ক্যাটাগরি : শিশু-কিশোর
-
মহাপ্লাবনের পর বহু বছর কেটে গেছে।
আরবে আদ নামক একটা জাতি অতিশয় শক্তিশালী হয় উঠেছিলো। তারা খোদাকে মানতো না—ইচ্ছা মতো
-
পূর্বে খোদাতা’লার এবাদতের জন্য কোন মসজিদ বা গৃহ নির্দিষ্ট ছিলো না। খোদার আদেশে হযরত ইব্রাহিম সর্বপ্রথম মসজিদের ভিত্তি স্থাপন করেন।
-
অনেক আগের কথা। আরব দেশে সাদ নামে একটি বংশ ছিলো। এই বংশের লোকদের চেহারা ছিলো যেমন খুব লম্বা এবং চওড়া,
-
এক সময় এই পৃথিবীর চেহারা ছিল সম্পূর্ণ অন্যরকম। ট্রেন, বাস, মোটর গাড়ি কিংবা উড়োজাহাজ তো ছিলই না—এমনকি মানুষের ঘর-বাড়িও ছিল
-
নৌবহরের গল্পের সাথে যে সাগরটির নাম সবচেয়ে বেশী জড়িত, তার চারদিকে তিনটি মহাদেশের ভূমি—এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপ। তাই অজানাকাল থেকে
-
দুঃসাহসী অভিযাত্রীদের অভিযান আমাদের পৃথিবীকে সবার কাছে পরিচিত করে তার বর্তমান রূপে তুলে ধরেছে। কিন্তু এমন এক সময় ছিল, যখন
-
নানাবাড়ি পুকুরঘাটে কাত হয়ে থাকা ঝাকড়া-পাতার চালতা গাছটায় বসে ভীষণ জটিল এবং চরম আপমানজনক একটা বিষয় নিয়ে চিন্তা করছিলাম আমরা
-
দিনের পর দিন দারুণ গরমে আমরা সবাই একেবারে নাস্তানাবুদ। সকাল থেকেই শুরু হয় নতুন ব্লেডের মতো ধারালো রোদ্দুরের ঝালাপালা, সারাদিন
-
আমার পিসিমা ভীষণ ভালো হলেও বেজায় ভীতু। সব জিনিসে তার ভয়। যেখানে যা আছে তাতে তো ভয় আছেই, আবার অনেক
-
মা একদিন বাবাকে বললেন, ‘হ্যাঁগো, মৌমাছি পাললে হয় না? পাড়ার সবাই পালে। ঘরের মধু খায়।’
‘ঠিক আছে, পালা যাবে’, বললেন
-
দাদুর জন্যে পথ চেয়ে আছে উলদুজ। দাদু কাজ করেন সামুদ্রিক পেট্রলখনিতে। আজ তাঁর ঘরে ফেরার কথা। কিন্তু তুফান উঠেছে। লোকে
-
ত্যুলকা মেয়েটির চোখ দুটি নীল, মাথায় মজার দুটি বেণী, একটা চাকার মতো, আরেকটা ছাগলের শিঙের মতো। জেলেদের জেটি বরাবর মনমরার
-
মাম্বেতের বয়স আট বছর। শীতের চারণমাঠে সে এল এই প্রথম।
সবই তার কাছে নতুন। ইচ্ছে হয় তক্ষুনি সারা এলাকাটা ঘুরে
-
একবার আমরা গোটা ক্লাস গেলাম সার্কাসে। ভারী আনন্দ হল আমার, কেননা শিগগিরই আমার আট বছর পেরুবে, অথচ সার্কাসে গেছি কেবল
-
বৃষ্টি চলছিল অনেকক্ষণ।
কালো পিচের ওপর আলোর হলদে ছোপগুলো যেন কড়াইয়ের ওপর ডিমের কুসুম। গাছপালা, ঘরবাড়ি, রেলিঙ, খবরের কাগজের কিওস্ক
-
কামাল ভাইকে বললাম: আজ মোহামেডান ভিকটোরিয়ার খেলা। টিকিট কাটবে না?
কামাল ভাই বলল: খেলা ত বিকালে, এখন কোথায় যাচ্ছিস?
:
-
মূল রুশ থেকে অনুবাদ: হীরেন্দ্রনাথ সান্যাল
অনুবাদ সম্পাদনা: অর্দ্ধেন্দু গোস্বামী
তিনটি অনাথ ভাই। বাপও নেই, মাও নেই। না আছে বাড়ি,
-
মূল রুশ থেকে অনুবাদ: হীরেন্দ্রনাথ সান্যাল
অনুবাদ সম্পাদনা: অর্দ্ধেন্দু গোস্বামী
একদিন এক ধনী ভদ্রলোক একটা বুলবুলি পাখি ধরে তাকে খাঁচায়
-
এক বাঘ। বাঘ কি বাঘ, প্রকাণ্ড বড় বাঘ। এত বড় বাঘ কেউ কোনোদিন দেখে নি। তার চোখ দুটো, ও বাবা!
-
এক বন। সেই বনের ধারে ঘর বেঁধে কাঠুরে আর তার বউ বাস করে। ওদের ছেলেপুলে নেই। দুই জনকে নিয়েই সংসার।
-
নেকড়ের বাচ্চাটা জন্মাবার কয়েক দিন পরেই মরে গেল। নেকড়ে তার বাচ্চার শোকে কেঁদে কেঁদে ঘুরে বেড়ায়। আহা, কি সুন্দর ডাগর
-
মুরগী তার বাচ্চাকে ডেকে বলল, এই ছোঁড়া, অমন করে খোঁড়াচ্ছিস কেন রে?
বাচ্চা বলল, একটা কাঁটা ফুটেছে মা।
কেন, দেখে
-
সবাই এক রকম জিনিস ভালোবাসে না। এক একজনের এক এক রকম পছন্দ। কেউ ভালোবাসে মিষ্টি, কেউ টক, কেউ নোনতা, কেউ
ট্যাগ
উৎস
আর্কাইভ
লেখক
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৯)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- ইয়াকভ আকিম (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৭)
- কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (৪)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (৭)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৭)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- বন্দে আলী মিয়া (১৫)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- রাজশেখর বসু (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.
Featured News
Advertisement
-
welcome
- by Shamim Ahmed Chowdhury
- ১৫ Jan ২০২৬
-
Thank you
- by bappi
- ১৫ Jan ২০২৬
-
good
- by Shamim Ahmed Chowdhury
- ১৫ Jan ২০২৬