সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
ভৈরব নদের পশ্চিম তীরে ছবির মত সুন্দর সাজানো শহর খুলনা। এই শহর গড়ে ওঠে ইংরেজ আমলে। কিন্তু প্রাচীন খুলনা ছিল নদীর অপর পারে। এক সময় সেখানে ছিল বিখ্যাত খুল্লনেশ্বরীর মন্দির। এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন প্রাচীন বাংলার এক ধনী বণিক, সারা দেশ জুড়ে ছিল তাঁর ব্যবসা-বাণিজ্য-সমুদ্র পাড়ি দিয়ে যাঁর বাণিজ্যতরী চলে যেত সিংহল, স্বর্ণদ্বীপ, যবদ্বীপ, আরো কত দ্বীপ-দ্বীপান্তর। লক্ষ্মীর ঝাঁপি ভরে উঠত ধন-রত্নে, সমৃদ্ধ হত দেশ। বাংলার সে এক স্বর্ণযুগ। ইনি হলেন কবিকঙ্কন মুকুন্দরামের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে বর্ণিত সেই ধনপতি সওদাগর। ধনপতির দুই স্ত্রী—লহনা ও খুল্লনা। ভক্তিমতি সতী-লক্ষ্মী স্ত্রী খুল্লনার নামে তিনি ভৈরবের পূর্ব তীরে প্রতিষ্ঠা করেন খুল্লনেশ্বরী চণ্ডীদেবীর মন্দির। কালক্রমে লোকমুখে
-
১৯২০ সালের ডিসেম্বর মাস, জাতীয় কংগ্রেসের নাগপুর অধিবেশন। স্বাভাবিকভাবে দেশের যুদ্ধোত্তর রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর্যালোচনাই মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়। জালিয়ানওয়ালাবাগে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে অসহযোগের প্রস্তাব পাশ হয়। ভারতে ব্রিটিশ শাসনব্যবস্থা অচল ক’রে দেওয়াই ছিল এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য। অহিংস অসহযোগ আন্দোলনের মূল প্রবক্তা ছিলেন মহাত্মা গান্ধী। আন্দোলন পরিচালনার ভার তাঁরই উপর দেওয়া হয়। আন্দোলনের কর্মসূচীতে বিশেষভাবে প্রাধান্য পায়—ব্রিটিশ আদালত ও কাউন্সিল বর্জন, স্কুল-কলেজ থেকে ছাত্রদের প্রত্যাহার, বিলাতী পণ্যদ্রব্য বয়কট ইত্যাদি। সারা ভারত জুড়ে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয় ১৯২১ সালের জানুয়ারী মাসে।
বাংলায় গান্ধীজীর প্রধান সহযোগী ছিলেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ। নাগপুর থেকে ফিরে এসে তিনি ব্যারিস্টারি ছেড়ে আন্দোলনের পুরোভাগে এসে দাঁড়ান। তখন আইন-ব্যবসায়ে
-
মেঘালয়ের তুরাতে এফ জে সেক্টরে মুক্তিবাহিনীর ট্রেনিং সেন্টারে দীর্ঘ আট মাস মোটিভেশনের দায়িত্বে ছিলাম। এই কয়মাসে প্রায় ১৬ হাজার মুক্তিবাহিনীর সদস্য আমার হাত দিয়ে শপথ নিয়ে দেশের অভ্যন্তরে ঢোকে। আমি নিজেও দীর্ঘ চার মাস গেরিলা ট্রেনিং গ্রহণ করি। টাঙ্গাইলের গেরিলা নেতা কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে সর্বপ্রথম আমার প্রত্যক্ষ যোগাযোগ হয়। মুক্তিবাহিনীর ছেলেদের ট্রেনিং গ্রহণ করার পর টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহের ভাল ভাল ছেলেদের সরাসরি কাদের সিদ্দিকীর নিকট পাঠিয়ে দেই।