সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
ছোট এক শহরের ছোট এক বাড়ি। সেই বাড়ির উত্তর দিকের দেওয়ালের ফোকরে থাকত একজোড়া চড়ুই পাখি। একদিন কুড়িয়ে খেতে মাঠে গিয়েছিল ওরা, হঠাৎ কেমন অত শব্দ শুনে ওরা সচকিত হয়ে ওঠে। মাথা তুলে একে অন্যের দিকে তাকায়।
দূর থেকে বোঁ-বোঁ শব্দ ভেসে আসছে।
চড়ুই দুটো ভয় পায়। ফুড়ুৎ করে ওরা গাছের ডালে গিয়ে বসে। শব্দ ক্রমেই বাড়ছে। চারদিকের পাখপাখালি উর্ধ্বশ্বাসে পালাচ্ছে। চড়ুই পাখি দুটো পাতার ফাঁক দিয়ে উঁকি মারে। দূর দিগন্ত থেকে প্রকাণ্ড একটি কী এদিকেই উড়ে আসছে। ভয়ে ওরা ঘন পাতার ভেতর লুকিয়ে পড়ে। ভয়ঙ্কর বোঁ-বোঁ আওয়াজ করতে করতে ওদের মাথার ওপর দিয়েই ওটা চলে যায়।
বুক দুরু দুরু
-
নতুন চাকরি পেয়ে কলকাতা এসেছি। সম্পূর্ণ অস্থায়ী চাকরি। যে-কোনো সময়ে, বিনা-কারণে ও বিনা নোটিশে বরখাস্ত হওয়ার সম্ভাবনা। নিয়োগপত্রে এসব শর্ত দেখেও ঘাবড়াইনি একটুও। বন-বিভাগে চাকরি করতাম ষাট টাকায় এখানে পাব একশো তিরিশ টাকা। দ্বিগুণেরও বেশি। এমন সুবর্ণ সুযোগ কোনো নির্বোধ পায়ে ঠেলে দেয় বলে আমার মনে হয় না। আর যাই হোক, আমি দুপায়ে হাঁটি। জঙ্গলে যারা চার পায়ে হাঁটে, তাদের পরিবেশে থেকে আমার বুদ্ধিটা লোপ পেয়ে যায়নি। সত্তর টাকা বেশি পাব, এ কি যেমন তেমন ব্যাপার। বিয়ে করেছি অল্পদিন। এখন দ্বিগুণ টাকারই দরকার। তাছাড়া জঙ্গল ছেড়ে এসেছি শহরে, হিংস্ৰালয় ছেড়ে লোকালয়ে, আঁধার ছেড়ে আলোকে। এরকম সভ্যসমাজে আসাটাও একটা মস্ত লাভ।
-
তখন আমি ছেলে মানুষ, বয়স সাত বৎসর। হঠাৎ পায়রা পোষবার শখ মাথায় চাপল। কাঠের বাক্সের একটি খোপ বানিয়ে দেয়ালে টাঙিয়ে দিলুম,আর তিন-চার জোড়া পায়রা এনে সেখনে বসিয়ে দিলুম।
তাদের আদর যত্নের অন্ত রইল না। এই পায়রার নেশা যখন উগ্রভাবে মাথায় বর্তমান, সেই সময়ে এক দিন নানিজানের এক আত্মীয়ের বাড়ি বেড়াতে গেলুম। তাদের অনেক পায়রা ছিল। সেগুলি খেলছিল। আমি মুগ্ধ হয়ে তাদের দেখতে লাগলুম। তাদের মধ্যে একটি কপোত আমার মনকে দখল করে বসল। তার গায়ের রং ছিল স্লেট পাথরের মত ধূসর। গলায় নীল রঙের পালকগুলি সূর্যের আলোয় চকমক করছিল। সে তার মাথায় উঁচু টোপরটি স্বগর্বে নেড়ে, ‘বাক বাকুম’ ‘বাক বাকুম’ করতে
