সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
ইভান্ পেত্রোভিচ, পাভলভ, (১৮৪৯-১৯৩৬) আমাদের দেশে এখনও অপরিচিত বললেই চলে। তাঁর ‘কন্ডিশন্ড্-রিফ্লেক্স’ কথাটি অল্পাধিক জানা আছে অনেকের কিন্তু এর সঠিক তাৎপর্য এবং চিকিৎসা-বিজ্ঞান, শিক্ষাবিজ্ঞান, ভাষাবিজ্ঞান ও প্রধানত মনোবিজ্ঞানের উপর পাভলভের এই ‘কন্ডিশন্ড্-রিফ্লেক্স’ আবিষ্কারের প্রভাব সম্বন্ধে আমাদের দেশের পণ্ডিত ব্যক্তিরাও সম্পূর্ণ সজাগ নন।
মনোবিজ্ঞান এই সেদিনও দর্শনশাস্ত্রের আওতার মধ্যে আটকা ছিলো। সত্যিকারের বিজ্ঞানের পর্যায়ে আসবার ও স্বাতন্ত্র্য লাভের চেষ্টা দেখতে পাই ১৮৭৮ খ্রীষ্টাব্দের পর থেকে। এই সময় জার্মানীতে ওয়েবার, মুলার, হেল্মহোজ প্রভৃতি ফিজিওলজিষ্টরা দর্শন ও শ্রবণইন্দ্রিয় বিষয়ক বহু নতুন তথ্য আবিষ্কার করেন, ইংলণ্ডে “Expression Of The Emotions In Men And Animals” বইখানি এই সময় প্রকাশিত হয় এবং ১৮৭৯ খৃষ্টাব্দে জার্মানীতেই ভোকনার
-
সত্যিকার বাস্তব খবরের চাইতে অমূলক বাজার-গুজবের প্রতিপত্তি যেমন প্রবল, স্পষ্ট ও প্রত্যক্ষের তুলনায় অস্পষ্ট ও অনির্দিষ্টের মোহপ্রভাব তেমনি অনেক বেশি। স্পষ্টভাবে যাহাকে দেখি শুনি ও জানি, তাহাকে নাড়িয়া-চাড়িয়া দু'কথায় তাহার নাড়ীনক্ষত্রের হিসাব ফুরাইয়া যায়, কিন্তু যাহাকে ধরা যায় না, ছোঁয়া যায় না, সম্ভব-অসম্ভব নানা ডাল-পালায় পল্লবিত হইয়া সে মনের কল্পনাকে ভরাট করিয়া রাখে। তাই প্রত্যক্ষ আলোকের চাইতে অস্পষ্টতার আবছায়াই মনের মধ্যে অধিক সম্ভ্রমের সঞ্চার করে। স্পষ্ট শাসনের ভয়ে যে শিশু বিব্রত হয় না, সেও দেখি “জুজু” নামক অনির্দেশ্য পদার্থটিকে যথেষ্ট খাতির করিতে জানে।
এই অস্পষ্টতার আবরণ দিয়া মানুষ জীবনের সকল ক্ষেত্রেই নানারকম জুজু গুষিয়া থাকে। কতকগুলি পরিচিত নাম বা দু-দশটা
-
লেখক: কাজল বন্দোপাধ্যায়ায়
১৯৮৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত হয় 'ভাষা শহীদ গ্রন্থমালা'। এই গ্রন্থমালার বই স্বপ্ন লেখার দায়িত্ব পেয়ে আমি যেমন সম্মানিত বোধ করি, তেমনি উদ্বিগ্ন। বিষয়টির নানা দিক ও মাত্রা রয়েছে। বিষয়টিকে সম্পূর্ণ বিজ্ঞানসম্মতভাবে উপস্থিত করাও ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। 'স্বপ্ন' বিষয়টি মনোবিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু মনোস্তত্ত্বের বস্তুবাদী ধারার সঙ্গে তখনও আমার পর্যাপ্ত পরিচয় ঘটেনি। আমাদের দেশের জ্ঞানবিজ্ঞানের এলাকায় মনোবিজ্ঞানী হিসেবে ফ্রয়েড, ইয়ুং, এ্যাডলারদেরই জয়-জয়কার; শিল্পসাহিত্যেও ফ্রয়েডীয় ভাবধারার বিশাল, প্রায় একচ্ছত্র প্রভাব। এমনকি মার্ক্সবাদীরাও দেখেছি ফ্রয়েডীয় মনোস্তত্ত্বের ভাববাদী চরিত্র সম্পর্কে অবগত নন। এরূপ একটি পরিস্থিতিতে শ্রদ্ধেয় যতীন সরকার আমাকে অত্যন্ত বড় সাহায্য করেন। তিনিই আমাকে বলেন শ্রী
-
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সবেমাত্র স্বাধীন হয়েছে।
