সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
লেখক: ড. তাইবুল হাসানলেনিনের নেতৃত্বে রাশিয়ায় বলশেভিক পার্টি' যে সফল সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব করেছে তা'কোন আকস্মিক ঘটনা নয়। লেনিনের রচনায় স্পষ্ট প্রতিয়মান যে এই বিপ্লবের পশ্চাতে রয়েছে রুণ বিপ্লবী আন্দোলনের সুদীর্ঘ ইতিহাস। বুর্জোয়া কিছু ইতিহাসবিদ সমাজবিজ্ঞানীরা বস্তুনিষ্ঠতার পরিবর্তে রুশ বিপ্লবের ইতিহাসকে বিকৃত করে মূলতঃ সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের গভীরতাকে খাট করে দেখার চেষ্টা করেছেন। তারা বলশেভিক বিপ্লবকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মুষ্টিমেয়দের ক্ষমতা দখল বলে অভিহিত করেছেন। আলোচ্য অধ্যায়ে লেনিনের রচনার আলোকে রুশ বিপ্লবী আন্দোলনের ঐতিহাসিক দ্বন্দ্ব এবং শ্রেণী সংগ্রামের তীব্রতার চূড়ান্ত পর্যায়ে রাশিয়ার শ্রমিক কৃষক ও মেহনতী মানুষরা যে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে তার পূর্বকথা আলোচিত হয়েছে।রাশিয়ার বিপ্লবী আন্দোলনের ইতিহাসকে লেনিন তিনটি অধ্যায়ে
-
ভৈরব নদের পশ্চিম তীরে ছবির মত সুন্দর সাজানো শহর খুলনা। এই শহর গড়ে ওঠে ইংরেজ আমলে। কিন্তু প্রাচীন খুলনা ছিল নদীর অপর পারে। এক সময় সেখানে ছিল বিখ্যাত খুল্লনেশ্বরীর মন্দির। এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন প্রাচীন বাংলার এক ধনী বণিক, সারা দেশ জুড়ে ছিল তাঁর ব্যবসা-বাণিজ্য-সমুদ্র পাড়ি দিয়ে যাঁর বাণিজ্যতরী চলে যেত সিংহল, স্বর্ণদ্বীপ, যবদ্বীপ, আরো কত দ্বীপ-দ্বীপান্তর। লক্ষ্মীর ঝাঁপি ভরে উঠত ধন-রত্নে, সমৃদ্ধ হত দেশ। বাংলার সে এক স্বর্ণযুগ। ইনি হলেন কবিকঙ্কন মুকুন্দরামের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে বর্ণিত সেই ধনপতি সওদাগর। ধনপতির দুই স্ত্রী—লহনা ও খুল্লনা। ভক্তিমতি সতী-লক্ষ্মী স্ত্রী খুল্লনার নামে তিনি ভৈরবের পূর্ব তীরে প্রতিষ্ঠা করেন খুল্লনেশ্বরী চণ্ডীদেবীর মন্দির। কালক্রমে লোকমুখে
-
মেঘালয়ের তুরাতে এফ জে সেক্টরে মুক্তিবাহিনীর ট্রেনিং সেন্টারে দীর্ঘ আট মাস মোটিভেশনের দায়িত্বে ছিলাম। এই কয়মাসে প্রায় ১৬ হাজার মুক্তিবাহিনীর সদস্য আমার হাত দিয়ে শপথ নিয়ে দেশের অভ্যন্তরে ঢোকে। আমি নিজেও দীর্ঘ চার মাস গেরিলা ট্রেনিং গ্রহণ করি। টাঙ্গাইলের গেরিলা নেতা কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে সর্বপ্রথম আমার প্রত্যক্ষ যোগাযোগ হয়। মুক্তিবাহিনীর ছেলেদের ট্রেনিং গ্রহণ করার পর টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহের ভাল ভাল ছেলেদের সরাসরি কাদের সিদ্দিকীর নিকট পাঠিয়ে দেই।কাদের সিদ্দিকীর জন্য কিছু (উচ্চমানের) অস্ত্রশস্ত্র পাঠানোর ব্যাপারে আমি ভারতীয় উক্ত সেক্টরের বিগ্রেডিয়ার সাচ্চু সিংহের সঙ্গে দেনদরবার করি। এই খবর পাক বাহিনী পায়। ফলে আমার স্ত্রী-পুত্র-পরিবারকে বন্দী করে তাদেরকে কঠোর ইন্টারগেশন করে। অবশ্য অন্য কোন
-
সেই কতোদিন আগের কথা ৷
তখন রাজা ছিল, বাদশা ছিল। ছিল উযির-নাযির, সিপাই-সান্ত্ৰী আরো কতো কি!
