-
কালিদাসের মেঘদূত ব্যাপারটা কি বোধ হয় আপনারা জানেন। যদি ভুলে গিয়ে থাকেন তাই একটু মনে করিয়ে দিচ্ছি। কুবেরের অনুচর এক যক্ষ কাজে ফাঁকি দিত, সেজন্য প্রভুর শাপে তাকে এক বৎসর নির্বাসনে থাকতে হয়। সে রামগিরিতে আশ্রম তৈরি করে বাস করতে লাগল। আষাঢ়ের প্রথম দিনে যক্ষ দেখল, পাহাড়ের মাথায় মেঘের উদয় হয়েছে, দেখাচ্ছে যেন একটি হস্তী বপ্রক্রীড়া করছে। অঞ্জলিতে সদ্য ফোটা কুড়চি ফল নিয়ে সে মেঘকে অর্ঘ্য দিল এবং মন্দাক্রান্তা ছন্দে একটি সুদীর্ঘ অভিভাষণ পাঠ করল। তার সার মর্ম এই।—ভাই মেঘ, তোমাকে একবার অলকাপুরী যেতে হচ্ছে। ধীরে সুস্থে যেয়ো, পথে কিঞ্চিৎ ফুর্তি করতে গিয়ে যদি একটু দেরি হয়ে যায় তাতে ক্ষতি
-
বিয়োগপঞ্জী : মোহিতলাল মজুমদার ও ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
গোপাল হালদার
মাস কয় মাত্র অতিবাহিত হয়েছে—কবি মোহিতলাল মজুমদার এই পৃথিবী থেকে বিদায় গ্রহণ করেছেন। সে শোক বিস্মৃত না হতেই আবার পূজাবকাশে ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়ের বিয়োগে বাংলা সাহিত্যের জিজ্ঞাসু পাঠকমাত্রই নিরতিশয় ব্যথিত বোধ করবেন নিতান্ত অকালে এরা কেউ আমাদের ত্যাগ করেননি, তা সত্য। কিন্তু এদের অভাব বাঙলা দেশ সহনক্ষম হয়ে ওঠেনি, তা আরও নিদারুণ সত্য। যে স্থান রিক্ত হয়, তা আর পূর্ণ হয় না—এদের গুণগ্রাহী সুহৃদ ও অনুরাগী অনুজ হিসাবে আমরা অনেকেই তা জানি। ব্যক্তিমানুষ হিসাবে এমন দুইজন বিভিন্ন প্রকৃতির মানুষ সম্ভবত আর দেখা যায় না। অথচ সততায়, আন্তরিকতায়, কর্তব্যনিষ্ঠায়, বন্ধুবাৎসল্যে এরা সমগোত্রের
-
গাণিতিক চিন্তার অগ্রদূতেরাঅনেকের ধারণা যে গণিত এক ধরনের স্থবির বিষয়। নিঃসন্দেহে ধারণাটি ভুল। তবে একথা সত্যি যে মানুষের ইতিহাসে এমন অনেক সময় ছিল যখন গাণিতিক চিন্তার অগ্রগতি একেবারে হয়নি। সে সব সময়ের কোনো গাণিতিক সৃজনশীলতা আমাদের নজরে পড়ে না। কিন্তু ক্রমাগত গণিতকে বোঝার ফলে ঘটতে থাকে তার বিকাশ। গাণিতিক বিকাশের প্রেক্ষিতে আমরা বর্তমান সময়কে আর সব সময়ের চেয়ে শ্রেষ্ঠ বলতে পারি।
যখন আমরা গণিত নিয়ে কথা বলছি তখন ‘কী গণিত’ আর ‘কী গণিত নয়’ সেটা জানা আমাদের জন্য বেশ জরুরি। তবে এক্ষেত্রে হয়ত সব গণিতবিদ একমত হবেন না। এ প্রসঙ্গে বার্ট্রান্ড রাসেল বলছেন, “গণিত হচ্ছে ‘p থেকে q-এ আসা
-
সিমেন্ট ঘাঁটতে এমন ভাল লাগে রঘুর। দশটা আঙ্গুল সে ঢুকিয়ে দেয় সিমেন্টের স্তূপে, দু'হাত ভর্তি করে তোলে, আঙ্গুলের ফাঁক দিয়ে ঝুর ঝুর করে ঝরে যায়। হাত দিয়ে সে থাপড়ায় সিমেন্ট, নয় শুধু এলোমেলোভাবে ঘাঁটাঘাঁটি করে। যোয়ান বয়সে ছেলেবেলার ধুলোখেলার সুখ। কখনো খাবলা দিয়ে মুঠো করে ধরে, যতটা ধরতে চায় পারে না, অল্পই থাকে মুঠোর মধ্যে। হাসি ফোটে রঘুর ঠোঁটে। এখনো গঙ্গামাটির ভাগটা মেশাল পড়েনি—ও চোরামিটা কোম্পানি একটু গোপনে করে। কি চিকন মোলায়েম জিনিষটা, কেমন মিঠে মেঘলা বরণ। মুক্তার বুক দুটির মত। বলতে হবে মুক্তাকে তামাসা করে, আবার যখন দেখা হবে।
‘এই শালা খচ্চর!’
