-
হোয়াট ইজ লিভিং এ্যাণ্ড হোয়াট ইজ ডেড ইন ইণ্ডিয়ান ফিলসফি
লেখক: দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
প্রকাশক: পিপলস পাবলিসিং হাউস, নতুন দিল্লী
প্রকাশকাল: ১৯৭৬
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৫৫
ভারতীয় দর্শনের বস্তুবাদী গোষ্ঠীর কথা বাইরের দুনিয়ায় বিশেষ কিছু জানা নেই । কিন্তু আপাত-বিরোধী মনে হলেও একটা ঘটনা হল, ঊনিশ শতকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের মুখপাত্রগণ এবং ভারতীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতির পশ্চিমী গুণগ্রাহীরা ভারতীয় দর্শনকে অতীন্দ্রিয়বাদ ও অধ্যাত্মবাদের সঙ্গে একাত্ম করে দেখেছিলেন। এর মধ্যে প্রথমোক্ত গোষ্ঠী এটা “প্রতিপন্ন” করেছিলেন যে অন্য জগতের প্রতি আসক্তি ভারতীয়দের বৈষয়িক লক্ষ্য অনুসরণে ও স্বশাসনের ক্ষমতা বিকাশের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আর শেষোক্ত গোষ্ঠীর বিশ্বাস ছিল যে, “পশ্চিমী সভ্যতার” নোংরা বিষয়-লিপ্সার সত্যিকার প্রতিষেধক
-
গিলগামেশ কাব্য, বাবিলের সবচেয়ে দীর্ঘ এবং সুন্দর কবিতা পৃথিবীর বিখ্যাত সাহিত্য-কীর্তিগুলোর মধ্যে এক বিশেষ স্থান পেয়েছে। গিলগামেশ কাব্য পৃথিবীর প্রাচীনতম বীরগাঁথা, যাকে ব্যাবিলনীয় অডিসি আখ্যা দিলে ভুলে হবে না। কাব্যের নায়ক গিলগামেশ অডিসিউস আর হেরাক্লিসের মতোই কীর্তিধর বীর। যদিও তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের গবেষণার জন্য পুরাকাহিনি সমৃদ্ধ, গিলগামেশ কাব্যে মানুষের গভীরতম আবেগ এবং যন্ত্রণার ছবি আমরা দেখতে পাব। মানুষের সার্বজনীন আশা-নিরাশার সমস্যা গিলগামেশ কাব্য যেভাবে স্থাপন এবং আলোচনা করেছে, তা যে কোনো আধুনিক মানুষের হৃদয় স্পর্শ করবে। এই চিরন্তর আবেদনের জন্যেই গিলগামেশ কাব্য চিরকাল মানুষকে আনন্দ দিয়ে আসবে।
গিলগামেশ কাব্য হেনরী লেয়ার্ড আসূরবানিপালের বিখ্যাত গ্রন্থাগার থেকে উদ্ধার করেন। এটা আসূরবানিপালের সময়ই অর্থাৎ
-
সকল পুঁজিতন্ত্রী দেশেই দুইটী শ্রেণী—বুর্জোয়া ও প্রলিটারিয়েট, মালিক ও শ্রমিক। বুর্জোয়া শ্রমিককে শোষণ করে; ইহারা পরস্পরের বিরোধী। শ্রমিকের শ্রমের ফল বুর্জোয়া কিরূপে আত্মসাৎ করিতে সমর্থ হয় তাহা জানা আবশ্যক। পুঁজিতন্ত্রী শোষণের যথার্থ তথ্যটি আবিষ্কার করিয়াছেন মার্ক্স।
পুঁজিতন্ত্রী শোষণ কিরূপে সম্ভব হইতেছে? কিরূপে মালিক ক্রমেই বড় হইতেছে, কেনই বা শ্রমিক ক্রমেই দরিদ্র হইতেছে? কি সব অদৃশ্য শৃঙ্খল শ্রমিককে বাঁধিয়া রাখিয়াছে?
আমরা পূর্বেই সরল পণ্যোৎপাদনের কথা বলিয়াছি। সরল পণ্যোৎপাদনে উৎপাদনকারী নিজের হাতিয়ার দ্বারা নিজেই কাজ করে; ভাড়াটে শ্রমিক নিয়োগ করে না। কিন্তু এইরূপ উৎপাদনেই পুঁজিতন্ত্রের বীজ নিহিত; সরল পণ্যোৎপাদনই পুঁজিতন্ত্রে বিকশিত হয়। মূল্যের সূত্রটী পণ্যোৎপাদনের বিকাশের সূত্র। এই বিকাশই পুঁজিতন্ত্রে পরিণতি লাভ
-
একজন পুঁজিপতি তাঁর বন্ধুকে নিয়ে নিজের কারখানার মধ্যে দিয়ে হাঁটছিলেন। বন্ধুটি পুঁজিপতি ভদ্রলোকটিকে জিজ্ঞেস করলেন—‘তুমি ওই লেবারটিকে এক্ষুণি কী বললে?’
