-
ময়মনসিংহ সেক্টর
৩০শে আগস্ট ১৯৭১
উমা,
মিথ্যে তোমাকে আশ্বাস দিয়েছিলাম। আজো তোমার মা বাবার খবর নিতে পারিনি বন্ধু। সবুজ গালিচা মাড়িয়ে, তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে, কাজলাদিঘীর ধার দিয়ে, বাঁশ বাগানের পাশ দিয়ে খেয়া পারাপার হয়ে, বাঙ্কারে বাঙ্কারে আর বন বীথিকার ডালে ডালে অনেক ঘুরেছি আমি শহীদ তীতুমীর আর সূর্যসেনের মায়াভরা বাংলার অঙ্গনে অঙ্গনে। ক্লান্ত আমি। পরিশ্রান্ত পথ চলতে নয়, টগবগিয়ে রক্তের উম্মাদনার মাদকতার মাঝে অসতর্ক মুহূর্তের মাশুল দিতে গিয়ে নেমে এলো অবসন্নতা। অথর্ব হাত, অবশ পা আর একাকীত্বের অলস মূহূর্তের কর্ম বিমুখতা অষ্টপ্রহর আমাকে আচ্ছন্ন করে রাখলো। একের পর এক ভীড় জমালো ফেলে আসা দিনগুলোর মিষ্টিমধুর স্মৃতি। অনুরন আর শিহরণে আমি
-
সিংভূম-জেলার বন-জঙ্গল ও পাহাড়শ্রেণী ভারতবর্ষের মধ্যে সত্যিই অতি অপূর্ব্ব। বেঙ্গল-নাগপুর-রেলপথ হওয়ার আগে এই অঞ্চলে যাবার কোনো সহজ উপায় ছিল না, কেউ যেতোও না সে সময়—যা একটু আধটু যেতো—এবং যে ভাবে যেতো—তার কিছুটা আমরা বুঝতে পারি সঞ্জীবচন্দ্রের ‘পালামৌ’ পড়ে। সিংভূম জেলার ভেতরকার পাহাড় জঙ্গলের কথা ছেড়ে দিই—বাংলাদেশের প্রত্যন্ত সীমায় অবস্থিত মেদিনীপুর ও বাঁকুড়া জেলার অনেকস্থান জনহীন অরণ্যসঙ্কুল থাকার দরুণ ‘ঝাড়খণ্ড’ অর্থাৎ বনময় দেশ বলে অভিহিত হোত। এ সব লোক প্রাণ হাতে করে যেতো ঐ সব বনের দেশে। কিন্তু না গিয়ে উপায় ছিল না—যেতেই হোত।
ওই দেশের মধ্যে দিয়ে ছিল পুরী যাওয়ার রাস্তা। মেদিনীপুর জেলার বর্তমান ঝাড়গ্রাম মহকুমার মধ্যে দিয়ে এই পুরোনো
-
১৯২৬ সালের গোড়ায় নজরুল হুগলী থেকে কৃষ্ণনগর বাস করতে এসেছিলেন, ১৯২৯ সালের গোড়ার দিকে কলকাতায় চলে যান। দিন তারিখ মাসগুলো স্মৃতির কোঠা থেকে হারিয়ে গিয়েছে। ১৯২৬ সালে অবিশ্যি তিনি চাঁদসড়কের ঐ বাড়িতে বাস করতে এসেছিলেন। তবে ১৯২৬ সালের গোড়ায় তৎকালীন অন্যতম কংগ্রেসী নেতা ও দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জনের প্রধান সহকারীদের মধ্যে অন্যতম হেমন্তকুমার সরকার নজরুলকে কৃষ্ণনগর নিয়ে আসেন। প্রথমে তিনি এসে ওঠেন হেমন্তকুমারের বড় ভাই হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার জ্ঞানচন্দ্র সরকারের গোয়াড়ির একটা বাড়ীতে। বাড়ীটা ছিল অত্যন্ত ঘিঞ্জি জায়গায়। আশেপাশে সবাই অত্যন্ত রক্ষণশীল হিন্দু যদিও তাঁরা ও তাঁদের ঘরের মেয়েরা নজরুলের গান শোনার জন্য এই বাড়ীতে ভিড় জমাতেন। শেষে চাঁদসড়কের এই মুক্ত বাড়ীতে এসে
-
এক
