-
হেজিমনি (Hegemony) শব্দটির সঙ্গে আমরা কম-বেশি পরিচিত। ধারণা থাকলেও এ বিষয়ে বিশদে অনেকেরই অজানা। ফলে শব্দটি দিয়ে কী বোঝাতে চাইছে, তা বোঝা গেলেও ব্যাখ্যা করতে গেলেই মুশকিলে পড়তে হয়। প্রকৃত অর্থে বাংলায় এর সঠিক প্রতিশব্দ নেই। তবে বাংলা ভাষায় এর অর্থ বোঝাতে ‘নেতৃত্ব’, ‘কর্তৃত্ব’, ‘প্রাধান্য’, ‘আধিপত্য’ শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে মূল শব্দটির সবচেয়ে কাছাকাছি বাংলা প্রতিশব্দটি হলো ‘আধিপত্য’। তবে মূল বাংলা ‘আধিপত্য’ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দটি হলো ‘Domination’। Domination ও Hegemony শব্দদুটি গুণগত পার্থক্য বিস্তর। শব্দদুটির কর্মকৌশলও ভিন্ন। উদাহরণ হিসেবে—‘Hegemony refers to a kind of domination’—এই কথাটির বাংলা করতে গেলে কিছুটা জটিলতায় পড়তে হবে! এক্ষেত্রে Hegemony-কে আধিপত্য ও Domination-কে কর্তৃত্ব
-
মওদুদীর জন্ম ভারতের মহারাষ্ট্রে ১৯০৩ সালের সেপ্টেম্বরে আর মৃত্যু ১৯৭৯ সালে। পারিবারিকভাবে সুফি ইসলামের হেরাত অঞ্চলের চিশতিয়া তরিকার মওদুদ চিশতীর উত্তরাধিকার বহন করতেন, সেই সূত্রেই তার নামের শেষে মওদুদী পদবীর সংযুক্তি। তবে নানা সমাজতাত্বিক চিন্তাচর্চার মধ্য দিয়ে তিনি পারিবারিক ঐতিহ্য থেকে ক্রমে বেরিয়ে আসেন। ১৯৪১ সালের ২৬ আগস্ট লাহোরে জামাতে ইসলামির গোড়াপত্তন। মওদুদী জামাতে ইসলামির প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম আমির। তিনি পাকিস্তানের বিরোধিতা করেন, জাতীয়তাবাদের কারণে তিনি মনে করতেন এটা ইসলামসম্মত নয়। মওদুদী লাহোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করে তার লেখায় সম্ভাব্য পাকিস্তানকে ‘নাপাক-স্থান’ হয়ে পড়ার কথা বলেন।
- ইসলামিক রাষ্ট্র ও জনগণ : তার মতে মানুষের মধ্যে জন্মগতভাবেই দুর্বলতা রয়েছে যে কারণে মানুষ
-
প্রাচীন পৃথিবীর সনাতন বিশ্বাস অনুসারে মানুষ ভাবত যে পৃথিবীর সবকিছুই পরিচালিত হয় এক ধরনের অপার্থিব সত্ত্বা দ্বারা। তাদের বলা হয়ে থাকে দেবতা এবং তাদের বাস আকাশে। তারা বিশ্বের প্রতিটি জীবজন্তু, মানুষ—এমনকি প্রেম, ভালোবাসা, যুদ্ধ, সংঘাত ইত্যাদি সবকিছুকেই নিয়ন্ত্রন করেন। যদি তারা আমাদের ওপর খুশি থাকে, তাহলে আমরা পাই পর্যাপ্ত খাদ্য, পশু ও সম্পদ। আর যদি তারা আমাদের ওপর অসন্তুষ্ট হয়, তাহলে আমাদের ওপর নেমে আসে বন্যা, খরা, দুর্ভিক্ষ, মহামারী, ভূমিকম্প ইত্যাদি দুর্বিপাক। আর তাই স্তোত্র ও উৎসর্গের বিনিময়ে দেবতাদের তুষ্ট রাখতে সর্বদা নিয়োজিত থাকত যাজক ও পুরোহিতদের বিশাল এক বাহিনী।
কিন্তু আজ থেকে আড়াই হাজার বছর আগে একটি আশ্চর্যজনক ঘটনা
-
রোকেয়া যতটা উচ্চারিত, তার খুব সামান্যই পঠিত এবং গৃহীত। কারণ আজও তিনি নানা খণ্ডীকরণের খপ্পড়ে অবরুদ্ধ। ‘মুসলিম নারী শিক্ষার অগ্রদূত’, ‘নারী জাগরণের প্রতীক’, ‘মুসলিম সমাজ সংস্কারক’, ‘ইসলামী নারীবাদী’, ‘আমূল নারীবাদী’, ‘বিশিষ্ট মুসলিম লেখিকা’ ইত্যাদি নানা পরিচয়ে রোকেয়ার সংকোচন ঘটেছে। তার কালের জাতীয় ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সামগ্রিকভাবে রোকেয়ার মূল্যায়ন এখনও অনুপস্থিত।
এই কারণেই বোধ হয় ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত শামসুন নাহার মাহমুদ রচিত ‘রোকেয়ার জীবনী’ গ্রন্থের ভূমিকায় প্রখ্যাত সাহিত্যিক পণ্ডিত অধ্যাপক সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন—“কিন্তু রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাস্তবিক যে কত বড় ছিলেন, তাহা বাহিরের লোকেদের কাছে অজানা রহিয়া গেল। এই অজানার অন্ধকার আমাদের আদৌ কাটেনি বরং রোকেয়া দিবস, রোকেয়া পদক, রোকেয়ার
