-
সিংভূম-জেলার বন-জঙ্গল ও পাহাড়শ্রেণী ভারতবর্ষের মধ্যে সত্যিই অতি অপূর্ব্ব। বেঙ্গল-নাগপুর-রেলপথ হওয়ার আগে এই অঞ্চলে যাবার কোনো সহজ উপায় ছিল না, কেউ যেতোও না সে সময়—যা একটু আধটু যেতো—এবং যে ভাবে যেতো—তার কিছুটা আমরা বুঝতে পারি সঞ্জীবচন্দ্রের ‘পালামৌ’ পড়ে। সিংভূম জেলার ভেতরকার পাহাড় জঙ্গলের কথা ছেড়ে দিই—বাংলাদেশের প্রত্যন্ত সীমায় অবস্থিত মেদিনীপুর ও বাঁকুড়া জেলার অনেকস্থান জনহীন অরণ্যসঙ্কুল থাকার দরুণ ‘ঝাড়খণ্ড’ অর্থাৎ বনময় দেশ বলে অভিহিত হোত। এ সব লোক প্রাণ হাতে করে যেতো ঐ সব বনের দেশে। কিন্তু না গিয়ে উপায় ছিল না—যেতেই হোত।
ওই দেশের মধ্যে দিয়ে ছিল পুরী যাওয়ার রাস্তা। মেদিনীপুর জেলার বর্তমান ঝাড়গ্রাম মহকুমার মধ্যে দিয়ে এই পুরোনো
-
আমি কেমন করে লেখক হলাম, এ আমার জীবনের, আমার নিজের কাছেই, একটা অদ্ভুত ঘটনা। অবশ্য একথা ঠিক, নিজের জীবনের অতি তুচ্ছতম অভিজ্ঞতাও নিজের কাছে অতি অপূর্ব। তা যদি না হত, তবে লেখক জাতটারই সৃষ্টি হত না। নিজের অভিজ্ঞতাতে এরা মুগ্ধ হয়ে যায়—আকাশ প্রতিদিনের সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তে কত কল্পনাকে রচনা করছে যুগে যুগে—তারই তুলে কত শত শতাব্দী ধরে মানুষ নানা তুচ্ছ ঘটনার মধ্য দিয়ে নিজের দিন কাটিয়ে চলেছে, মানুষের জন্ম-মৃত্যু, আশা-নৈরাশ্য, হর্ষ-বিবাদ, ঋতুর পরিবর্তন, বনপুষ্পের আবির্ভাব ও তিরোভাব—কত ছোটো-বড়ো ঘটনা ঘটে যাচ্ছে পৃথিবীতে-কে এসব দেখে, এসব দেখে মুগ্ধ হয়?
এক শ্রেণির মানুষ আছে যাদের চোখে কল্পনা সব সময়েই মোহ-অঞ্জন মাখিয়ে দিয়ে
-
দুনিয়ায় খুব কমই দেখা যায়, যে একজন আর একজনকে টেনে তুলছে ওপরে। এবং সে টেনে তোলা আরও মহত্ত্বর হয়, যখন যিনি টেনে তুলছেন, তিনি খ্যাতির শীর্ষদেশে সমাসীন যাকে টেনে তুলছেন, সে রয়েছে অখ্যাত, অবহেলিত। এমনি একটি কাহিনী দিয়েই আজ আমি নজরুল ইসলামের স্মৃতি-চারণ করছি।
১৯২১ সাল। দেশে তখন প্রবল অসহযোগ আন্দোলন। সে আন্দোলনে ভাসিয়ে দিলাম আমার আসন্ন বি. এ. পরীক্ষা। স্কটিশ হস্টেল ছেড়ে দিয়ে বাসা বাঁধলাম নন্দকুমার চৌধুরী লেনের একটি মেসে।
‘বিদ্রোহী’ কবিতা লিখে কবি কাজী নজরুল ইসলাম তখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে। একদিন তার কথা উঠতে পবিত্র বললেন, ‘ও কাজীটার কথা বলছিস? তা ওটাকে আনবো একদিন।’
আমি তো হাঁ! বড় বেশী
-
রাণীগঞ্জের ইস্কুলে তখন আমাদের ক্লাশ বসে দোতলায়।
পশ্চিমদিকে বড় বড় জানলা। সেই খোলা জানলার পথে দেখলাম, দলে দলে লোক ছুটছে রেললাইনের দিকে। কি ব্যাপার কিছুই বুঝতে পারছি না। ইস্কুলের ছেলে—ক্লাশ ছেড়ে যেতেও পারি না। সবাই ভাবছে, ছুটি হোক, ছুটি হলেই ছুটবো ওইদিকে।
ছুটি হলো। বাইরে বেরিয়েই শুনলাম, সাঁওতালদের একটা মেয়ে নাকি কাটা পড়েছে ট্রেনের তলায়। তার মৃতদেহটা পড়ে আছে লাইনের ধারে।
