-
মুক্তি-আন্দোলনের ঊর্মিমুখর প্রবাহে সারা যশোর জেলা চঞ্চল আর উচ্ছল হয়ে উঠেছে। ছাত্র, যুবক, কৃষক, সাধারণ মেহনতী মানুষ সবাই এগিয়ে এসেছে। ই. পি. আর., পুলিশ, আনসার তারাও পিছিয়ে থাকে নি।
২৩-এ মার্চ তারিখে ই. পি. আর. বাহিনীর জওয়ানরা তাদের ক্যাম্পে স্বাধীন বাংলার পতাকা তুলল, আর সেই পতাকার সামনে শ্রেণীবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে ‘গার্ড অব অনার’ দিলো। অবাঙালিরা প্রতিবাদ তুলেছিল, কিন্তু তাদের এ আপত্তি টিকল না। ২৫শে মার্চ তারিখে ঢাকা শহরে ইয়াহিয়ার জঙ্গী-বাহিনীর বর্বর আক্রমণের খবর যখন এসে পৌঁছল, যশোরের মানুষ তাতে ভয় পাওয়া দূরে থাক, বিক্ষোভে ফেটে পড়ল, ক্রোধে গর্জন করে উঠল-এর উপযুক্ত প্রতিশোধ চাই। যশোর ক্যান্টনমেন্টে কামান, মর্টার আর মেসিনগানে সজ্জিত হাজার
-
আমরা তাদেরকে খুঁজে খুঁজে খতম করছি।—মেজর বশির, কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ। রাত আটটা ধানমন্ডিস্থ ৩২নং সড়কের প্রবেশমুখে একটি গলিতে একটি পরিচিত রিকশা দ্রুতগতিতে এসে থামলো। যে ভবনের বাইরে এসে থেমেছে সে ভবনটি হলো শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবন। রিকশা চালক কাশছিল এবং হাঁপাচ্ছিল। সে বললো, 'বঙ্গবন্ধুর জন্য একটি জরুরি চিরকুট নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট থেকে রিকশা চালিয়ে এসেছি। বাংলায় লেখা স্বাক্ষরবিহীন চিরকুট বার্তাটি ছিল সংক্ষিপ্ত: "আপনার বাসভবন আজ রাতে আক্রান্ত হতে যাচ্ছে।”
সে সময়ে সেখানে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের একজন আমাকে বলেছিলেন যে, পশ্চিম পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আসন্ন হামলার খবর ঐ চিরকুটে তাঁরা প্রথমবারের মতো পেয়েছিলেন। সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের
-
পূর্ব বাংলায় বর্তমানে একটি অসাম্প্রদায়িক পরিবেশ রচিত হয়েছে বলে আমবা অনেক সময়েই দাবি করি এবং গর্বিত হই। কোনো একজন মানুষ অথবা একটি প্রতিষ্ঠানের নয় বরং বহুজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই পূর্ব বাংলার সংস্কৃতির এ রূপান্তর ঘটতে পেরেছে। সরকারি প্রতিকূলতা কী করে একটি মহৎ কাজে অন্যথায় নিষ্ক্রিয় মানুষকে সকর্মক করে তুলতে পারে, তার চমৎকার দৃষ্টান্ত দেখতে পাই রবীন্দ্রশতবার্ষিকী উৎসবকে কেন্দ্র করে। বাঙালি সংস্কৃতিতে পরিপূর্ণরূপে বিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা তখনো যথেষ্ট ছিলেন না পূর্ব বাংলায়। তবু অনেকেই ছিলেন। এরা শতবার্ষিকীর কিছুকাল আগে ঠিক করেন যে, সাড়ম্বরে তাঁরা শতবর্ষ পূর্তি উৎসব পালন করবেন রাজধানী ঢাকাতে। জাস্টিস মুরশেদ, প্রেস ক্লাব ও বেগম সুফিয়া কামালের নামে এরা তিনটি
-
[শেষের দিকে কৃষণ চন্দরের একটি সাক্ষাৎকার নেন মুম্বাইয়ের উর্দু পত্রিকা ‘সাব-রং’। কৃষণ চন্দরের মৃত্যু হয় ১৯৭৭ সালের ৭ মার্চ। পত্রিকাটি জানায় এটিই কৃষণ চন্দরের দেওয়া শেষ সাক্ষাৎকার। সাক্ষাৎকারটি ঈষৎ সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ করা হলো। মূল উর্দু থেকে অনুবাদ করেছেন বিখ্যাত অনুবাদক জাফর আলম]
প্রশ্ন: আপনার প্রথম গল্পের নাম কি এবং তা কিভাবে সৃষ্টি হয়?
