-
ভিতরগড়ের মোতালেব মিয়ার এক মেয়ে আসিয়া। মোতালেব মিয়া চাষি। আসিয়ার বয়স তখন পনেরো। পাঁচ ভাই-বোন ওরা। সবার বড় মন্টু মিয়া, তারপর আসিয়া। তারপর ফিরোজ, আদিনা ও রেহানা। হালের গোরু নিয়ে প্রতিদিন মাঠে যেত মোতালেব। জমিজমা আছে অল্প। দু' বিঘার মতো হবে। শীতকালে শাক-সবজি হয়। ভিতরগড় থেকে তিন মাইল দূরে সর্দার পাড়ায় ওর বাড়ি। মেয়েদের কড়া শাসন করত বাপ আর দু' ছেলের মাথা খেত আদর দিয়ে। তাদের ছিল প্রচুর স্বাধীনতা আর মেয়েদের ছিল সব রকম পরাধীনতা।
তেরো বছর থেকে আসিয়া বোরকা পরত। আদিনা ও রেহানারা বোরকা পরার বয়স তখনো হয়নি। বোরকা ছাড়া আসিয়া কোথাও বের হতে পারত না। বুড়ি দাদি, খুড়ো
-
গুজবের পর গুজব ছড়িয়ে পড়ছে। খুলনা শহরে ঘরে ঘরে, ক্লাবে-মজলিসে আর চায়ের দোকানে নানারকম জল্পনা-কল্পনা চলছে। গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার সঙ্গে শেখ মুজিবের আলাপ-আলোচনা চলছিল। এই আলোচনার পরিণতি কি ঘটতে পারে, সেই প্রসঙ্গ নিয়ে খুলনা শহরের মানুষ যেন উত্তেজনায় ফেটে পড়ছিল। শুধু খুলনা নয়, সারা বাংলাদেশের মানুষের মন চঞ্চল হয়ে উঠেছিল। তাদের মনের ব্যারোমিটারে আশা-নিরাশার চাপমাত্রা ক্ষণে ক্ষণে উঠছিল আর নামছিল। অবশেষে শেষ সংবাদ এলো, সকল জল্পনা-কল্পনা অবসান ঘটিয়ে আলোচনা ভেঙে গেছে। এবার কি ঘটবে?
ঘটনার পরিণতি দেখে এবার এটা সবার কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, এতদিন পেছনে একটা গভীর জটিল ষড়যন্ত্রের ফাঁদ পেতে ওরা প্রকাশ্য
-
বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ স্থায়ী হয়েছিল মাত্র নয় মাস। নয় মাসের এই যুদ্ধে বাঙালি জাতিকে চরমতম ত্যাগ, দুঃখ, দুর্দশা ও নির্যাতন ভোগ করতে হয়েছে। এই নয় মাসে বাংলাদেশে যে গণহত্যাযজ্ঞ ও নারী নির্যাতন হয়েছে স্মরণকালের ইতিহাসে তার নজির নেই। এর পাশাপাশি পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকেও স্বীকার করতে হয়েছে চরম পরাজয়। পর্যাপ্ত রসদ ও অস্ত্র থাকা সত্ত্বেও প্রায় ৯২ হাজার পাকিস্তানী সৈন্য এবং তাদের এদেশীয় দোসরদের আত্মসমর্পণের ভেতর দিয়ে অর্জিত হয়েছে এক অভূতপূর্ব বিজয়, বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটেছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের, জাতি হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিচিতি অর্জন করেছে বাঙালি।
'৭১-এর ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাত্র নয় মাস স্থায়ী এই মুক্তিযুদ্ধে এত দ্রুত
-
অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে রক্তাক্ত পথ বেয়ে এসেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। ১৯৫০ সালের তেভাগা, নানকার, টংকের কৃষক বিদ্রোহ ’৪৮, ৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ’৫২-এর সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারের রক্তে রক্তাক্ত মহান একুশের জন্য। ২১ দফার ভিত্তিতে হক, ভাসানী, সোহরাওয়ার্দীর ’৫৪-তে যুক্তফ্রন্টের ধস নামানো বিজয়, মুসলিম লীগের ভরাডুবি। যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ও আমলাতন্ত্রের চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র। ৫৮’র মার্শাল ল’, জেনারেল আইয়ুবের ক্ষমতা দখল। ’৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৪-তে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে সম্মিলিত বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর বোন মাদার এ মিল্লাতের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা, পূর্ব পাকিস্তানে (আজকের বাংলাদেশ) জনজোয়ার। কিন্তু অপ্রত্যক্ষ নির্বাচনের কারণে অর্থাৎ ইউনিয়ন কাউন্সিলের মেম্বারদের ভোটে
-
[জ্যোতি বসু, ভারতে প্রবীণ রাজনীতিবিদ। দু’দশক ধরে আছেন কোলকাতায়, কেন্দ্রে অবদানও কম নয়। এ মাসে তিনি ৮৩ বছরে পা রেখেছেন। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সঞ্চিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এ বয়সেও জ্যোতি বসু ভারতের অন্যতম প্রধান রাজনীতিবিদ। কেন্দ্রের দু'দুটি কোয়ালিশন সরকার গঠন ও কার্যকারিতায় তার ভূমিকা ব্যাপক। সম্প্রতি ইন্ডিয়া টুডে'তে প্রকাশিত তার সাক্ষাতকারটি প্রকাশ করা হলো কাগজ পাঠকদের জন্যে।