-
১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় আসে বাংলাদেশে। বিজয়ের এই অলৌকিক আনন্দের মূল্য ছিলো মহান আত্মত্যাগ, দেশপ্রেম আর অসীম সাহসের এক অনুপম সমাবেশ। দীর্ঘ নয় মাস ধরে চলে মুক্তিযুদ্ধ...বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায়। আর এর পেছনে দেশের অগণিত মানুষের ভূমিকাকে যেমন খাঁটো করে দেখা যাবে না, তেমনি খাটো করা যাবে না এদেশে জন্ম নয় এমন কিছু মানুষের অবদানও। জন্মগতভাবে বিদেশী হলেও, দেশের সেই অক্লান্ত সংগ্রামের সময়ে তারা বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন অপার মমতায়।
তাদের কেউ লড়েছেন শিল্প-সংস্কৃতির ক্ষেত্রে, কেউ বা কূটনৈতিক ভাবে, কেউ বা আবার হাতে তুলে নিয়েছিলেন অস্ত্র। স্বাধীনতার ৪৪তম বার্ষিকীতে আমরা বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই লাল-সবুজের সেইসব অকৃত্রিম বন্ধুদের। আমি সংক্ষিপ্তভাবে
-
[লেখাটি প্রকাশিতব্য সংকলন গ্রন্থ “ইরানের কমিউনিস্ট আন্দোলন ও তুদেহ পার্টি”-এর জন্য লিখিত ভূমিকা]
১৯১৭ সালে সোভিয়েত বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বিপ্লবের ঢেউ দেশে দেশে আছড়ে পড়তে থাকে। সে জোয়ার থেকে বাদ যায়নি ইরানও। ইরানের বন্দর-ই আনজালিতে সে দেশের কমিউনিস্ট পার্টি গঠিত হয় ১৯২০ সালের ২২ জুন—সে হিসেবে শতবর্ষী। এমনকি ভারতবর্ষের কমিউনিস্ট আন্দোলনের চেয়েও পুরনো। কিন্তু ইরানে শ্রমিক ও বিপ্লবী আন্দোলনের সূচনা উনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে। সেই সময় ও বিংশ শতাব্দীর গোড়াতেই পুঁজিবাদী উৎপাদন ও শিল্পের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মার্কসবাদী ভাবাদর্শও ইরানে পথ খুঁজে নেয়। প্রথম মহাযুদ্ধ পর্যন্ত ইরানে দুটি সাম্রাজ্য রাজ করত—উত্তর ইরানে জার শাসিত রাশিয়া আর আফগান সীমান্তের দক্ষিণ অংশে
-
১৯৪২ সালের লাহোরের “আদবে-লতিফ” উর্দু মাসিকের বার্ষিক সংখ্যায় আমার “কালো সেলোয়ার” নামক একটি গল্প প্রকাশিত হয়, অনেকে একে অশ্লীল বলে মনে করে থাকে। আমি তাদের ভ্রান্তধারণা দূরীভূত করার উদ্দেশ্যে এই প্রবন্ধ লিখছি।
গল্প লেখা আমার পেশা। গল্প লেখার স্টাইল আমি সম্যক অবগত আছি এবং ইতিপূর্বে এই বিষয়বস্তু নিয়ে বেশ কয়েকটি গল্প লিখেছি। এদের একটি গল্পও অশ্লীল নয়। আগামীতেও গল্প লিখব, তা অশ্লীল হতে পারে না।
গল্প বলার প্রথা বাবা আদমের আমল থেকে প্রচলিত। আমার মতে, এই গল্প বলা কেয়ামত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে এবং এর পট পরিবর্তন হতে থাকবে। মানুষের নিজের আবেগ ও অনুভূতিকে প্রকাশ করার ও অন্যকে জানানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত
-
সত্যিকার বাস্তব খবরের চাইতে অমূলক বাজার-গুজবের প্রতিপত্তি যেমন প্রবল, স্পষ্ট ও প্রত্যক্ষের তুলনায় অস্পষ্ট ও অনির্দিষ্টের মোহপ্রভাব তেমনি অনেক বেশি। স্পষ্টভাবে যাহাকে দেখি শুনি ও জানি, তাহাকে নাড়িয়া-চাড়িয়া দু'কথায় তাহার নাড়ীনক্ষত্রের হিসাব ফুরাইয়া যায়, কিন্তু যাহাকে ধরা যায় না, ছোঁয়া যায় না, সম্ভব-অসম্ভব নানা ডাল-পালায় পল্লবিত হইয়া সে মনের কল্পনাকে ভরাট করিয়া রাখে। তাই প্রত্যক্ষ আলোকের চাইতে অস্পষ্টতার আবছায়াই মনের মধ্যে অধিক সম্ভ্রমের সঞ্চার করে। স্পষ্ট শাসনের ভয়ে যে শিশু বিব্রত হয় না, সেও দেখি “জুজু” নামক অনির্দেশ্য পদার্থটিকে যথেষ্ট খাতির করিতে জানে।
এই অস্পষ্টতার আবরণ দিয়া মানুষ জীবনের সকল ক্ষেত্রেই নানারকম জুজু গুষিয়া থাকে। কতকগুলি পরিচিত নাম বা দু-দশটা