সেই সব রাজা-বাদশার আবার নানান রকম খেয়াল থাকতো। তাদের আনন্দ দানের জন্য থাকতো নানান ধরনের খেলার আয়োজন। এমনি ধরনের খেলা ছিল হাতীর লড়াই।
হাতীর লড়াই?
হ্যাঁ হাতীর লড়াই। দুই প্রকাণ্ড হাতীকে লাগিয়ে দেওয়া হতো লড়াইয়ে। একটা আরেকটাকে দেখে রেগে যেতো, তারপর ঝাঁপিয়ে পড়তো অন্যটির উপর।
প্রায় সাড়ে তিন শ বছর আগে এমনি এক হাতীর লড়াই হয়েছিল যমুনা নদীর তীরে আগ্রার দুর্গের প্রাঙ্গণে।
রাজা এসে বসেছেন প্রাসাদের অলিন্দে। হাতীর লড়াই দেখবেন তিনি সেই খোলা বারান্দায় বসে। সঙ্গে তাঁর জনাকয় পারিষদ।
রাজার চার ছেলে কিন্তু লড়াই
-
‘হযরত হাসানের পবিত্র মাযার যেন আমার তরফ থেকে এক টুকরো কাপড়ে ঢেকে দেওয়া হয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় টাকা রাখা আছে আমার পুত্র শাহ্জাদা আযমের কাছে। টুপি সেলাই করে আমার উপার্জিত চার টাকা দু’আনা রয়েছে আয়া বেগার কাছে। সে টাকাটা আমার কাফনের জন্য ব্যয় করবে। কুরআন শরীফ নকল করে মজুরি বাবদ যে তিন শ’ পাঁচ টাকা আমি পেয়েছি, তা যাবে আমার নিজস্ব তহবিলে। আমার মৃত্যুর দিনে সে টাকা গরীবদের ভেতর বিলিয়ে দেবে। আমার মাথা অনাবৃত রেখে আমাকে কবর দিও, আমি যেন সর্বশক্তিমান আল্লাহ্র করুণা দেখতে পাই। আমার মৃতদেহ সবচেয়ে কাছের গোরস্থানে বয়ে নিয়ে যাবে। অনাবশ্যক কফিনে না রেখে কবরের মাটিতে শুইয়ে
-
প্রাণিজগতের বিবর্তনে প্রথমে ছিল উভলিঙ্গ প্রাণী। বহু এক কোষী প্রাণী এখনো আছে যাদের মধ্যে যৌন পার্থক্যের প্রশ্ন অবান্তর এবং তারা এককভাবেই নিজেকে পুনরুৎপাদনের মাধ্যমে (কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া দ্রষ্টব্য) আপন বংশবৃদ্ধি করতে সক্ষম।
কিন্তু প্রাণের বিবর্তনের অপেক্ষাকৃত উন্নত স্তরে আমরা বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর মধ্যে ক্রমেই দুই ধরনের প্রাণিসত্তার সাক্ষাত পাই: মেয়ে প্রাণী এবং ছেলে প্রাণী। তবে এ পরিবর্তনও খুব ধীরে ধীরে হয়েছে। অনেক সময় এখনো নিচু স্তরের প্রাণীর ক্ষেত্রে তাদের বাইরে থেকে দেখে ছেলে-মেয়েতে পৃথক করা যায় না। যেমন সেদিন আমার বাসায় ‘বোগানভালিয়া’ চারা এনে লাগিয়ে অনেকদিন পরে টের পাওয়া গেল যে গাছটি ছেলে গাছ এবং ফুল ফোটাতে অক্ষম। বাইরে থেকে
-
ভূমিকা
১৯৯০-এর দশকে কিছুটা আগে-পরে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পূর্ব ইউরোপের বিদ্যমান সমাজতান্ত্রিক দেশগুলিতে বিস্ময়কর দ্রুততার সঙ্গে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক এবং সামাজিক পরিবর্তন সংঘটিত হয়। এসব দেশে কমিউনিস্ট শাসনের অবসান ঘটে এবং নিকৃষ্ট পুঁজিবাদের প্রত্যাবর্তন ঘটে। কেউ কেউ যাকে “ মাফিয়া পুঁজিবাদ” হিসাবে অভিহিত করেছেন। এই দিক থেকে অনেক প্রগতিশীলই একে প্রতি বিপ্লব বলে আখ্যায়িত করেছেন। কারো কারো মতে অবশ্য এই পরিবর্তন ছিল “মন্দ” থেকে অধিক “মন্দে” পরিবর্তন। তারা আমলাতান্ত্রিক সোভিয়েত সমাজতন্ত্রকে ভালো বলতে নারাজ। পরিবর্তনের প্রকৃতি যাই হোক না কেন প্রগতিশীল আদর্শিক জগতে এর একটি বিরাট বিরূপ প্রভাব পড়ে। দেশে দেশে বিপ্লবী আন্দোলন প্রবল আদর্শিক আক্রমণের সম্মুখীন হয়। ঘোষণা করা হয় যে,