ইস্কুলের ছেলেরা অনেকেই গেল দেখতে। আমার কিন্তু একা যেতে মন সরলো না। কিছুদিন ধরে কি যে হয়েছে নজরুলের সঙ্গে দেখা না হলে বিকেলটা মনে হয় মাটি হয়ে গেল।
নজরুল পড়ে শিয়াড়শোল ইস্কুলে, আমি পড়ি রাণীগঞ্জে। এক এক সময় আফশোষ
-
১৯২৬ সালের গোড়ায় নজরুল হুগলী থেকে কৃষ্ণনগর বাস করতে এসেছিলেন, ১৯২৯ সালের গোড়ার দিকে কলকাতায় চলে যান। দিন তারিখ মাসগুলো স্মৃতির কোঠা থেকে হারিয়ে গিয়েছে। ১৯২৬ সালে অবিশ্যি তিনি চাঁদসড়কের ঐ বাড়িতে বাস করতে এসেছিলেন। তবে ১৯২৬ সালের গোড়ায় তৎকালীন অন্যতম কংগ্রেসী নেতা ও দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জনের প্রধান সহকারীদের মধ্যে অন্যতম হেমন্তকুমার সরকার নজরুলকে কৃষ্ণনগর নিয়ে আসেন। প্রথমে তিনি এসে ওঠেন হেমন্তকুমারের বড় ভাই হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার জ্ঞানচন্দ্র সরকারের গোয়াড়ির একটা বাড়ীতে। বাড়ীটা ছিল অত্যন্ত ঘিঞ্জি জায়গায়। আশেপাশে সবাই অত্যন্ত রক্ষণশীল হিন্দু যদিও তাঁরা ও তাঁদের ঘরের মেয়েরা নজরুলের গান শোনার জন্য এই বাড়ীতে ভিড় জমাতেন। শেষে চাঁদসড়কের এই মুক্ত বাড়ীতে এসে
-
তখন আমার পনের কি ষোল বছর বয়েস হবে বোধহয়। এখনকার সময়ে শুনলে শিশুই মনে হবে। এখন তো পঁচিশ বছরেও কৈশোর কাটে না মেয়েদের। যা হোক, নজল ইসলামকে ঘিরেে আমার সব কথাই ওই সময়টুকূর পরিমণ্ডলে বাধা। ইদানিং ভুলে যাই ভীষণ। অতীত হাতড়ালে অনেক কথা একসঙ্গে ভিড় করে আসে। ঘটনাগুলোর ওপর অনেক দিনমাস বছরের প্রলেপ পড়েছে। তবু এখনো ভুলতে পারি না সেইসব গান। গান খুব ভালোবাসতাম। গান গাইতেও পারতাম। খুব প্রিয় ছিল আমার নজরুল গীতি। সেই যে ‘মন হারালে না পাওয়া যায় মনের বতন…’ ‘বাগিচা বুলবুলি তুই ফুলশাখাতে…’ অপূর্ব সেই গানের পথ ধরেই স্মৃতিতে ভেসে আসেন তিনি। টুকরো অনেক ঘটনা মনে পড়ে
-
কবি নজরুল ইসলামের সঙ্গে আমার প্রথম সাক্ষাৎ কবে হয়েছিল, ঠিক মনে পড়ে না। শুধু মনে পড়ে কলকাতার তালতলা বাজারের কাছে কোন এক গলিতে বস্তি এলাকার একতলা কোন ক্ষুদ্র কোঠায় একবার তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম, আর এবার মেডিক্যাল কলেজের সামনে কলেজ স্ট্রীটের[*]কোন মেস-এর দু’তলায়। তখন তাঁর ঝাঁকড়া চুল আর আয়ত দুটো চোখই আমার সবিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। এরপরে কারমাইকেল হোস্টেলের কোন এক নৈশ অনুষ্ঠানেই বোধ হয় সর্বপ্রথম তাঁর গান শুনি, এই সময় তাঁর হারমোনিয়াম বাজানোর কৃতিত্ব দেখেও মুগ্ধ হয়েছিলাম। আরো পরে ইউরোপীয় এসাইলাম লেন, পানবাগান স্ট্রীট, বাগবাজার এলাকা, ইসমাইল স্ট্রীট, ইলিয়ট রোড, এন্টালী, জেলিখাটোলা, কর্নওয়ালিশ স্ট্রীট, মানিকতলা এবং
-
