-
রবিবার দুপুরে রিলিফ কিচেনের কাজ সেরে ক্লান্ত হয়ে জয়দ্রথ বাড়ি ফিরে 'বাংলার কিশোর আন্দোলন' বইটা হাতে নিয়ে শুয়ে পড়ল, পড়তে পড়তে ক্রমশ বইয়ের অক্ষরগুলো ঝাপসা হয়ে এল, আর সে ঘুমের সমুদ্রে ডুবে গেল ।
চারিদিকে বিপুল-ভীষণ অন্ধকার। সে-অন্ধকারে তার নিঃশ্বাস যেন বন্ধ হয় আসতে লাগল, কিন্তু তা বেশিক্ষণ নয়, একটু পরেই জ্বলে উঠল সহস্ৰ সহস্ৰ শিখায় এক বিরাট চিতা; আর শোনা গেল লক্ষ লক্ষ কণ্ঠের আর্তনাদ-ভয়ে জয়দ্রথের হাত-পা হিম হয়ে যাবার উপক্রম হতেই সে পিছনের দিকে প্রাণপণে ছুটতে লাগল— অসহ্য সে আর্তনাদ; আর সেই চিতার আগুনে তার নিজের হাত পা-ও আর একটু হলে ঝলসে যাচ্ছিল।
আবার অন্ধকার। চারিদিকে মৃত্যুর মতো
-
দোতলার ঘরে পড়ার সময় শতদ্রু আজকাল অন্যমনস্ক হয়ে পড়ে। জানলা দিয়ে সে দেখতে পায় তাদের বাড়ির সামনের বস্তিটার জন্যে যে নতুন কন্ট্রোলের দোকান হয়েছে, সেখানে নিদারুণ ভিড়, আর চালের জন্যে মারামারি কাটাকাটি। মাঝে মাঝে রক্তপাত আর মূর্ছিত হওয়ার খবরও পাওয়া যায়। সেইদিকে চেয়ে থাকতে থাকতে সে স্কুলের পড়া ভুলে যায়, অন্যায় অত্যাচার দেখে তার রক্ত গরম হয়ে ওঠে, তবু সে নিরুপায়, বাড়ির কঠোর শাসন আর সতর্ক দৃষ্টিকে ফাঁকি দিয়ে কিছু করা অসম্ভব। যারা চাল না পেয়ে ফিরে যায় তাদের হতাশায় অন্ধকার মুখ তাকে যেন চাবুক মারে, এদের দুঃখ মোচনের জন্য কিছু করতে শতদ্রু উৎসুক হয়ে ওঠে, চঞ্চল হয়ে ওঠে মনেপ্রাণে।
-
দুপুরের নিস্তব্ধতা ভঙ্গ হল; আর ভঙ্গ হল কালো মিত্তিরের বহু সাধনালব্ধ ঘুম। বাইরে মোক্ষদা মাসির ক্ষুরধার কন্ঠস্বর এক মুহূর্তে সমস্ত বস্তিকে উচ্চকিত করে তুলল, কাউকে করল বিরক্ত আর কাউকে করল উৎকর্ণ; তবু সবাই বুঝল একটা কিছু ঘটেছে। মাসির গর্জন শুনে নীলু ঘোষের পাঁচ বছরের ছেলে ভিনু কান্না জুড়ে দিল, আর তার মা যশোদা তাকে চুপ করাবার জন্যে ভীষণভাবে ব্যস্ত হয়ে উঠল এবং সন্তর্পণে কান পেতে রইল মাসির স্বর-সন্ধানের প্রতি। সকলের মধ্যেই একাগ্র হয়ে রইল আগ্রহ ও উত্তেজনা, কিন্তু কেউ ব্যস্ত নয়। কোনো প্রশ্ন কেউ করল না। করতে হয়ও না। কারণ সবাই জানে মাসি একাই একশো— এবং এই একশো জনের প্রচারবিভাগ
-
ষাট বৎসর আগেকার কথা, কুইন ভিক্টোরিয়ার আমল। তখন কলকাতায় বিজলী বাতি মোটর গাড়ি রেডিও লাউড স্পীকার ছিল না, আকাশে এয়ারোপ্লেন উড়ত না, রবীন্দ্রনাথ প্রখ্যাত হন নি, লোকে হেমচন্দ্রকে শ্রেষ্ঠ কবি বলত। কিন্তু রাখাল মাষ্টার মনে করত সে আরও উঁচু দরের কবি, হতাশের আক্ষেপের চাইতেও ভাল কবিতা লিখতে পারে। সে তার অনুগত ছাত্র নারানকে বলত, আজ কি একখানা লিখেছি শুনবি?—ক্ষিপ্ত বায়ু ধূলি মাখে গায়। আর একটা শুনবি?—শুষ্ক বৃদ্ধে ঝটিকার প্রভাব কোথায়। আর কেউ পারে এমন লিখতে?
