-
আর কিছুই নয়, মাসিক পত্রে একটা ভারি মজার প্রবন্ধ লিখিয়াছিলাম। পড়িয়া অন্তরঙ্গ বন্ধুরা তো হাসিয়াছিলই, আবার শত্রুপক্ষও খুব হাসিতেছে।
অষ্টপাইকা, সাপ্টিবারি ও টাঙ্গাইল হইতে তিন জন পাঠক জিজ্ঞাসা করিয়া পাঠাইয়াছেন প্রবন্ধটির অর্থ কী। তাঁহাদের মধ্যে একজন ভদ্রতা করিয়া অনুমান করিয়াছেন ইহাতে ছাপাখানার গলদ আছে; আর-এক জন অনাবশ্যক সহৃদয়তাবশত লেখকের মানসিক অবস্থা সম্বন্ধে উৎকন্ঠা প্রকাশ করিয়াছেন; তৃতীয় ব্যক্তি অনুমান এবং আশঙ্কার অতীত অবস্থায় উত্তীর্ণ, বস্তুত আমিই তাঁহার জন্য উৎকন্ঠিত।
শ্রীযুক্ত পাঁচকড়ি পাল হবিগঞ্জ হইতে লিখিতেছেন—
‘গোবিন্দবাবুর এ প্রবন্ধের উদ্দেশ্য কী? ইহাতে কি ফরাসডাঙার তাঁতিদের দুঃখ ঘুচিবে? দেশে যে এত লোককে খেপা কুকুর কামড়াইতেছে এ প্রবন্ধে কি তাহার কোনো প্রতিকার কল্পিত হইয়াছে?’
-
১৯৪২ সালের লাহোরের “আদবে-লতিফ” উর্দু মাসিকের বার্ষিক সংখ্যায় আমার “কালো সেলোয়ার” নামক একটি গল্প প্রকাশিত হয়, অনেকে একে অশ্লীল বলে মনে করে থাকে। আমি তাদের ভ্রান্তধারণা দূরীভূত করার উদ্দেশ্যে এই প্রবন্ধ লিখছি।
গল্প লেখা আমার পেশা। গল্প লেখার স্টাইল আমি সম্যক অবগত আছি এবং ইতিপূর্বে এই বিষয়বস্তু নিয়ে বেশ কয়েকটি গল্প লিখেছি। এদের একটি গল্পও অশ্লীল নয়। আগামীতেও গল্প লিখব, তা অশ্লীল হতে পারে না।
গল্প বলার প্রথা বাবা আদমের আমল থেকে প্রচলিত। আমার মতে, এই গল্প বলা কেয়ামত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে এবং এর পট পরিবর্তন হতে থাকবে। মানুষের নিজের আবেগ ও অনুভূতিকে প্রকাশ করার ও অন্যকে জানানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত
-
শুধু বৃহত্তর ইউরোপে নয়, সমগ্র পৃথিবীর সাহিত্যানুরাগীদের কাছে মৌলিক, সহৃদয় ও বুদ্ধিদীপ্ত এক বিশ্লেষণে দস্তয়েভ্স্কিকে উপস্থিত করেছিলেন অঁদ্রে জিদ্। বলা যেতে পারে, পরবর্তীকালের দস্তয়েভ্স্কি ও রুশ সাহিত্যের ব্যাপক চর্চার মূলে আছে জিদের ওই অসাধারণ স্টাডি।
‘দস্তয়েভস্কি’-শীর্ষক গ্রন্থে সংকলিত বক্তৃতামালার এক জায়গায় জিদ্ বলেছেন: আমরা অর্থাৎ ফরাসীরা ফর্মুলা শুনতে ও প্রয়োগ করতে ভালবাসি। একজন লেখককে মার্কা দিয়ে শো-কেসে সাজিয়ে রাখার এটি একটি সহজ পথ। সহজে মনে রাখা যায় এমন তথ্যই আমরা চাই। আলাদা করে মাথা খাটাতে কে আর পছন্দ করে। ফর্মুলাগুলি এইরকম—। নীৎশে? দাঁড়াও বলছি, নীৎশে হল ‘দি সুপারম্যান। বি রুখলেস। লিভ ডেঞ্জারাসলি।’ তলস্তয় ‘নন-রেজিসটান্স টু ইভিল।’ ইবসেন? ‘নর্দার্ন মিস্টস।’ ডারউইন?