গিরীনের গাল, ছিদামের নয়। ছিদাম বিড়ি টানছে
-
বিগত শতাব্দীর বিশ ও তিরিশের দশকে ইউরোপে ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটে। ইতালিতে ফ্যাসিস্ট মুসোলিনী ও জার্মানিতে হিটলার সেসব দেশের একছত্র ক্ষমতার অধিকারী হয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী এক মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ব্রাসেলস শহরে। তাছাড়া ১৯৩৫ সালের ২১ জুন প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয় শিল্পী, সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীদের ফ্যাসিবাদ বিরোধী প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন -ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অব রাইটারস ফর দি ডিফেন্স অব কালচার। সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন জিদ, মালরো, হাক্সর্লি, স্ট্রাচি প্রমূখ মনীষীগণ। সেখান থেকে ডাক দেয়া হয় ফ্যাসিবাদী মানববিধ্বংসী বর্বরতা প্রতিহত করার জন্য। দেশে দেশে সাড়াও পড়েছে। এতো সব সত্ত্বেও ইউরোপে ফ্যাসিবাদের ধ্বংসাত্মক আক্রমণ অব্যাহত থাকে। ফ্যাসিস্ট মুসোলিনীর ও
-
বিংশ শতাব্দীর শুরুতে এদেশে এমন একজন অসাধারণ মেধাবী মানুষের আবির্ভাব ঘটেছিল যিনি সকল কর্মপ্রয়াসেও ছিলেন অনন্য। কিশোরগঞ্জ জেলার একটি অজ পাঁড়াগায়ে জন্মগ্রহণ করেও তিনি সারা ভারতবর্ষে মেধা ও পান্ডিত্যের জন্য বিশেষখ্যাতি অর্জন করেছিলেন। স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত প্রতিটি পরীক্ষায়ও প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন। চাকরি করলে তিনি কি না হতে পারতেন। কিন্তু সেদিকে না গিয়ে, তিনি আত্মনিয়োগ করেছিলেন কৃষক-শ্রমিক মেহনতি মানুষের মুক্তি সংগ্রামে। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে যোগদান করে একটানা প্রায় আটবছর জেল খেটেছেন এবং জেলে বসেই লিখেছেন মার্কসবাদ সংক্রান্ত পান্ডিত্যমুলক গ্রন্থ, অনুবাদ করেছেন এবং ইংরেজি ভাষাতেও গ্রন্থ রচনা করে সুখ্যাতি অর্জন করেছেন। তাঁর গ্রন্থ আজও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্য ও রেফারেন্স হিসেবে গৃহীত।
-
বাংলাদেশ আজ মুক্ত। ইতিহাসের এক প্রচণ্ড অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার গৌরবে বাংলাদেশের আবালবৃদ্ধবণিতা আজ ভূষিত। অমিত শৌর্য নিয়ে স্বদেশের সত্তা, স্বার্থ ও সম্মানের জন্য সার্থক সংগ্রাম করেছেন সেখানকার বাঙালিরা। ভারতভূখণ্ডে এমন উদ্দীপনাময় ঘটনার সাক্ষাৎ কখনও মিলেছে মনে হয় না। বিশ্বের বৃত্তান্তে নতুন সংযোজনা করতে চলেছে বাঙালি—
ভেঙেছ দুয়ার, এসেছ জ্যোতির্ময়, তোমারি হউক জয় ৷
তিমির-বিদার উদার অভ্যুদয়, তোমারি হউক জয় ৷
ভারতের সৌভাগ্য ও গর্ব আজ এই যে পরম সৌহার্দ্য নিয়ে, বিপুল বিদেশী প্রতিকূলতায় সন্ত্রস্ত না হয়ে, বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে সাধ্যাতিরিক্ত সহায়তা দিতে সে চেয়েছে এবং পেরেছে। আর আমরা—যে যেখানে আছি—যারা মায়ের কোলে শুয়ে প্রথম কথা বলতে শিখি বাঙলা ভাষায়, তারা
-
নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত আমি কারাগারে বন্দী ছিলাম। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থেকে কাজ করার পর ১৯৬৭ সালে আমি গ্রেপ্তার হই এবং ১৯৬৯ সালের মহান গণ-অভ্যুত্থানের সময় জনগণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আমার এবং অন্যান্য রাজবন্দীদের মুক্তির দাবি দেশের আনাচে কানাচে ধ্বনিত করে তোলে, সেই পটভূমিতে ফেব্রুয়রি মাসে আমরা মুক্তি পাই। কিন্তু সামরিক শাসন জারি ও ইয়াহিয়া খান ক্ষমতায় আসার পর ১৯৬৯ সালের জুলাই মাসে আমাকে আবার গ্রেপ্তার করা হয় । ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের পর বন্দীরা রাজশাহী জেল ভেঙ্গে আমাকে বের করে নেয়ার আগে পর্যন্ত আমি আটক ছিলাম। কাজেই উল্লিখিত সময়ে আমি ব্যক্তিগতভাবে পার্টি ও জনগণের রাজনৈতিক সংগ্রামে
