-
প্রথম পরিচ্ছেদ
ত্রিপুরার রাজা অমরমাণিক্যের কনিষ্ঠ পুত্র রাজধর সেনাপতি ইশা খাঁকে বলিলেন, “দেখো সেনাপতি, আমি বারবার বলিতেছি তুমি আমাকে অসম্মান করিয়ো না।”
পাঠান ইশা খাঁ কতকগুলি তীরের ফলা লইয়া তাহাদের ধার পরীক্ষা করিতেছিলেন। রাজধরের কথা শুনিয়া কিছুই বলিলেন না, কেবল মুখ তুলিয়া ভুরু উঠাইয়া একবার তাঁহার মুখের দিকে চাহিলেন। আবার তখনই মুখ নত করিয়া তীরের ফলার দিকে মনোযোগ দিলেন।
রাজধর বলিলেন, “ভবিষ্যতে যদি তুমি আমার নাম ধরিয়া ডাক, তবে আমি তাহার সমুচিত প্রতিবিধান করিব।”
বৃদ্ধ ইশা খাঁ সহসা মাথা তুলিয়া বজ্রস্বরে বলিয়া উঠিলেন, “বটে! ”
রাজধর তাঁহার তলোয়ারের খাপের আগা মেঝের পাথরের উপরে ঠক করিয়া ঠুকিয়া বলিলেন, “হাঁ।”
ইশা খাঁ
-
আমি রাজপথ। অহল্যা যেমন মুনির শাপে পাষাণ হইয়া পড়িয়া ছিল, আমিও যেন তেমনি কাহার শাপে চিরনিদ্রিত সুদীর্ঘ অজগর সর্পের ন্যায় অরণ্যপর্বতের মধ্য দিয়া, বৃক্ষশ্রেণীর ছায়া দিয়া, সুবিস্তীর্ণ প্রান্তরের বক্ষের উপর দিয়া দেশদেশান্তর বেষ্টন করিয়া বহুদিন ধরিয়া জড়শয়নে শয়ান রহিয়াছি। অসীম ধৈর্যের সহিত ধুলায় লুটাইয়া শাপান্তকালের জন্য প্রতীক্ষা করিয়া আছি। আমি চিরদিন স্থির অবিচল, চিরদিন একই ভাবে শুইয়া আছি, কিন্তু তবুও আমার এক মুহূর্তের জন্যও বিশ্রাম নাই। এতটুকু বিশ্রাম নাই যে, আমার এই কঠিন শুষ্ক শয্যার উপরে একটিমাত্র কচি স্নিগ্ধ শ্যামল ঘাস উঠাইতে পারি; এতটুকু সময় নাই যে, আমার শিয়রের কাছে অতি ক্ষুদ্র একটি নীলবর্ণের বনফুল ফুটাইতে পারি। কথা কহিতে পারি
-
দরিদ্র হওয়াটাই কষ্টকর নয়। দারিদ্র্যের কুয়াশার ফাঁক দিয়া প্রাচুর্যের প্রতি ব্যর্থ চাহনিটাই জ্বালাময়। যে মানুষ সারাদিন উপার্জনের সম্বল দুই এক বোঝা তাচ্ছিল্য ও অনাদরের সহিত দুই এক পয়সা লইয়া শহরের খোলা রাস্তা দিয়া নির্বিকারচিত্তে পথ চলিতে পারে, তাহা দেখিয়া আমাদের দৃষ্টি বেশি ভারাক্রান্ত হয় না, মনও বেশি পীড়াবোধ করে না-মনে হয় শহরেরই সে একটি অপরিহার্য অঙ্গ। কিন্তু যে ব্যক্তি কৃচ্ছতার ছিটানো কালির তিলক পরিয়া ও বুকজোড়া বুভুক্ষা নিয়া কাচের দরজার ফাঁকে রেস্টুরেন্টের সুখাদ্যের দিকে অসহায়ভাবে তাকাইয়া কিছুকাল কাটাইয়া দেয়-তাহাকে দেখিয়া বুকের ভিতরটা খচ্ করিয়া উঠে বৈকি!