-
ভারতবর্ষের সকল প্রদেশের সকল সমাজের ঐক্যে প্রতিষ্ঠিত এক মহাজাতিকে জাগিয়ে তুলে তার একচ্ছত্র আসন রচনা করব বলে দেশনেতারা পণ করেছেন।
ওই আসন জিনিসটা, অর্থাৎ যাকে বলে কস্টিট্যুশ্যন, ওটা বাইরের, রাষ্ট্রশাসনব্যবস্থায় আমাদের পরস্পরের অধিকার-নির্ণয় দিয়ে সেটা গড়েপিটে তুলতে হবে। তার নানা রকমের নমুনা নানা দেশের ইতিহাসে দেখেছি, তারই থেকে যাচাই বাছাই করে প্ল্যান ঠিক করা চলছে। এই ধারণা ছিল, ওটাকে পাকা করে খাড়া করবার বাধা বাইরে, অর্থাৎ বর্তমান কর্তৃপক্ষদের ইচ্ছার মধ্যে। তারই সঙ্গে রফা করবার, তক্রার করবার কাজে কিছুকাল থেকে আমরা উঠে পড়ে লেগেছি।
যখন মনে হল কাজ এগিয়েছে, হঠাৎ ধাক্কা খেয়ে দেখি, মস্ত বাধা নিজেদের মধ্যেই। গাড়িটাকে তীর্থে পৌঁছে দেবার
-
সৃষ্টির মধ্য দিয়ে স্রষ্টা নিজেকে প্রকাশ করেন। বিশ্বলোকের কত বিচিত্র ঘটনা, কত অজস্র অনুভূতি স্রষ্টার মনে নানা ধরণের প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। সেই সব প্রতিক্রিয়ার তাড়াতেই শিল্পী তাঁর শিল্প সাধনায় নিত্যনূতন প্রকাশভঙ্গীর সন্ধান শুরু করে দেন। মনের ভিতরে যত কথা ভীড় করে আসে তাদের বিশ্বমানবের মনের দরবারে হাজির করে দেওয়ার জন্য শিল্পীব ভাবনার অন্ত নেই। তারই জন্য যুগে যুগে মানুষ নানা ধরণের সাহিত্যভঙ্গীর আবিষ্কার করেছে। কখনো যুগবেদনাকে প্রকাশ করেছে মহাকাব্যের বিরাট দেহের গজমন্থর গতিতে, কখনো নাটকীয় সংঘাতে, কখনো গ্রাম্য গাথায়। নিজের মনের গোপন কথাটিকে মানুষ গীতিকবিতার মাধ্যমে সময়ে সময়ে রূপ দিয়েছে।
জীবনী লেখার অনেকটা নির্ভর করে ঘটনা সংগ্রহের উপর, কিন্তু আত্মজীবনীর
-
লেখক: নারায়ণ চৌধুরী
লেখাপড়ার যাঁরা চর্চা করেন তাঁদের দুটি স্পষ্ট-চিহ্নিত ভাগে ভাগ করা যায়: লিখিয়ে এবং পড়িয়ে। শব্দান্ত্যমিলের খাতিরে ‘পড়িয়ে’ কথাটি ব্যবহার করলুম, কিন্তু বাংলা ভাষায় ‘পড়ুয়া’ কথাটারই সমধিক চল। তবে ‘পড়িয়ে’ বা ‘পড়ুয়া’ যে শব্দেরই ব্যবহার হোক-না কেন, প্রশংসাসূচক হয়েও ওই দুটি শব্দের ধ্বনির মধ্যে কোথায় যেন একটা প্রচ্ছন্ন ব্যঙ্গ রয়েছে।
অপরপক্ষে ‘লিখিয়ে’ কথাটার মধ্যেও একটা সূক্ষ্ম তাচ্ছিল্যার্থ নিহিত রয়েছে বলে মনে হয়। ‘লিখিয়ে’ কথাটার ঠিক ঠিক ইংরেজী প্রতিশব্দ যদি প্রয়োগ করতে হয় তো ‘স্ক্রাইব’ বা ‘কুইল-ড্রাইভার’ কথা দুটির শরণাপন্ন হতে হয়। বলা বাহুল্য, ও দুটির কোনটিই যথেষ্ট সম্ভ্রমার্থে ব্যবহৃত শব্দ নয়। ‘লেখক’ বলতে মনে যে ভাব জেগে ওঠে,
-