রাখাল মুস্তাফী শুধু এনট্রান্স পাস, কিন্তু বিদ্বান লোক, বিস্তর বাংলা ইংরেজী বই পড়েছিল। সেকালে বেশী পাস না করলেও মাস্টারি করা চলত। কবিতা রচনা ছাড়া গান
-
যে শিশু ভূমিষ্ঠ হ’লাে আজ রাত্রেতার মুখে খবর পেলুম:সে পেয়েছে ছাড়পত্র এক,নতুন বিশ্বের দ্বারে তাই ব্যক্ত করে অধিকারজন্মমাত্র সুতীব্র চীৎকারে।খর্বদেহ নিঃসহায়, তবু তার মুষ্টিবদ্ধ হাতউত্তোলিত, উদ্ভাসিতকী এক দুর্বোধ্য প্রতিজ্ঞায়।সে ভাষা বােঝে না কেউকেউ হাসে, কেউ করে মৃদু তিরস্কার।আমি কিন্তু মনে মনে বুঝেছি সে ভাষাপেয়েছি নতুন চিঠি আসন্ন যুগেরপরিচয়-পত্র পড়ি ভূমিষ্ঠ শিশুরঅস্পষ্ট কুয়াশাভরা চোখে।এসেছে নতুন শিশু, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান:জীর্ণ পৃথিবীতে ব্যর্থ, মৃত আর ধ্বংসস্তুপ-পিঠেচ’লে যেতে হবে আমাদের।চ’লে যাবে—তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণপ্রাণপণে পৃথিবীর সরাবাে জঞ্জাল,এ বিশ্বকে এ-শিশুর বাসযােগ্য করে যাবাে আমিনবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।অবশেষে সব কাজ সেরেআমার দেহের রক্তে নতুন শিশুকেক’রে যাবাে আশীর্বাদ,তারপর হব ইতিহাস॥
ছাড়পত্র
-
জড় নই, মৃত নই, নই অন্ধকারের খনিজআমি তাে জীবন্ত প্রাণ, আমি এক অঙ্কুরিত বীজমাটিতে লালিত, ভীরু শুধু আজ আকাশের ডাকেমেলেছি সন্দিগ্ধ চোখ, স্বপ্ন ঘিরে রয়েছে আমাকে।যদিও নগণ্য আমি তুচ্ছ বটবৃক্ষের সমাজেতবু ক্ষুদ্র এ শরীরে গােপনে মর্মরধ্বনি বাজে।বিদীর্ণ করেছি মাটি, দেখেছি আলাের আনাগােনাশিকড়ে আমার তাই অরণ্যের বিশাল চেতনাআজ শুধু অঙ্কুরিত; জানি কাল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাতাউদ্দাম হাওয়ার তালে তাল রেখে নেড়ে যাবে মাথা।তারপর দৃপ্ত শাখা মেলে দেবাে সবার সম্মুখেফোটাবাে বিস্মিত ফুল প্রতিবেশী গাছেদের মুখে।সংহত কঠিন ঝড়ে, দৃঢ় প্রাণ প্রত্যেক শিকড়শাখায় শাখায় বাধা, প্রত্যাহত হবে জানি ঝড়,অঙ্কুরিত বন্ধু যতাে মাথা তুলে আমারই আহ্বানেজানি তারা মুখরিত হবে নব অরণ্যের গানে।আগামী বসন্তে জেনাে মিশে যাবাে
-
