-
আমরা যত ধরনের কর্মকান্ড করি সারাজীবনে তার প্রায় সম্পূর্ণটাই নিয়ন্ত্রন করে আমাদের মস্তিষ্ক। আমাদের মস্তিষ্ক থেকে দেহে পাঠানো সংকেত এবং মস্তিষ্কে নতুন নতুন সংযোগ তৈরী ও বন্ধের মধ্যে দিয়ে এই পক্রিয়াগুলো সম্পন্ন হয়। পূর্বে ধারণা করা হত যে ছোটবেলা থেকে বড় হতে হতে আমাদের মস্তিষ্কের যা যা পরিবর্তন প্রয়োজন হতে থাকে এবং বড় হয়ে গেলে সেটি একটি স্থির অবস্থায় পৌছায় যাতে কোন পরিবর্তন সম্ভব নয়। কিন্তু এই ধারণাটি আসলে ভুল। বড় হয়ে গেলে আমাদের মস্তিষ্ক আরও পরিবর্তনশীল একটি অবস্থায় পৌছায়। তারচেয়েও বড় যেটি সেটি হল আমাদের মস্তিষ্ক সবসময়ই নিজেকে নিজেই খেতে থাকে! কথাটি ভাবলেও অবাক লাগে তবে মস্তিষ্কে সেটিই ঘটছে।
-
দরিদ্র হওয়াটাই কষ্টকর নয়। দারিদ্র্যের কুয়াশার ফাঁক দিয়া প্রাচুর্যের প্রতি ব্যর্থ চাহনিটাই জ্বালাময়। যে মানুষ সারাদিন উপার্জনের সম্বল দুই এক বোঝা তাচ্ছিল্য ও অনাদরের সহিত দুই এক পয়সা লইয়া শহরের খোলা রাস্তা দিয়া নির্বিকারচিত্তে পথ চলিতে পারে, তাহা দেখিয়া আমাদের দৃষ্টি বেশি ভারাক্রান্ত হয় না, মনও বেশি পীড়াবোধ করে না—মনে হয় শহরেরই সে একটি অপরিহার্য অঙ্গ। কিন্তু যে ব্যক্তি কৃচ্ছতার ছিটানো কালির তিলক পরিয়া ও বুকজোড়া বুভুক্ষা নিয়া কাচের দরজার ফাঁকে রেস্টুরেন্টের সুখাদ্যের দিকে অসহায়ভাবে তাকাইয়া কিছুকাল কাটাইয়া দেয়—তাহাকে দেখিয়া বুকের ভিতরটা খচ্ করিয়া উঠে বৈকি!
পল্লীর যে-বধূ শাশুড়ীর গঞ্জনা মাত্র ভক্ষণ করিয়া পুরুষানুক্রমে প্রাপ্ত উদরটাকে দিনের পর দিন শূন্য
-
এক জোলা ছিল। তার গান গাইবার ভারী সখ। তার বড় ইচ্ছা যে, সে নূতন নূতন গান শিখিয়া গায়, কিন্তু সে জোলা বলিয়া কেহ তাকে গান শিখাইত না। একদিন সে স্ত্রীকে বলিল “ওগো গাঁয়ের লোকগুলা বড়ই হিংসুটে, ওরা আমায় গান শিখতে দেখলে হিংসায় জ্বলে। আমি এক কাজ করব, বাজারে গিয়ে গোটা পাঁচেক গান কিনে আনব, তারপর মজা করে গাইব। ওরা সব অবাক হয়ে শুনবে আর বলবে 'জোলা আবার এমন সুন্দর গান, কোথায় পেলে।' তুমি আমায় পাঁচটী টাকা দাও। এমন গান আনব, শুনে তোমার তাক্ লেগে যাবে। আর বুঝলে, এ গান সবার আগে তোমাকেই শুনাব।”
স্ত্রীর নিকট হইতে পাঁচ টাকা লইয়া সে
-
খসড়া
সেদিন আই. এ. এবং ম্যাট্রিক ক্লাসের পুরস্কারবিতরণের উৎসব। বিমলা ব’লে এক ছাত্রী ছিল, সুন্দরী ব’লে তার খ্যাতি। তারই হাতে পুরস্কারের ভার। চার দিকে তার ভিড় জমেছে আর তার মনে অহংকার জমে উঠেছে খুব প্রচুর পরিমাণে। একটি মুখচোরা ভালোমানুষ ছেলে কোণে দাঁড়িয়ে ছিল। সাহস করে একটু কাছে এল যেই, দেখা গেল তার পায়ে হয়েছে ঘা, ময়লা কাপড়ের ব্যাণ্ডেজ জড়ানো। তাকে দেখে বিমলা নাক তুলে বললে, “ও এখানে কেন বাপু, ওর যাওয়া উচিত হাসপাতালে।”
ছেলেটি মন-মরা হয়ে আস্তে আস্তে চলে গেল। বাড়িতে গিয়ে তার স্কুলঘরের কোণে বসে কাঁদছে, জলখাবারের থালা হাতে তার দিদি এসে বললে, “ও কী হচ্ছে জগদীশ, কাঁদছিস কেন।”