জয়নুল আবেদিন সাহেবের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় হয় কলকাতার সরকারী আর্ট স্কুলে। তখন দেশ ভাগ হয়নি। ১৯৪৫ সালে আমি প্রথম বর্ষে আর্ট স্কুলে ভর্তি হই এবং শিক্ষক হিসাবে তাঁকে পাই। আর্ট স্কুলে ভর্তি হবার আগেও আমরা অনেকে তাঁকে নামে চিনতাম। ১৩৫০ এর দুর্ভিক্ষের বাস্তব রূপ চিত্রিত করে তিনি কলকাতা শহরে তখন আলোচিত ব্যক্তিত্ব। শহরের রাস্তায় অন্নের খোঁজে কঙ্কালসার মানুষের মিছিল, তাঁদের হাহাকার, মৃত্যুর ভয়াবহতা, তাঁর সপাট রেখা নির্ভর সৃষ্টিগুলোতে বিশিষ্ট রূপে পড়েছিল। জয়নুল আবেদিনের মতো একজন খ্যাতিমান শিল্পীকে শিক্ষক হিসাবে পাওয়া আমাদের অনেকের কাছেই ছিল কল্পনাতীত।
দ্বিতীয়বার জয়নুল আবেদিনের সঙ্গে আমি ঘনিষ্ট সংস্পর্শ আসি ১৯৫০ সালে ঢাকায় সরকারী আর্ট
-
আচার্য জগদীশচন্দ্রের সঙ্গে আমার পিতার যখন প্রথম পরিচয় হয় তখন আমি নিতান্ত শিশু। পরিচয় ক্রমশ যখন বন্ধুত্বে পরিণত হল তখনও আমি বালক। জগদীশচন্দ্র সম্বন্ধে আমার স্মৃতি তাই বাল্যস্মৃতির সঙ্গেই বেশি জড়িত।
জগদীশচন্দ্র ১৯০০ সালে লণ্ডন-প্রবাসকালে আমার পিতাকে লিখেছিলেন, 'তিন বৎসর পূর্বে আমি তোমার নিকট একপ্রকার অপরিচিত ছিলাম…'
জগদীশচন্দ্র ইউরোপ-ভ্রমণের পর কলকাতায় ফিরে আসেন ১৮৯৭ সালের এপ্রিল মাসে। তাঁর জীবনীকার প্যাট্রিক গেডিস্ তাঁর বইয়ে লিখেছেন, পৌঁছ-সংবাদ পেয়ে আমার পিতা তাঁকে অভিনন্দন জানাবার জন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়ে দেখেন তিনি বাড়িতে নেই। তখন তাঁর টেবিলে একটি ম্যাগনোলিয়া ফুল রেখে আসেন। দ্বিতীয়বার যখন দেখা করতে যান দুই বন্ধুর কিরকম মিলন ঘটেছিল তার বর্ণনা গেডিসের
-
পয়লা মে-র ভোর।
জেলখানার গম্বুজের ঘড়িতে বাজল তিনটে। এই প্রথম আমি স্পষ্ট শুনতে পেলাম। এখন আমি পূর্ণ সচেতন। খোলা জানলা দিয়ে বিশুদ্ধ-হাওয়া আসছে, মেঝেয় পাতা গদির চারদিকে খেলে বেড়াচ্ছে, হাঁ, অনুভব করতে পারছি খড়গুলো লাগছে। নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে, আমার দেহের-প্রতি জায়গায় যেন হাজার বেদনা জড়িয়ে আছে। হঠাৎ জানালা খুলে দিলে যেমন সব স্পষ্ট দেখা যায়, তেমনি স্পষ্ট বুঝলাম আমার অন্তিমকাল এসেছে। আমি মরছি।
অনেক দেরি করে এলে মরণ। একসময়ে আশা ছিল, বহু বহুদিন পরে তোমার সঙ্গে হবে আমার পরিচয়। স্বাধীন মানুষ হয়ে বাঁচতে চেয়েছিলাম। কত কাজ করতেও তো চেয়েছিলাম, চেয়েছিলাম ভালোবাসতে। ভেবেছিলাম ঘুরে বেড়াব পৃথিবীতে, আনন্দে গান গাইব। তখন
-
যুদ্ধের গোড়ার দিকে কয়েকমাস আমাদের সৈনিকরা ফ্যাসিস্ট সৈন্যদের প্রকৃতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অন্ধকারে ছিল। কাজেই বিপক্ষের সৈনিকদের ওরা শত্রু বলে ভাবতে পারত না। ঐ সময় আমাদের সৈনিকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় কখনও নিরাশ হয়েছি, আবার কখনও গৌরব বোধ করেছি।
গৌরবের বিষয় এই যে আমাদের সৈনিকরা সৌভ্রাত্রের শিক্ষা পেয়েছে, আর নৈরাশ্য এজন্য যে ফ্যাসিস্ট সৈনিকদের প্রকৃতি না বুঝে ওদের উপর আমাদের-সৈন্যরা আস্থা রেখেছিল।
