-
দ্রাবণের একটা নির্দিষ্ট সীমা আছে, অতিরিক্ত দ্রব্যকে তলানি হিসেবে পড়ে থাকতে হয়। কোনো সংবাদ শুনে মন আন্দোলিত হওয়ারও তেমনি একটা মাত্রা আছে, তারপর ভোঁতা মনে দুঃসংবাদ অথবা সুসংবাদ কোনোটাই তেমন সাড়া জাগাতে সক্ষম হয় না। সীমান্তের ওপার থেকে আরো হাজারো দুঃসংবাদের মতো খবর এসেছে যে, সকল গণআন্দোলনের অনুপ্রেরণা ও শত স্মৃতিমাখা ঢাকার শহীদ মিনারটি ইয়াহিয়ার জঙ্গী বাহিনী ধ্বংস করেছে, ধ্বংস করেছে ভাষা আন্দোলনের অন্য আর একটি স্মৃতি বাংলা অ্যাকাডেমিকে। ১৯৬২ সালের ভাষা আন্দোলনের দুটি অক্ষয় স্মৃতিকে এমন পাষণ্ডের মতো বিনষ্ট করার বর্বরতা ও নির্লজ্জতা দখলদারি সৈন্যরা দেখাতে পেরেছে অনায়াসে। আপন উদ্দেশ্য সিদ্ধির জন্য ইয়াহিয়া যে কোনো নীচতার আশ্রয় নিতে পারে।
-
খুলনা শহরে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পর্ব শেষ হয়ে গেলেও ছাত্রেরা প্রতিরোধ-সংগ্রাম থেকে নিবৃত্ত হয় নি। ২৬-এ মার্চ থেকে শুরু করে ২রা এপ্রিল পর্যন্ত তারা গোপনে নানা জায়গায় পজিশন নিয়ে পাক-সৈন্যদের উপর ইতস্তত চোরাগোপ্তা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছিল। এইভাবে তারা বেশ কয়েকজন সৈন্যকে হত্যা ও জখম করতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু একথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, এই গুপ্ত আক্রমণ চালাবার কালে কোনো ছাত্র মারা যায় নি বা শত্রুর হাতে ধরা পড়ে নি।
২৮-এ এপ্রিলের যুদ্ধের পর মুক্তিবাহিনী যোদ্ধারা ছত্রভঙ্গ হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু তাই বলে তারা হতাশ হয়ে হাল ছেড়ে দেয় নি। শত্রুর বিরুদ্ধে আক্রমণ করবার জন্য তারা বাগেরহাটে গিয়ে মিলিত হলো। বাগেরহাটে প্রাক্তন
-
নরেন্দ্র দেব গত ১৯শে এপ্রিল মারা গেছেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। সাহিত্য-জগতের সঙ্গে তাঁর শেষ দিন পর্যন্ত যোগাযোগ ছিল, কিন্তু তাঁর যুগ শেষ হয়েছিল অনেকদিন আগে। যে-কোনো মৃত্যুই দুঃখের, বিশেষত এমন মানুষের, যাঁর কাছ থেকে আমরা নিত্য স্নেহ ও ভালোবাসা পেয়েছি। বাঙলা সাহিত্যের দিক থেকেও ঘটনাটি তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ নরেন্দ্র দেবের মৃত্যু বাঙলা সাহিত্যে একটি যুগের অবসান। বর্তমান শতাব্দীর প্রথম দুই দশকের সাহিত্যপত্রিকাগুলিতে নূতনত্ব এসেছিল বক্তব্যে ও প্রকাশরীতিতে—‘মানসী’, ‘যমুনা’, ‘ভারতী’ পত্রিকা নানা কারণেই আজকের দিনেও স্মরণীয়। নরেন্দ্র দেব সে-যুগের আধুনিক লেখক। বাঙলা সাহিত্যের ইতিহাস থেকে তাই তাঁর নাম বাদ পড়বে না। রবীন্দ্রনাথের সান্নিধ্য পেয়েছিলেন, শরৎচন্দ্র স্নেহ করতেন; সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, মণিলাল
-