-
লতুর ধরা পড়বার খবরটা নীলার চিঠিতেই পেয়েছিলাম।
নীলা লিখেছে। তখন রাত বোধ হয় বারোটা হবে। রাস্তায় গাড়িঘোড়ার কোনো সাড়াশব্দ ছিল না। উত্তরঙ্গ পৃথিবী রাতের শিশিরে মুখ গুঁজে ঝিমুচ্ছিল ক্লান্তিতে। বড় কাটরা লেনের বাসিন্দাদের চোখে গাঢ় ঘুম নেবেছিল তখন। ঘুম নেবেছিল আমাদের চোখেও। দোরগোড়ায় হঠাৎ ঘা পড়ল। অসহিষ্ণু কড়া নাড়ার শব্দে চোখের পলক জোড়া খুলে গেল আমার। পাশেই শুয়ে ছিল লতু। পিঠে মৃদু নাড়া দিয়ে জাগালাম ওকে। ‘এই শুনছ! কারা এসে কড়া নাড়ছে। এই শুনছ?’ ‘কে, কারা?’ লতুর কণ্ঠে গভীর উদ্বেগ। গায়ের চাদরটা এক পাশে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে উঠে বসল সে। পা টিপে টিপে জানালার পাশে গিয়ে দাঁড়াল। মুহূর্ত কয়েক নিচের
-
কিন্নর কৈলাসের আড়ালে অস্তগামী চাঁদটা তাম্রপ্রস্তর যুগের একটা ধাতুপাত্রের মতো তলিয়ে যাচ্ছে। আকাশের অগণিত নক্ষত্র জ্বলজ্বল চোখ মেলে চেয়ে দেখছে তাকে।
কামরু পাহাড় থেকে নেমে আসছে সে। ছায়া ছায়া পাকদণ্ডীর পথ। অভ্যস্ত পায়ে দ্রুত উতরাই বেয়ে পাহাড়ি ঝোরার মতো নামছে সে। বাঁকের মুখে অদৃশ্য হচ্ছে, আবার জেগে উঠছে। মাথার ওপর পরে নেওয়া সুন্দর ভেলভেটের শেউখানা উঁকি দিচ্ছে। তার তলায় সোনালি সেব ফলের মতো মুখখানা। উদ্ধত বুক চোলির বাঁধনে বাঁধা পড়তে চাইছে না। পা অবধি এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দামি কম্বলের দোরি কাঁধ থেকে বুক ঢেকে নেমে গেছে নীচে। মোটা রেশমি গাচ্ছং বা কাপড়ের প্যাডে কটিদেশ বাঁধা পড়েছে।
পাহাড়ের ওপর কয়েক
-
বঙ্গের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে, বর্তমান বাংলাদেশের সিলেট বিভাগ এবং তার সংলগ্ন এলাকায় সিলেটি নাগরীলিপি প্রবর্তন এবং প্রায় পাঁচশ’ বছর টিকে থাকা বিস্ময়কর এক ঘটনা। একটি ভাষার একাধিক লিপি উদ্ভাবনা, তার প্রয়োগ এবং চর্চায় মানুষের যে বিপুল অংশগ্রহণ তার নজীরও দুনিয়ায় বেশি একটা নেই। সিলেটি নাগরীলিপি একটি