-
আমরা যখন নানাকে দেখি তখন তার অনেক বয়স হয়ে গেছে। তখন আইন ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। প্রচুর অর্থ উপার্জন করেছিলেন ঐ ব্যবসায়। অনেক জমিজামা করা ছাড়াও তিনি ভুবনঘরের মতো অজপাড়াগায়ে নিজেদের থাকার জন্য চকমিলানো বিশাল এক অট্টালিকা নির্মাণ করেছিলেন। নানার কথা আমার খুব বেশি মনে নেই। ফরসা টকটকে রঙ ছিল তার। খুবই শান্ত প্রকৃতির, কোমল স্বভাবের, দয়ালু। খুব কম কথা বলতেন। সে তুলনায় নানী ছিলেন প্রবল ব্যক্তিত্বময়ী, আলাপচারিতায় নিপুণ, স্নেহময়ী, প্রয়োজনে কঠোর শাসক। ভুবনঘরের নানাবাড়িতে অনেক আনন্দময় দিন কেটেছে আমাদের। বিশাল দোতলা বাড়ি, সে আমলের কথা অনুযায়ী বড় বড় উঁচু ছাদওয়ালা ঘর, চওড়া বারান্দা। দোতলার ঘরগুলোর সামনের দিকে বেশ খানিকটা
-
রণেশ দাশগুপ্ত—আমাদের রণেশদা'র সঙ্গে আমার পরিচয় হয় যশোর জেলে। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আমাকে পাঠানো হলো যশোর জেলে ১৯৫০ সালের অগাস্ট মাসে। সেখানে গিয়ে রাজবন্দি হিসেবে পেলাম বরিশালের নুটু ব্যানার্জি, আর ঢাকার রণেশ দাশগুপ্ত ও দেবপ্রসাদ মুখার্জিকে। ১২ নং ওয়ার্ডের দোতলায় বেশ একটা বড়সড় প্রশস্ত কক্ষে আমাদের রাজবন্দিদের রাখা হতো। সাজাপ্রাপ্ত রাজবন্দিরা ছিলেন পৃথক ওয়ার্ডে। রণেশদার নাম আগে শুনেছি। সম্ভবত ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে ঢাকার সদরঘাটের গীর্জাসংলগ্ন এক মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভায় অধ্যাপক অজিত গুহ ও রণেশদা ছিলেন বক্তা। সেখানে তিনি ব্যাখ্যা করছিলেন সমাজবিজ্ঞানের তত্ত্বটি শ্রমের সঙ্গে সংস্কৃতির সম্পর্ক।
তারপর ১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলনে রণেশদা গ্রেফতার হন। আন্দোলন শেষে
-
অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে রক্তাক্ত পথ বেয়ে এসেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। ১৯৫০ সালের তেভাগা, নানকার, টংকের কৃষক বিদ্রোহ ’৪৮, ৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ’৫২-এর সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারের রক্তে রক্তাক্ত মহান একুশের জন্য। ২১ দফার ভিত্তিতে হক, ভাসানী, সোহরাওয়ার্দীর ’৫৪-তে যুক্তফ্রন্টের ধস নামানো বিজয়, মুসলিম লীগের ভরাডুবি। যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ও আমলাতন্ত্রের চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র। ৫৮’র মার্শাল ল’, জেনারেল আইয়ুবের ক্ষমতা দখল। ’৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৪-তে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে সম্মিলিত বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর বোন মাদার এ মিল্লাতের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা, পূর্ব পাকিস্তানে (আজকের বাংলাদেশ) জনজোয়ার। কিন্তু অপ্রত্যক্ষ নির্বাচনের কারণে অর্থাৎ ইউনিয়ন কাউন্সিলের মেম্বারদের ভোটে
-
প্রাণিজগতের বিবর্তনে প্রথমে ছিল উভলিঙ্গ প্রাণী। বহু এক কোষী প্রাণী এখনো আছে যাদের মধ্যে যৌন পার্থক্যের প্রশ্ন অবান্তর এবং তারা এককভাবেই নিজেকে পুনরুৎপাদনের মাধ্যমে (কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া দ্রষ্টব্য) আপন বংশবৃদ্ধি করতে সক্ষম।