-
বড়দিনের মরশুমে এবার উদয়শঙ্করের নৃত্যানুষ্ঠান একটি বিশেষ আকর্ষণ। প্রায় ২০ বৎসর পূর্বে, শঙ্কর যখন উদয়শিখরে তখন তাঁর নৃত্য দেখবার সৌভাগ্য হয়েছিল। সেই শ্রদ্ধা, বিস্ময়বোধ ও আকাঙ্ক্ষা নিয়েই গেলাম তাঁর নৃত্যানুষ্ঠান আবার দেখতে। কিন্তু অধিকাংশ দর্শকেরই মতো হতাশ হয়ে ফিরে এলাম। অনূভব করলাম উদয় আজ অস্তাচলে। এ অনুভূতির পেছনে বিক্ষোভ ততটা নেই যতটা আছে বেদনা।
রবীন্দ্রনাথের পর শঙ্করই ছিলেন বহির্বিশ্বে ভারতের সাংস্কৃতিক দূত। তাঁর আবির্ভাব ভারতের নৃত্য তথা সংস্কৃতি জগতে একটা মস্তবড় ঘটনা। রবীন্দ্রনাথ সাহিত্য ও সঙ্গীতে, শিশিরকুমার মঞ্চে যে নবযুগের সৃষ্টি করেছেন, শঙ্কর তা করেছেন নৃত্যে। ক্ষয়িষ্ণু, সামন্ততন্ত্রী সমাজে, ভারতের ঐ বর্ষশালী প্রাচীন নৃত্যকলা আশ্রয় নিয়েছিল বারবণিতালয়ে। এই যুগে রবীন্দ্রনাথই
-
জিমি কার্টার : স্বদেশের দিকে মুখ ফিরাও
[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মানবিক অধিকারের অবস্থা আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কমিউনিস্ট পার্টি কর্তৃক রচিত; নিউ ইয়র্ক, জুন ১৯৭৭, পৃ. ৬৭।]
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের “মানবাধিকার-সংক্রান্ত প্রচার নিছক আরেকটি সমাজতন্ত্র-বিরোধী চমক। সমাজতন্ত্র, বিশেষ করে সোভিয়েত ইউনিয়নকে হেয় করবার ৬০ বৎসরব্যাপী মার্কিন পুঁজিবাদ সাম্রাজ্যবাদী নীতির এটি একটি নতুন চক্রান্ত ৷” (পৃ. ক) আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কমিউনিস্ট পার্টি কর্তৃক রচিত বিশেষ দলিলে এভাবে সোভিয়েত-বিরোধিতাকে ওয়াশিংটনের নীতির একটি কেন্দ্রীয় উপাদানরূপে বর্ণনা করা হয়েছে। বর্তমানে ওয়াশিংটনে “হেলসিংকি চুক্তি লঙ্ঘনের তথাকথিত অজুহাতের ভিত্তিতে সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহ, বিশেষত সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে সুসংবদ্ধ প্রচারাভিযান শুরু করেছে।” (পৃ. ১)
এই গ্রন্থের লেখকরা উল্লেখ করেছেন এই প্ররোচনামূলক প্রচারাভিযানের নায়করা
-
১
শ্রমজীবীরা বিশ্বের দেশে দেশে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেছে অথবা আজ হোক কাল হোক করবে। সমস্ত মৌল অর্থনৈতিক সম্পদে ব্যক্তিগত মালিকানার উচ্ছেদ ঘটিয়ে সামাজিক মালিকানাজারী প্রথম কাজ। শিল্পকলা সাহিত্যেরও দখল নেয়া এই কাজের অন্তর্ভুক্ত। এই একান্ত বাস্তব ও অনিবার্যভাবে সম্ভাব্য বাস্তব থেকে উদ্ভব হয়েছে সাহিত্য শিল্পকলার নতুন সংজ্ঞা সমাজতান্ত্রিক বাস্তবতাবাদের। এই সংজ্ঞার মূলসূত্র, শ্রমজীবী মানুষের কর্মকাণ্ড এবং ইচ্ছা ও অনুভবই সাহিত্য- শিল্পকলার চালকশক্তি।
এই সংজ্ঞার সূচনা ঐতিহাসিকভাবে সোভিয়েত অক্টোবর বিপ্লবে, কারণ এই বিপ্লবের মধ্য দিয়েই প্রথম শ্রমজীবীদের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থা এবং সাহিত্য শিল্পকলার প্রবর্তন হয়েছে।
মায়াকভস্কির বিশেষত্ব এই যে, যাঁরা সাহিত্য শিল্পকলায় শ্রমজীবীদের দখল নেয়ার কাজে সৃজনশীলতায়
-