মুখ দিয়ে সবে কথা ফুটছে। তখন থেকেই আমাকে সব ব্যাপারে জ্ঞানী করে তোলার জন্য আমার ঠাকুর্দার মানে পিতামহের কী সাংঘাতিক গরজ! মুখে মুখে নিজেই প্রশ্ন করে নিজেই তার উত্তর দিয়ে, আবার আমার মুখ দিয়ে তার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে, পাখি পড়ানোর মতো শেখাতেন—
'তোমার বাড়ি কোন গ্রামে?’—চন্দ্রপাড়া। ‘কোন্ ইউনিয়ন?' -আশুজিয়া। 'থানা?’—কেন্দুয়া। ‘মহকুমা?’—নেত্রকোনা। 'জিলা?’—ময়মনসিংহ।
‘নেত্রকোনা' আর 'ময়মনসিংহ' কথা দুটো নিজেই বারবার আবৃত্তি করতাম। সেই এতটুকু বয়সেই এ-দুটো নামের প্রতি আমার প্রচণ্ড আকর্ষণের একটা গূঢ় কারণ ছিল। আমাদের গাঁয়ের আশপাশের বাজার গুলোতে হাটের দিনে তেল নুন কেরোসিন মাছ তরকারি পাওয়া যেতো, ছোট ছোট লিলি বিস্কুট কিংবা ধ্যাবড়া ধ্যাবড়া তক্তা বিস্কুটও পাওয়া যেতো; কিন্তু শখের
-
যখন তুমি আমার কাছে থাক, তুমি আমাকে প্রায়ই নানা রকমের প্রশ্ন কর, আমিও তার উত্তর দিতে চেষ্টা করি। এখন তুমি রয়েছ মুসৌরী, আর আমি আছি এলাহাবাদ, আমাদের দু'জনের মধ্যে কথাবার্তা কিন্তু এখন আর তেমনটি হবার যো নেই। তাই আনি ভাবছি, আমাদের এই পৃথিবী আর তার যে-সব ছোট বড় নানা দেশ আছে, তারই গল্প তোমাকে মাঝে মাঝে চিঠিতে লিখব। তুমিতো ইংলণ্ড আর ভারতবর্ষের ইতিহাস কিছু কিছু পড়েছ। ইংলণ্ড কিন্তু একটি অতি ছোট্ট দ্বীপ, আর ভারতবর্ষ একটা মস্ত দেশ হলেও পৃথিবীর একটি অতি ছোট অংশ; কাজেই পৃথিবীর কথা কিছু জানতে হলে, কেবল আমাদের নিজেদের জন্মভূমির কথা জানলেই হবে না, আরও যে সব
-
’৭১-এর এপ্রিলের শেষ দিকে ‘ডাক’-এর উদ্যোগে ঈশ্বরদী মোটর স্ট্যান্ডে প্রথম স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করা হলো। তখন এ এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে আমি সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। তবে বৃহৎ দল হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতাদের অহমিকার কারণে মাঝে-মাঝেই আমাদের কর্মীদের সাথে তাদের বাকবিতন্ডা চলছে।
একদিনের ঘটনা বলি। ঈশ্বরদীতে তখন মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে। আমাদের ছাত্র ইউনিয়ন কর্মীরা টেনিং নিতে আগ্রহী দেখে আমি ঈশ্বরদী পে-অফিসের নিরাপত্তা রক্ষীদের সাথে যোগাযোগ করে সাতটি থ্রি-নট থ্রি রাইফেল সংগ্রহ করে দিলাম ওদের। ওদিকে তখন সারা মাড়োয়ারি হাইস্কুলে ছাত্রলীগ কর্মীদেরও টেনিং চলছে। তো এই রাইফেল নিয়েই শুরু হলো ছাত্রলীগ কর্মী নেতাদের সাথে ছাত্র ইউনিয়ন কর্মীদের রেষারেষি।
-