কিন্তু প্রাণের বিবর্তনের অপেক্ষাকৃত উন্নত স্তরে আমরা বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর মধ্যে ক্রমেই দুই ধরনের প্রাণিসত্তার সাক্ষাত পাই: মেয়ে প্রাণী এবং ছেলে প্রাণী। তবে এ পরিবর্তনও খুব ধীরে ধীরে হয়েছে। অনেক সময় এখনো নিচু স্তরের প্রাণীর ক্ষেত্রে তাদের বাইরে থেকে দেখে ছেলে-মেয়েতে পৃথক করা যায় না। যেমন সেদিন আমার বাসায় ‘বোগানভালিয়া’ চারা এনে লাগিয়ে অনেকদিন পরে টের পাওয়া গেল যে গাছটি ছেলে গাছ এবং ফুল ফোটাতে অক্ষম। বাইরে থেকে
ক্যাটাগরি
উৎস
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- প্রক্রিয়াধীন
- বিজ্ঞানচেতনা
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- প্রসঙ্গ মৌলবাদ
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
- আলোর উদ্দাম পথিক
- বিজ্ঞান পাঠ
- পরিচয়
- কথা পাঞ্জাব
- শহরের ইতিকথা
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- বাংলাদেশ ’৭৩
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- বঙ্গ বাংলা বাংলাদেশ
- মূল্যায়ন
- লেখকদের প্রেম
- যুগবাণী
- সুকান্তসমগ্র
- সংস্কৃতির রূপান্তর
- শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে
- বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন
- সাপ্তাহিক বিচিত্রা
- বনে পাহাড়ে
আর্কাইভ
- ২০২৬ (২৩)
- ২০২৫ (১৫)
- ২০২৪ (৪)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (১)
- ২০২১ (১)
- ২০১৭ (২)
- ২০১৬ (৪)
- ২০১৫ (১৮)
- ২০১২ (১)
- ২০১১ (৭)
- ২০১০ (১)
- ২০০৬ (২)
- ২০০৪ (৫)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৫ (১২)
- ১৯৯২ (২)
- ১৯৮৮ (১)
- ১৯৮৬ (৮)
- ১৯৮৪ (৫)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৬ (১)
- ১৯৭৩ (৪)
- ১৯৭২ (১)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৭০ (১৩)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬০ (২)
- ১৯৫৬ (২)
- ১৯৫৫ (৯)
- ১৯৫১ (১)
- ১৯৪৫ (১)
- ১৯৪৪ (১)
- ১৯৩১ (১)
- ১৯২২ (২১)
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অরুণ সেন (১)
- আকবর উদ্দীন (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আসাহাবুর রহমান (৫)
- আহমদ কবির (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৫)
- এম এম আকাশ (১)
- এহসান হায়দার (২)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কল্পতরু সেনগুপ্ত (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (২১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কাশীনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- কিওকো নিওয়া (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- খায়রুল হাসান জাহিন (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিত্রা দেব (১)
- জগৎ ঘটক (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- জয়নাল হোসেন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- পাভেল পার্থ (২)
- পারভেজ আমির আলী হুডভয় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২৭)
- প্রতিভা বসু (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৯)
- মন্মথ রায় (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাহবুব হাসান (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৯)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শামসুন নাহার মাহমুদ (১)
- শাহরিয়ার কবির (২)
- শাহীন রহমান (১)
- শিশির কর (১)
- শেখর বসু (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৩)
- সামির আমিন (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন বসু (১)
- হাসান তারেক (৫)
- হাসান মুরশিদ (১২)
- হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.