সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
BETWEEN nine and ten on a dark September evening the only son of the district doctor, Kirilov, a child of six, called Andrey, died of diphtheria. Just as the doctor's wife sank on her knees by the dead child's bedside and was overwhelmed by the first rush of despair there came a sharp ring at the bell in the entry.
All the servants had been sent out of the house that morning on account of the diphtheria. Kirilov went to open the door just as he was, without his coat on, with his waistcoat unbuttoned, without wiping his wet face
-
A STILL August night. A mist is rising slowly from the fields and casting an opaque veil over everything within eyesight. Lighted up by the moon, the mist gives the impression at one moment of a calm, boundless sea, at the next of an immense white wall. The air is damp and chilly. Morning is still far off. A step from the bye-road which runs along the edge of the forest a little fire is gleaming. A dead body, covered from head to foot with new white linen, is lying under a young oak-tree. A wooden ikon is lying on
-
SHORTLY after finding his wife in flagrante delicto[1]Fyodor Fyodorovitch Sigaev was standing in Schmuck and Co.'s, the gunsmiths, selecting a suitable revolver. His countenance expressed wrath, grief, and unalterable determination.
"I know what I must do," he was thinking. "The sanctities of the home are outraged, honour is trampled in the mud, vice is triumphant, and therefore as a citizen and a man of honour I must be their avenger. First, I will kill her and her lover and then myself."
He had not yet chosen a revolver or killed anyone, but already in imagination he saw three
-
লেখক গ্রিন—আলেক্সান্দর স্তেপানভিচ গ্রিনেভস্কির মৃত্যু হয় ১৯৩২ সালের জুলাই মাসে, প্রাচীন ক্রিমিয়ায়—প্রাচীন বাদাম গাছের বনাকীর্ণ এক ছোট শহরে। গ্রিনের জীবন ছিল কঠিন। সে জীবনের মধ্যে সব কিছুই যেন একটা বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে এমনভাবে গড়ে উঠেছিল যা গ্রিনকে একজন অপরাধী কিংবা হীন কূপমণ্ডক করে তুলতে পারত। এই বিষণ্ন প্রকৃতির মানুষটি যে কীভাবে যন্ত্রণাদায়ক অস্তিত্বের মধ্য দিয়ে বিপুল ক্ষমতাসম্পন্ন কল্পনার প্রতিভা, অনুভূতির বিশুদ্ধতা ও সলজ্জ হাসিকে অকলঙ্কিত অবস্থায় বহন করে আনেন তা দুর্বোধ্য।
বিপ্লব-পূর্ব সমাজব্যবস্থায় যে-ধরনের মানবিক সম্পর্ক ছিল আলেক্সান্দর গ্রিনের জীবনী তার বিরুদ্ধে কঠোর দন্ডবিধান। সেকালের রাশিয়া গ্রিনকে নিষ্ঠুর পরস্কারে পুরস্কৃত করে—শিশুকাল থেকেই ছিনিয়ে নেয় বাস্তবতার প্রতি তাঁর ভালোবাসা। পরিমণ্ডল ছিল
-
"THE wind has got up, friends, and it is beginning to get dark. Hadn't we better take ourselves off before it gets worse?"
The wind was frolicking among the yellow leaves of the old birch trees, and a shower of thick drops fell upon us from the leaves. One of our party slipped on the clayey soil, and clutched at a big grey cross to save himself from falling.
"Yegor Gryaznorukov, titular councillor and cavalier . . ." he read. "I knew that gentleman. He was fond of his wife, he wore the Stanislav ribbon, and read nothing. . .