যখন হিটলারের সৈন্য একটার পর একটা শহর অধিকার করে এগিয়ে আসছে, তখনও লালফৌজ ভাবছে জার্মানির শ্রমিক-কৃষক-যারা এই যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে—কখনও ফ্যাসিজমকে মেনে নিতে পারবে না। হিটলারের জার্মানি ফ্যাসিস্ট জার্মানি; সে তুলনায় এই সব সাধারণ সৈনিকদের জার্মানির প্রকৃতি ভিন্ন; যখনই সুযোগ আসবে,
-
সম্ভবত ৯৮২ সালে বিক্রমপুবের বজ্রযোগিনী গ্রামে চন্দ্রগর্ভেব জন্ম। চন্দ্রগর্ভের বাবার নাম কল্যাণশ্রী, মায়ের নাম প্রভাবতী। চন্দ্রগর্ভ মা-বাবার দ্বিতীয় সন্তান। চন্দ্রগর্ভ একজন রাজপুত্র।
বজ্রযোগিনী গ্রামে চন্দ্রগর্ভের ভিটে।
খুব অল্প বয়সেই চন্দ্রগর্ভকে বিদ্যাশিক্ষার জন্য মা-বাবা পাঠালেন অবধূত জেগরির কাছে। তাঁর কাছে চন্দ্রগর্ভ পঞ্চবিজ্ঞান শিখেছেন।
তারপর অবধূত জেগরি একদিন চন্দ্রগর্ভকে বললেন-তুমি এবার নালন্দায় যাও।
বিদ্যাচর্চার জন্য নালন্দার খ্যাতি অনেকদিন আগেই দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও ছড়িয়েছে। নালন্দায় অজস্র বিষয়ে শিক্ষার বিচিত্র ও বিপুল ব্যবস্থা। পালযুগে রাজারা দুহাতে নালন্দাকে সাহায্য করেছেন-নালন্দার তখন চূড়ান্ত খ্যাতি ও সমৃদ্ধি।
অবধূত জেগরির কথামতো চন্দ্রগর্ভ চলে এলেন নালন্দায়, দেখা করলেন আচার্য বোধিভদ্রের সঙ্গে। আচার্য বোধিভদ্র শ্রমণরূপে বরণ করে নিলেন চন্দ্রগর্ভকে; নতুন
-
এককালে এই গানটি আমার খুবই পরিচিত ছিল। শ্রমিকদের সভায়, মিছিলে নানা উপলক্ষেই এই গানটি গাওয়া হতো। প্রায় ৩০ বছর আগেকার কথা। ইতিমধ্যে আমার স্মৃতির ভাণ্ডার থেকে সেই গানের অধিকাংশ পদগুলি খসে ঝরে পড়ে গিয়েছে। মাত্র প্রথম স্তবকটি আজ মনে পড়ছে। কিন্তু তাও সম্পূর্ণ নয়, দুর্ভাগ্যক্রমে তার প্রথম কলিটির কয়েকটি শব্দ হারিয়ে গিয়েছে। আর যেটুকু মনে আছে, তার মধ্যেও ভুল-ভ্রান্তি থাকার সম্ভাবনা আছে।
সত্যি কথা বলতে কি, এতকাল আমার এই প্রিয় গানটির কথা একেবারে ভুলেই ছিলাম। মনে করিয়ে দিল তিতু, আমার এক বিশিষ্ট বন্ধুর ছেলে তিতু। তিতুদের বাড়ি যশোর জেলায়।
গত বছর কি একটা উপলক্ষে তিতুদের বাড়ি গিয়েছিলাম। তিতুর সঙ্গে সেই
-
সৃষ্টির মধ্য দিয়ে স্রষ্টা নিজেকে প্রকাশ করেন। বিশ্বলোকের কত বিচিত্র ঘটনা, কত অজস্র অনুভূতি স্রষ্টার মনে নানা ধরণের প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। সেই সব প্রতিক্রিয়ার তাড়াতেই শিল্পী তাঁর শিল্প সাধনায় নিত্যনূতন প্রকাশভঙ্গীর সন্ধান শুরু করে দেন। মনের ভিতরে যত কথা ভীড় করে আসে তাদের বিশ্বমানবের মনের দরবারে হাজির করে দেওয়ার জন্য শিল্পীব ভাবনার অন্ত নেই। তারই জন্য যুগে যুগে মানুষ নানা ধরণের সাহিত্যভঙ্গীর আবিষ্কার করেছে। কখনো যুগবেদনাকে প্রকাশ করেছে মহাকাব্যের বিরাট দেহের গজমন্থর গতিতে, কখনো নাটকীয় সংঘাতে, কখনো গ্রাম্য গাথায়। নিজের মনের গোপন কথাটিকে মানুষ গীতিকবিতার মাধ্যমে সময়ে সময়ে রূপ দিয়েছে।