উত্তর: আমার প্রথম গল্পের নাম “ঝিলামের বুকে নৌকা বিহার”। গল্পের উৎস ঝিলাম নদীতে নৌকা বিহারের পটভূমি। তখন ঝিলাম নদী পারাপারের জন্য গায়ালিয়া থেকে নৌকা ছাড়তো। নৌকায় চড়ে ঝিলাম নদী পাড়ি দেয়ার সময় এই গল্পের প্লট আমার মনে দেখা দেয়।
প্রশ্ন: সমালোচকদের মতে, আপনি শুধু কমার্শিয়াল গল্প
-
মোগলের বলবান অশ্ব কিংবা তীক্ষ্ণধার তরবারির রাজনীতি না এলেও এদেশে এসে যেত হাফেজ-ওমর খৈয়াম-আরব্য রজনী-গজল গান-মোল্লা নাসিরুদ্দিন। কেননা কলমের ডগা দ্রুততম অশ্বের চেয়েও চিরকাল দ্রুতগামী, কেননা তীক্ষ্ণ তরবারির চেয়ে গল্প অনেক অনায়াসে দেশ জয়ে সক্ষম। কাজেই সেই সব গল্প কাহিনী বাতাসের বেগে উড়ে এল এবং জুড়ে বসল আমাদের সাহিত্যিক সাধ আহ্লাদের অন্নব্যঞ্জনে। মরু প্রান্তরের বেদুইন জীবনের গভির এই ঠিকানা পেয়ে উল্লসিত হল আমাদের লেখক ও পাঠক। খেত খামার ফল ফসল গৃহসুখ নিয়ে তৃপ্ত সীমাবদ্ধ আমাদের লোকজীবন কখনো বা নিজেকে ছড়িয়ে দেবার জন্য রূপকথা লোককথা বনিযেছে। শব্দকে তালে লয়ে বেঁধে কখনো বা বানিযেছে ছড়া। সমাজের একতলাব সাহিত্য এরকমই ছিল।
সাহিত্যের দোতলায়
-
মধুসুদন:আমি কৃষণজীর সঙ্গে পরিচিত হই ১৯৪০ সালে। সেই সময় আমি ২৮ বছরের যুবক এবং একমাত্র কৃষণজীর সঙ্গে মিলবার জন্য আমি দিল্লী থেকে লাহোর আসি। কৃষণজী তখন লাহোর অল ইন্ডিয়া রেডিওতে চাকরি করেন। আমাকে দেখে উনি অবাক হন। আমি তো সামান্য যুবক। আমার নিজের লেখা কিছু গল্প দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলাম। তিনি পড়ে আমাকে বলেন, মধুসুদন তুমি লেখাতে নিজের স্টাইল তৈরী করো। একটা ব্যাপার পরিষ্কার ছিলো, তখন আমি কৃষণজীর লেখার দ্বারা প্রবলভাবে প্রভাবিত এবং তাই আমার নিজের লেখার মধ্যে প্রায় পুরোটাই তাঁর স্টাইলের ছাপ পড়েছিলো। এর পর তিনি একই কাজ নিয়ে দিল্লী রেডিওতে চলে আসেন। কৃষণজী দিল্লী এলে সপ্তাহে প্রায় পাঁচ
-
টাঙ্গাইল শহর তখনও মুক্ত অঞ্চল। পশ্চিম পাকিস্তানের সৈন্যদের বর্বর আক্রমণের বিরুদ্ধে পূর্ববঙ্গের জেলায় জেলায়, শহরে ও গ্রামাঞ্চলে প্রতিরোধের সংগ্রাম শুরু হয়ে গিয়েছে। ভারতীয় বেতার মারফৎ রক্তপিপাসু পাক-সৈন্যদের হিংস্র আক্রমণ আর বাংলাদেশের সংগ্রামী মানুষদের গৌরবময় প্রতিরোধের কাহিনী প্রচারিত হয়ে চলেছে।
হামলাকারীর দল তখনও টাঙ্গাইল জেলায় এসে পৌঁছাতে পারে নি। টাঙ্গাইল শহরে মুক্তির উৎসব চলেছে। রাজপথের দু’ধারে প্রতিটি ভবনে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা সগৌরবে উড়ছে। ‘জয় বাংলা’ সঙ্গীতে সারা শহর মুখরিত। কিন্তু সমস্ত আনন্দ-উৎসবের পেছনে আসন্ন বিপদের কালো ছায়া। শহরের মানুষ হাসতে গিয়েও দুঃসংবাদ বহন করে নিয়ে আসছে, মুক্ত শহরগুলি একের পর এক পাক-সৈন্যদের অধিকারে চলে যাচ্ছে। তারপর সেই হিংস্র জল্লাদের দল সেই
-