কাদের সিদ্দিকীর জন্য কিছু (উচ্চমানের) অস্ত্রশস্ত্র পাঠানোর ব্যাপারে আমি ভারতীয় উক্ত সেক্টরের বিগ্রেডিয়ার সাচ্চু সিংহের সঙ্গে দেনদরবার করি। এই খবর পাক বাহিনী পায়। ফলে আমার স্ত্রী-পুত্র-পরিবারকে বন্দী করে তাদেরকে কঠোর ইন্টারগেশন করে। অবশ্য অন্য কোন
-
শেষ পর্যন্ত রবীন্দ্ররচনার গ্রন্থস্বত্বের মেয়াদ অর্ডিন্যান্স্ জারি করে আরো দশ বছর বাড়িয়ে দেওয়া হলো। এবং এই অর্ডিন্যান্সে রাষ্ট্রপরি স্বাক্ষর করলেন একেবারে মেয়াদ শেষ হবার তিনদিন আগে।
গত প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে রবীন্দ্রগ্রন্থস্বত্ব নিয়ে নানা তর্ক-বিতর্ক চলেছে। বিশ্বভারতীর কর্তৃপক্ষও সভা ডেকে গ্রন্থস্বত্ব নিয়ে নানাজনের মতামত শুনেছেন, নিজেদের মতামত দিয়েছেন। কিন্তু তারও অনেক আগে থেকে, অন্তত পাঁচ-ছ বছর আগে থেকে, বিশ্বভারতীর কর্তৃপক্ষ রবীন্দ্রগ্রন্থস্বত্ব যাতে বিশ্বভারতীরই থাকে সে নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। গ্রন্থস্বত্বের আইনকানুন নিয়েও তাঁরা ঘাঁটাঘাঁটি করেছেন এবং স্বত্বের মেয়াদ বৃদ্ধির সমর্থনে কিছু কিছু দেশের নিজস্ব আইনকানুন সম্পর্কেও খোঁজখবর নিয়েছেন। অন্যদিকে, চেষ্টা চরিত্র স্বত্ত্বেও অনিশ্চয়তা থেকে যাওয়ায় সুলভে
-
লেখক: তুষারকান্তি মহাপাত্র
অপরূপা ত্রিপুরা। অনুচ্চ পাহাড় ও শ্যামল বনানীর কোলে সেখানে নানা সংস্কৃতির মেলা। কোন স্মরণাতীত কালে ত্রিপুরায় এসে ঘর বেঁধেছিল কিরাত বা ইন্দো-মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠী। তারপর এসেছে নানা জাতি ও ধর্মের মানুষ। নিজ নিজ সংস্কৃতি বজায় রেখেই সকলে মিলেছে, মিশেছে। ত্রিপুরা তাই নানা ধর্ম ও সংস্কৃতির ধারণভূমি। বাংলা-ত্রিপুরার দীর্ঘদিনের নিবিড় যোগ। আজ ত্রিপুরীর চেয়েও বাঙালির সংখ্যা সেখানে বেশি। বাঙালির প্রভাবে ত্রিপুরার উপজাতীয় মানুষ হিন্দুধর্ম ও বাংলাভাষা গ্রহণ করেছে এবং সেইসূত্রে বাঙালি সংস্কৃতি সেখানে পরমাদরে গৃহীত হয়েছে।
ভারতের পূর্বপ্রান্তীয় রাজ্য ত্রিপুরা। তার উত্তর-পশ্চিম-দক্ষিণ তিন দিক ঘিরে বাংলাদেশ। শুধু পূর্বে ও উত্তর-পূর্বে যথাক্রমে মিজোরাম ও আসাম। আয়তনে ত্রিপুরা অতিক্ষুদ্র (১০,৪৭৭ বর্গ
-
সেই কতোদিন আগের কথা ৷
তখন রাজা ছিল, বাদশা ছিল। ছিল উযির-নাযির, সিপাই-সান্ত্ৰী আরো কতো কি!
সেই সব রাজা-বাদশার আবার নানান রকম খেয়াল থাকতো। তাদের আনন্দ দানের জন্য থাকতো নানান ধরনের খেলার আয়োজন। এমনি ধরনের খেলা ছিল হাতীর লড়াই।
হাতীর লড়াই?