বর্ণমালা, বাংলাভাষারই বর্ণমালা। বাংলা বর্ণমালার সহযোগী বর্ণমালা। সৈয়দ মুতার্জা আলী, মুহম্মদ আসাদ্দর আলী, গবেষক ড. গোলাম কাদির, ড. মোহাম্মদ সাদিকসহ আরও অনেকেই একে বাংলা ভাষার ‘বিকল্প বর্ণমালা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। সিলেটি নাগরীলিপি বাংলা বর্ণমালার বিকল্প বর্ণমালা হলেও স্বকীয়তামণ্ডিত। কেবল বর্ণাকৃতিই আলাদা নয়, তার রয়েছে নিজস্ব রীতি। বাংলা বর্ণমালাকে ব্যাপক পরিমার্জনা করে ‘সিলেটি নাগরীলিপি’ উদ্ভাবন করেছেন প্রবর্তকেরা।
-
বিংশ শতাব্দীর এক যুগসন্ধিক্ষণে জন্মেছিলেন বিপ্লবের কিংবদন্তী, কৃষক-শ্রমিক মেহনতি মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু কমরেড সন্তোষ ব্যানার্জী। ১৩২২ বঙ্গাব্দের জন্মাষ্টমীর দিনে তিনি ভূমিষ্ঠ হয়েছিলেন মায়ের অষ্টম গর্ভের সন্তান হিসেবে। মাদারীপুর শহরের এ পরিবারটি ছিল খুবই সম্ভ্রান্ত ও সম্পন্ন। তাঁর পিতার নাম প্রতাপচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মা- সৌদামিনী। পূর্ণিমার মতো চাঁদমুখ পুত্রসন্তানটি তাঁরা পেয়েছিলেন পর পর সাত কন্যার পরে। তাই সেদিন তাঁদের আনন্দের আর সীমা ছিল না। তাঁরা চোখের মণির মতো ছেলেকে পরম আদর-যত্ন ও স্নেহ-ভালোবাসায় লালন-পালন করতে থাকলেন। বয়স হলে তাঁকে স্থানীয় মাদারীপুর স্কুলে ভর্তি করে দেন। লেখাপড়া চলছিল ভালোভাবেই। কিন্তু সে কালে ব্রিটিশবিরোধী যে তুমুল আন্দোলন গড়ে উঠেছিল দেশব্যাপী তার ঢেউ মাদারীপুরেও
-
(১) কোন বেদনায় নিলাম বিদায়
কোন বেদনায় নিলাম বিদায় ‘দিলজানী’ আর দিল জানে
বদ-নসিবের দানাদানি টানছে সে কোন দূর টানে॥
তোমার সিঁথির মতির মতন নজর দেবো অশ্রু বুঁদ।
সেই দূতীরে, সালাম তোমার পৌঁছাবে যে মোর পানে॥
এসো প্রিয়া, আশিস মাগি, আমার সাথে হাত ওঠাও,
তোমার প্রাণে বিশ্বাস আসে, আসেন খোদা মোর ত্রাণে॥
মোদের পরে জুলুম যদি করেই জাগে ঈর্ষাতুর,
ভয় কী সখী, মোদের খোদা শোধ নেবে তার সেইখানে॥
তোমার শিরের কসম শিরিঁ তোমার নেশা টুটবে না,
যদিই ‘তামাম জাহান’ জুটে শির পরে মোর তির হানে॥
জান কি সই, কেনই আমায় ফেরায় গ্রহ দিগ্বিদিক?