এখনাে আমার মনে তােমার উজ্জ্বল উপস্থিতি,প্রত্যেক নিভৃত ক্ষণে মত্ততা ছড়ায় যথারীতি,এখনাে তােমার গানে সহসা উদ্বেল হ’য়ে উঠি—নির্ভয়ে উপেক্ষা করি জঠরের নিঃশব্দ কুটি।এখনাে প্রাণের স্তরে স্তরে,তােমার দানের মাটি সােনার ফসল তুলে ধরেএখনাে স্বগত ভাবাবেগেমনের গভীর অন্ধকারে তােমার সৃষ্টিরা থাকে জেগে।তবুও ক্ষুধিত দিন ক্রমশ সাম্রাজ্য গড়ে তােলে,গােপনে লাঞ্ছিত হই হানাদারী মৃত্যুর কবলে;যদিও রক্তাক্ত দিন, তবু দৃপ্ত তােমার সৃষ্টিকেএখনাে প্রতিষ্ঠা করি আমার মনের দিকে দিকে।তবুও নিশ্চিত উপবাসআমার মনের প্রান্তে নিয়ত ছড়ায় দীর্ঘশ্বাস—আমি এক দুর্ভিক্ষের কবি,প্রত্যহ দুঃস্বপ্ন দেখি, মৃত্যুর সুস্পষ্ট প্রতিচ্ছবি।আমার বসন্ত কাটে খাদ্যের সারিতে প্রতীক্ষায়,আমার বিনিদ্র রাত্রে সতর্ক সাইরেন ডেকে যায়,আমার রােমাঞ্চ লাগে অযথা নিষ্ঠুর রক্তপাতেআমার বিস্ময় জাগে নিষ্ঠুর শৃঙ্খল দুই হাতে।তাই আজ
-
ভাঙা কুঁড়ে ঘরে থাকি:পাশে এক বিরাট প্রাসাদপ্রতিদিন চোখে পড়ে;সে প্রাসাদ কী দুঃসহ স্পধায় প্রত্যহআকাশকে বন্ধুত্ব জানায়;আমি তাই চেয়ে চেয়ে দেখি।চেয়ে চেয়ে দেখি আর মনে মনে ভাবি—এ অট্টালিকার প্রতি ইটের হৃদয়েঅনেক কাহিনী আছে। অত্যন্ত গোপনেঘামের, রক্তের আর চোখের জলের।তবু এই প্রাসাদকে প্রতিদিন হাজারে হাজারেসেলাম জানায় লােকে, চেয়ে থাকে বিমূঢ় বিস্ময়ে।আমি তাই এ প্রাসাদে এতােকাল ঐশ্বর্য দেখেছি,দেখেছি উদ্ধত এক বনিয়াদী কীর্তির মহিমা।হঠাৎ সেদিনচকিত বিস্ময়ে দেখিঅত্যন্ত প্রাচীন সেই প্রাসাদের কার্ণিশের ধারেতাশ্বত্থ গাছের চারা!অমনি পৃথিবীআমার চোখের আর মনের পর্দায়আসন্ন দিনের ছবি মেলে দিলো একটি পলকে।ছােট ছােট চারাগাছ—রসহীন খাদ্যহীন কার্ণিশের ধারেবলিষ্ঠ শিশুর মতাে বেড়ে ওঠে দুরন্ত উচ্ছ্বাসে।
হঠাৎ চকিতে,এ শিশুর মধ্যে আমি দেখি এক বৃদ্ধ
-
খবর আসে।দিকদিগন্ত থেকে বিদ্যুৎবাহিনী খবর;যুদ্ধ, বিদ্রোহ, বন্যা, দুর্ভিক্ষ, ঝড়——এখানে সাংবাদিকতার নৈশ নৈঃশব্দ্য।রাত গভীর হয় যন্ত্রের ঝংকৃত ছন্দে—প্রকাশের ব্যগ্রতায়;তােমাদের জীবনে যখন নিদ্রাভিভূত মধ্যরাত্রিচোখে স্বপ্ন আর ঘরে অন্ধকার।অতল অদৃশ্য কথার সমুদ্র থেকে নিঃশব্দে শব্দেরা উঠে আসেঅভ্যস্ত হাতে খবর সাজাইভাষা থেকে ভাষান্তর করতে কখনাে চমকে উঠি,দেখি যুগ থেকে যুগান্তর।