২৫-এ মার্চ থেকে শুরু হলো ওদের আক্রমণ। ওদের নিশাচর বাহিনী গভীর রাত্রিতে অতর্কিতে ঢাকা শহরে হিংস্র বাঘের মত ঝাঁপিয়ে পড়ল, সারা শহর রক্তের প্লাবনে প্লাবিত করে দিল। সেই আক্রমণের ঢল দ্রুতবেগে নেমে এলো, দেখতে দেখতে সারা প্রদেশময় ছড়িয়ে পড়ল। এই ধরনের পৈশাচিক আক্রমণের জন্য প্রস্তুত ছিল না কেউ। ওদের অস্ত্রের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিয়ে দাঁড়াবার মতো প্রস্তুতিও গড়ে ওঠে নি। ওরা ধ্বংসের আগুনে শহরের পর শহর আর গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করতে করতে এগিয়ে চলল। ওদের কামান, মেসিনগান আর আধুনিক যুগের উন্নত ধরনের মারণাস্ত্রের বিরুদ্ধে যা দিয়ে লড়াই করবে, এমন কি হাতিয়ার আছে জনসাধারণের হাতে?
তাহলেও বিদ্রোহী বাঙালি এই
-
চন্দ্রগঞ্জের যুদ্ধের পর সুবেদার লুৎফর রহমান নোয়াখালীর বিভিন্ন অঞ্চলে শিকারের সন্ধানে ছুটে চলেছিলেন। তাঁর এক মুহূর্তও বিশ্রামের অবকাশ নেই। তিনি পাক-সৈন্যদের গতিবিধি সম্পর্কে দক্ষ শিকারীর মতো তীক্ষè সন্ধানী দৃষ্টি নিয়ে ফিরছিলেন। মুক্তিবাহিনীর গুপ্তচরেরা নিত্য নতুন সংবাদ নিয়ে আসছে। আর সেই সূত্র অনুসরণ করে তাদের মুক্তিবাহিনী যেখানেই সুযোগ পাচ্ছে, সেখানেই শত্রুদের উপর ঘা দিয়ে চলেছে।
আঘাতের পর আঘাত হানো-কখনও ডাইনে কখনও বাঁয়ে, কখনও সামনে থেকে, কখনও বা পেছন থেকে। ওদের অস্থির আর পাগল করে তোলো। ওদের কোনো সময় স্বস্তিতে বা শান্তিতে থাকতে দিও না, ওদের প্রতিটি মুহূর্ত দুর্ভাবনায় কাটুক। ওরা যেন ঘুমের মধ্যেও দুঃস্বপ্ন দেখে আঁতকে উঠে। মুক্তিবাহিনী এই নীতি অনুসরণ
-
যারা যাত্রাপথের খবর নিতে গিয়েছিল রণজিৎ তাদের মধ্যে একজন। বারহাট্টা থেকে দশধার, বাউসি হয়ে আরো দশ মাইল পর্যন্ত ঘুরে এসেছে ওরা—ওরা মানে মাণিক, দীপক, রামেন্দু, সদর আলী, কাদির এবং রণজিৎ। কাল সকালে সবাই যে-পথে রওনা দেবে আগে থেকেই সে পথের হাল অবস্থা সরেজমিনে দেখে আসার জন্যে ওরা গিয়েছিল সেই সন্ধ্যের দিকে—লোকজনের কাছে জিজ্ঞেস করে, স্থানীয় লোকদের সাহায্য-সহানুভূতির কথা বলে ফিরতে ফিরতে তখন প্রায় শেষ রাত। বারহাট্টায় ফিরে এসে দেখল আশপাশের গ্রাম থেকে আরো অনেকেই এসে জড় হয়েছে রাতের অন্ধকারে। সাহাদের পাটের গুদাম, দোকানঘর, বাসার বারান্দাগুলো—সব জায়গায় কেবল লোক গিজগিজ করছে। ওরা ফিরতেই চারদিক থেকে ঘিরে ধরল সবে। ‘কি খবর নিয়ে
-
আমি কখনো সমুদ্রে যাইনি। সমুদ্রের সেই উত্তাল তরঙ্গের বিপুল করতালির উপর ভাসতে ভাসতে কখনো সীমাহীন নীল দেখতে দেখতে নিজেকে বিস্মৃত হই নি। কখনো কখনো সাগরের কাছাকাছি গিয়ে দাঁড়াতে ভালো লাগতো। হু-হু শব্দে ভেসে আসা বাতাসের বুকের গভীরে দাঁড়িয়ে এক-এক সময় বিহ্বল হতাম বটে কিন্তু সমুদ্রে নামতে আমার ভীষণ ভয়। আমি মাটির পৃথিবীর মানুষ—মাটির উপর যতক্ষণ থাকি ততক্ষণ ভরসা থাকে। তুমি তো জানতে বুলি, আমি খুব বেশী কিছু চাই নি। চক মিলানো বাড়ি, চমৎকার গাড়ি—চকচকে মেয়েমানুষ—কোনো কিছুই ব্যাকুল হয়ে কামনা করি নি।