সাক্ষাতকারটি ভাষান্তর করেছেন মনোতোষ রুমার।]
ভারতের প্রবীণ রাজনীতিবিদ জ্যোতি বসু সর্বভারতীয় রাজনীতিতে একটি আলোচিত নাম। দেশের সংকটময় মুহূর্তে তিনি বুক চিতিয়ে দাঁড়ান। বলা চলে সংকটজনক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মধ্যস্থতা করতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর জুড়ি নেই। গত সাধারণ নির্বাচনে কোনো দলই সরকার গঠন
-
টাঙ্গাইল শহর তখনও মুক্ত অঞ্চল। পশ্চিম পাকিস্তানের সৈন্যদের বর্বর আক্রমণের বিরুদ্ধে পূর্ববঙ্গের জেলায় জেলায়, শহরে ও গ্রামাঞ্চলে প্রতিরোধের সংগ্রাম শুরু হয়ে গিয়েছে। ভারতীয় বেতার মারফৎ রক্তপিপাসু পাক-সৈন্যদের হিংস্র আক্রমণ আর বাংলাদেশের সংগ্রামী মানুষদের গৌরবময় প্রতিরোধের কাহিনী প্রচারিত হয়ে চলেছে।
হামলাকারীর দল তখনও টাঙ্গাইল জেলায় এসে পৌঁছাতে পারে নি। টাঙ্গাইল শহরে মুক্তির উৎসব চলেছে। রাজপথের দু’ধারে প্রতিটি ভবনে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা সগৌরবে উড়ছে। ‘জয় বাংলা’ সঙ্গীতে সারা শহর মুখরিত। কিন্তু সমস্ত আনন্দ-উৎসবের পেছনে আসন্ন বিপদের কালো ছায়া। শহরের মানুষ হাসতে গিয়েও দুঃসংবাদ বহন করে নিয়ে আসছে, মুক্ত শহরগুলি একের পর এক পাক-সৈন্যদের অধিকারে চলে যাচ্ছে। তারপর সেই হিংস্র জল্লাদের দল সেই
-
ইকবাল ভাইয়ের সঙ্গে প্রথম পরিচয় বনগাঁ শহরে। তিনিই আমাকে খুঁজে নিয়েছিলেন, না আমিই তাঁকে খুঁজে বের করেছিলাম, সে কথাটা এখন ঠিক মনে করতে পারছি না। তবে খুব অল্প সময়ের ভেতরেই আমাদের দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠেছিল। মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে একথা ওকথা বলতে বলতে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের এক বিয়োগবিধুর ও মর্মস্পর্শী কাহিনী বলে চলেছিলেন। ইকবাল ভাইয়ের সঙ্গে ইতিপূর্বে পরিচয় না থাকলেও আমি তাঁর নাম শুনেছি। তাঁর বাড়ি যশোর জিলার ঝিনাইদহ মহকুমায়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে এসে তিনি কোনো এক কলেজে অধ্যাপকের কাজ শুরু করেছিলেন। ভেবেছিলেন, অধ্যয়ন ও অধ্যাপনার মধ্য দিয়েই জীবনটা কাটিয়ে দেবেন। এর চেয়ে আনন্দময় জীবন আর কি হতে পারে! কিন্তু
-
লেখক: রফিকুল ইসলাম
বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনা তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চেতনার উন্মেষ কেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তাই ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী 'অপারেশন সার্চলাইট' বা 'বাঙালি এথনিক ক্লিনসিং' শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে। ঐদিন সকালবেলা একটি সামরিক হেলিকাপ্টারে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল জানজুয়া, মেজর জেনারেল মিঠা খান, মেজর জেনারেল নজর হোসেন শাহ এবং মেজর জেনারেল ওমর রংপুর, রাজশাহী, যশোর, চট্টগ্রাম এবং কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে গিয়ে 'অপারেশন প্ল্যান' পাকিস্তানী কমান্ডারদের দিয়ে আসেন। ঢাকায় প্রধান টার্গেট ছিল ৩২ নম্বর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর বাসভবন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা ইপিআর হেডকোয়ার্টার্স এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইন। জেনারেল ইয়াহিয়া খান প্রেসিডেন্ট হাউস (পুরনো গণভবন) ত্যাগ করে যান
-
লেখক: কামাল হোসেন
স্বাধীনতার স্বপ্ন বলতে গেলে প্রথমে সেই ষাটের দশকের কথা যদি আমরা চিন্তা করি, আমরা সবাই তরুণ ছিলাম। আমি নিজেও একজন তরুণ আইনজীবী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষক। আজকে যাঁরা নেতৃস্থানীয়, ষাটের দশকে তাঁদের বেশির ভাগই ছিলেন তরুণ ছাত্র। সেই পাকিস্তানে আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েও অসহায় বোধ করতাম।