[তৎকালীন অস্ট্রিয়ার কোমোটাউ অন্চলের এক সৈনিক পরিবারে ১৮৯৯ সালে ফিশার জন্মগ্রহণ করেন। প্রথম মহাযুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। তবে মূলত ছিলেন দর্শনের ছাত্র ও সাংবাদিকতায় অনুরাগী। কমুনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন ১৯৩৪ সালে। ১৯৪৫ সালে, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের কালে, অস্ট্রিয়ায় অস্থায়ী সরকার প্রতিষ্ঠায় অংশ নেন। কিছু সময় ওই সরকারে শিক্ষামন্ত্রীও ছিলেন। ১৯৫৯ সালের পর থেকে সম্পূর্ণরূপে সাহিত্যসেবায় আত্মনিয়োগ করেন। ওই বছরই প্রকাশিত হয় শিল্প-সমালোচনামূলক তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ the Necessity of Art। মার্কসবাদীর দৃষ্টিকোণ থেকে রচিত এই বইয়ে তিনি কয়েকটি মৌলিক প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধান করেছেন—কেন শিল্পী বিশেষ পদ্ধতিতে আঁকেন, উপন্যাসবিচারের মাপকাঠি কি হবে, বা শিল্পকলাই বা কি? জার্মান ভাষায় রচিত উক্ত পুস্তকটি প্রকাশের পর থেকে
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- আন্দোলন
- ছোটগল্প
- পাকিস্তান
- ভাষা
- অস্ত্র
- প্রযুক্তি
- বিজ্ঞান
- ভৌতিক
- নির্বাচন
- ওষুধ
- গদ্য
- চট্টগ্রাম
- মুক্তিযুদ্ধ
- রূপকথা
- শিশুতোষ
- মধ্যপ্রাচ্য
- যুদ্ধ
- কবিতা
- শিল্পকলা
- চীন
- জাতীয়তাবাদ
- আলোচনা
- বই
- অনুবাদ
- চিরায়ত
- রসায়ন
- জীবনী
- উদ্ভিদ
- উদ্ভিদবিদ্যা
- উদ্ভাবন
- কিশোর
- আধ্যাত্মিকতা
- পুঁজিবাদ
- ফ্যাসিবাদ
- ভূমিকা
- মার্কসবাদ
- লেখক
- নারী
- অভ্যুত্থান
- বিজ্ঞানী
- স্মৃতিকথা
- গণিতশাস্ত্র
- নৃত্য
- যুক্তরাষ্ট্র
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- সঙ্গীত
- রোজনামচা
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ক্রিকেট
- ভারত
- সমাজ
- বাংলা
- ব্যাঙ্গাত্মক
- ঢাকা
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- পৌরাণিক
- সাংবাদিকতা
- গোয়েন্দা
- ইউরোপ
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- হিন্দু
- দুর্ভিক্ষ
উৎস
লেখক
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৩)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৮)
- অশোক মিত্র (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আহমদ রফিক (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (২)
- কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত (১)
- গোপাল হালদার (৪)
- চিন্মোহন সেহানবীশ (১)
- জঁ-পল সার্ত্র (১)
- জগদীশ চন্দ্র বসু (৩)
- জর্জ বার্নার্ড শ (১)
- জহির রায়হান (২)
- দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার (১)
- দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নজরুল ইসলাম (১)
- পশুপতি ভট্টাচার্য (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৩১)
- প্রমা ইসরাত (১)
- ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- মঙ্গলাচরণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মুনীর চৌধুরী (৪)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৪৫)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (৫)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শান্তিময় রায় (১)
- সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (২)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১২)
- সুশীল জানা (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (১)
- হাসান তারেক (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.