পল্লীর যে-বধূ শাশুড়ীর গঞ্জনা মাত্র ভক্ষণ করিয়া পুরুষানুক্রমে প্রাপ্ত উদরটাকে দিনের পর দিন শূন্য
-
বিয়ের দিনটাকে আশালতার মনে পড়ে।
'আশালতা পালংপাতা, আজকে আশার বিয়ে।
আশাকে নিয়ে যাবে তেলসিঁদুর দিয়ে।'
কি আশ্চর্য! তার নাম দিয়ে একটা ছড়া তৈরি হয়ে গিয়েছিল। বিয়েটা বড় আনন্দের। পুতুল খেলার ফাঁকে ফাঁকে, ঘরকন্নার কাজে মাকে সাহায্য করার মাঝে মাঝে বিয়ের কথাটা মনে পড়ে তাকে অবাক করে দিয়েছে। সুদূরের একটা অচেনা পুলকের আমেজ ছিল এই দুই আখেরের কথাটিতে। শুধু পুতুল খেলা নয়, আরো একটা খেলা তারা জানত, বিয়ে-বিয়ে খেলা।
'কাকটা বসে আছে পানের ডিবে নিয়ে
কোকিলটা বসে আছে তেলসিঁদুর নিয়ে।
যেমনি গেছলে ফুল কুড়োতে অমনি হোল বিয়ে।'
ঘরের পিছনে আম গাছের তলায় নিরিবিলিতে তাদের হঠাৎ এমনি করে বিয়ে হয়ে যেত।
শুনে
-
প্রথম পরিচ্ছেদ
‘আল্লা হো আকবর’ শব্দে রণভূমি প্রতিধ্বনিত হইয়া উঠিয়াছে। একদিকে তিনলক্ষ যবনসেনা, অন্যদিকে তিনসহস্র আর্যসৈন্য। বন্যার মধ্যে একাকী অশ্বত্থবৃক্ষের মতো হিন্দুবীরগণ সমস্ত রাত্রি এবং সমস্ত দিন যুদ্ধ করিয়া অটল দাঁড়াইয়া ছিল কিন্তু এইবার ভাঙিয়া পড়িবে, তাহার লক্ষণ দেখা যাইতেছে। এবং সেইসঙ্গে ভারতের জয়ধ্বজা ভূমিসাৎ হইবে এবং আজিকার ঐ অস্তাচলবর্তী সহস্ররশ্মির সহিত হিন্দুস্থানের গৌরবসূর্য চিরদিনের মতো অস্তমিত হইবে।
হর হর বোম্ বোম্! পাঠক বলিতে পার, কে ঐ দৃপ্ত যুবা পঁয়ত্রিশজন মাত্র অনুচর লইয়া মুক্ত অসি হস্তে অশ্বারোহণে ভারতের অধিষ্ঠাত্রী দেবীর করনিক্ষিপ্ত দীপ্ত বজ্রের ন্যায় শত্রুসৈন্যের উপরে আসিয়া পতিত হইল? বলিতে পার, কাহার প্রতাপে এই অগণিত যবনসৈন্য প্রচণ্ড বাত্যাহত অরণ্যানীর ন্যায়
-
খসড়া
সেদিন আই. এ. এবং ম্যাট্রিক ক্লাসের পুরস্কারবিতরণের উৎসব। বিমলা ব’লে এক ছাত্রী ছিল, সুন্দরী ব’লে তার খ্যাতি। তারই হাতে পুরস্কারের ভার। চার দিকে তার ভিড় জমেছে আর তার মনে অহংকার জমে উঠেছে খুব প্রচুর পরিমাণে। একটি মুখচোরা ভালোমানুষ ছেলে কোণে দাঁড়িয়ে ছিল। সাহস করে একটু কাছে এল যেই, দেখা গেল তার পায়ে হয়েছে ঘা, ময়লা কাপড়ের ব্যাণ্ডেজ জড়ানো। তাকে দেখে বিমলা নাক তুলে বললে, “ও এখানে কেন বাপু, ওর যাওয়া উচিত হাসপাতালে।”
