-
একাত্তরে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ারে আয়োজিত 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর অন্যতম শিল্পী রিঙ্গো স্টার। সেই কনসার্টে রিঙ্গো তাঁর বিখ্যাত গান 'ইট ডোন্ট কাম ইজি' পরিবেশন করেন। তিনি দুনিয়া কাঁপানো ব্যান্ড দ্য বিটলসের ড্রামার ও শিল্পী। ব্রিটিশ সংগীত তারকা রিঙ্গো স্টারের পুরো নাম রিচার্ড স্টার্কি। তিনি ১৯৪০ সালের ৭ জুলাই যুক্তরাজ্যের লিভারপুলে জন্মগ্রহণ করেন।
আমার বয়স সত্তরের বেশি। কিন্তু আমি নিজেকে ৪০ বছর বয়সী ভাবি। এখনো তরুণ আমি। এই যে একটা গান আছে না, 'লাইফ বিগিনস অ্যাট ফোর্টি!' আমার বয়স যতই বাড়ছে আমি ততই জীবনযাপন শিখছি। পৃথিবীকে নতুন করে দেখছি।
১৩ বছর বয়স থেকে স্বপ্ন দেখি আমি বড় আসরে ড্রাম বাজাব। সেই
-
সাক্ষাৎকার: মানিক সরকার
বাংলাদেশে বিএনপি শাসনামলে কখনও আমাদের অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করা হয়নি। সেই সময়কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী একদিন বললেন, 'ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রীর যদি সন্দেহ হয়, তাকে আমরা নিয়ে আসব। নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়াব। উপরে থেকে তাকে দেখাব এখানে কোন ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ঘাঁটি-টাটি নেই।'
মানিক সরকার: ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য এবং আমাদের প্রতিবেশী ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী তিনি। চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়ে সততা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে জনগণের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে সাক্ষাত করতে এসেছি জেনে সময় দিলেন। পাটভাঙ্গা পাঞ্জাবি-পায়জামা পরে দৃঢ় এবং তেজোদ্দীপ্ত ব্যক্তিত্ব মানিক সরকার সিপিএম কার্যালয়ে অতিথিদের বসার জন্য সংরক্ষিত ছোট্ট একটি রুমে বসেই তাঁর সঙ্গে আমার কথা হয়। সংক্ষিপ্ত সময়ের এই আলোচনায়
-
লেখক: মার্ক টালি
বাংলাদেশের জন্মের সঙ্গে আমি যেমন আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ছিলাম, তেমনি এ দেশের সঙ্গে আমার একটা আত্মার সম্পর্কও রয়েছে। আমার মা এই দেশে জন্মেছিল। তাঁর জন্মস্থান আখাউড়া। আমার নানা ব্যবসায়িক কারণে আখাউড়াতে ছিলেন। আমার জন্ম কলকাতায়। ১০ বছর পর্যন্ত ভারতে ছিলাম। আবার ৩০ বছর বয়সে চাকরি নিয়ে এসেছি। জীবনের অনেকটা সময় এ অঞ্চলেই কেটেছে। বলা চলে, এ অঞ্চলটি আমার জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।
একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় নিরস্ত্র ঘুমন্ত মানুষের ওপর পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর হামলার পর আমি এখানে আসার অনুমতি পাই। সে সময় আমার সঙ্গে ঢাকায় আসেন আরও কয়েকজন বিদেশি সাংবাদিক। এই দলটিই প্রথম ঢাকায় আসে। অবশ্য পাকিস্তানি
-
লেখক: অধ্যাপক অজয় রায়
আমাদের বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেই তিনি চলে গেলেন। ১৯৩৩ সালে ১ অক্টোবরে ঢাকা শহরের বকশীবাজার এলাকায় নবকুমার ইনস্টিটিউটের পাশে মাতামহ পূর্ণানন্দ গুপ্তের বাড়িতে প্রিয়দর্শনের জন্ম হয়। তার শিক্ষা প্রধানত ঢাকা শহরে পগোজ হাইস্কুল, জগন্নাথ কলেজ এবং সর্বশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদবিজ্ঞানে এমএসসি ডিগ্রি (১৯৫৪) নিয়ে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। তবে অবশ্য মাঝখানে কলকাতায় এসে বঙ্গবাসী কলেজ থেকে উদ্ভিদবিজ্ঞানে দু'বছরের বিএসসি (Hons) ডিগ্রি নিয়ে ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেন।