বিশ্ব-লোকসংস্কৃতির একটি সমৃদ্ধ এলাকা হলো বাঙলাদেশ, কারণ লোকসংস্কৃতির এমন কোনো উপাদান নেই, যা বাঙলাদেশে নেই। জনগণের, বিশেষত বাঙালি কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে লোকসংস্কৃতির সম্বন্ধ ঘনিষ্ঠ। লিখিত সাহিত্যে যাদের পরিচয় নেই, তাদের প্রকৃত পরিচয় রয়েছে লোকসংস্কৃতির মধ্যে। কাজেই জনগণের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির সন্ধান করতে হলে লোকসংস্কৃতির যথার্থ সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও চর্চা অপরিহার্য। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন বাঙালি জনগণকে নিজের স্বরূপ জানার দিকে আগ্রহী করে তোলে। ভাষা-আন্দোলনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফল ‘বাঙলা একাডেমী’র প্রতিষ্ঠা। একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর একটি লোকসাহিত্য বিভাগ খোলা হয়। প্রথম দিকে এ বিভাগের প্রধান কাজ ছিল লোকসংস্কৃতির বিভিন্ন উদাহরণের সংগ্রহ ও সংরক্ষণ। বৈজ্ঞানিকভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণের কাজ কিভাবে হতে
-
ষাট-দশকের শুরুতে যে তরুণ স্কুলের শেষ ক্লাসের ছাত্র, দশকের শেষে সেই তরুণটিই একজন উৎসাহী গল্প-লেখক। এমন ঘটনা আজকের বাঙলাদেশে বিরল নয়। পঞ্চাশের দশকে যাঁরা বাঙলাদেশে সবচেয়ে প্রতিভাবান গল্পকার ছিলেন—পরের দশকে তাঁদের অনেকেই গল্প আর লিখলেন না, কিংবা এমন গল্প লিখলেন যা নতুন পাঠকের কাছে সাড়া তুলতে অক্ষম হলো।
প্রতি দশকেই নতুন একদল গল্পকার সাহিত্য ক্ষেত্রে আবির্ভূত হবেন অথবা গত দশকের গল্পকাররা ম্লান হয়ে যাবেন অবিসংবাদিত নিয়মে—এমন আশা অবাস্তব। ‘কাল তার এ্যালবামে কিছুতে রাখেনা সব ফোটো'—এ নিয়মে সময়ের পরিবর্তনে সাহিত্যের আঙ্গিকেরও হয় রূপান্তর। বিশ শতকের শেষার্ধে জীবন বড় বেশি অস্থির এবং দ্রুত পরিবর্তনের রূপরেখা তার ছাপ রাখছে আমাদের জীবন ও সৃষ্টিতে।
-
পুরনো ছবিগুলো দিনে দিনে আবছা হয়ে আসছিল। অনেক দিনের পুরনো সব ছবি।
পূব বাঙলা এখন বাঙলাদেশ। বাঙলাদেশ আমার জন্মভূমি। সেখানে আমার জীবনের উদ্দাম দুরন্ত দিনগুলো কেটেছিল। সেই স্মৃতি আমার সত্তায় আমি বহন করেছি, সেই স্মৃতির গায়ে এখন শুধু রক্ত।
অনেক সব কথা মনে পড়ে এখন। অনেক মুখ জেগে ওঠে যেন। ঢাকা ছাড়ার কথা মনে পড়ে। দেশভাগ হওয়ার কথা মনে পড়ে। তারপর আর দেশে যাওয়া হয়নি। দেশ তখন বিদেশ।
জন্মভূমি পরভূমি হওয়ার ব্যাপারটা দিনে দিনে সয়ে গিয়েছিল। পুরনো স্মৃতির ওপর নতুন স্মৃতির স্তূপ জমা হচ্ছিল। মাঝে মাঝে ঢাকা ফেরত কোনো বন্ধুর মুখে শুনতাম শহরের গল্প। ঢাকা শহরের দিন বদলের গল্প। মন
-
দিগন্তে কালো মেঘের ঘনঘটা। বাংলাদেশে রাজনৈতিক আকাশে ঝড়ের পূর্বাভাস স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হয়ে ফুটে উঠছিল। বিপ্লবী আন্দোলনে গৌরবময় ঐতিহ্য-মণ্ডিত চট্টগ্রাম শহরের মানুষ এক আসন্ন ঝড়ের পূর্বসঙ্কেত শুনতে পেয়ে ব্যগ্র ও উদ্বিগ্ন প্রতীক্ষায় দিন গুণে চলছিল।
পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকচক্রের দীর্ঘদিনের একটানা শোষণ ও জুলুমের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার আহ্বান এসেছে। নেতাদের কাছ থেকে নয়, ছাত্র-জনতার উদ্বেল হৃদয়-সমুদ্র মন্থনের ফলে এই সংগ্রামী আহ্বান পর্যায়ের পর পর্যায় অতিক্রম করে আত্মপ্রকাশ করে চলেছে। মার্চের প্রথম ভাগ থেকেই সারা বাংলাদেশেই মানুষের মনে ঘনঘন উত্তেজনার বিদ্যুৎস্ফুরণ। চট্টগ্রামের মানুষ এ বিষয়ে কারু চেয়ে পেছনে পড়ে নেই। শহর আর শহরবাসীদের চেহারা ও চরিত্র দ্রুতগতিতে বদলে যাচ্ছে। মার্চের প্রথম থেকে এমন