যে-যুগে শিক্ষকের সঙ্গে শিক্ষার যোগাযোগ ক্ষীণ হয়ে গেছে, অধ্যাপনার সঙ্গে পান্ডিত্যের যোগাযোগ বলতে গেলে লুপ্ত, সেই সংকটকালে এখনো যে-স্বল্পসংখ্যক শ্রদ্ধাভাজন মনীষী প্রায়-অন্ধকার শিক্ষাঙ্গনে উজ্জ্বল জ্যোতিষ্কের মতো অকাতরে আলোক বিতরণ করছেন তাঁদের একজন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। আমি তাঁর একেবারে পেছনের কাতারের একজন ছাত্র। তাঁর পাণ্ডিত্যের পরিচয় দেওয়া আমার পক্ষে অসম্ভব। কিন্তু মানুষ হিসেবে তাঁকে আমি যেমনটা দেখেছি, সেটা বলা হয়ত অসম্ভব নয়।
আত্মবিশ্বাসের অভাব আর মিশতে পারার অক্ষমতা—এই দুই কারণে সবার পেছনে আমি লুকিয়ে থেকেছি চিরদিন। এতে আমার আগাগোড়াই ক্ষতি হয়েছে, তবে সবচেয়ে ক্ষতি হয়েছে ছাত্রজীবনে। শিক্ষকদের কাছাকাছি যেতে পারি নি। যে-সাহায্য এবং শিক্ষা তাঁদের কাছ থেকে পাওয়ার সুযোগ এসেছিল, তার সদ্ব্যবহার
-
সেই যে ১৯৬২ সালে আনিস স্যারের অধ্যাপনায় মুগ্ধ হয়েছিলাম আজ অবধি সেই মুগ্ধতায় চিড় পড়ে নি। বাংলা বিভাগে পড়ার আগে থেকেই স্যারের গুণমুগ্ধ হয়েছিলাম আমার দুই ভাই মুনীর চৌধুরী (শহীদ) ও আব্দুল হালিম (প্রয়াত) এবং বোন মমতাজ বেগমের সূত্রে নানা প্রসঙ্গে তাঁর প্রগতিশীল চিন্তাধারা ও কর্মকান্ড জেনে। সে সময়টা ছিল ছাত্র আন্দোলন, হল নির্বাচন, 'ডাকসু' নির্বাচন, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড, কবিতা-পত্রিকা প্রকাশনা, গল্প, সাহিত্যচর্চা, একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবসকে কেন্দ্র করে নানা কর্মকান্ডের যুগ। প্রায় প্রতিদিনই আমরা ছাত্র-ছাত্রীরা উদ্বুদ্ধ থাকতাম ক্লাসের লেখাপড়া, লাইব্রেরির পড়াশোনা এবং অবসর সময়ে কাব্য-গদ্য চর্চায়। বাংলা বিভাগের অধ্যাপকদের প্রায় সকলেই আমাদের উৎসাহ দিতেন। তাঁদের মধ্যে মুহম্মদ আবদুল হাই, মোফাজ্জল
ক্যাটাগরি
উৎস
আর্কাইভ
লেখক
- অমিত রঞ্জন দে (১)
- অরবিন্দ গুহ (১)
- আকবর উদ্দীন (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আমীন আহম্মেদ চৌধুরী (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আহমদ কবির (১)
- ইলিয়া এরেনবুর্গ (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (১)
- এমদাদুল হক মিল্লাত (১)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জসীম উদ্দীন মণ্ডল (১)
- জুলিয়াস ফুচিক (১)
- তপন কুমার দে (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১২)
- প্রতিভা বসু (১)
- বিজন চৌধুরী (১)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মন্মথ রায় (১)
- মফিদুল হক (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মুজফ্ফর আহমদ (৪)
- যতীন সরকার (২)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- শাহীন রহমান (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সহায়রাম দাস (১)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুপা সাদিয়া (১)
- সোমেন বসু (৪)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.