সত্যিকার বাস্তব খবরের চাইতে অমূলক বাজার-গুজবের প্রতিপত্তি যেমন প্রবল, স্পষ্ট ও প্রত্যক্ষের তুলনায় অস্পষ্ট ও অনির্দিষ্টের মোহপ্রভাব তেমনি অনেক বেশি। স্পষ্টভাবে যাহাকে দেখি শুনি ও জানি, তাহাকে নাড়িয়া-চাড়িয়া দু'কথায় তাহার নাড়ীনক্ষত্রের হিসাব ফুরাইয়া যায়, কিন্তু যাহাকে ধরা যায় না, ছোঁয়া যায় না, সম্ভব-অসম্ভব নানা ডাল-পালায় পল্লবিত হইয়া সে মনের কল্পনাকে ভরাট করিয়া রাখে। তাই প্রত্যক্ষ আলোকের চাইতে অস্পষ্টতার আবছায়াই মনের মধ্যে অধিক সম্ভ্রমের সঞ্চার করে। স্পষ্ট শাসনের ভয়ে যে শিশু বিব্রত হয় না, সেও দেখি “জুজু” নামক অনির্দেশ্য পদার্থটিকে যথেষ্ট খাতির করিতে জানে।
এই অস্পষ্টতার আবরণ দিয়া মানুষ জীবনের সকল ক্ষেত্রেই নানারকম জুজু গুষিয়া থাকে। কতকগুলি পরিচিত নাম বা দু-দশটা
-
‘প্রাচীন যুগের’ আদালতের ইতিহাসের কথা বলতে চলেছি, কিন্তু আপনাদের মনে স্বাভাবিকভাবেই এই প্রশ্নটাই জাগা উচিত, এই ‘প্রাচীন যুগ’ বলতে কোন যুগটাকে বোঝায়? কথাটা এভাবে বললে ঠিক হয়, সভ্যতার প্রাথমিক যুগের আদালত। শিরোনামটা যেমন আছে তেমনি থাক, আপনারা এই অর্থেই বুঝে নেবেন। তা হলেই হবে।
কতকাল আগেকার কথা বলা হচ্ছে? মোটামুটি ধরে নিন খ্রিষ্টপূর্ব তিন সহস্রাব্দ (খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০) থেকে দ্বিতীয় সহস্রাব্দের মাঝামাঝি (খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০) কাল পর্যন্ত। এই প্রসঙ্গে মিসর, সুমেরীয়া, ব্যাবিলন এই কটি দেশ এবং হিট্টীয় ও ইহুদী জাতির মধ্যে কি ধরনের আদালত ব্যবস্থা ছিল? এই সম্পর্কে যে সমস্ত দলিলপত্র পাওয়া গেছে, তা থেকে যা বলার বলবো। তার বেশী আর কেমন
-
গিলগামেশ কাব্য, বাবিলের সবচেয়ে দীর্ঘ এবং সুন্দর কবিতা পৃথিবীর বিখ্যাত সাহিত্য-কীর্তিগুলোর মধ্যে এক বিশেষ স্থান পেয়েছে। গিলগামেশ কাব্য পৃথিবীর প্রাচীনতম বীরগাঁথা, যাকে ব্যাবিলনীয় অডিসি আখ্যা দিলে ভুলে হবে না। কাব্যের নায়ক গিলগামেশ অডিসিউস আর হেরাক্লিসের মতোই কীর্তিধর বীর। যদিও তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের গবেষণার জন্য পুরাকাহিনি সমৃদ্ধ, গিলগামেশ কাব্যে মানুষের গভীরতম আবেগ এবং যন্ত্রণার ছবি আমরা দেখতে পাব। মানুষের সার্বজনীন আশা-নিরাশার সমস্যা গিলগামেশ কাব্য যেভাবে স্থাপন এবং আলোচনা করেছে, তা যে কোনো আধুনিক মানুষের হৃদয় স্পর্শ করবে। এই চিরন্তর আবেদনের জন্যেই গিলগামেশ কাব্য চিরকাল মানুষকে আনন্দ দিয়ে আসবে।
গিলগামেশ কাব্য হেনরী লেয়ার্ড আসূরবানিপালের বিখ্যাত গ্রন্থাগার থেকে উদ্ধার করেন। এটা আসূরবানিপালের সময়ই অর্থাৎ
-
‘আনা কারেনিনা,’ ‘রিসারেকসান’ এবং ‘যুদ্ধ ও শান্তি’ উপন্যাসের রচয়িতা লিও টলস্টয়ের জীবনসূর্য যখন অস্তমিত-প্রায় তখন ‘অগ্নিপরীক্ষা’ উপন্যাসের রচয়িতা এলেক্সি টলস্টয়ের জীবন সূর্যের উদয়। একজনের শিল্পরূপ সাধনার যখন সমাপ্তি, তখন আরেক জনের সাধনার উপক্রমণিকা। লিও টলস্টয়ের মৃত্যু ১৯১০ সালে। এলেক্সি টলস্টয়ের জন্ম ১৮৮৩ সালের ১০ই জানুয়ারী। মৃত্যু ১৯৪৫ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারী।