ষাটের দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখালেখি শুরু হলো অর্থনৈতিক বৈষম্য নিয়ে। আমরা বাঙালিরা সংখ্যায় বেশি হয়েও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে, শিক্ষার সুযোগের ক্ষেত্রে, সিভিল সার্ভিসে, সামরিক বাহিনীতে বিভিন্ন ধরনের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার ছিলাম। ১৯৪৬ সালে পূর্ব বাংলায় যখন ভোট হয়েছিল, আমরা ভোট দিয়েছিলাম। আমরা চেয়েছিলাম, এই রাষ্ট্রটি হোক। তখন কেউ কেউ এটা সাম্প্রদায়িক
-
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এ দেশের নারীদের রয়েছে ঐতিহাসিক ভূমিকা। বহু নারী যুদ্ধের সময় জীবন দিয়েছেন। অস্ত্র হাতে পুরুষের পাশাপাশি লড়াই করেছেন, নানা অপারেশনে অংশগ্রহণ করেছেন। তেমনি সে সময় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা দিয়ে সুস্থ করে তুলেছেন নারী মুক্তিযোদ্ধারা। বহু নারী মুক্তিযোদ্ধা বেতার কেন্দ্রে কাজ করেছেন শিল্পী হিসেবে, যা প্রতি ক্ষণে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে খবর, অস্ত্র আদান-প্রদানের কাজ করেছেন তারা। মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি পর্ব থেকেই নারীসমাজ পালন করে আসছিল অগ্রণী ভূমিকা। তেমনি তিন মহীয়সী নারী মুক্তিযোদ্ধার কথাই বলছি।
নাসরীন রব রুবা
১৯৭১ সালের ১০ মার্চ। তখন তিনি হলি ক্রস কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। সেদিনই হঠাৎ করে জানতে পারেন ১৪
-
Mental fortifications in Dacca and physical defences on the border, seemed to hinge on each other. Fluctuations in one affected the fate of the other. If any other element had any significant influence it was the progress of war on the West Pakistan front. General Niazi, who literally flexed himself like a wrestler at the ill-founded news of our successes on the Lahore front on the second day of war, gradually lapsed into disillusionment by 7 December. At about the same time, the Indians occupied Jessore and Jhenida in 9 Division, ambushed the G.O.C. on 16 Division's main line of
-
লেখক: অজয় দাশগুপ্ত
১৯৭১ সালের পাকিস্তান হানাদার বাহিনী অধিকৃত বাংলাদেশ ভুখণ্ডে মুক্তিবাহিনী ক্রমশ অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছিল। তারা দেশের সর্বত্র গুলি-বোমায় নাস্তানাবুদ করছিল খানসেনাদের। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও দিল্লি সফরকালে সেটা ভালোভাবেই অবহিত হতে পেরেছেন। স্বদেশে ফিরে তিনি নিজেও বোমা ফাটালেন, যা কাঁপিয়ে দিল হোয়াইট হাউসকে। রিচার্ড নিক্সন ২৫ মার্চ ইয়াহিয়া খানের বর্বর গণহত্যা শুরুর পর থেকেই দাবি করে আসছিলেন—পাকিস্তানের সৈন্যরা তাদের দেওয়া অস্ত্র ব্যবহার করছে না। তারা পাকিস্তানকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। কিন্তু এডওয়ার্ড কেনেডি কংগ্রেসের মাধ্যমে অনুসন্ধান করে জানতে পেরেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাকিস্তানে ২০ লাখ ডলার মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের
ক্যাটাগরি
উৎস
আর্কাইভ
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অনু ইসলাম (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমীন আহম্মেদ চৌধুরী (১)
- আশুতোষ ভট্টাচার্য (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইলিয়া এরেনবুর্গ (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গৌরী আইয়ুব দত্ত (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জসীম উদ্দীন মণ্ডল (১)
- জহির রায়হান (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (২)
- প্রক্রিয়াধীন (৪১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফেরদৌসী মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- মণি সিংহ (১)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (২)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৪)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- সত্যেন সেন (২২)
- সন্তোষ গুপ্ত (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৪)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (১)
- হাসান মুরশিদ (৬)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.