হ্যাঁ হাতীর লড়াই। দুই প্রকাণ্ড হাতীকে লাগিয়ে দেওয়া হতো লড়াইয়ে। একটা আরেকটাকে দেখে রেগে যেতো, তারপর ঝাঁপিয়ে পড়তো অন্যটির উপর।
প্রায় সাড়ে তিন শ বছর আগে এমনি এক হাতীর লড়াই হয়েছিল যমুনা নদীর তীরে আগ্রার দুর্গের প্রাঙ্গণে।
রাজা এসে বসেছেন প্রাসাদের অলিন্দে। হাতীর লড়াই দেখবেন তিনি সেই খোলা বারান্দায় বসে। সঙ্গে তাঁর জনাকয় পারিষদ।
রাজার চার ছেলে কিন্তু লড়াই
-
‘হযরত হাসানের পবিত্র মাযার যেন আমার তরফ থেকে এক টুকরো কাপড়ে ঢেকে দেওয়া হয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় টাকা রাখা আছে আমার পুত্র শাহ্জাদা আযমের কাছে। টুপি সেলাই করে আমার উপার্জিত চার টাকা দু’আনা রয়েছে আয়া বেগার কাছে। সে টাকাটা আমার কাফনের জন্য ব্যয় করবে। কুরআন শরীফ নকল করে মজুরি বাবদ যে তিন শ’ পাঁচ টাকা আমি পেয়েছি, তা যাবে আমার নিজস্ব তহবিলে। আমার মৃত্যুর দিনে সে টাকা গরীবদের ভেতর বিলিয়ে দেবে। আমার মাথা অনাবৃত রেখে আমাকে কবর দিও, আমি যেন সর্বশক্তিমান আল্লাহ্র করুণা দেখতে পাই। আমার মৃতদেহ সবচেয়ে কাছের গোরস্থানে বয়ে নিয়ে যাবে। অনাবশ্যক কফিনে না রেখে কবরের মাটিতে শুইয়ে
-
চলতি বছরের গোড়ার দিকে এক মার্কিন সাংবাদিক বৈরুতে এসেছিলেন যুদ্ধসংঘাতপূর্ণ এলাকার বালকদের জীবন নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রণয়নের উদ্দেশে। সেখানে তিনি ছয় মাসের শিশু ‘প্যালেস্টাইনের’ দেখা পান—১৯৮১ সালের জুলাইতে বৈরুতের আবাসিক অঞ্চলে ইজরায়েলের নৃশংস বিমান হামলার সময় শিশুটির জন্ম। বোমা-বিধ্বস্ত এলাকার রাজপথে পড়েছিলো রক্তাক্ত মায়ের মৃতদেহ। চারপাশের ধ্বংসের মাঝে বিস্ময়করভাবে বেঁচে যাওয়া সদ্য-প্রসূত শিশুটির কান্না সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। মৃতা মায়ের কোনো পরিচয় উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং নবজাতককে বুকে তুলে নিল যে উদ্বাস্তু পরিবার তারা শিশুটির নাম রেখেছিলেন ‘প্যালেস্টাইন’। দুঃখের অসীম পাথারে বহমান জীবনের সাক্ষ্য বহন করে চলেছে যে শিশু, নিশ্চিতভাবেই সে মূর্ত প্রতীক হয়ে উঠেছে আপন জাতির বেদনাময় কিন্তু,
-
বৈশাখে আজ ঐ শাখে দ্যাখ্,
ফুটলো রঙের ফুলঝুরি;
দোল দিয়ে যায় আলতো বাতাস,
হাতছানি দেয় লালচে আকাশ,
স্বপন-লোকের পাচ্ছি আভাস—
আজকে সকল দিক জুড়ি'।
ফুটলো রঙের ফুলঝুরি।
বৈশাখে আজ বই রেখে আয়
বৈঠা হাতে ধর্ চেপে,
চল চলে যাই মাঝ-দরিয়ায়,
প্রীতির রঙে প্রাণ ভরি আয়,
খুশির নেশায় গান ধরি আয়,
সবাই মিলে যাই ক্ষেপে;
বৈঠা হাতে ধর্ চেপে॥
নদীর ওপার অধীর হ’ল
আবীর-গোলা রঙ মেখে,
ঝর্না ঝরে সোনার আলোর,
রংমশালের রঙীন ঝালর
দুলিয়ে দিয়ে আজ হ’ল ভোর,
জানিয়ে দিল সঙ্গে কে?