লিও টলস্টয় উনিশ শতকের, এলেক্সি টলস্টয় বিশ শতকের। “আনা কারেনিনা—রিসারেকসান—যুদ্ধ ও শান্তি'র লিও টলস্টয় উনিশ শতকের রুশ মহাজাগরণের মহাকাব্যিক উপন্যাসের শিল্পরূপকার।
‘অগ্নিপরীক্ষা'র এলেক্সি টলস্টয় বিশ শতকের রুশ মহাবিপ্লবের মহা- কাব্যিক উপন্যাসের শিল্পরূপকার।
লিও টলস্টয়ের ‘যুদ্ধ ও শান্তি’ উপন্যাসের ঘটনাকাল উনিশ শতকের প্রথম ও দ্বিতীয় দশক। নেপোলিয়নের মস্কো অধিকার এবং মস্কো
-
এক
‘ধর্ম’ ও ‘ধর্মীয়’ না লিখে লিখছি ‘ধর্মতন্ত্র’ ও ‘ধর্মতন্ত্রী’। লিখছি খুবই সচেতনভাবে ভাবনা-চিন্তা করে। আর ‘মৌলবাদ’ শব্দটি ব্যবহার করছি নিতান্তই অনিচ্ছায়।
ইংরেজি ‘রিলিজিয়ন’ শব্দটিকে বাংলায় ‘ধর্ম’ বলতে আমি সর্বদাই অনীহ। অথচ এর কোনো জুৎসই বাংলাও খুঁজে পাই নি। আবার বাংলা ‘ধর্ম’ শব্দটিরও সঠিক কোনো ইংরেজি শব্দ নেই বলেই বোধ হয় স্বয়ং কবিগুরু রবীন্দ্রনাথকেও ‘মানুষের ধর্ম’ বোঝাতে ইংরেজিতে ‘রিলিজিয়ন অফ ম্যান’ই লিখতে হয়েছে। তবু, রবীন্দ্রনাথ যে ধর্ম ও রিলিজিয়নকে এক বলে মানেন নি, তাঁর বাংলা রচনায় তিনি তারও প্রমাণ রেখেছেন।
১৯১৭ সনের ৪ আগস্ট কলকাতার রামমোহন লাইব্রেরিতে রবীন্দ্রনাথ ‘কর্তার ইচ্ছায় কর্ম’ শিরোনামে একটি প্রবন্ধ পাঠ করেছিলেন। ব্রিটিশ সরকার যে রাজনৈতিক
-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
জাহাজ উত্তোলনের জন্য বরাদ্দ ছ'টি বিশেষ স্থানে পরিকল্পনা মাফিক সব কাজ এগিয়ে যাচ্ছিল এবং সেগুলো সময়মতো সম্পন্ন করার আত্মবিশ্বাসও আমাদের ছিল। ডুবুরীরা স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিয়েছে এবং দিনে যতটা সময় কাজ করা সম্ভব তার পুরোটাই সদ্ব্যবহার করেছে। দিন-রাত একের পর এক ডুবুরী পানিতে সমানে ওঠা-নামা করেছে। এখানে আবারো বলতে হয়, ছোট-বড়ো কোনো কাজেই বন্দরের কর্মক্ষমতা হ্রাস পায় নি যদিও তাতে আমাদের কাজের গতি ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছিল। তবে আমরাও বন্দর সচল রাখার ব্যাপারে সতর্ক ছিলাম, যে-কারণে বন্দরে জাহাজ আসা-যাওয়ার সময়সূচি পরীক্ষা করে যে সময়ে সবচেয়ে কমসংখ্যক জাহাজ আসে সে সময়টুকুতেই কাজ করতাম।
মে মাসের
ক্যাটাগরি
উৎস
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- প্রক্রিয়াধীন
- বিজ্ঞানচেতনা
- মূল্যায়ন
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- প্রসঙ্গ মৌলবাদ
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
- আলোর উদ্দাম পথিক
- বিজ্ঞান পাঠ
- পরিচয়
- সুকান্তসমগ্র
- কথা পাঞ্জাব
- শহরের ইতিকথা
- বাংলাদেশ ’৭৩
- বঙ্গ বাংলা বাংলাদেশ