ছেলেটি মন-মরা হয়ে আস্তে আস্তে চলে গেল। বাড়িতে গিয়ে তার স্কুলঘরের কোণে বসে কাঁদছে, জলখাবারের থালা হাতে তার দিদি এসে বললে, “ও কী হচ্ছে জগদীশ, কাঁদছিস কেন।”
-
বিপিনকিশোর ধনীগৃহে জন্মিয়াছিলেন, সেইজন্যে ধন যে পরিমাণে ব্যয় করিতে জানিতেন তাহার অর্ধেক পরিমাণেও উপার্জন করিতে শেখেন নাই। সুতরাং যে গৃহে জন্ম সে গৃহে দীর্ঘকাল বাস করা ঘটিল না।
সুন্দর সুকুমারমূর্তি তরুণ যুবক, গানবাজনায় সিদ্ধহস্ত, কাজকর্মে নিরতিশয় অপটু; সংসারের পক্ষে সম্পূর্ণ অনাবশ্যক। জীবনযাত্রার পক্ষে জগন্নাথদেবের রথের মতো অচল; যেরূপ বিপুল আয়োজনে চলিতে পারেন সেরূপ আয়োজন সম্প্রতি বিপিনকিশোরের আয়ত্তাতীত।
সৌভাগ্যক্রমে রাজা চিত্তরঞ্জন কোর্ট্ অফ ওয়ার্ড্স্ হইতে বিষয় প্রাপ্ত হইয়া শখের থিয়েটার ফাঁদিবার চেষ্টা করিতেছেন এবং বিপিনকিশোরের সুন্দর চেহারা ও গান গাহিবার ও গান তৈয়ারি করিবার ক্ষমতায় মুগ্ধ হইয়া, তাহাকে সাদরে নিজের অনুচরশ্রেণীতে ভুক্ত করিয়া লইয়াছেন।
রাজা বি. এ. পাস। তাঁহার কোনোপ্রকার উচ্ছৃঙ্খলতা
-
আদ্যানাথ এবং বৈদ্যনাথ চক্রবর্তী দুই শরিক। উভয়ের মধ্যে বৈদ্যনাথের অবস্থাই কিছু খারাপ। বৈদ্যনাথের বাপ মহেশচন্দ্রের বিষয়বুদ্ধি আদৌ ছিল না, তিনি দাদা শিবনাথের উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করিয়া থাকিতেন। শিবনাথ ভাইকে প্রচুর স্নেহবাক্য দিয়া তৎপরিবর্তে তাঁহার বিষয়সম্পত্তি সমস্ত আত্মসাৎ করিয়া লন। কেবল খানকতক কোম্পানির কাগজ অবশিষ্ট থাকে। জীবনসমুদ্রে সেই কাগজ-কখানি বৈদ্যনাথের একমাত্র অবলম্বন।
শিবনাথ বহু অনুসন্ধানে তাঁহার পুত্র আদ্যানাথের সহিত এক ধনীর একমাত্র কন্যার বিবাহ দিয়া বিষয়বৃদ্ধির আর-একটি সুযোগ করিয়া রাখিয়াছিলেন। মহেশচন্দ্র একটি সপ্তকন্যাভারগ্রস্ত দরিদ্র ব্রাহ্মণের প্রতি দয়া করিয়া এক পয়সা পণ না লইয়া তাহার জ্যেষ্ঠা কন্যাটির সহিত পুত্রের বিবাহ দেন। সাতটি কন্যাকেই যে ঘরে লন নাই তাহার কারণ, তাঁহার একটিমাত্র পুত্র
-
এক যে ছিল রাজা।