তোমার পানে মন টানে মোর, ঈর্ষা জাগে
-
বন্ধুগণ,
নিজের জীবন এলো যখন সমাপ্তির দিকে, তখন ডাক পড়লো আমার দেশের এই যৌবন-শক্তিকে সম্বোধন ক’রে তাদের যাত্রাপথের সন্ধান দিতে। নিজের মধ্যে কর্মশক্তি যখন নিঃশেষিতপ্রায়, উদ্যম ক্লান্ত, প্রেরণা ক্ষীণ, তখন তরুণের অপরিমেয় প্রাণধারার দিক-নির্ণয়ের ভার পড়লো এক বৃদ্ধের উপর। এ আহ্বানে সাড়া দিবার শক্তি-সামর্থ্য নেই—সময় গেছে। এ আহানে বুকের মধ্যে শুধু বেদনার সঞ্চার করে। মনে হয়, একদিন আমারও সবই ছিল—যৌবন, শক্তি, স্বাস্থ্য, সকলের কাজে আপনাকে মিশিয়ে দেবার আনন্দবোধ—এই যুব—সংঘের প্রত্যেকটি ছেলের মতই,—কিন্তু সে বহুদিন পূর্বেকার কথা। সেদিন জীবন-গ্রন্থের যে-সকল অধ্যায় ঔদাস্য ও অবহেলায় পড়িনি, এই প্রত্যাসন্ন পরীক্ষার কালে তার নিষ্ফলতার সান্ত্বনা আজ কোন দিকেই চেয়ে আমার চোখে পড়ে না। আমি
-
আমরা যত ধরনের কর্মকাণ্ড করি সারাজীবনে তার প্রায় সম্পূর্ণটাই নিয়ন্ত্রন করে আমাদের মস্তিষ্ক। আমাদের মস্তিষ্ক থেকে দেহে পাঠানো সংকেত এবং মস্তিষ্কে নতুন নতুন সংযোগ তৈরী ও বন্ধের মধ্যে দিয়ে এই পক্রিয়াগুলো সম্পন্ন হয়। পূর্বে ধারণা করা হত যে ছোটবেলা থেকে বড় হতে হতে আমাদের মস্তিষ্কের যা যা পরিবর্তন প্রয়োজন হতে থাকে এবং বড় হয়ে গেলে সেটি একটি স্থির অবস্থায় পৌছায় যাতে কোন পরিবর্তন সম্ভব নয়। কিন্তু এই ধারণাটি আসলে ভুল। বড় হয়ে গেলে আমাদের মস্তিষ্ক আরও পরিবর্তনশীল একটি অবস্থায় পৌছায়। তারচেয়েও বড় যেটি সেটি হল আমাদের মস্তিষ্ক সবসময়ই নিজেকে নিজেই খেতে থাকে! কথাটি ভাবলেও অবাক লাগে তবে মস্তিষ্কে সেটিই ঘটছে
-
অনাদিকাল জ্বলে থাকা অরূন্ধুতির আলো
নিভে যায় অনুল্লেখ আঁধারী আলোর টানে।
অতিকায় অভিমানের ভারে ভারাক্রান্ত মানুষটিকেও
পেরোতে হয় এক অনতিক্রম্য পথ।
মানুষ জানে, মানুষের হৃদয়ে মানুষের নিঃস্বার্থ ঠাঁই নেই।
মিথোজীবি মন কখনো কখনো পরাশ্রয়মুক্ত জীবনের খোঁজে
হাঁতড়ে বেড়ায় আলোকিত আঁধার।
তবুও চাতক অপেক্ষায় অনুনমিত সহসাই
এবেলা-ওবেলার মত ফুরিয়ে যায় যাপিত জীবন।
-
আর কিছুই নয়, মাসিক পত্রে একটা ভারি মজার প্রবন্ধ লিখিয়াছিলাম। পড়িয়া অন্তরঙ্গ বন্ধুরা তো হাসিয়াছিলই, আবার শত্রুপক্ষও খুব হাসিতেছে।
অষ্টপাইকা, সাপ্টিবারি ও টাঙ্গাইল হইতে তিন জন পাঠক জিজ্ঞাসা করিয়া পাঠাইয়াছেন প্রবন্ধটির অর্থ কী। তাঁহাদের মধ্যে একজন ভদ্রতা করিয়া অনুমান করিয়াছেন ইহাতে ছাপাখানার গলদ আছে; আর-এক জন অনাবশ্যক সহৃদয়তাবশত লেখকের মানসিক অবস্থা সম্বন্ধে উৎকন্ঠা প্রকাশ করিয়াছেন; তৃতীয় ব্যক্তি অনুমান এবং আশঙ্কার অতীত অবস্থায় উত্তীর্ণ, বস্তুত আমিই তাঁহার জন্য উৎকন্ঠিত।
শ্রীযুক্ত পাঁচকড়ি পাল হবিগঞ্জ হইতে লিখিতেছেন—
‘গোবিন্দবাবুর এ প্রবন্ধের উদ্দেশ্য কী? ইহাতে কি ফরাসডাঙার তাঁতিদের দুঃখ ঘুচিবে? দেশে যে এত লোককে খেপা কুকুর কামড়াইতেছে এ প্রবন্ধে কি তাহার কোনো প্রতিকার কল্পিত হইয়াছে?’