-
স্বাধীনতার দামামার শব্দে উত্তরঙ্গ গোটা বাংলাদেশ।
বাড়ীর উঠানে ঢুকতেই মা হঠাৎ ঘোমটা টেনে বসল। ঝোপ দাড়ীওয়ালা কোন বেগানা মরদ অন্দরে ঢুকে পড়েছে। তৌবা !
লাতু তখনই হো হো শব্দে হেসে উঠল এবং দৌড়ে গিয়ে মাকে বুকে জড়িয়ে ধরল, সাথে সাথে উচ্চারণ “মা আমারে চিনত৷ পারলে না? আমি লাতু—।”
হাউমাউ কান্নাসহ সন্তানকে বুকে চেপে জননী কী যে বলতে লাগল বুঝা গেল না। এই নাটকীয় মঞ্চে তখন আরো দর্শক জুটে গেছে। লাতুর ছোট ছোট দুই বোন, বারো বছরের এক ভাই। তারা হকচকিয়ে গিয়েছিল। হঠাৎ মার কান্না, এক অপরিচিত মিলিটারী যদিও মুক্তিযোদ্ধা, অমন কোলাকুলি। সবই অভাবনীয়। তখনই বাপ জবেদ মিয়া কোথা থেকে যে
-
রাশিয়া ছিল শিল্পের দিক থেকে অনুন্নত দেশ। সেই কারণে এ দেশে শ্রমিক আন্দোলনের সূচনা হয় কেবলমাত্র উনিশ শতাব্দীর শেষ দশকের মধ্যে, যখন অন্যান্য বেশ কয়েকটি দেশের শ্রমিক শ্রেণি ব্যাপকভাবে বিপ্লবী সংগ্রাম শুরু করে দিয়েছে—১৮৭১ সালের প্যারি কমিউন ও ১৮৪৮ সালের বিপ্লবের অভিজ্ঞতা তাদের পিছনে। আন্তর্জাতিক শ্রমিক আন্দোলনের মহান বিপ্লবী নেতা মার্কস এবং এঙ্গেলস বিপ্লবী সংগ্রামের মধ্যে থেকে পোক্ত হয়ে উঠেছিলেন। সামাজিক বিকাশের পথ মার্কসবাদ উজ্জল করে তুলেছে, পুঁজিবাদের বিনাশ এবং সে জায়গায় কমিউনিজমের প্রতিষ্ঠা যে অনিবার্য তা প্রকাশ করে দিয়েছে। দেখিয়েছে সমাজের নতুন রূপ বিকাশের পথ। শ্রেণি সংগ্রামের পথ, সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের পথ। এই সংগ্রামে প্রলেতারিয়েতের ভূমিকা কী তা ব্যাখ্যা করে
-
সেদিন আপিস যাবার পথে মৃত্যুঞ্জয় প্রথম মৃত্যু দেখল—অনাহারে মৃত্যু! এতদিন শুধু শুনে আর পড়ে এসেছিল ফুটপাথে মৃত্যুর কথা, আজ চোখে পড়ল প্রথম। ফুটপাথে হাঁটা তার বেশি প্রয়োজন হয় না। নইলে দর্শনটা অনেক আগেই ঘটে যেত সন্দেহ নেই। বাড়ি থেকে বেরিয়ে দু-পা হেঁটেই সে ট্রামে ওঠে, নামে গিয়ে প্রায় আপিসেরই দরজায়। বাড়িটাও তার শহরের এমন এক নিরিবিলি অঞ্চলে যে সে পাড়ায় ফুটপাথও বেশি নেই, লোকে মরতেও যায় না বেশি। চাকর ও ছোট ভাই তার বাজার ও কেনাকাটা করে।
কয়েক মিনিটে মৃত্যুঞ্জয়ের সুস্থ শরীরটা অসুস্থ হয়ে গেল। মনে আঘাত পেলে মৃত্যুঞ্জয়ের শরীরে তার প্রতিক্রিয়া হয়, মানসিক বেদনাবোধের সঙ্গে চলতে থাকে শারীরিক কষ্টবোধ।
-
অনুবাদ: সুনীলকুমার ঘোষ
অ্যামেরিকান মিনিস্টার মি. হিরাম বি. ওটিস ক্যানটারভিলে চেস বাড়িটি কিনে যে নির্বুদ্ধিতার কাজ করেছেন এই কথাটা ঘুরে-পরে সবাই তাঁকে বলেছিল। কারণ বাড়িটি যে ভূতুড়ে সে বিষয়ে কারও কোনো সন্দেহ ছিল না। এমনকি ন্যায়নিষ্ঠ লর্ড ক্যানটারভিলে নিজেও মি. ওটিস তাঁর সঙ্গে দরদস্তুর করতে এলে, তাঁরে এ-বিষয়ে সাবধান করে দিয়েছিলেন।
লর্ড ক্যানটারভিলে বললেন—আমরা নিজেরাই ওই বাড়িটা বাসের উপযুক্ত বলে মনে করিনি। একবার আমার বিধবা পিতামহী বোলটনের ডাচেস ডিনারের জন্যে পোশাক পালটাচ্ছিলেন। এমন সময় দুটি কঙ্কাল হাত এসে তাঁর কাঁধের ওপরে পড়ে। এই দেখেই ভয়ে তিনি মূর্দা যান। আরো একটা কথা আপনাকে আমার বলা দরকার, মি. ওটিস, আমাদের সংসারের অনেকেই
-