তখন ইহার বেশি কিছু জানিবার আবশ্যক ছিল না। কোথাকার রাজা, রাজার নাম কী, এ-সকল প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিয়া গল্পের প্রবাহ রোধ করিতাম না। রাজার নাম শিলাদিত্য কি শালিবাহন, কাশী কাঞ্চি কনোজ কোশল অঙ্গ বঙ্গ কলিঙ্গের মধ্যে ঠিক কোন্খানটিতে তাঁহার রাজত্ব, এ-সকল ইতিহাস-ভূগোলের তর্ক আমাদের কাছে নিতান্তই তুচ্ছ ছিল— আসল যে-কথাটি শুনিলে অন্তর পুলকিত হইয়া উঠিত এবং সমস্ত হৃদয় একমুহূর্তের মধ্যে বিদ্যুদ্বেগে চুম্বকের মতো আকৃষ্ট হইত সেটি হইতেছে— এক যে ছিল রাজা।
এখনকার পাঠক যেন একেবারে কোমর বাঁধিয়া বসে। গোড়াতেই ধরিয়া লয় লেখক মিথ্যা কথা বলিতেছে। সেইজন্য অত্যন্ত সেয়ানার মতো মুখ করিয়া জিজ্ঞাসা করে, “লেখকমহাশয়, তুমি যে বলিতেছ
-
আমার মনের প্রান্তে তুমি হবে পল্লবপ্রচ্ছন্নশাখাশস্যের মঞ্জরী, আমার প্রাণের বৃত্তে করবীলাঞ্ছনআনত পুষ্পের ভার নিয়ে এসো তুমি। সোনাবালু ঢাকাএ প্রাণ ব্যর্থ হবে তা না হলে, তা না হলে অগণনপাপড়ি খুলে খুলে আকাশ ছড়িয়ে দিলেআশ্বিনের নীলকান্তচ্ছটা, তোমার আমার মাঝে সেতুবন্ধগানের রচনা হবে না; বিশ্বাস দেবে না কেউ জীবনে নিখিলে।তুমি দাও সৃষ্টির প্রেরণা, দাও মৃত্যু, অকরুণ অসহ্য দ্বন্দ্ব!
তুমি হবে শস্যের মঞ্জরী, আনত পুষ্পের ভারকরবীলাঞ্ছন। আমি তাই প্রতিদিন কৃষকের মতোএ প্রাণ করেছি ছিন্ন হালের আঘাতে। করেছি তো অঙ্গীকারচৈত্রের চণ্ডাল সূর্য, বন্যার হাহাকার। তুমি আছো রতআমার রক্তের স্রোতে শিকড়ের জিহবা মেলে দিয়ে রাত্রিদিনঅশ্রান্ত শোষণে, আমার মৃত্যুতে উদ্ভিন্ন মঞ্জরী তোমার হবে মৃত্যুহীন।
মৃগাঙ্ক রায়
পরিচয়
-
আর কিছুই নয়, মাসিক পত্রে একটা ভারি মজার প্রবন্ধ লিখিয়াছিলাম। পড়িয়া অন্তরঙ্গ বন্ধুরা তো হাসিয়াছিলই, আবার শত্রুপক্ষও খুব হাসিতেছে।
অষ্টপাইকা, সাপ্টিবারি ও টাঙ্গাইল হইতে তিন জন পাঠক জিজ্ঞাসা করিয়া পাঠাইয়াছেন প্রবন্ধটির অর্থ কী। তাঁহাদের মধ্যে একজন ভদ্রতা করিয়া অনুমান করিয়াছেন ইহাতে ছাপাখানার গলদ আছে; আর-এক জন অনাবশ্যক সহৃদয়তাবশত লেখকের মানসিক অবস্থা সম্বন্ধে উৎকন্ঠা প্রকাশ করিয়াছেন; তৃতীয় ব্যক্তি অনুমান এবং আশঙ্কার অতীত অবস্থায় উত্তীর্ণ, বস্তুত আমিই তাঁহার জন্য উৎকন্ঠিত।
শ্রীযুক্ত পাঁচকড়ি পাল হবিগঞ্জ হইতে লিখিতেছেন—
‘গোবিন্দবাবুর এ প্রবন্ধের উদ্দেশ্য কী? ইহাতে কি ফরাসডাঙার তাঁতিদের দুঃখ ঘুচিবে? দেশে যে এত লোককে খেপা কুকুর কামড়াইতেছে এ প্রবন্ধে কি তাহার কোনো প্রতিকার কল্পিত হইয়াছে?’