-
মাওলা ব্রাদার্স থেকে প্রকাশিত, কাইয়ুম চৌধুরির আঁকা প্রচ্ছদের এই আত্মজীবনীটি আমাকে একদম শুষে নেবে ভেতরের দিকে, অতোটা আশা করিনি। প্রচ্ছদটি দেখে আমার মন কাড়েনি। কিন্তু ভেতরে যা আছে, তা আমাকে এক অন্যরকম পৃথিবী দেখিয়েছে। একজন নারীর শৈশব, যিনি দেখেছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, যিনি দেখেছেন সাতচল্লিশের দেশভাগ। যার শৈশব কৈশোর জুড়ে রয়েছে, যশোরের চুড়িপট্টি। নানান বঞ্চনা, গঞ্জনা, অ্যাডভেঞ্চার, আর শেকল ভাঙার নানান ব্যর্থ চেষ্টাসমৃদ্ধ একটা শিশু জীবন।
যে শিশু জীবন দেখেছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, দেশভাগ, হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা, হিন্দু বাঙালির দেশ ছাড়ার মিছিল। বাঁশের সাঁকোর মতো নড়বড়ে একটা শৈশব-কৈশোর, ভয়ে ভয়ে পার করে হয়ে উঠেছেন যুবতী। আনোয়ারা সৈয়দ হকের শৈশবের আকর্ষণীয় দিকটি হচ্ছে,
-
আর কিছুই নয়, মাসিক পত্রে একটা ভারি মজার প্রবন্ধ লিখিয়াছিলাম। পড়িয়া অন্তরঙ্গ বন্ধুরা তো হাসিয়াছিলই, আবার শত্রুপক্ষও খুব হাসিতেছে।
অষ্টপাইকা, সাপ্টিবারি ও টাঙ্গাইল হইতে তিন জন পাঠক জিজ্ঞাসা করিয়া পাঠাইয়াছেন প্রবন্ধটির অর্থ কী। তাঁহাদের মধ্যে একজন ভদ্রতা করিয়া অনুমান করিয়াছেন ইহাতে ছাপাখানার গলদ আছে; আর-এক জন অনাবশ্যক সহৃদয়তাবশত লেখকের মানসিক অবস্থা সম্বন্ধে উৎকন্ঠা প্রকাশ করিয়াছেন; তৃতীয় ব্যক্তি অনুমান এবং আশঙ্কার অতীত অবস্থায় উত্তীর্ণ, বস্তুত আমিই তাঁহার জন্য উৎকন্ঠিত।
মনে করিয়াছি বাসা বদলাইতে হইবে, আমার রচনার ভাষাও বদলানো আবশ্যক। আর যাহাই করি লোককে হাসাইবার চেষ্টা করিব না।
শ্রীযুক্ত পাঁচকড়ি পাল হবিগঞ্জ হইতে লিখিতেছেন—
‘গোবিন্দবাবুর এ প্রবন্ধের উদ্দেশ্য কী? ইহাতে কি ফরাসডাঙার
-
দেখো দেখো, পিঁপড়ে দেখো! খুদে খুদে রাঙা রাঙা সরু সরু সব আনাগোনা করছে—ওরা সব পিঁপড়ে, যাকে সংস্কৃত ভাষায় বলে পিপীলিকা। আমি হচ্ছি ডেঞে, সমুচ্চ ডাঁইবংশসম্ভূত, ঐ পিঁপড়েগুলোকে দেখলে আমার অত্যন্ত হাসি আসে।
হা হা হা, রকম দেখো, চলছে দেখো, যেন ধুলোর সঙ্গে মিশিয়ে গেছে; আমি যখন দাঁড়াই তখন আমার মাথা আকাশে ঠেকে! সূর্য যদি মিছরির টুকরো হ ' ত আমার মনে হয় আমি দাঁড়া বাড়িয়ে ভেঙে ভেঙে এনে আমার বাসায় জমিয়ে রাখতে পারতুম। উঃ, আমি এত বড়ো একটা খড় এতখানি রাস্তা টেনে এনেছি, আর ওরা দেখো কী করছে–একটা মরা ফড়িং নিয়ে তিন জনে মিলে টানাটানি করছে। আমাদের মধ্যে এত ভয়ানক
-
১
প্রাচীন ভারতে গ্যাল্ভ্যানিক ব্যাটারি ছিল কি না ও অক্সিজেন বাষ্পের কী নাম ছিল
বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর সন্দেহ নাই, কিন্তু তাই বলিয়া যে একেবারেই এ সম্বন্ধে কোনো প্রমাণ সংগ্রহ করা যাইতে পারে না ইহা আমরা স্বীকার করি না। প্রাচীন ভারতে ইতিহাস ছিল না, এ কথা অশ্রদ্ধেয়। প্রকৃত কথা, আধুনিক ভারতে অনুসন্ধান ও গবেষণার নিতান্ত অভাব। বর্তমান প্রবন্ধ পাঠ করিলেই পাঠকেরা দেখিবেন, আমাদের অনুসন্ধানের ত্রুটি হয় নাই এবং তাহাতে যথেষ্ট ফললাভও হইয়াছে।
প্রাচীন ভারতে গ্যাল্ভ্যানিক ব্যাটারি ছিল কি না ও অক্সিজেন বাষ্পের কী নাম ছিল, তাহার মীমাংসা করিবার পূর্বে কীট্টকভট্ট ও পুণ্ড্রবর্ধন মিশ্রের জীবিতকাল নির্ধারণ করা বিশেষ আবশ্যক।
প্রথমত, কীট্টকভট্ট কোন্
-
সম্পাদকমহাশয়-সমীপেষু–
ধৃষ্টতা মার্জনা করিবেন, কিন্তু না বলিয়া থাকিতে পারি না, আপনারা এখনো লিখিতে শিখেন নাই। অমন মৃদুসম্ভাষণে কাজ চলে না। গলায় গামছা দিয়া লোক টানিতে হইবে। কিন্তু উপদেশের অপেক্ষা দৃষ্টান্ত অধিক ফলপ্রদ বলিয়া আমাদের এজেন্সি আপিস হইতে একটা লেখার নমুনা পাঠাইতেছি। পছন্দ হইলে ছাপাইবেন, দাম দিতে ভুলিবেন না। যিনি লিখিয়াছেন তিনি সাহিত্যসংসারে একজন সুপরিচিত ব্যক্তি। বাঙ্গালার ভূগোলে সাহিত্যসংসার কোথায় আছে ঠিক জানি না; এই পর্যন্ত জানি, আমাদের বিখ্যাত লেখককে তাঁহার ঘরের লোক ছাড়া আর কেহই চেনেন না। অতএব অনুমান করা যাইতে পারে, সাহিত্যসংসার বলিতে তিনি, তাঁহার বিধবা পিসি, তাঁহার স্ত্রী এবং দুই বিবাহযোগ্যা কন্যা বুঝায়। এই ক্ষুদ্র সাহিত্যসংসারটির জীবিকা আমাদের
-
সমাজতন্ত্রবাদের প্রতিষ্ঠাতা মার্কস ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে ভারতীয় সমস্যা সম্পর্কে আধুনিক চিন্তাধারার গোড়াপত্তন করে গেছেন। ভারতে ব্রিটিশ শাসনের ফলাফল, তার সংহারমূর্তি, “অজ্ঞাতসারে ইতিহাসের যন্ত্ররূপে তার বিপ্লবী ভূমিকা, ভারতকে “পুনরুৎপাদক দেশে” রূপান্তরিত করবার আয়োজন, আধুনিক শিল্পের প্রকৃত অগ্রদূত হিসাবে রেলপথের ভূমিকা, ভূমি-ব্যবস্থার স্বরূপ প্রভৃতি সম্পর্কে নূতন আলোকসম্পাত এবং একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গীর প্রবর্তন মার্কসই করেছেন। পরিণত বয়সে রচিত (এবং তাঁর মৃত্যুর পরে এঙ্গেলস কর্তৃক সম্পাদিত) ক্যাপিটালের তৃতীয় খণ্ডে ভারতের অর্থনীতি প্রসঙ্গে মার্কস যে মূলসূত্র প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তার যথার্থতা এবং বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আধুনিক ঐতিহাসিক গবেষণার ফলাফলে স্বীকৃত। দীর্ঘকাল ভারত প্রসঙ্গে মার্কস এবং এঙ্গেলসের রচনাবলী অপ্রকাশিত এবং অবজ্ঞাত ছিল। বিগত পঁচিশ বৎসরের মধ্যে অনুসন্ধিৎসুরা (বিংশ
-
আবার বজ্র ঝলসে উঠছে সিনাই উপত্যাকায় রং লেগেছে আবার বাস্তবের মুখশ্রীতেএসেছে বিলয়ের বার্তা, সত্য দর্শনের আমন্ত্রণ
হে দেখার দৃষ্টি এখন সময়, বলো, সাক্ষী থাকার সাহস আছে কি নেই এখন প্রাণের শত্রু দুঃখ নিদানের সহায় ইরমের স্বর্গোদ্যান এখন অনস্তিত্তের মরুর প্রতিচ্ছবিও পাগলামির ভাবনা! না থাকার পথ বেয়ে চলবার সাহস আছে কি নেই!