পুঁজিপতি ভদ্রলোকটির জবাব, ‘আমি ওকে বললাম আরও দ্রুত কাজ করতে।’
বন্ধুটির পরের প্রশ্ন—‘কত টাকা দাও ওকে?’
‘দিনে ১৫০ টাকা।’—জবাব দেন পুঁজিপতি।
বন্ধুটি এবার জানতে চাইলেন—‘তুমি ওকে পয়সা দেওয়ার অর্থ কোথা থেকে পাও?’
—‘আমি জিনিসপত্র বিক্রি করি।’
—‘কে তৈরি করে সেই জিনিসগুলো?’
—‘কে আবার, ও আর ওর মতন লেবারগুলো।’
—‘ওই লোকটা দিনে কটা প্রডাক্ট তৈরি করে?’
—‘এই... দিনে ১০০০ টাকার মতন।’
—‘তার মানে হলো তুমি ওকে দাওনা উলটে ও তোমাকে প্রতিদিন ৮৫০ টাকা করে দিচ্ছে, যাতে তুমি ওকে বলতে পারো কাজের
-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
পানি থেকে ছিন্নভিন্ন কালো পাহাড়ের মতো 'আভালাঁশে'র পিছন দিক উত্তোলনের কাজ শুরুর পূর্বে ডুবুরীদের জন্য প্রশিক্ষণ নেওয়ার কিছু পদ চালু করা হয়েছিল। প্রশিক্ষণের দ্বারা আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য বিশেষ কিছু অনুশীলনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। কয়েক বার পানির তলদেশে যাওয়ার পরে একেকজন ডুবুরীকে যার যার কর্মক্ষেত্রে পাঠিয়ে দেওয়া হত। ডুবুরীদের প্রশিক্ষণের ব্যাপারে বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন ছিলেন জাহাজটির উদ্ধারকাজে ইঞ্জিনিয়ার ইয়েঙ্গেনি লেগোশিন। একইসঙ্গে ডুবুরীদের প্রশিক্ষণদান আর বাস্তব উদ্ধার কাজ করানো এক কঠিন কর্ম সন্দেহ নেই। শুরুতে জাহাজের বডি হাত দিয়ে পরীক্ষা করতে হল। জাহাজের এই বাইরের শরীরটা ৪ হাজার বর্গমিটারের; এটি পরীক্ষার পরে জাহাজের ভিতরের কক্ষগুলো পরীক্ষার দরকার ছিল।
-
লেখক: অন্তরা চৌধুরী
সাধক শিল্পী ও সুরস্রষ্টাগণ ভাবতীয় সঙ্গীতকে উদার ভাবধারায় মণ্ডিত করে গেছেন—তাকে সংকীর্ণ গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি। তাই তাঁদের অবদান দেশ কাল পাত্রের সীমা অতিক্রম করে চিন্তাশীল শিল্পীদের অন্তরে প্রেরণা এনেছে। মনীষী রমা রল্যা বলেছেন, 'Music and Poesy would go side by side, dreaming and their dreams mingling.' বাংলাদেশে সঙ্গীতের একটি মহান আদর্শ ছিল, সে আদর্শ হল কাব্যভাব ও সুরভাবের পূর্ব সমন্বয়। অনুশীলনেব ফলে এবং বাংলার গীতিকার ও সুরকারগণের নব নব অবদানে সঙ্গীতের মধ্যে অনেককিছু মৌলিকত্ব এসেছিল এবং বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে সেগুলি স্বীকৃতিও পেয়েছিল। বাউলসঙ্গীত এই অভিযান-পর্বেরই এক উর্বর ফসল।
চৈতন্য সমসাময়িককালে বাস্তবজীবনে উদাসীন, বাইরের দিক থেকে অসম্বদ্ধ—এমন
-
চিকিৎসা শাস্ত্র যুগে যুগে
লেখক: ড. অশোককুমার বাগচী
প্রকাশক: পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্যদ
বাংলা ভাষার প্রকাশনার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষদ বিগত কয়েক বছরে নিজেদের মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠা করেছেন। বঙ্কিমচন্দ্র, রামেন্দ্রসুন্দর, রবীন্দ্রনাথ, জগদীশচন্দ্র প্রমুখের সান্তর প্রয়াসে জ্ঞানবিজ্ঞানের নানা গভীর জটিল তত্ত্ব আলোচনার যে সমৃদ্ধ ঐতিহ্যে বাংলাভাষার উত্তরাধিকার, সাম্প্রতিক সেই ধারাটি ক্ষীয়মাণ। এই সেদিন পর্যন্ত বাংলায় গুরুগম্ভীর বিষয়ের সরস প্রাঞ্জল আলোচনা আমাদের নজর কেড়েছে। সম্প্রতি, কয়েকটি উজ্জ্বল ব্যতিক্রমের কথা ছেড়ে দিলে, তন্নিষ্ঠ শাস্ত্র আলোচনা বাংলায় দুর্লক্ষ্য। এই পরিবেশে, সরকারি আনুকূল্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্যদ জ্ঞানবিজ্ঞানের বহুধাবিস্তৃত শাখার বই বাংলায় প্রকাশ করার দায়িত্ব নিয়েছেন। প্রথম দিকে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্তরের টেক্সট বই