বঙ্গের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে, বর্তমান বাংলাদেশের সিলেট বিভাগ এবং তার সংলগ্ন এলাকায় সিলেটি নাগরীলিপি প্রবর্তন এবং প্রায় পাঁচশ’ বছর টিকে থাকা বিস্ময়কর এক ঘটনা। একটি ভাষার একাধিক লিপি উদ্ভাবনা, তার প্রয়োগ এবং চর্চায় মানুষের যে বিপুল অংশগ্রহণ তার নজীরও দুনিয়ায় বেশি একটা নেই। সিলেটি নাগরীলিপি একটি বর্ণমালা, বাংলাভাষারই বর্ণমালা। বাংলা বর্ণমালার সহযোগী বর্ণমালা। সৈয়দ মুতার্জা আলী, মুহম্মদ আসাদ্দর আলী, গবেষক ড. গোলাম কাদির, ড. মোহাম্মদ সাদিকসহ আরও অনেকেই একে বাংলা ভাষার ‘বিকল্প বর্ণমালা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। সিলেটি নাগরীলিপি বাংলা বর্ণমালার বিকল্প বর্ণমালা হলেও স্বকীয়তামণ্ডিত। কেবল বর্ণাকৃতিই আলাদা নয়, তার রয়েছে নিজস্ব রীতি। বাংলা বর্ণমালাকে ব্যাপক পরিমার্জনা করে ‘সিলেটি নাগরীলিপি’ উদ্ভাবন করেছেন প্রবর্তকেরা।
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- কবিতা
- নদী
- শিশুতোষ
- গদ্য
- পাকিস্তান
- মুক্তিযুদ্ধ
- ছোটগল্প
- আন্দোলন
- ভাষা
- কিশোর
- বাংলা
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- ভারত
- মধ্যপ্রাচ্য
- যুদ্ধ
- সংঘর্ষ
- অনুবাদ
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- গণহত্যা
- বই
- স্মৃতিকথা
- বিপ্লব
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- চলচ্চিত্র
- পশ্চিমবঙ্গ
- সমালোচনা
- গান
- ইউরোপ
- ইসলাম
- জীবনী
- বিজ্ঞানী
- দাঙ্গা
- হিন্দু
- কারুশিল্প
- সমাজ
- ছাত্র আন্দোলন
- নারী
- ফুল
- খুলনা
- নারীবাদী
- পুঁজিবাদ
- যুক্তরাষ্ট্র
- দুর্ভিক্ষ
- চিরায়ত
- ভৌতিক
- গবেষণা
- সিলেট
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- ফ্যাসিবাদ
- রবীন্দ্রনাথ
- লেখক
- জাতীয়তাবাদ
- ভাষণ
- বিজ্ঞান
- ব্যাঙ্গাত্মক
- ঢাকা
- নজরুল
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- আলোচনা
- অর্থনীতি
- জাতীয়
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- রংপুর
- আত্মজীবনী
- বিশ্ববিদ্যালয়
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- অভ্যুত্থান
- রমন্যাস
- দুঃসাহসিক
- রূপকথা
- কলকাতা
- আইন
- সংবিধান
- ইংরেজি
- শৈশব
- সাম্রাজ্যবাদ
- বঙ্গবন্ধু
- চট্টগ্রাম
- লালন
- সাংবাদিকতা
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- সংবাদ
- আর্টিস্ট
- সরকার
- চিঠি
- অতিপ্রাকৃত
- রাশিয়া
- ময়মনসিংহ
- লোককাহিনী
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- ভূমিকা
- বইমেলা
- এনজিও
- বিয়োগান্তক
- বিশ্লেষণ
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৬৫)
- ২০২৫ (৬৪)
- ২০২৪ (১৩)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (২)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৮)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (১০)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (২)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (৩)
- ১৯৮৬ (২)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (২)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৫)