জীবনী লেখার অনেকটা নির্ভর করে ঘটনা সংগ্রহের উপর, কিন্তু আত্মজীবনীর
-
ম্যাট্রিক পাস করার পর এক বছর রোজগারের ধান্ধায় ঘুরলাম। পরের বছর, উনিশশো পঞ্চান্ন সালে, নেত্রকোনা কলেজে ভর্তি হলাম। নেত্রকোনা কলেজে তখন ইন্টারমিডিয়েট ক্লাস খোলা হয়েছে। ছাত্রসংখ্যা একান্ত সীমিত। ফার্স্ট ইয়ার সেকেন্ড ইয়ার মিলিয়ে দেড়শোর বেশি নয়। আটজন অধ্যাপকের প্রায় সবাই ছিলেন তরুণ। সব মিলিয়ে যেন একটি ছোট্ট সুখী পরিবার।
কলেজর ছাত্র সংসদে আমি সাহিত্য সম্পাদক নির্বাচিত হই। সংসদের পক্ষ থেকে সারা বছর অনেক বিতর্কসভা ও সাহিত্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি। অধ্যাপকবৃন্দ তত্ত্বাবধানের পাশাপাশি আমাদের সঙ্গে এ-সবে অংশগ্রহণও করতেন। আনুষ্ঠানিক বিতর্কের বাইরেও তাঁদের সঙ্গে আমরা নানা বিষয়ে খোলাখুলি আলোচনা ও তর্কবিতর্ক করতাম। রাজনীতি নিয়েও উত্তপ্ত আলোচনা হতো।
চার-এর দশক থেকেই নেত্রকোনা ছিল
-
আমরা যখন নানাকে দেখি তখন তার অনেক বয়স হয়ে গেছে। তখন আইন ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। প্রচুর অর্থ উপার্জন করেছিলেন ঐ ব্যবসায়। অনেক জমিজামা করা ছাড়াও তিনি ভুবনঘরের মতো অজপাড়াগায়ে নিজেদের থাকার জন্য চকমিলানো বিশাল এক অট্টালিকা নির্মাণ করেছিলেন। নানার কথা আমার খুব বেশি মনে নেই। ফরসা টকটকে রঙ ছিল তার। খুবই শান্ত প্রকৃতির, কোমল স্বভাবের, দয়ালু। খুব কম কথা বলতেন। সে তুলনায় নানী ছিলেন প্রবল ব্যক্তিত্বময়ী, আলাপচারিতায় নিপুণ, স্নেহময়ী, প্রয়োজনে কঠোর শাসক। ভুবনঘরের নানাবাড়িতে অনেক আনন্দময় দিন কেটেছে আমাদের। বিশাল দোতলা বাড়ি, সে আমলের কথা অনুযায়ী বড় বড় উঁচু ছাদওয়ালা ঘর, চওড়া বারান্দা। দোতলার ঘরগুলোর সামনের দিকে বেশ খানিকটা
ক্যাটাগরি
উৎস
আর্কাইভ
লেখক
- অমিত রঞ্জন দে (১)
- অরবিন্দ গুহ (১)
- আকবর উদ্দীন (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আমীন আহম্মেদ চৌধুরী (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- ইলিয়া এরেনবুর্গ (১)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জসীম উদ্দীন মণ্ডল (১)
- জুলিয়াস ফুচিক (১)
- তপন কুমার দে (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৫)
- প্রতিভা বসু (১)
- বিজন চৌধুরী (১)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মন্মথ রায় (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মুজফ্ফর আহমদ (১)
- যতীন সরকার (২)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শাহীন রহমান (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সহায়রাম দাস (১)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুপা সাদিয়া (১)
- সোমেন বসু (৪)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.