কিন্তু মানুষের চাওয়া-পাওয়ার মাঝখানে কি কোনো নির্দয় সীমারেখা জোর করে টেনে দেওয়া চলে? না-কি অঙ্কের নির্ভুল হিসেবে জীবনের ছক-কাটা
-
ছোট্ট শহরের একটা বাসায় আমি ও সাজাহান থাকতাম। ঢাকায় একটা দৈনিকে এর আগে চাকরী করেছি এবং এর পরে দুজনাই একসঙ্গে বেতার কেন্দ্রে জয়েন করলাম। এমন কি একই কামরায় আমাদের আসন পাতা হ’ল। ফলে সবদিক থেকে আমাদের ঘনিষ্ঠতা এতই বেড়ে গেল যে, অফিসের খুব কাছাকাছি একসঙ্গে বাসা নিলাম।
ছোট্ট বাসা হলেও দুজনার জন্যে তিনটা কামরা এখন বিলাসিতা বলেই মনে হয়। তিন কামরার একটা ছিমছাম বাসা। ভেতরের দিকে রয়েছে সবুজ ঘাসের বিস্তৃত চত্বর। দু’পাশে রয়েছে ইট বিছানো সরু রাস্তা। আর এই রাস্তার ইটের ফাঁকে ফাঁকে অনাদরে বেড়ে উঠেছে ঘাস। এই রাস্তাই এক দিন আমার জীবনকে করে তুলেছিল বিপন্ন! ঘটনাটি ঘটেছিল মার্চে। তখন
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- মুক্তিযুদ্ধ
- গণহত্যা
- পাকিস্তান
- বই
- আন্দোলন
- গদ্য
- রবীন্দ্রনাথ
- সঙ্গীত
- অনুবাদ
- লেখক
- জীবনী
- ছোটগল্প
- ইংরেজি
- কবিতা
- গদ্যকাব্য
- ছাত্র আন্দোলন
- পশ্চিমবঙ্গ
- বঙ্গবন্ধু
- বাংলা
- ইসলাম
- হিন্দু
- নারী
- লোককাহিনী
- স্মৃতিকথা
- সমালোচনা
- ঢাকা
- আলোচনা
- চলচ্চিত্র
- উপন্যাসিকা
- চট্টগ্রাম
- খুলনা
- শিল্পকলা
- বিজ্ঞানী
- যুদ্ধ
- ভূমিকা
- সম্পাদকীয়
- সংবাদ
- চিঠি
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ভারত
- ভাষা
- গণযোগাযোগ
- সাংবাদিকতা
উৎস
লেখক
- অনু ইসলাম (১)
- অলোক রায় (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনিসুজ্জামান (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবদুল হক (১)
- আবদুল হাফিজ (২)
- আশুতোষ ভট্টাচার্য (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ঋত্বিক ঘটক (৩)
- কল্যাণকুমার গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত (১)
- কৃষণ চন্দর (৫)
- গোপাল হালদার (১)
- গৌরী আইয়ুব দত্ত (২)
- চিত্ত ঘোষ (১)
- জহির রায়হান (২)
- জাফর আলম (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দীননাথ সেন (১)
- নফর কুণ্ডু (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৮)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফেরদৌসী মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (১)
- মুনীর চৌধুরী (১)
- মেহেরুন নেসা (১)
- রঘুবীর চক্রবর্তী (১)
- রণমিত্র সেন (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শিবানী দাস (১)
- সত্যেন সেন (২২)
- সাদত হাসান মান্টো (৩)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- হাসান মুরশিদ (১৩)
- হিরণকুমার সান্যাল (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.