-
সমাজ ও সভ্যতার ক্রমবিকাশ
লেখক: রেবতী বৰ্মণ
প্রকাশক: ন্যাশনাল বুক এজেন্সি লিমিটেড, কলিকাতা
বন্ধুবর রেবতী বর্মণ আজ আর আমাদের মধ্যে নেই। তার বিয়োগোত্তর প্রকাশনী ‘সমাজ ও সভ্যতার ক্রমবিকাশ’ তার সর্বশেষ গ্রন্থ। স্বভাবতই এই গ্রন্থ-সমালোচনার সময় আগে রেবতীবাবুর বিয়োগ-ব্যথাই তার অগণিত বন্ধু ও সহকর্মীদের কাছে বড় হয়ে উঠবে। তাই অনেকটা হৃদয়াবেগ সংযত করেই আলোচনায় অবতীর্ণ হচ্ছি।
‘সমাজ ও সভ্যতার ক্রমবিকাশ’ মার্কসবাদী দৃষ্টিতে ইতিহাস বিশ্লেষণ করার মহৎ প্রচেষ্টা। বাংলা ভাষাতে অমিত সেনের ‘ইতিহাসের ধারা’র পরে এইরূপ সার্থক গ্রন্থ আর সম্ভবত প্রকাশিত হয়নি।
‘ইতিহাসের ধারা’য় মানব-সমাজের বিভিন্ন যুগের ধারা বিভাগ ও বিবর্তনের সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ অসাধারণ-রকমের সহজ ভঙ্গিতে বলা হয়েছে ৷ ‘সমাজ ও সভ্যতার
-
মাওলা ব্রাদার্স থেকে প্রকাশিত, কাইয়ুম চৌধুরির আঁকা প্রচ্ছদের এই আত্মজীবনীটি আমাকে একদম শুষে নেবে ভেতরের দিকে, অতোটা আশা করিনি। প্রচ্ছদটি দেখে আমার মন কাড়েনি। কিন্তু ভেতরে যা আছে, তা আমাকে এক অন্যরকম পৃথিবী দেখিয়েছে। একজন নারীর শৈশব, যিনি দেখেছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, যিনি দেখেছেন সাতচল্লিশের দেশভাগ। যার শৈশব কৈশোর জুড়ে রয়েছে, যশোরের চুড়িপট্টি। নানান বঞ্চনা, গঞ্জনা, অ্যাডভেঞ্চার, আর শেকল ভাঙার নানান ব্যর্থ চেষ্টাসমৃদ্ধ একটা শিশু জীবন।
যে শিশু জীবন দেখেছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, দেশভাগ, হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা, হিন্দু বাঙালির দেশ ছাড়ার মিছিল। বাঁশের সাঁকোর মতো নড়বড়ে একটা শৈশব-কৈশোর, ভয়ে ভয়ে পার করে হয়ে উঠেছেন যুবতী। আনোয়ারা সৈয়দ হকের শৈশবের আকর্ষণীয় দিকটি হচ্ছে,
-
কবিতা কি এ-জিজ্ঞাসার কোনো আবছা উত্তর দেওয়ার আগে এটুকু অন্তত স্পষ্টভাবে বলতে পারা যায় যে কবিতা অনেক রকম। হোমরও কবিতা লিখেছিলেন, মালার্মে র্যাঁবো ও রিলকেও। শেকস্পীয়র বদ্লেয়র রবীন্দ্রনাথ ও এলিয়টও কবিতা রচনা ক’রে গেছেন। কেউ-কেউ কবিকে সবের ওপরে সংস্কারকের ভূমিকায় দ্যাখেন; কারো-কারো ঝোঁক একান্তই রসের দিকে। কবিতা রসেরই ব্যাপার, কিন্তু এক ধরনের উৎকৃষ্ট চিত্তের বিশেষ সব অভিজ্ঞতা ও চেতনার জিনিস—শুদ্ধ কল্পনা বা একান্ত বুদ্ধির রস নয়।
বিভিন্ন অভিজ্ঞ পাঠকের বিচার ও রুচির সঙ্গে যুক্ত থাকা দরকার কবির; কবিতার সম্পর্কে পাঠক ও সমালোচকেরা কি ভাবে দায়িত্ব সম্পন্ন করছেন—এবং কি ভাবে তা’ করা উচিত সেই সব চেতনার ওপর কবির ভবিষ্যৎ কাব্য, আমার
-
‘আনা কারেনিনা,’ ‘রিসারেকসান’ এবং ‘যুদ্ধ ও শান্তি’ উপন্যাসের রচয়িতা লিও টলস্টয়ের জীবনসূর্য যখন অস্তমিত-প্রায় তখন ‘অগ্নিপরীক্ষা’ উপন্যাসের রচয়িতা এলেক্সি টলস্টয়ের জীবন সূর্যের উদয়। একজনের শিল্পরূপ সাধনার যখন সমাপ্তি, তখন আরেক জনের সাধনার উপক্রমণিকা। লিও টলস্টয়ের মৃত্যু ১৯১০ সালে। এলেক্সি টলস্টয়ের জন্ম ১৮৮৩ সালের ১০ই জানুয়ারী। মৃত্যু ১৯৪৫ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারী।