কখনাে হাত কেঁপে ওঠে খবর দিতে;বাইশে শ্রাবণ, বাইশে জুনে।তােমাদের ঘুমের অন্ধকার পথ বেয়েখবর-পরীরা এখানে আসে তােমাদের আগে,তাদের পেয়ে কখনাে কণ্ঠে নামে ব্যথা, কখনাে বা আসে গানসকালে দিনের আলোয় যখন তােমাদের কাছে তারা পৌছয়তখন আমাদের চোখে তাদের ডানা ঝরে গেছে।তােমরা খবর পাও,শুধু খবর রাখাে না কারাে বিনিদ্র চোখ আর উৎকর্ণ কানের।ঐ কম্পােজিটর কি চমকে ওঠে নিখুঁত
-
ক্যালকাটা ফিজিসার্জিক ক্লাবের সাপ্তাহিক সান্ধ্য বৈঠক বসেছে। আজ বক্তৃতা দিলেন ডাক্তার হরিশ চাকলাদার, এম ডি, এল আর সি পি এম আর সি এস। মৃত্যুর লক্ষণ সম্বন্ধে তিনি অনেকক্ষণ ধরে অনেক কথা বললেন। চার-পাঁচ ঘণ্টা শ্বাসরোধের পরেও আবার নিঃশ্বাস পড়ে, ফাঁসির পরেও কিছুক্ষণ হৃৎস্পন্দন চলতে থাকে, দুই হাত দুই পা কাটা গেলেও এবং দেহেব অর্ধেক রক্ত বেরিয়ে গেলেও মানুষ বাঁচতে পারে, ইত্যাদি। অতএব রাইগার মর্টিস না হওয়া পর্যন্ত, অর্থাৎ দ্বিজেন্দ্রলালের ভাষায় কুঁকড়ে আড়ষ্ট হয়ে না গেলে একেবারে নিঃসন্দেহ হওয়া যায় না।
বক্তৃতা শেষ হলে যথারীতি ধন্যবাদ দেওয়া হল, কেউ কেউ নানা রকম মন্তব্যও করলেন। বক্তার সহপাঠী ক্যাপ্টেন বেণী দত্ত বললেন, ওহে
-
বিষ্ণুপুরাণে রাজা রৈবত-ককুদ্মী ও তাঁর কন্যা বেবতীর একটি বিচিত্র আখ্যান আছে। সেই ছোট আখ্যানটি বিস্তারিত করে লিখছি। এই পবিত্র পুরাণকথা যে কন্যা শ্রদ্ধাসহকারে একাগ্রচিত্তে পাঠ করে তার অচিরে সর্বগুণান্বিত বাঞ্ছিত পতি লাভ হয়।
পুরাকালে কুশস্থলী নগরীতে বৈবত-ককুদ্মী নামে এক ধর্মাত্মা রাজা ছিলেন। তিনি রেবত রাজার পুত্র সেজন্য তাঁর এক নাম রৈবত, এবং ককুদ্যুক্ত বৃষ অর্থাৎ ঝুঁটিওয়ালা ষাঁড়ের তুল্য তেজস্বী সেজন্য অপর নাম ককুদ্মী। সেকালে মহত্ত্ব ও বীরত্বের নিদর্শন ছিল সিংহ ব্যাঘ্র ও বৃষ, সেজন্য কীর্তিমান লোকের উপাধি দেওয়া হত—পুরুষসিংহ, নরশার্দূল, ভরতর্ষভ, মুনিপুংগব, ইত্যাদি।
রৈবত রাজার রেবতী নামে একটি কন্যা ছিলেন, তিনি রূপে গণে অতুলনা। রেবতী বড় হলে তাঁর বিবাহের জন্য
-
বদনচন্দ্র চৌধুরী একজন নবাগত নারকী, সম্প্রতি রৌরবে ভরতি হয়েছেন। যমরাজ আজ নরক পরিদর্শন করে বেড়াচ্ছেন। তাঁকে দেখে বদন হাত জোড় করে উবুড় হয়ে শুয়ে পড়লেন।
যম বললেন, কি চাই তোমার?
