-
বর্ত্তমান গ্রন্থের ভিত্তি লিওন্টিয়েভের অর্থনীতি ও কার্ল মার্ক্সের ‘ক্যাপিটাল’। অতএব বলা নিষ্প্রয়োজন, এই গ্রন্থ বুর্জোয়া অর্থনীতির পন্থানুসরণে লিখিত হয় নাই। প্রশ্ন হইতে পারে, অর্থনীতি যদি বিজ্ঞানই হয় তবে উহার শ্রেণীবিভাগ কিরূপে সম্ভব?
বুর্জোয়া অর্থনীতি ও মার্ক্সের অর্থনীতির প্রভেদ মূলগত। মার্ক্সের অর্থনীতি বস্তুতন্ত্রবাদের উপর প্রতিষ্ঠিত। বুর্জোয়া পণ্ডিতগণ বলেন, অভাববোধই অর্থনৈতিক জীবনের গোড়ার কথা। মার্ক্স বলেন, অভাববোধ কখনো বস্তুনিরপেক্ষ হইতে পারে না। মোটর গাড়ী আছে বলিয়াই তাহা ব্যবহার করার ইচ্ছা হয়। মার্ক্সের মতে উৎপাদন ও উৎপাদন-ব্যবস্থার বিশ্লেষণই অর্থনীতির প্রাথমিক কর্ত্তব্য।
বুর্জোয়া পণ্ডিতগণের মতে অর্থনীতি সর্বকালের উপযোগী একটিমাত্র শাস্ত্র। ইহারা অর্থনীতির আপেক্ষিকতা ও ঐতিহাসিক দিকটী অস্বীকার করিয়াছেন। বুর্জোয়া পণ্ডিতগণ পুঁজি-সমাজকে স্বাভাবিক, শাশ্বত প্রতিপন্ন
-
একজন পুঁজিপতি তাঁর বন্ধুকে নিয়ে নিজের কারখানার মধ্যে দিয়ে হাঁটছিলেন। বন্ধুটি পুঁজিপতি ভদ্রলোকটিকে জিজ্ঞেস করলেন—‘তুমি ওই লেবারটিকে এক্ষুণি কী বললে?’
পুঁজিপতি ভদ্রলোকটির জবাব, ‘আমি ওকে বললাম আরও দ্রুত কাজ করতে।’
বন্ধুটির পরের প্রশ্ন—‘কত টাকা দাও ওকে?’
‘দিনে ১৫০ টাকা।’—জবাব দেন পুঁজিপতি।
বন্ধুটি এবার জানতে চাইলেন—‘তুমি ওকে পয়সা দেওয়ার অর্থ কোথা থেকে পাও?’
—‘আমি জিনিসপত্র বিক্রি করি।’
—‘কে তৈরি করে সেই জিনিসগুলো?’
—‘কে আবার, ও আর ওর মতন লেবারগুলো।’
—‘ওই লোকটা দিনে কটা প্রডাক্ট তৈরি করে?’
—‘এই... দিনে ১০০০ টাকার মতন।’
—‘তার মানে হলো তুমি ওকে দাওনা উলটে ও তোমাকে প্রতিদিন ৮৫০ টাকা করে দিচ্ছে, যাতে তুমি ওকে বলতে পারো কাজের
ক্যাটাগরি
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.