-
[ঋত্বিক ঘটক বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক অনন্য নাম—যিনি শুধু পরিচালক নন, বরং শিল্পচেতনা, সমাজচেতনা ও মানবিকতার গভীর অনুসন্ধানী। তাঁর সাক্ষাৎকারে আমরা পাই চলচ্চিত্রের প্রাচীন ও আধুনিক ধারা নিয়ে তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ, অভিনয়ের দর্শন ও সমাজের প্রতি সিনেমার দায়বদ্ধতা সম্পর্কে অকপট মতামত। প্রমথেশ বড়ুয়ার সৃজনশীলতা থেকে শুরু করে Eisenstein, Godard কিংবা Resnais-এর চলচ্চিত্রভাষা পর্যন্ত ঘটকের দৃষ্টিভঙ্গি বিস্তৃত ও প্রখর। এই সাক্ষাৎকার পাঠককে শুধু চলচ্চিত্রের কারিগরি ও নন্দনতত্ত্ব নয়, বরং শিল্পের সত্যনিষ্ঠতা ও সমাজসচেতনতার গভীর আলোচনায় নিয়ে যায়।
এমন এক প্রেক্ষাপটে এই সাক্ষাৎকারের ভূমিকা পাঠককে ঘটকের চিন্তাজগতের দরজায় পৌঁছে দেয়—যেখানে সিনেমা হয়ে ওঠে সময়ের আয়না, আর শিল্প হয়ে ওঠে মানুষের সত্য ও সৌন্দর্যের
-
সাম্রাজ্য ও সম্পদের লোভে আরব-ইরান থেকে যে মুসলমানরা এ দেশে এসেছিলেন তাঁদের সঙ্গে দেশীয় দীক্ষিত মুসলমানদের একটা মৌল পার্থক্য, এমন কি, এ শতাব্দীতেও দুর্লক্ষ্য নয়। মোগল-পাঠানের সঙ্গে সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজদের সাদৃশ্য বরং যথেষ্ট। উভয় গোষ্ঠীই এদেশে এসে শাসনের নামে শোষণ ও স্বৈরাচারে মত্ত হয়েছেন। এরা কখনোই একাত্ম হননি এ দেশীয়দের সঙ্গে। উপরন্তু স্বদেশীয় ভাষা-সংস্কৃতি এবং খানাপিনার প্রতি আত্যন্তিক আনুগত্যবশত এ দেশেই একটি আপন দেশীয় পরিমণ্ডল সৃষ্টি করে, সেই গণ্ডির মধ্যে তাঁরা বাস করেছেন। আর দেশীয় যে-সব নিম্নবর্ণের হিন্দু ও বৌদ্ধরা বর্ণহিন্দুদের অত্যাচার থেকে আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে অথবা সুলতানদের কিংবা মিশনারিদের দয়া ও আর্থিক সুযোগসুবিধার প্রলোভনে ইসলাম বা খৃস্টান ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন, তাঁদের
-
প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার সঙ্গে শেখ সাহেবের আলোচনা ভেঙে গেছে। সংবাদটা সমস্ত শহরবাসীর মনের উপর কালো ছায়ার মত নেমে এসেছে। বাতাসটা যেন ক্রমেই ভারী হয়ে আসছে। বেশ বুঝতে পারছি এক মহাবিপর্যয়ের ধারালো খড়্গ ক্ষীণসূত্রে আমাদের মাথার উপর ঝুলছে। যে-কোনো সময় তা ছিঁড়ে পড়ে যেতে পারে। আমরা ক-জন বন্ধু সেই কথা নিয়েই আলাপ আলোচনা করছিলাম। কিন্তু সেই ভয়ঙ্কর সময়টা যে এখনই এসে গেছে তা আমরা কেউ ভাবতে পারিনি।
বড়ভাই হাঁপাতে হাঁপাতে ঘরের মধ্যে এসে ঢুকলেন। বড়ভাই ট্রেড ইউনিয়ন কর্মী। ঘরের মধ্যে ঢুকেই তিনি উত্তেজিত কণ্ঠে বলে উঠলেন, এখানে বসে বসে করছ কি তোমরা? এখন কি বসে থাকার সময় আছে! আজ রাত্রেই ওরা হামলা
-