সাজলো ধরা রং মেখে।
শঙ্খ বাজে পাখীর গলায়,—
শঙ্খচিলের কণ্ঠেতে,
আসলো আজি মনোহরণ,
রঙীন গড়ন নবীন ধরন,
আমরা তারে
-
আজি এ প্রভাতে আলোর প্রপাতে
আমরা করিব স্নান,
জ্যোতির্ময়ের বন্দনা করি’
ছন্দে ধরিব গান।
প্রার্থনা মোরা করিব সবাই—
এসো এসো সুন্দর,
সরস পরশে বিকশিত কর
আমাদের অন্তর।
আমাদের মন কর নিস্পাপ,
সন্তাপ কর দূর,—
চিত্ত মোদের পবিত্রতায়
কর তুমি ভরপূর।
সত্যের শুভ-শুভ্র আলোতে
প্রাণ প্রদীপ্ত হোক,
প্রেম-প্রীতি আর শ্রদ্ধা-বিনয়ে
হৃদয় ভরিয়া রোক।
মানবজীবন কর সার্থক,—
দেহে মনে দাও বল—
প্রথম প্রভাতে এই প্রার্থনা
করি কিশোরের দল।
-
১৯৯৩ সালে সিপিবি এক বড় রাজনৈতিক দুর্যোগের মধ্যে পড়ে, অনেক পার্টি কমরেড দল ত্যাগ করে চলে যান, অনেকে একদম নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন, পার্টিকে অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামে নামতে হয়েছিল, সারাদেশের মতো ময়মনসিংহ-নেত্রকোনাতেও পার্টি ক্ষতিগ্রস্ত ছিল, নেতৃত্বের বড় অংশ বিভ্রান্ত হয়ে দলত্যাগ করে বিভিন্ন দলে চলে যান, তাদের কেউ একথাও বলতেন, কমিউনিস্ট পার্টির আর কোনো প্রয়োজন নেই, এই পার্টি বাংলাদেশে থাকবে না। পার্টিকে বিলোপ করার গভীর ষড়যন্ত্র চালিয়ে দীর্ঘদিন যাবত পার্টিকে নিষ্ক্রিয় রেখে, কমরেডদের বিভ্রান্ত করে পার্টির অস্তিত্ব বিলোপ করতে চেয়েছে। এ কাজে পার্টির বিভিন্ন জেলার মূল নেতৃত্ব জড়িয়ে যান, তারা ছিলেন প্রভাবক শক্তি, ইন্টেকলেচুয়ালি নানা ডাইমেনশনে পার্টির সাধারণ কমরেডদের সরিয়ে দিতে
-
ভূমিকা
১৯৯০-এর দশকে কিছুটা আগে-পরে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পূর্ব ইউরোপের বিদ্যমান সমাজতান্ত্রিক দেশগুলিতে বিস্ময়কর দ্রুততার সঙ্গে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক এবং সামাজিক পরিবর্তন সংঘটিত হয়। এসব দেশে কমিউনিস্ট শাসনের অবসান ঘটে এবং নিকৃষ্ট পুঁজিবাদের প্রত্যাবর্তন ঘটে। কেউ কেউ যাকে “ মাফিয়া পুঁজিবাদ” হিসাবে অভিহিত করেছেন। এই দিক থেকে অনেক প্রগতিশীলই একে প্রতি বিপ্লব বলে আখ্যায়িত করেছেন। কারো কারো মতে অবশ্য এই পরিবর্তন ছিল “মন্দ” থেকে অধিক “মন্দে” পরিবর্তন। তারা আমলাতান্ত্রিক সোভিয়েত সমাজতন্ত্রকে ভালো বলতে নারাজ। পরিবর্তনের প্রকৃতি যাই হোক না কেন প্রগতিশীল আদর্শিক জগতে এর একটি বিরাট বিরূপ প্রভাব পড়ে। দেশে দেশে বিপ্লবী আন্দোলন প্রবল আদর্শিক আক্রমণের সম্মুখীন হয়। ঘোষণা করা হয় যে,
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- কবিতা
- অনুবাদ
- ছোটগল্প
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- পাকিস্তান
- ভারত
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- কারুশিল্প
- আইন
- গদ্য
- মুক্তিযুদ্ধ
- সংবিধান
- ইংরেজি
- বই
- যুদ্ধ
- জাতীয়
- জাতীয়তাবাদ
- বাংলা
- আত্মজীবনী
- ঢাকা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- স্মৃতিকথা
- জীবনী
- লেখক
- পশ্চিমবঙ্গ
- বিজ্ঞানী
- শৈশব
- শিশুতোষ
- কলকাতা
- বিজ্ঞান
- ভাষণ
- আন্দোলন
- ভাষা
- ভৌতিক
- কিশোর
- মার্কসবাদ
- রংপুর
- সমাজ
- সমাজতন্ত্র
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- সমালোচনা
- নদী
- বঙ্গবন্ধু
- সাংবাদিকতা
- ময়মনসিংহ
- মধ্যপ্রাচ্য
- ফ্যাসিবাদ
- রবীন্দ্রনাথ
- ব্যাঙ্গাত্মক
- পুঁজিবাদ
- সাম্যবাদ
- খুলনা
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- রূপকথা
- নারী
- অর্থনীতি
- আলোচনা
- সরকার
- গণহত্যা
- যুক্তরাষ্ট্র
- রাশিয়া
- ভূমিকা
- গবেষণা
- সিলেট
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- ছাত্র আন্দোলন
- অভ্যুত্থান
- দুঃসাহসিক
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- চট্টগ্রাম