যারা মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ দিয়েছে তাদের স্মৃতি তখন উড়তে শেখা পাখির বাচ্চার মতো, বুঝি তা অনন্ত ভবিষ্যতের অভিসারী। দখলদার পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর বাছাইকরা খুনেরা যে হাজার হাজার মেয়ের ইজ্জত নষ্ট করেছিল তাদের বীরাঙ্গনা বলা হচ্ছে এবং তারা সামাজিকভাবে সমাদর পাচ্ছে। পথে প্রান্তরে ছড়িয়ে থাকা কঙ্কাল আর করোটি সরিয়ে ফেলা হলেও সেগুলো কারও মন থেকে সরে যায়নি। ঢাকায় শহীদ মিনারের চত্বর থেকে শুরু করে বুড়িগঙ্গার বাঁধ পর্যন্ত রাস্তার আশেপাশে দখলদার বাহিনী আগুন লাগিয়ে যেসব এলাকা পুড়িয়ে দিয়েছিল সেগুলোর অঙ্গার তখনো যেন কালো কালে৷ আঙ্গুলে শহরের আকাশকে বিঁধছে। এই অবস্থায় ৭১-এর ২৬শে মার্চের স্বাধীনতা দিবসের সমস্ত অনুষ্ঠানে ঐকান্তিকতার
-
গুরুদয়ালের পায়ে ব্যথা, হাঁটিতে কষ্ট হয়। তবু না হাঁটিলে বুঝি তার চলে না? সকালবেলা বাহির হইয়া যায়। কোনোদিন দুপুরে ফিরে, কোনোদিন ফিরেও না। কোনোদিন সূর্যের অস্তগমনের সঙ্গে সঙ্গে গ্রামে ফিরে, ফিরিয়া হয়তো অপরিচ্ছন্ন বিছানাটা হাতড়াইয়া দেশলাই বাহির করিয়া 'ডিবা' জ্বালিল, না-হয় তো বাড়ির পূব দিককার নিমগাছটার তলায় হাত-পা ছড়াইয়া দিয়া গান ধরিল:
রাধে, রাধে গো রাধে,
তোর লাগি মোর পরাণ কাঁদে;
নইলে কি আর কালো শশী
অতি সাধের চূড়া বাঁশী
অই চরণে তুলে দিল সাধে,
রাধে, রাধে গো রাধে...
বাড়ির একমাত্র অধীশ্বর সে। সে ছাড়া এবাড়িতে আর একটিও জীবন্ত প্রাণী নাই। কাজেই তার এই স্বেচ্ছাচারিতা। কেহই বাধা দেয় না।
প্রতিবেশীদের
-
দূর ছাই। জায়গাটা তাকে ছাড়তেই হবে। তমোনাশ রায়ের আর একটা দিনও ইচ্ছা করে না এখানে থাকতে। কী নিয়ে থাকে সে এখানে? কী এখানে আছে? ভোঁস ভোঁস করে এক-একটা ট্রেন আসে; হাত-পা ছুড়ে যেন অচল হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। কোনোটা পাঁচ মিনিট, আর কোনোটা দু-মিনিট দাঁড়িয়ে থেকে আবার স্টার্ট দেয়। ক্ষুদ্র প্ল্যাটফর্মে সংখ্যায় অপ্রচুর যাত্রী-যাত্রিনীরা ভিড় করে। বেরোবার একটা লোহার গেট আগলে তমোনাশ আগে থেকেই দাঁড়িয়ে থাকে। তারা তার সঙ্গে বোঝাপড়া করে, কাকুতি করে, আবার বচসাও করে, বলে, ধনেখালির টিকেট করে ফকিরের হাটে কেন নেমেছি, শুধচ্ছো বাবু! আমরা গরিব, আমরা খেতে পাই না, এক বেলা খাই, তো দুবেলা উপোস করে থাকি।
আমরা
-
লেখক: এস এম আজিজুল হক শাজাহান
২৪ পরগণা জেলার আড়বেলিয়া গ্রামের বসন্তকুমারী দেবী ও দীনবন্ধু ভট্টাচার্যের দ্বিতীয় সন্তান নরেন ভট্টাচার্য, পরবর্তীকালে যিনি মানবেন্দ্রনাথ রায় নামে পরিচিত, তাঁর সমস্ত জীবনটাই ছিল একটি ঘূর্ণিঝড়। ঝড়ের পাখী (আলব্যাট্রস্য)’র মতই ছিল তাঁর জীবনকাল। মানব মুক্তির জন্য প্রায় গোটা পৃথিবী মন্থন করে পৃথিবীর জ্ঞান ভান্ডারকে অজস্র মনিমুক্তায় সমৃদ্ধ করে পরিশেষে অকস্মাৎ দেরাদুনের ছোট্ট একটি নীড়ে সেই পাখীর পাখার ঝাপটা হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়, শুদ্ধ হয়ে যায় তাঁর প্রাণ প্রদীপ। সে আজ থেকে প্রায় ৩০ বছর পূর্বের কথা—১৯৫৫ সালের ২৫শে জানুয়ারী। তিনি যখন মারা যান তখন তিনি ভারতের রাজনীতিতে ছিলেন প্রায় সম্পূর্ণ পরিত্যাক্ত—স্তব্ধ বিসুভিয়াসের মত। আজ
-
