-
দীর্ঘকাল সফরের পর বেরিং বাড়ি ফিরে আসার আগে আগে তার ছেলে, ছোট্ট টম বেরিং কর্ণেলিয়া-পিসি আর তার স্বামী কার্ল-পিসেমশাইয়ের কাছে নাস্তানাবুদ হল।
টম অন্ধকার লাইব্রেরী-ঘরে সাবানের ফেনার রঙিন বুদ্বদ ছাড়ছিল। এর চেয়েও বড় বড় অপরাধ অবশ্য সে করেছে: যেমন, আতসকাচ দিয়ে হলুদ পর্দা ফুটো করে দেওয়া ‘দেকামেরন’ বই খুলে তার ছবি দেখা, পড়শীর ছেলের সঙ্গে মারামারি—তবে কর্ণেলিয়াকে বিশেষ করে উত্তেজিত করে তোলে সাবানের বুদ্বুদ। বিশাল, কেতাদুরস্ত বাড়িতে এরকম চাপল্য অসহ্য, তাই কার্ল -পিসেমশাই গম্ভীর ভাবে বালকের কাছ থেকে সাবানের ফেনাসুদ্ধ পাত্রটা কেড়ে নিলেন, আর কর্ণেলিয়া-পিসি কাচের নলটা।
কর্ণেলিয়া অনেকক্ষণ ধরে টমকে নষ্ট ছেলেদের নিদারুণ ভাগ্য সম্পর্কে—ভবিষ্যদ্বাণী করে বললেন যে তারা
-
বছর পঁচিশেক আগেকার কথা। তখন পাকিস্তানী আমল। “জাতীয় সংহতি, কৃষ্টি” সংক্রান্ত এক প্রোগ্রামে সাংবাদিক হিসাবে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান সফরে গিয়েছিলাম। সর্বত্রই চোখ-ধাঁধানো সম্বর্ধনা। কিন্তু লাহোরের শালিমার উদ্যানের সম্বর্ধনার তুলনা হয়না। একদিকে গোধূলির রক্তিম আকাশ, আর অন্যদিকে আলো-ঝলমল শালিমার উদ্যান। রংগিন আলোর মাঝে পানির ফোয়ারাগুলো এক অপূর্ব মাদকতার পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। জাকজমকপূর্ণ আর অপরূপ পোশাক পরিচ্ছদে সজ্জিত...দম্পতিরা যখন এসে হাজির হচ্ছিলেন, তখন মনে হচ্ছিলো আমরা বোধ হয় মোগলযুগে ফিরে গেছি। “বাংগালী ভাইদের” সম্মানে ছোট্ট একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছিল। বক্তৃতার পর সংগীত পরিবেশন করলেন, কোকিলকণ্ঠী নূরজাহান। তাঁর মধুর কণ্ঠে “আনমল ঘড়ীর গান, 'মেরা বচপন্ কা সাথী মুঝে ভুল না জানা”
-
১৯২০ সালের ডিসেম্বর মাস, জাতীয় কংগ্রেসের নাগপুর অধিবেশন। স্বাভাবিকভাবে দেশের যুদ্ধোত্তর রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর্যালোচনাই মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়। জালিয়ানওয়ালাবাগে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে অসহযোগের প্রস্তাব পাশ হয়। ভারতে ব্রিটিশ শাসনব্যবস্থা অচল ক’রে দেওয়াই ছিল এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য। অহিংস অসহযোগ আন্দোলনের মূল প্রবক্তা ছিলেন মহাত্মা গান্ধী। আন্দোলন পরিচালনার ভার তাঁরই উপর দেওয়া হয়। আন্দোলনের কর্মসূচীতে বিশেষভাবে প্রাধান্য পায়—ব্রিটিশ আদালত ও কাউন্সিল বর্জন, স্কুল-কলেজ থেকে ছাত্রদের প্রত্যাহার, বিলাতী পণ্যদ্রব্য বয়কট ইত্যাদি। সারা ভারত জুড়ে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয় ১৯২১ সালের জানুয়ারী মাসে।
বাংলায় গান্ধীজীর প্রধান সহযোগী ছিলেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ। নাগপুর থেকে ফিরে এসে তিনি ব্যারিস্টারি ছেড়ে আন্দোলনের পুরোভাগে এসে দাঁড়ান। তখন আইন-ব্যবসায়ে
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
লেখক
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.