- আর্টিস্ট
- চিঠি
- চীন
- অতিপ্রাকৃত
- লোককাহিনী
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- নজরুল
- রমন্যাস
- বইমেলা
- বিপ্লব
- নারীবাদী
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- চিরায়ত
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- ফুল
- সাম্রাজ্যবাদ
- লালন
- যুক্তরাজ্য
- সংবাদ
- গান
- এনজিও
- দুর্ভিক্ষ
- ইউরোপ
- বিয়োগান্তক
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৬৩)
- ২০২৫ (৬৪)
- ২০২৪ (১৩)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (২)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৮)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (২)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (৩)
- ১৯৮৬ (২)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (২)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৫)
- ১৯৭৮ (১)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (১৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (৩)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৭ (১)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (৩)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬১ (১)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৭ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৫ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৪২ (১)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯২৩ (১)
- ১৯১৬ (১)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (২)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অমৃত রাই (১)
- অস্কার ওয়াইল্ড (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবু ইসহাক (৩)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (২)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আলেক্সান্দ্র কোনোনভ (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- উৎপল দত্ত (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৪)
- এম এম আকাশ (২)
- এমদাদুল হক মিল্লাত (১)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (২)
- জাফর আলম (১)
- জে এ কাউচুমো (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নাদেঝদা ক্রুপস্কায়া (১)
- নারায়ণ চৌধুরী (৩)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন গুপ্ত (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৪৯)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মওলানা হোসেন আলী (১)
- মণি সিংহ (১)
- মফিদুল হক (২)
- মানস (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (৩)
- মালেকা বেগম (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (৯)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৪)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লুনা নূর (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শাহীন রহমান (১)
- শেখ ওয়াজেদ আলি (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সলিল চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (২)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনির্মল বসু (৩)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সের্গেই বারুজদিন (১)
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী (১)
- সৈয়দ মুজতবা আলী (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৭)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (৩)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.