বই
ডিকেন্স্-এর গল্প
গজেন্দ্রকুমার মিত্রের “ডিকেন্স্-এর গল্প” বইটি ১৯৬০ সালের ডিসেম্বরে কলকাতার থেকে প্রকাশিত হয়। এই সংকলনে চার্লস ডিকেন্সের নির্বাচিত গল্প ও উপন্যাসসমূহ বাংলায় অনুবাদ ও ব্যাখ্যার মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কথাসাহিত্যিক, অনুবাদক ও প্রকাশক হিসেবে গজেন্দ্রকুমার মিত্রের এই কাজ ইংরেজি সাহিত্যের ক্লাসিক রচনাগুলিকে বাঙালি পাঠকের কাছে সহজবোধ্য করে তোলে।
-
নানারকমের খুচরো সৌখীন জিনিষ নিয়ে যাদের কারবার সেইসব দোকানকে বলে কিউরিওসিটী শপ্। কিউরিও (curio মানে বিচিত্র—অদ্ভুত সব জিনিস, সেই দোকানে পাওয়া যায়। যা দেখতে আমাদের কৌতুহল হয়, যা দেখে আমাদের বিস্ময়ের সীমা থাকে না, এমনি সব জিনিস! আমাদের দেশেও এরকম দোকান ঢের আছে—হয়ত তোমারা দেখেও থাকবে! পেতলের চীনে বুদ্ধমূর্তি, পুরানো তুর্কি গালিচা, মিশরের তৈরী হয়ত পাথরের খেলনা—নানাবর্ণের, নানা দেশের বিচিত্র সব জিনিস, যাদের পয়সা আছে তারা সখ করে কেনে, যাদের যথেষ্ট নেই তারা চেয়ে থাকে, কিম্বা দর করে।
অনেকদিন আগে বিলেতে এমনি একটা দোকান ছিল। তার বৃদ্ধ মালিক আর তাঁর নাতনী নেলি ঐ দোকানেরই ওপর তলায় বাস করতেন। বাড়ীটা নিজের—দোকানেরও
-
[চার্লস্ ডিকেন্স্ ইংরাজী-সাহিত্যের সবচেয়ে বড় ঔপন্যাসিক। আমাদের দেশের এক বঙ্কিমচন্দ্রকে এঁর সঙ্গে খানিকটা তুলনা করা যায়, তা ছাড়া আজ অবধি আমাদের দেশে এমন কোনও ঔপন্যাসিক জন্মাননি যাঁকে মনে করে ডিকেন্সের ক্ষমতার কথা বুঝতে পারবে। অন্য কোন দেশেও এতখানি ক্ষমতাশালী ঔপন্যাসিক আর জন্মেছেন কিনা সন্দেহ ৷
ডিকেন্স্-এর উপন্যাসের মধ্যে ডেভিড কপারফীল্ডই শ্রেষ্ঠ, একথা আরও অনেক সমালোচকের সঙ্গে ডিকেন্স্ নিজেও মেনে নিয়েছিলেন। এর সম্বন্ধে আরও একটা কথা বলবার আছে এই যে বইটির প্রথম দিকে ডিকেন্স্-এর নিজের জীবনেরও খানিকটা ছায়া আসে।
ডিকেন্স্-এর বাবা ছিলেন অত্যন্ত উড়নচণ্ডে, তার জন্য সমস্ত বাল্যকাল তাঁর কেটেছিল অতিরিক্ত অর্থকৃচ্ছতার মধ্যে। বাল্যকালেই চাকরীতে ঢুকতে হয়েছিল তাঁকে, যদিও সে চাকুরী
-
একটি মেয়েছেলে গর্ভবতী অবস্থায় পথ হেঁটে যেতে যেতে একদিন পথের কষ্টে অজ্ঞান হয়ে পড়ল। তখনই তাকে তুলে সেই গ্রামের আঁতুরালয়ে নিয়ে যাওয়া হল বটে, কিন্তু মেয়েটিকে আর বাঁচানো গেল না। সেই অবস্থাতেই একটি পুত্রসন্তান ভূমিষ্ট হবার পর সে বেচারা মারা গেল।
ছেলেটির কি অবস্থা বুঝে দেখ! নাম নেই, গোত্র নেই, কার ছেলে, কী বৃত্তান্ত, কিছুই জানা নেই; এ অবস্থায় ছেলেটিকে নিয়ে কি করা যায় এই কথা ভেবে ভেবে ত অনাথ আশ্রমের কর্তাদের মাথা গরম হয়ে উঠল। চারিদিকে বিজ্ঞাপন দেওয়া হল যদি তা দেখে কেউ এসে ছেলেটিকে দাবী করে এই ভরসায়, কিন্তু কিছুতেই কিছু হল না। ছেলেটি ওঁদেরই ঘাড়ে চাপল।
তখন
Page 1 of 1
ক্যাটাগরি
আর্কাইভ
লেখক
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.