বিগত সংসদ নির্বাচনের আগে-পরে কয়েকটি সাময়িকীতে কিছু জানা-অজানা, রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক ব্যক্তি হঠাৎ করে যেন সিপিবির রাজনীতি নিয়ে সমালোচনায় মুখর হয়ে উঠেছেন। কয়েকটি পত্রিকায় বুর্জোয়া প্রচারণার ধারায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির বিগত দিনের ভূমিকার উগ্র সমালোচনা করা হয়েছে। যেমন,ইত্তেফাকগোষ্ঠীরসাপ্তাহিক রোববারেবাসন্দ্বীপনামক সাময়িকীতে এ ধরনের কিছু লেখা প্রকাশিত হয়েছে। বুর্জোয়া, প্রতিক্রিয়াশীল মহলগুলো থেকে কমিউনিস্টদের প্রতি সমালোচনার ঢঙে আক্রমণ নতুন কিছু নয়। এসব সমালোচনায় সারবস্তুও থাকে কম। তাই এসব লেখা পাল্টা সমালোচনার যোগ্যতাও রাখে না। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি পুঁজির শোষণ ও শাসন উচ্ছেদ করে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত লক্ষ্যে যে দৃঢ় সংগ্রাম পরিচালিত করছে, সেটাই এ ধরনের বুর্জোয়া ধাঁচের সমালোচনার মোক্ষম
-
এই ভাঁটফুলের দেশে সাদাকালো[১]জীবনেও নিয়মকরে ফাগুন আসে। সে ফাগুন নতুনের বারতা পৌঁছে দেয় সর্বত্র। আমাদের সাদাকালো-নিরুপদ্রব গাঁয়েও ফাগুনের আগুন আর গোপন থাকে না। সে আগুন ছড়িয়ে পড়ে গ্রামের আনাচে-কানাচে—পথে-প্রান্তরে। শিমুল-মান্দারের শাখায় শাখায় রক্তিম সে আভা দৃশ্যমান হয়। সত্য বলতে—আমাদের গ্রামটি দেশের অন্যান্য হাজারো গ্রাম থেকে সামান্যও আলাদা নয়, বরং আরও বেশি সাধারণ। গ্রামের পাশ দিয়েই অবাধে বইয়ে চলা ব্রহ্মপুত্রের শান্ত-শীতল জল তীরবর্তী গ্রামগুলিকে সাজিয়েছে এক অনন্য সজীব-নীরবতায়। যে নীরবতায় পাখির কোলাহল আর একঘেয়ে ঝিঁঝিঁর ডাককেও নৈঃশব্দ বলে মনে হয়। প্রমত্ত ব্রহ্মপুত্র আজ বয়সের ভারে ন্যুজ। তাই তার আগের রুদ্রমুর্তি আর নেই, এখন সে ক্ষয়িষ্ণু। খরা মৌসুমে নদীতে আর
-
ক. জাতি: একাত্মতা ও প্রতিবেশ
যে জাতির কথা আমরা বলছি তার জনসংখ্যা হচ্ছে আট কোটি। ঈশ্বরের কৃপায় ২০০০ খৃষ্টাব্দে এই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াবে ১৫ কোটিতে। মোট এলাকার পরিমাণ প্রায় ৫৫ হাজার বর্গমাইল এবং আমরা ধরে নিচ্ছি ২০০০ খৃষ্টাব্দেও তা ৫৫ হাজার বর্গ মাইলেই থাকবে। এটি হচ্ছে সম্ভবতঃ বিশ্বের সবচাইতে জনবহুল ৫৫ হাজার বর্গমাইল। প্রক্রিয়াজাত, অর্ধ প্রক্রিয়াজাত বা অপ্রক্রিয়াজাত সব ধরণের উৎপাদনের পরিমাণ আমাদেরকে বিশ্বের সবচেয়ে কম মাথাপিছু আয়ের দেশে পরিণত করে রেখেছে। এইসব অবধারিত সত্যের ক্ষেত্রে নীতিগত সিদ্ধান্তের ব্যর্থতাই বিভিন্ন মহল কর্তৃক এদেশ সম্পর্কে আন্তর্জাতিক ভিক্ষার ঝুলি বা এ ধরণের জ্বালাময়ী ব্যাঙ্গোক্তি প্রয়োগের সুযোগ এনে দিয়েছে।
যে সব জাতি বর্তমানে
-
প্রত্যেককে বিশ্বাস করা বিপজ্জনক কিন্তু কাউকে বিশ্বাস না করা আরও বেশি বিপজ্জনক।—আব্রাহাম লিংকন
বাঙালি মাত্রেই অপচয়ের ক্ষেত্রে অনেক সময় এ প্রবচনটি উচ্চারণ করে থাকেন—‘লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন।’ কোনো ধনী আত্মীয়ের ওপর নির্ভর করে কেউ দুহাতে টাকা ওড়ালে আমরা তখন বলি-চিন্তা কী খরচ করে যান, লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন। তবে প্রবচনের মানুষটি সম্পর্কে সবাই জানতে আগ্রহী—কে এই গৌরী সেন? এ রকম একজন উদার দানশীল মানুষ আসলেই কি এদেশে ছিলেন? জবাব হচ্ছে, হ্যাঁ এমন একজন ছিলেন। তিনি ছিলেন অনেকের ভরসাস্থল। তার কাছে কেউ টাকা চাইলে তিনি ফেরাতেন না, তাকে তিনি কোনো প্রশ্ন ছাড়াই টাকা দিতেন।