লিও টলস্টয় উনিশ শতকের, এলেক্সি টলস্টয় বিশ শতকের। “আনা কারেনিনা—রিসারেকসান—যুদ্ধ ও শান্তি'র লিও টলস্টয় উনিশ শতকের রুশ মহাজাগরণের মহাকাব্যিক উপন্যাসের শিল্পরূপকার।
‘অগ্নিপরীক্ষা'র এলেক্সি টলস্টয় বিশ শতকের রুশ মহাবিপ্লবের মহা- কাব্যিক উপন্যাসের শিল্পরূপকার।
লিও টলস্টয়ের ‘যুদ্ধ ও শান্তি’ উপন্যাসের ঘটনাকাল উনিশ শতকের প্রথম ও দ্বিতীয় দশক। নেপোলিয়নের মস্কো অধিকার এবং মস্কো
-
ব্রাহ্মণ ব্রহ্মার মুখ হইতে হইয়াছিল, যখন হইয়াছিল, তখন হইয়াছিল, এখন তা অন্যেও যেরূপে হয়, ব্রাহ্মণও সেইরূপেই হয়, তবে আর ব্রাহ্মণত্ব রহিল কি করিয়া? যদি বল, সংস্কারে ব্রাহ্মণ হয়, চণ্ডালকে সংস্কার দাও, সে ব্রাহ্মণ হোক; যদি বল, বেদ পড়িলে ব্রাহ্মণ হয়, তারাও পড়ুক। যদি জন্মের প্রক্রিয়াই মানুষের মধ্যে দূরত্ব/বৈষম্য সৃষ্টি করার মূল ভিত্তি হয়, তবে বর্তমানে প্রক্রিয়া যখন সবার জন্য সমান—তখন সেই দূরত্ব/বৈষম্য ঘুঁচে যাওয়া কেন স্বাভাবিক বাস্তবতা হবে না?
‘প্রাকৃতজনের জীবনদর্শন’ বইটিতে লেখক এরকম অনেক বাস্তব উদাহরণ তুলে ধরেছেন, প্রশ্ন করেছেন এবং পাঠককে সেই প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন। তিনি প্রান্তিকতা ও বৈষম্যের ধারণার মূল জায়গায় আঘাত করতে চেয়েছেন। এই ধারাবাহিক
ক্যাটাগরি
উৎস
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব দেশে দেশে
- ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলমানদের ভূমিকা
- বইয়ের জগৎ
- প্রক্রিয়াধীন
- পরিচয়
- বাংলাদেশ কথা কয়
- লেখকদের প্রেম
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- অর্থনীতির গোড়ার কথা
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- রূপের ডালি খেলা
- হেগেল ও মার্কস
- বিজ্ঞানচেতনা
- ভারতপথিক রবীন্দ্রনাথ
- বনে পাহাড়ে
- জীবনের রেলগাড়ি
আর্কাইভ
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আসাহাবুর রহমান (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এন রায় (১)
- গ্রেস ব্ল্যাকলি (১)
- চন্দন লাহিড়ী (১)
- জসীম উদ্দীন মণ্ডল (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (১)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নিতাই দাস (১৩)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পশুপতি ভট্টাচার্য (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৭)
- প্রবোধচন্দ্র সেন (১)
- প্রমা ইসরাত (১)
- ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (১)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৮)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৬)
- রেবতী বর্মন (১৫)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শান্তিময় রায় (১)
- শিবনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (২)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- হাসান তারেক (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.