- ১৯৭৮ (১)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (১৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (৩)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৭ (১)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (৩)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬১ (১)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৭ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৫ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৪২ (১)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯২৩ (১)
- ১৯১৬ (১)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (২)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অমৃত রাই (১)
- অস্কার ওয়াইল্ড (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিন (১)
- আবু ইসহাক (৩)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (২)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আলেক্সান্দ্র কোনোনভ (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- উৎপল দত্ত (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৪)
- এম এম আকাশ (২)
- এমদাদুল হক মিল্লাত (১)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- গৌরী আইয়ুব দত্ত (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (২)
- জাফর আলম (১)
- জে এ কাউচুমো (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নাদেঝদা ক্রুপস্কায়া (১)
- নারায়ণ চৌধুরী (৩)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন গুপ্ত (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৪৭)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মওলানা হোসেন আলী (১)
- মণি সিংহ (১)
- মফিদুল হক (২)
- মানস (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (৩)
- মালেকা বেগম (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (৯)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৪)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (২)
- লীলা মজুমদার (১)
- লুনা নূর (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শাহীন রহমান (১)
- শেখ ওয়াজেদ আলি (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সলিল চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (২)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনির্মল বসু (৩)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সের্গেই বারুজদিন (১)
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী (১)
- সৈয়দ মুজতবা আলী (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৭)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (৩)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হিরণ্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
- হো চি মিন (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.