এই লোকটির নাম হচ্ছে গৌরীকান্ত
-
৭ অক্টোবর ২০২৩ : ফিরে দেখা
ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস গত বছর ৭ অক্টোবর ‘অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’ নামে ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালায়। হামলায় তারা সীমানা পেরিয়ে স্থল অভিযানের পাশাপাশি সমুদ্র দিয়ে ও আকাশপথে হালকা উড়োযান ব্যবহার করে। হামলায় ১২০০ জন নিহত হয়, যার বেশিরভাগই ছিল বেসামরিক নাগরিক। এছাড়াও ২৫১ জনকে জিম্মি করে। ঘটনাটি এতই আকস্মিক ও পরিকল্পিত ছিল যে ইসরাইলি গোয়েন্দারা বিষয়টি সম্পর্কে আঁচ করতে পারেনি। এরপর ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ‘ভয়ংকর প্রতিশোধ’ নেওয়ার কথা বলে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ‘অপারেশন আয়রন সোর্ড’ নামে পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইসরাইল। এখানেও ইসরাইলি হামলায় হত্যাযজ্ঞের শিকার হচ্ছে অসংখ্য ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- ছোটগল্প
- বইমেলা
- আন্দোলন
- গদ্য
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- পাকিস্তান
- ভারত
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- মুক্তিযুদ্ধ
- চট্টগ্রাম
- রবীন্দ্রনাথ
- বাংলা
- ভাষণ
- অনুবাদ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- শিশুতোষ
- বই
- লালন
- কবিতা
- জীবনী
- নজরুল
- রমন্যাস
- লেখক
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- বিজ্ঞান
- ব্যাঙ্গাত্মক
- কিশোর
- যুদ্ধ
- ঢাকা
- বিজ্ঞানী
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- স্মৃতিকথা
- নদী
- ফুল
- পশ্চিমবঙ্গ
- বঙ্গবন্ধু
- ভাষা
- সমাজ
- গবেষণা
- সিলেট
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- ভৌতিক
- কারুশিল্প
- পুঁজিবাদ
- অর্থনীতি
- জাতীয়
- জাতীয়তাবাদ
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- অভ্যুত্থান
- ছাত্র আন্দোলন
- দুঃসাহসিক
- সমালোচনা
- নারী
- বিশ্ববিদ্যালয়
- ইংরেজি
- গণহত্যা
- সাংবাদিকতা
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- যুক্তরাষ্ট্র
- সংবাদ
- রাশিয়া
- সাম্রাজ্যবাদ
- খুলনা
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- রূপকথা
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- আত্মজীবনী
- আলোচনা
- আর্টিস্ট
- সরকার
- অতিপ্রাকৃত
- লোককাহিনী
- ভূমিকা
- ফ্যাসিবাদ
- চিরায়ত
- রংপুর
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- কলকাতা
- আইন
- সংবিধান
- শৈশব
- চিঠি
- ময়মনসিংহ
- গান
- বিপ্লব
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪০)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (২)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৮)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.