-
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
সহরের চেয়ে গ্রামে লেখার কাজ করা সর্বদাই সহজ বলে আমার কাছে মনে হয়েছে। মনে হয় গ্রামের সব কিছুই একাগ্রতার সহায়ক, এমন কি ছোট্ট বাতিটার পল্তের পটপট শব্দ এবং বাইরের বাতাসের হুঙ্কার, অথবা সময় সময় সেই পরিপূর্ণ স্তব্ধতা যখন মনে হয় পৃথিবী বুঝি গেছে থেমে এবং অসীম শূন্যতার মধ্যে রয়েছে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে।
তাই ১৯৪৫-এর শরতের শেষ রিয়াজান ছাড়িয়ে এক গ্রামের জন্য আমি যাত্রা করলাম। সেখানে ছিল এক পুরোনো বাগান বাড়ী আর আগাছা ভরা বাগান। সেখানে থাকতেন ভাসিলিসা ইওনভ্না নামে রিয়াজান-এর এক ভূতপূর্ব গ্রন্থাগারিক। যখনই আামি কাজ করতে চেয়েছি প্রায়ই তার সঙ্গে থেকেছি আমি। প্রত্যেকবার এসেই দেখেছি বাগানটার
-
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
রাত্রে নদীর উপর কুয়াশা জমে উঠলো আর সেটা গ্রাস করলো বয়া এবং সাঙ্কেতিক আলোগুলো।
খাড়া তীরের কোল ঘেঁসে ইস্টিমারটা এসে থামলো। তীরের উপরকার এক প্রাচীন নলখাগড়ার ঝোপের সঙ্গে নোঙরের দড়িটা বাঁধবার জন্যে নাবিকরা যখন টেনে নিয়ে যাচ্ছিল, তীরে যাবার কাঠের পথটা তখন শুধু তালে তালে করছিল ক্যাচ-ক্যাচ।
মাঝরাতে মাশা ক্লিমোভার ঘুম ভাঙলো। ইস্টিমারটা এতো নিস্তব্ধ যে যাতায়াতি পথের শেষ প্রান্তের কেবিনের এক যাত্রীর নাক ডাকা সে পেলো শুনতে।
বিছানায় সে উঠে বসলো। খোলা জানালার ভিতর দিয়ে যে টাটকা বাতাস ভিতরে আসছিল তাতে জড়িয়ে ছিল উইলো পাতার মিষ্টি গন্ধ।
ছায়াচ্ছন্ন কুয়াশার ভিতর দিয়ে ঝোপ ঝাড়ের নানা শাখা ডেকের
-
বর্তমানকালে সমগ্র বিশ্বজুড়ে পরিচিতি সত্তার রাজনীতি সাধারণভাবে রাজনীতি এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান উপাদান রূপে উঠে এসেছে। ১৯৬০-এর দশক পর্যন্ত পরিচিতি কেন্দ্রিক রাজনীতির ধারণারই কোনও অস্তিত্ব ছিল না। সময়টা হল ১৯৮০-র দশক, যখন থেকে পরিচিতির রাজনীতি গুরুত্ব লাভ করতে থাকে।
পটভূমি
১৯৮০-র দশকে বিশ্বায়িত ফিনান্স পুঁজির ইন্ধনে সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বায়নের আবির্ভাব। নয়া উদারবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যক্রম এই সময় থেকে জোরদার হতে শুরু করল। তথ্য-প্রযুক্তির মতো নতুন বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি বিশ্বায়ন এবং ফিনান্স পুঁজির গতিশীলতাকে ত্বরান্বিত করল।
বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাদের এই পর্যায় এবং সমাজতন্ত্রের পতন ও সোভিয়েত ইউনিয়নের বিভাজন সমসাময়িক। ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি হল শোষণ। সমাজতন্ত্র থেকে পশ্চাদপসরণের কারণে শোষণ থেকে মুক্তির সর্বজনীন লক্ষ্যে
-