-
১
প্রাচীন ভারতে গ্যাল্ভ্যানিক ব্যাটারি ছিল কি না ও অক্সিজেন বাষ্পের কী নাম ছিল
বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর সন্দেহ নাই, কিন্তু তাই বলিয়া যে একেবারেই এ সম্বন্ধে কোনো প্রমাণ সংগ্রহ করা যাইতে পারে না ইহা আমরা স্বীকার করি না। প্রাচীন ভারতে ইতিহাস ছিল না, এ কথা অশ্রদ্ধেয়। প্রকৃত কথা, আধুনিক ভারতে অনুসন্ধান ও গবেষণার নিতান্ত অভাব। বর্তমান প্রবন্ধ পাঠ করিলেই পাঠকেরা দেখিবেন, আমাদের অনুসন্ধানের ত্রুটি হয় নাই এবং তাহাতে যথেষ্ট ফললাভও হইয়াছে।
প্রাচীন ভারতে গ্যাল্ভ্যানিক ব্যাটারি ছিল কি না ও অক্সিজেন বাষ্পের কী নাম ছিল, তাহার মীমাংসা করিবার পূর্বে কীট্টকভট্ট ও পুণ্ড্রবর্ধন মিশ্রের জীবিতকাল নির্ধারণ করা বিশেষ আবশ্যক।
প্রথমত, কীট্টকভট্ট কোন্
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- উদ্ভিদ
- উদ্ভিদবিদ্যা
- বিজ্ঞান
- শিশুতোষ
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- অস্ত্র
- আন্দোলন
- প্রযুক্তি
- রূপকথা
- গদ্য
- চট্টগ্রাম
- মুক্তিযুদ্ধ
- মধ্যপ্রাচ্য
- যুদ্ধ
- রোজনামচা
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- বাংলা
- ছোটগল্প
- ভাষা
- ওষুধ
- ক্রিকেট
- নির্বাচন
- বিজ্ঞানী
- স্মৃতিকথা
- কবিতা
- পুঁজিবাদ
- ফ্যাসিবাদ
- বই
- ভূমিকা
- জীবনী
- মার্কসবাদ
- নারী
- আলোচনা
- লেখক
- কিশোর
- চীন
- জাতীয়তাবাদ
- ইউরোপ
- অনুবাদ
- ব্যাঙ্গাত্মক
- উদ্ভাবন
- যুক্তরাষ্ট্র
- সমাজ
- পাকিস্তান
- অভ্যুত্থান
- চিরায়ত
- রসায়ন
- দুর্ভিক্ষ
- গণিতশাস্ত্র
- ভৌতিক
- আধ্যাত্মিকতা
- নৃত্য
- গোয়েন্দা
- ভারত
- ঢাকা
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- হিন্দু
- পৌরাণিক
- সাংবাদিকতা
উৎস
লেখক
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৩)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৯)
- অশোক মিত্র (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আহমদ রফিক (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (২)
- কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত (১)
- গোপাল হালদার (৪)
- চিন্মোহন সেহানবীশ (১)
- জঁ-পল সার্ত্র (১)
- জগদীশ চন্দ্র বসু (৩)
- জর্জ বার্নার্ড শ (১)
- জহির রায়হান (২)
- জীবনানন্দ দাস (৯)
- দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার (১)
- দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নজরুল ইসলাম (১)
- পশুপতি ভট্টাচার্য (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৩২)
- প্রমা ইসরাত (১)
- ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- মঙ্গলাচরণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মুনীর চৌধুরী (৪)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৪৫)
- রাজশেখর বসু (১০)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (৫)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শান্তিময় রায় (১)
- সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (২)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১২)
- সুশীল জানা (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (১)
- হাসান তারেক (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.