জনগণের যে বিভিন্ন স্তর ও শ্রেণী পূর্ববাঙলার মুক্তিসংগ্রামে ব্রতী, তাদের চিন্তা-চেতনার গতিধারা সম্পর্কে একটি সঠিক ধারণা বৈপ্লবিক শ্রেণীদৃষ্টিতে যাচাই করে দুইভাবে পাওয়া যেতে পারে। প্রথমত, বিগত চব্বিশ বছরে পর্যায়ে পর্যায়ে যে লোক-অভ্যুদয় হয়েছে, তার ঘটনাবলীর মধ্যেকার চেতনার উত্তরণগুলিকে বিশ্লেষণ করলে বিভিন্ন স্তর ও শ্রেণীর চিন্তার নব নব উপাদানকে বার করে আনা যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, গত চব্বিশ বছরে রাজনৈতিক নিবন্ধ রচনা এবং যেসব সাহিত্যচর্চা ও সাহিত্য সৃষ্টি হয়েছে, তার হিসাব-নিকাশ করলেও মুক্তিসংগ্রামের চেতনার উপাদানগুলির সাক্ষাৎ পাওয়া যেতে পারে।
এখানে লোক-অভ্যুদয়ের ব্যাপারটিকে প্রাথমিকভাবে যাচাই করে নিতে গেলে দেখা যাবে, কয়েকটি নির্দিষ্ট বিষয়ে লক্ষ্য অর্জনে ব্রতী গণ-আন্দোলন শ্রেণীসজ্জার দিক দিয়ে পরিমাণগতভাবে বৃদ্ধি পেয়ে
-
বাঙলাদেশ : ভাবী বাঙালির আবির্ভাব
গোপাল হালদার
[১৯৪৭এ দেশ বিভাগের পরে অনিবার্যরূপেই একটা জিজ্ঞাসা আমাকে পেয়ে বসেছিল, কি করে সম্ভব হলো বাঙালির এই ‘হারিকরি’? যা আমার ধারণা তা বলবার জন্যই লিখতে বসেছিলাম ‘বাঙলা সাহিত্যের রূপরেখা’। লেখা শেষ হয়নি—বিশেষ করে যেখানে এসে দুর্ভাগ্যের সূচনা—ঊনবিংশ শতাব্দী—সেখানে পৌঁছতে পৌঁছতেই দ্বিতীয় ভাগ শেষ হয়েছে। ঊনবিংশ শতাব্দীর বাঙলা সাহিত্য থেকে বাঙালি মুসলমানের স্বেচ্ছা নির্বাসন কেন, তার ফল কী? বিশদ করে তা বলবার সমর্থ আয়ুতে আর কুলোবে কিনা জানি না, কিন্তু তার কথা বলবার সুযোগ আর উপেক্ষা করলাম না। দিল্লীতে ১৯৭১-এর গত ১০ই এপ্রিলের বাঙলা সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজিত সমসাময়িক ‘বাঙলা ভাষা ও সাহিত্যে’র আলোচনাসভার সভাপতির মৌখিক
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- কবিতা
- গদ্য
- গদ্যকাব্য
- লেখক
- খুলনা
- মুক্তিযুদ্ধ
- জীবনী
- লোককাহিনী
- ছোটগল্প
- স্মৃতিকথা
- চট্টগ্রাম
- চলচ্চিত্র
- পশ্চিমবঙ্গ
- বাংলা
- শিল্পকলা
- আন্দোলন
- ছাত্র আন্দোলন
- পাকিস্তান
- ভাষা
- আলোচনা
- বই
- ভূমিকা
- সম্পাদকীয়
- ইংরেজি
- গণহত্যা
- চিঠি
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- রবীন্দ্রনাথ
- অনুবাদ
- বিজ্ঞানী
- যুদ্ধ
- ঢাকা
- সংবাদ
- বঙ্গবন্ধু
- গণযোগাযোগ
- সাংবাদিকতা
- ইসলাম
- হিন্দু
- উপন্যাসিকা
- সঙ্গীত
- ভারত
উৎস
লেখক
- অনু ইসলাম (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনিসুজ্জামান (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আশুতোষ ভট্টাচার্য (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ঋত্বিক ঘটক (৩)
- কাইফি আজমি (১)
- কৃষণ চন্দর (৫)
- গোপাল হালদার (১)
- গৌরী আইয়ুব দত্ত (১)
- জহির রায়হান (২)
- জাফর আলম (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দীননাথ সেন (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৯)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফেরদৌসী মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (১)
- মেহেরুন নেসা (১)
- শওকত ওসমান (১)
- সত্যেন সেন (২২)
- সাদত হাসান মান্টো (৩)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- হাসান মুরশিদ (১২)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.