- লেখকদের প্রেম
- যুগবাণী
- সংস্কৃতির রূপান্তর
- শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে
- বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন
- সাপ্তাহিক বিচিত্রা
- বনে পাহাড়ে
আর্কাইভ
- ২০২৬ (২৩)
- ২০২৫ (১৫)
- ২০২৪ (৪)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (১)
- ২০২১ (১)
- ২০১৭ (২)
- ২০১৬ (৪)
- ২০১৫ (১৮)
- ২০১২ (১)
- ২০১১ (৭)
- ২০১০ (১)
- ২০০৬ (২)
- ২০০৪ (৫)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৫ (১২)
- ১৯৯২ (২)
- ১৯৮৮ (১)
- ১৯৮৬ (৮)
- ১৯৮৪ (৫)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৬ (১)
- ১৯৭৩ (৪)
- ১৯৭২ (১)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৭০ (১৩)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬০ (২)
- ১৯৫৬ (২)
- ১৯৫৫ (৯)
- ১৯৫১ (১)
- ১৯৪৫ (১)
- ১৯৪৪ (১)
- ১৯৩১ (১)
- ১৯২২ (২১)
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অরুণ সেন (১)
- আকবর উদ্দীন (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আসাহাবুর রহমান (৫)
- আহমদ কবির (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৫)
- এম এম আকাশ (১)
- এহসান হায়দার (২)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কল্পতরু সেনগুপ্ত (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (২১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কাশীনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- কিওকো নিওয়া (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- খায়রুল হাসান জাহিন (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিত্রা দেব (১)
- জগৎ ঘটক (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- জয়নাল হোসেন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- পাভেল পার্থ (২)
- পারভেজ আমির আলী হুডভয় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২৭)
- প্রতিভা বসু (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৯)
- মন্মথ রায় (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাহবুব হাসান (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৯)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শামসুন নাহার মাহমুদ (১)
- শাহরিয়ার কবির (২)
- শাহীন রহমান (১)
- শিশির কর (১)
- শেখর বসু (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৩)
- সামির আমিন (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন বসু (১)
- হাসান তারেক (৫)
- হাসান মুরশিদ (১২)
- হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.