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- অনুবাদ
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- শিশুতোষ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ছোটগল্প
- মুক্তিযুদ্ধ
- আন্দোলন
- গদ্য
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- অর্থনীতি
- আলোচনা
- বই
- যুক্তরাষ্ট্র
- সাম্রাজ্যবাদ
- জীবনী
- স্মৃতিকথা
- পশ্চিমবঙ্গ
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- বিপ্লব
- যুদ্ধ
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- ফ্যাসিবাদ
- রবীন্দ্রনাথ
- লেখক
- দাঙ্গা
- রমন্যাস
- সমালোচনা
- পাকিস্তান
- ভারত
- সাংবাদিকতা
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- পুঁজিবাদ
- কবিতা
- খুলনা
- ইসলাম
- ইউরোপ
- বিয়োগান্তক
- গবেষণা
- ভাষা
- সিলেট
- চিরায়ত
- জাতীয়তাবাদ
- ভাষণ
- বিজ্ঞান
- ব্যাঙ্গাত্মক
- বিজ্ঞানী
- হিন্দু
- ঢাকা
- নজরুল
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- ভৌতিক
- কারুশিল্প
- কিশোর
- সংঘর্ষ
- বাংলা
- নদী
- জাতীয়
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- রংপুর
- আত্মজীবনী
- বিশ্ববিদ্যালয়
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- সমাজ
- ছাত্র আন্দোলন
- অভ্যুত্থান
- দুঃসাহসিক
- রূপকথা
- নারী
- ফুল
- কলকাতা
- আইন
- সংবিধান
- ইংরেজি
- শৈশব
- বঙ্গবন্ধু
- চট্টগ্রাম
- লালন
- গণহত্যা
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- সংবাদ
- আর্টিস্ট
- সরকার
- চিঠি
- অতিপ্রাকৃত
- রাশিয়া
- ময়মনসিংহ
- লোককাহিনী
- গান
- ভূমিকা
- বইমেলা
- নারীবাদী
- এনজিও
- দুর্ভিক্ষ
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৬২)
- ২০২৫ (৬৪)
- ২০২৪ (১৩)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (২)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৮)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (২)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (৩)
- ১৯৮৬ (২)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (২)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৫)
- ১৯৭৮ (১)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (১৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (৩)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৭ (১)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (৩)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬১ (১)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৭ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৫ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৪২ (১)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯২৩ (১)
- ১৯১৬ (১)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (২)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অমৃত রাই (১)
- অস্কার ওয়াইল্ড (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবু ইসহাক (৩)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (২)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আলেক্সান্দ্র কোনোনভ (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- উৎপল দত্ত (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এম এম আকাশ (২)
- এমদাদুল হক মিল্লাত (১)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (২)
- জাফর আলম (১)
- জে এ কাউচুমো (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নাদেঝদা ক্রুপস্কায়া (১)
- নারায়ণ চৌধুরী (৩)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন গুপ্ত (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৪৯)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মওলানা হোসেন আলী (১)
- মণি সিংহ (১)
- মফিদুল হক (২)
- মানস (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (৩)
- মালেকা বেগম (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (৯)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৪)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লুনা নূর (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শাহীন রহমান (১)
- শেখ ওয়াজেদ আলি (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সলিল চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (২)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনির্মল বসু (৩)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সের্গেই বারুজদিন (১)
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী (১)
- সৈয়দ মুজতবা আলী (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৭)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (৩)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.