হে দেখার দৃষ্টি আবার হৃদয়কে সাফ করো, হয়তো এই ফলকে তোমার আমার মাঝে নতুন কোনো প্রতিশ্রুতি উঠবে ফুটে এখন অত্যাচারের প্রথা পৃথিবীতে অভিজাতদের হাতিয়ার তাকে বৈধ করতে ধর্মগুরুরা হয়েছে দক্ষ এখন বহু যুগের বাধ্যতার প্রথায় আনতে বদল অস্বীকারের ফরমান নেমে আসা হয়ে গেছে অনিবার্য
আর শোনো হয়তো এই নির্মল
-
তপুকে আবার ফিরে পাব, এ কথা ভুলেও ভাবিনি কোনোদিন। তবু সে আবার ফিরে এসেছে আমাদের মাঝে। ভাবতে অবাক লাগে, চারবছর আগে যাকে হাইকোর্টের মোড়ে শেষবারের মতো দেখেছিলাম, যাকে জীবনে আর দেখব বলে স্বপ্নেও কল্পনা করিনি- সেই তপু ফিরে এসেছে। ও ফিরে আসার পর থেকে আমরা সবাই যেন কেমন একটু উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছি। রাতে ভালো ঘুম হয় না। যদিও একটু-আধটু তন্দ্রা আসে, তবু অন্ধকারে হঠাৎ ওর দিকে চোখ পড়লে গা হাত পা শিউরে ওঠে। ভয়ে জড়সড় হয়ে যাই। লেপের নিচে দেহটা ঠক্ ঠক্ করে কাঁপে।
দিনের বেলা অনেকেই আমরা ছোটখাটো জটলা পাকাই।
দিনের বেলা ওকে ঘিরে দেখতে আসে ওকে। অবাক হয়ে
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- ছোটগল্প
- কবিতা
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- মধ্যপ্রাচ্য
- অস্ত্র
- আন্দোলন
- প্রযুক্তি
- বিজ্ঞান
- গোয়েন্দা
- অনুবাদ
- চিরায়ত
- জাতীয়তাবাদ
- উদ্ভিদ
- উদ্ভিদবিদ্যা
- শিশুতোষ
- ভাষা
- গণিতশাস্ত্র
- ভৌতিক
- যুদ্ধ
- পুঁজিবাদ
- ফ্যাসিবাদ
- বই
- ভূমিকা
- লেখক
- জীবনী
- মুক্তিযুদ্ধ
- আলোচনা
- মার্কসবাদ
- নির্বাচন
- রসায়ন
- বাংলা
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- গদ্য
- ব্যাঙ্গাত্মক
- পাকিস্তান
- বিজ্ঞানী
- স্মৃতিকথা
- উদ্ভাবন
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- হিন্দু
- ওষুধ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- আধ্যাত্মিকতা
- পৌরাণিক
- সাংবাদিকতা
- চট্টগ্রাম
উৎস
লেখক
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৩)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আহমদ রফিক (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (২)
- ক্যারল ভিনসেন্ট নিউসম (১)
- গোপাল হালদার (১)
- চিন্মোহন সেহানবীশ (১)
- জঁ-পল সার্ত্র (১)
- জগদীশ চন্দ্র বসু (২)
- জর্জ বার্নার্ড শ (১)
- জহির রায়হান (১)
- তারাপদ পান (১)
- ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্তী (১)
- দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (১)
- নজরুল ইসলাম (১)
- পশুপতি ভট্টাচার্য (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫)
- প্রমা ইসরাত (১)
- ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- মঙ্গলাচরণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মুনীর চৌধুরী (২)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২৫)
- রাজশেখর বসু (৫)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শান্তিময় রায় (১)
- শ্রীনিবাস গণেশ সরদেশাই (১)
- সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (২)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৬)
- সুশীল জানা (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হাসান তারেক (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.