—আজ্ঞে, দু ঘণ্টার জন্যে ছুটি।
—কবে এসেছ এখানে?
—আজ এক মাস হল।
—এর মধ্যেই ছুটি কেন? ছুটি নিয়ে কি করবে?
—আজ্ঞে, একবার মর্ত্যলোকে যেতে চাই। আজ বিকেলে পাঁচটার সময় ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউটে আমার জন্যে শোকসভা হবে, বড্ড ইচ্ছে করছে একবার দেখে আসি।
যমালয়ের নিবন্ধক অর্থাৎ রেজিস্ট্রার চিত্রগুপ্ত কাছেই ছিলেন। যম তাঁকে প্রশ্ন করলেন, এই প্রেতটার প্রাক্তন কর্ম কি?
চিত্রগুপ্ত বললেন, এর পূর্বনাম বদনচন্দ্র চৌধুরী, পেশা ছিল ওকালতি তেজারতি আর নানা রকম
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- অস্ত্র
- আন্দোলন
- প্রযুক্তি
- বিজ্ঞান
- ছোটগল্প
- উদ্ভিদ
- উদ্ভিদবিদ্যা
- শিশুতোষ
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- গোয়েন্দা
- ভারত
- নির্বাচন
- অনুবাদ
- কবিতা
- চিরায়ত
- আলোচনা
- বই
- পাকিস্তান
- ভাষা
- জীবনী
- মার্কসবাদ
- লেখক
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- ভৌতিক
- পৌরাণিক
- সাংবাদিকতা
- মধ্যপ্রাচ্য
- যুদ্ধ
- পুঁজিবাদ
- ফ্যাসিবাদ
- ভূমিকা
- মুক্তিযুদ্ধ
- নৃত্য
- ওষুধ
- যুক্তরাষ্ট্র
- রোজনামচা
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- চীন
- জাতীয়তাবাদ
- ক্রিকেট
- নারী
- সমাজ
- গদ্য
- অভ্যুত্থান
- ইউরোপ
- রসায়ন
- বাংলা
- ব্যাঙ্গাত্মক
- দুর্ভিক্ষ
- স্মৃতিকথা
- ঢাকা
- বিজ্ঞানী
- উদ্ভাবন
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- হিন্দু
- গণিতশাস্ত্র
- আধ্যাত্মিকতা
- চট্টগ্রাম
উৎস
লেখক
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৩)
- অশোক মিত্র (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আহমদ রফিক (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (২)
- কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত (১)
- গোপাল হালদার (৪)
- চিন্মোহন সেহানবীশ (১)
- জঁ-পল সার্ত্র (১)
- জগদীশ চন্দ্র বসু (৩)
- জর্জ বার্নার্ড শ (১)
- জহির রায়হান (২)
- দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নজরুল ইসলাম (১)
- পশুপতি ভট্টাচার্য (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৩১)
- প্রমা ইসরাত (১)
- ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- মঙ্গলাচরণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মুনীর চৌধুরী (৪)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৪৫)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (৫)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শান্তিময় রায় (১)
- সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (২)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১২)
- সুশীল জানা (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (১)
- হাসান তারেক (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.