বিগত সংসদ নির্বাচনের আগে-পরে কয়েকটি সাময়িকীতে কিছু জানা-অজানা, রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক ব্যক্তি হঠাৎ করে যেন সিপিবির রাজনীতি নিয়ে সমালোচনায় মুখর হয়ে উঠেছেন। কয়েকটি পত্রিকায় বুর্জোয়া প্রচারণার ধারায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির বিগত দিনের ভূমিকার উগ্র সমালোচনা করা হয়েছে। যেমন,ইত্তেফাকগোষ্ঠীরসাপ্তাহিক রোববারেবাসন্দ্বীপনামক সাময়িকীতে এ ধরনের কিছু লেখা প্রকাশিত হয়েছে। বুর্জোয়া, প্রতিক্রিয়াশীল মহলগুলো থেকে কমিউনিস্টদের প্রতি সমালোচনার ঢঙে আক্রমণ নতুন কিছু নয়। এসব সমালোচনায় সারবস্তুও থাকে কম। তাই এসব লেখা পাল্টা সমালোচনার যোগ্যতাও রাখে না। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি পুঁজির শোষণ ও শাসন উচ্ছেদ করে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত লক্ষ্যে যে দৃঢ় সংগ্রাম পরিচালিত করছে, সেটাই এ ধরনের বুর্জোয়া ধাঁচের সমালোচনার মোক্ষম
-
মনুষ্যের সৌন্দর্য্য-বুদ্ধির বিকাশ হইল কিরূপে, ইহা একটা সমস্যা। বড় বড় পণ্ডিতে এই সমস্যা মীমাংসা করিতে গিয়া হারি মানিয়াছেন। বর্তমান প্রসঙ্গে এই বিষয়ের আলোচনা করা যাইবে মাত্র, মীমাংসার কোন চেষ্টা হইবে না। বহু মানবধৰ্ম্ম প্রাকৃতিক নির্ব্বাচনে বিকাশলাভ করিয়াছে বুঝা যায়। ইংরেজীতে যাহাকে ইউটিলিটি বলে, প্রাকৃতিক নির্বাচন তাহাই দেখিয়া চলে। ইউটিলিটির বাঙ্গালা অর্থ হিতকারিতা, উপকারিতা, উপযোগিতা, কাজে লাগা। যাহা কিছু কাজে লাগে, যাহা জীবনের পক্ষে হিতকর, যাহা জীবন-সংগ্রামে অনুকূল, কোন-না-কোনরূপে জীবন-সংগ্রামে যাহা সাহায্য করে, জীবন কালক্রমে তাহাই অর্জন করে। মানুষ দুই পায়ে ভর দিয়া দাঁড়াইতে পারে, মানুষের মাথায় এক রাশি মস্তি ক আছে, মানুষের হাত দুইখানা অস্ত্রনির্মাণের ও অস্ত্র প্রয়োগের উপযোগী, মানুষ
-
রণেশ দাশগুপ্ত—আমাদের রণেশদা'র সঙ্গে আমার পরিচয় হয় যশোর জেলে। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আমাকে পাঠানো হলো যশোর জেলে ১৯৫০ সালের অগাস্ট মাসে। সেখানে গিয়ে রাজবন্দি হিসেবে পেলাম বরিশালের নুটু ব্যানার্জি, আর ঢাকার রণেশ দাশগুপ্ত ও দেবপ্রসাদ মুখার্জিকে। ১২ নং ওয়ার্ডের দোতলায় বেশ একটা বড়সড় প্রশস্ত কক্ষে আমাদের রাজবন্দিদের রাখা হতো। সাজাপ্রাপ্ত রাজবন্দিরা ছিলেন পৃথক ওয়ার্ডে। রণেশদার নাম আগে শুনেছি। সম্ভবত ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে ঢাকার সদরঘাটের গীর্জাসংলগ্ন এক মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভায় অধ্যাপক অজিত গুহ ও রণেশদা ছিলেন বক্তা। সেখানে তিনি ব্যাখ্যা করছিলেন সমাজবিজ্ঞানের তত্ত্বটি শ্রমের সঙ্গে সংস্কৃতির সম্পর্ক।
তারপর ১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলনে রণেশদা গ্রেফতার হন। আন্দোলন শেষে
-
বাঙলা দেশ যুদ্ধে লিপ্ত। পশ্চিম পাকিস্তানের ঔপনিবেশবাদী নির্যাতনের বিরুদ্ধে জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের মধ্য দিয়ে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জন ছাড়া তার সামনে আর কোন বিকল্প নেই।
পাকিস্তান গভর্ণমেন্ট বাঙলা দেশে তাদের গণহত্যার যুদ্ধকে ধামাচাপা দেবার উদ্দেশ্যে মরীয়া হয়ে ঘটনাকে বিকৃত করে দেখাবার চেষ্টা করছে। এমতাবস্থায় বিশ্ববাসীর কাছে খুলে বলা দরকার কোন অবস্থা দ্বারা তাড়িত হয়ে বাঙলা দেশের শান্তিকামী জনসাধারণ তাঁদের ন্যায়সংগত আশা-আকাঙ্ক্ষা রূপায়ণের জন্যে সংসদীয় রাজনীতি ছেড়ে সশস্ত্র সংগ্রামের পথ ধরতে বাধ্য হয়েছে।
ছয়-দফা কর্মসূচী
পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষার শেষতম প্রয়াসে আওয়ামি লিগ পাকিস্তানের মধ্যে বাঙলা দেশের স্বায়ত্তশাসনের ছয়-দফা কর্মসূচীর উপস্থিত করেছিল আন্তরিকতার সঙ্গেই। ঐ ছয়-দফা কর্মসূচীর ভিত্তিতে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে লড়ে আওয়ামি লিগ
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- এনজিও
- গদ্য
- সমাজ
- সরকার
- ছোটগল্প
- বই
- মুক্তিযুদ্ধ
- আন্দোলন
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- পাকিস্তান
- ভাষা
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- ভারত
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- যুদ্ধ
- গবেষণা
- সিলেট
- বিজ্ঞান
- ভাষণ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ভৌতিক
- নদী
- পশ্চিমবঙ্গ
- বঙ্গবন্ধু
- বাংলা
- কবিতা
- শিশুতোষ
- অতিপ্রাকৃত
- জীবনী
- স্মৃতিকথা
- বইমেলা
- অনুবাদ
- রূপকথা
- চট্টগ্রাম
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- যুক্তরাষ্ট্র
- লেখক
- সমালোচনা
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- ফ্যাসিবাদ
- রবীন্দ্রনাথ
- বিজ্ঞানী
- কিশোর
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- ঢাকা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- সাংবাদিকতা
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- ইংরেজি
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- জাতীয়তাবাদ
- ব্যাঙ্গাত্মক
- কারুশিল্প
- পুঁজিবাদ
- ছাত্র আন্দোলন
- অর্থনীতি
- আলোচনা
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- সাম্রাজ্যবাদ
- লালন
- কলকাতা
- আর্টিস্ট
- গণহত্যা
- চিঠি
- রাশিয়া
- ময়মনসিংহ
- খুলনা
- ভূমিকা
- নারীবাদী
- চিরায়ত
- নজরুল
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- জাতীয়
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- রংপুর
- আত্মজীবনী
- রমন্যাস
- দুঃসাহসিক
- নারী
- ফুল
- আইন
- সংবিধান
- শৈশব
- সংবাদ
- লোককাহিনী
- গান
- বিপ্লব
- অভ্যুত্থান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪৯)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (৩)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (২)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (১৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (২)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৫ (৭)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯২৩ (১)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এম এম আকাশ (২)
- এমদাদুল হক মিল্লাত (১)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জে এ কাউচুমো (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নারায়ণ চৌধুরী (৩)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৪)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মওলানা হোসেন আলী (১)
- মণি সিংহ (১)
- মফিদুল হক (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লুনা নূর (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনির্মল বসু (৩)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৮)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.