ
- গণিতশাস্ত্র
- আধ্যাত্মিকতা
- পৌরাণিক
- সাংবাদিকতা
উৎস
লেখক
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৩)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৯)
- অশোক মিত্র (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আহমদ রফিক (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (২)
- কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত (১)
- গোপাল হালদার (৪)
- চিন্মোহন সেহানবীশ (১)
- জঁ-পল সার্ত্র (১)
- জগদীশ চন্দ্র বসু (৩)
- জর্জ বার্নার্ড শ (১)
- জহির রায়হান (২)
- জীবনানন্দ দাস (৯)
- দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার (১)
- দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নজরুল ইসলাম (১)
- পশুপতি ভট্টাচার্য (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৩২)
- প্রমা ইসরাত (১)
- ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- মঙ্গলাচরণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মুনীর চৌধুরী (৪)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৪৫)
- রাজশেখর বসু (১০)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (৫)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শান্তিময় রায় (১)
- সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (২)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১২)
- সুশীল জানা (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (১)
- হাসান তারেক (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.