-
গতকাল বিকালে আমাদের হাফ-ইয়ার্লি পরীক্ষা শেষ হয়ে গেল। এখন বেশ কদিন আর আমাদের স্কুলে যেতে হবে না। আমাদের স্কুলের নিয়ম হচ্ছে হাফ-ইয়ার্লি পরীক্ষার পর দশ থেকে বারোদিনের ছুটি। ছুটির দিনগুলিতে টিচাররা আমাদের খাতাগুলি দেখবেন আর আমাদের ফেল করাবেন। ছুটির শেষে তারা খুব হাসি-হাসি মুখ করে ক্লাসে ঢুকবেন। হাতে খাতাগুলি তো থাকবেই আরও থাকবে তিন-চারটা করে বেত। ফেল-করাদের পিঠে পড়বে চারটা-পাঁচটা ছ’টা করে বেত।
তবে মার থেকে বাঁচতে আমরাও করি নানান রকম কারিগরি। যেমন মাজুল মামা স্কুলে যায় ‘অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে’ মনি-রবিনের কাঁধে ভর দিয়ে। ওর মুখের দিকে চেয়ে বেত মারা তো দূরের কথা ওকে দুদিনের ছুটি দিয়ে দেন ক্লাস-টিচাররা। রবিন
-
‘লোভে পাপ’—কথাটা কী নিদারুণ হতে পারে, সেটা এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলাটা বড়-পর্দার প্লাজমা টিভিতে দেখতে গিয়ে শাকের মামা আর আমি খুব ভালো করেই উপলব্ধি করেছিলাম। আর সেই উপলব্দিকে শুধু সাদামাটা উপলব্ধি বললে খুব কমই বলা হয়। আমাদের বাংলা স্যারের ভাষায় যাকে বলতে হয় একেবারে হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি।
মারাত্মক সেই উপলব্ধির ফলে পরের দুতিন সপ্তাহ আমার কাছে দুনিয়ার সব খাবার এমনকি মুক্তগাছার ‘মুক্তাগাছার বিখ্যাত সেই গোপাল পালের মডা’ পর্যন্ত করলার মতো তিতা-বিচ্ছিরি লেগেছে। ও-দিকে রাগে দুঃখে শাকের মামা তার নিজের মাথার লম্বা-ঘন-কালো চুল পটপট করে ছিঁড়তে ছিঁড়তে মাথাটা প্রায় ‘জিদান-মার্কা’ করে ফেলেছে। মাঝে-মধ্যে আবার হিংস্র দৃষ্টিতে তাকাতে তাকাতে অন্যদের মাথার
-
লেখক: ধীরাজ কুমার নাথ
১৯৭১ সালের ৩রা ডিসেম্বর। সকাল থেকে মাননীয় মন্ত্রী শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামানের বাসায় একান্ত সচিব হিসেবে বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত। এক পর্যায়ে বললাম, স্যার আজ কিন্তু আমি ১২টার পরই চলে যাবো, প্রতিদিনের মতো রাত অবধি থাকবো না। তিনি জিজ্ঞাসা করেন, কেন আজ কী হলো? আমি বললাম মিছিলের পর মিছিল যাচ্ছে কোলকাতার ময়দানের (গড়ের মাঠ) দিকে, লক্ষ লক্ষ লোকের সমাবেশ হবে। সবার মুখে এক কথা আজ ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিবে। মিছিলের কিছু স্লোগানে এমন দাবী আমি শুনেছি। আমি এই ঐতিহাসিক ঘোষণা নিজ কানে শুনতে চাই। আজ অনেক বাংলাদেশি সেখানে হাজির হবে, বিশেষ করে সল্ট লেইকে আশ্রয়গ্রহণকারী
-
জাতিসংঘের শরণার্থী সংক্রান্ত হাই কমিশনার মি. অনটোনিও গুটারেস, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন বিশ্বে ৬০ মিলিয়ন জনগণ এখন হচ্ছে শরণার্থী। এতো অধিক সংখ্যক শরণার্থীর সংখ্যা আগে আর কখনো দেখা যায়নি। হাই কমিশনার মনে করেন বর্তমান বিশ্বে প্রতি ১২২ জনের মধ্যে একজন ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছেন এবং শরণার্থী হিসেবে দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। সিরিয়ার যুদ্ধে কমপক্ষে ২০.২ মিলিয়ন লোকজন গৃহহীন হয়েছে। ইয়েমেনের যুদ্ধে ৯,৩৩,৫০০ জন ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র নিরুদ্দেশে যাত্রা করেছে। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ চলাকালে শুধুমাত্র ২০১১ সালে মোট ৭.৬ মিলিয়ন অধিবাসী গৃহহীন হয়েছে। ইউক্রেনের বিছিন্নতাবাদীদের সাথে সংঘাতে ২০১৪ সালে প্রায় ৪.১৪ লক্ষ লোকজন ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। এছাড়া কয়েকেটি
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.