তিনি কলকাতায় ১৯৫৪ সালে বঙ্গবাসী কলেজে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন এবং জনপ্রিয় শিক্ষক হিসেবে ওই কলেজ থেকে অধ্যাপকরূপে ১৯৯৩ সালে অবসর গ্রহণ করেন ছাত্র-শিক্ষকদের সম্মান ও ভালোবাসা
-
বক্তা: এডওয়ার্ড কেনেডি
[মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি (২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২-২৫ আগস্ট ২০০৯) বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভমিকা রাখেন। সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিনি এ বক্তৃতা দেন।]
আমি বাংলাদেশে এসেছি আপনাদের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের লাখো মানুষের শুভকামনা পৌছে দিতে। বাঙালির সংগ্রামী চেতনার প্রতীক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দাঁড়িয়ে আমি গর্বিত।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস বলে, আমরা সব সময় স্বাধীনতার পক্ষে। যারা স্বাধীনতা, মানুষের মর্যাদার ও অন্যান্য মানবিক মূল্যবোধ অটুট রাখতে কাজ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ তাঁদের সঙ্গে আছে। কোনো কোনো সরকার আপনাদের এখনো স্বীকৃতি না দিলেও পৃথিবীর মানুষ শোষণ আর নিপীড়ন থেকে আপনাদের মুক্তি অর্জনকে স্বীকৃতি
-
লেখক: অজয় দাশগুপ্ত
১৯৭১ সালের ১০ আগস্ট ভারত সফরে এসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর অ্যাডওয়ার্ড কেনেডি। তিনি পাকিস্তানেও যেতে চেয়েছিলে, কিন্তু প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান তার ভিসা বাতিল করে দেন। এর মাসখানেক আগে প্রেসিডেন্ট নিক্সনের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার ভারত সফরে এসেছিলেন। তিনি ভারতের রাজনীতিক ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেই পাকিস্তানের পথে পা বাড়ান। অ্যাডওয়ার্ড কেনেডি চলে যান পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে। লাখ লাখ শরণার্থী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নৃশংস হামলার মুখে প্রাণের ভয়ে পালিয়ে এসেছেন। তাদের অনেকে নিকটজন হারিয়েছেন।
দি ব্লাড টেলিগ্রাম: ইন্ডিয়াস সিক্রেট ওয়ার ইন ইস্ট পাকিস্তান গ্রন্থে গ্যারি জে বাস লিখেছেন, উন্নয়ন ও উদ্বাস্তু ত্রাণবিষয়ক আমেরিকান
-
লেখক: অজয় দাশগুপ্ত
১৯৭১ সালের পাকিস্তান হানাদার বাহিনী অধিকৃত বাংলাদেশ ভুখণ্ডে মুক্তিবাহিনী ক্রমশ অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছিল। তারা দেশের সর্বত্র গুলি-বোমায় নাস্তানাবুদ করছিল খানসেনাদের। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও দিল্লি সফরকালে সেটা ভালোভাবেই অবহিত হতে পেরেছেন। স্বদেশে ফিরে তিনি নিজেও বোমা ফাটালেন, যা কাঁপিয়ে দিল হোয়াইট হাউসকে। রিচার্ড নিক্সন ২৫ মার্চ ইয়াহিয়া খানের বর্বর গণহত্যা শুরুর পর থেকেই দাবি করে আসছিলেন—পাকিস্তানের সৈন্যরা তাদের দেওয়া অস্ত্র ব্যবহার করছে না। তারা পাকিস্তানকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। কিন্তু এডওয়ার্ড কেনেডি কংগ্রেসের মাধ্যমে অনুসন্ধান করে জানতে পেরেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাকিস্তানে ২০ লাখ ডলার মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের
-
লেখক: সৈয়দ আবুল মকসুদ
বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনে কবি-শিল্পী-সাহিত্যিকেরা সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। একাত্তরের মার্চে বঙ্গবন্ধুর ডাকে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হলে তাঁদের ভূমিকা ছিল অগ্রসৈনিকের। শুধু লেখালেখি নয়, তাঁরা রাজপথে মিটিং-মিছিল করেছেন।
মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দেশের ভেতরে থেকে কবি-সাহিত্যিকদের অনেকেই সশস্ত্র প্রতিরোধে অংশ নিয়েছেন। সীমান্ত পাড়ি দিয়ে যাঁদের পক্ষে ভারতে যাওয়া সম্ভব হয়, তাঁরাও সেখানে গিয়ে বিভিন্নভাবে সাধ্যমতো ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশের কবি-লেখক-শিল্পীদের সঙ্গে তখন যোগ দেন ভারতের বাঙালি কবি-সাহিত্যিকেরা। তাঁরা বাঙালিদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে এবং পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বর্বরতার বিরুদ্ধে জনমত গঠনে অসামান্য ভূমিকা রাখেন।
কলকাতার উর্দুভাষী কবি-সাহিত্যিকেরা অনেকেই বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামীদের সঙ্গে সংহতি জানাতে এগিয়ে আসেননি। তবে কেউই আসেননি তা
-
বাংলাদেশে যখন মোট জনসংখ্যা ছিল মাত্র সাত কোটি, তখন দেশের এক কোটি লোক দেশ ছাড়তে বাধ্য হলো। কেন এক কোটি বাংলাদেশি দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল তার কয়েকটি রাজনৈতিক ও আর্থ সামাজিক কারণ ও প্রেক্ষাপট উল্লেখ করা যেতে পারে:
রাজনৈতিক:
শরণার্থীদের এক বৃহৎ অংশ ছিল হিন্দু ধর্মের অনুসারী। এ সকল বাংলাভাষাবাসী হিন্দু ধর্মের অনুসারীরা প্রধানত ভোট দিয়েছে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে এককভাবে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদেরকে। কারণ অত্যন্ত সুস্পষ্ট ও স্বাভাবিক। আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী ইস্তেহারে সব সময় বলে আসছে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে তারা বিশ্বাসী এবং এই দল নির্বাচিত হলে তারা ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সকল মানুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে। সকল ধর্মের অনুসারীরা
-
লেখক: মশিউল আলমস্নায়ুযুদ্ধের কালে সোভিয়েত ইউনিয়ন দক্ষিণ এশিয়ায় নিজের প্রভাব অক্ষুণ্ণ রাখার স্বার্থে ভারত ও পাকিস্তান উভয়ের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে সচেষ্ট ছিল। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর তাসখন্দে ওই দুই দেশের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের ঘটনা সোভিয়েত নেতাদের মধ্যস্থতার ফল। তার পরের বছরগুলোতেও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয় দেশকে নিজের প্রভাব বলয়ের মধ্যে রাখার চেষ্টা অব্যাহত রাখে। পাকিস্তান মার্কিন শিবিরের অধিকতর ঘনিষ্ঠ দেশ হওয়া সত্ত্বেও সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে তার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধি পায়। ১৯৬৮ সালে মস্কো ও ইসলামাবাদের মধ্যে এক দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় সোভিয়েত ইউনিয়ন পাকিস্তানকে সীমিত পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম পাঠাতে রাজি হয়। এ ছাড়া পাকিস্তানের সবচেয়ে
-
মাননীয় প্রেসিডেন্ট মহাশয়, ঢাকার আলোচনা ভেঙে যাওয়ার খবর এবং সামরিক প্রশাসন চূড়ান্ত ব্যবস্থা অবলম্বন প্রয়োজন মনে করে পূর্ব পাকিস্তানের জনসাধারণের বিরুদ্ধে সামরিক বলপ্রয়োগ করেছেন-এই মর্ম খবর সোভিয়েত ইউনিয়নের গভীর উদ্বেগের সঞ্চার করেছে।
এই ঘটনার ফলে পাকিস্তানের অগণিত মানুষের প্রাণহানি, নিপীড়ন ও দুঃখ-কষ্টের খবরে সোভিয়েতের জনগণ বিচলিত না হয়ে পারে না। মুজিবুর রহমান ও অন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বন্দী ও নির্যাতন করায়ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উদ্বেগ প্রকাশ করছে। এই নেতারা হালের সাধারণ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের সন্দেহাতীত সমর্থন লাভ করেছিলেন। সোভিয়েত জনগণ সর্বদাই পাকিস্তানের মানুষের মঙ্গল ও সমৃদ্ধি কামনা করেছে এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দেশের জটিল সমস্যার সমাধানে তাদের সফলতায় আনন্দিত
-
লেখক: ফাদার রিগন
'১৯৭১-এর ১ মার্চ আমি ছিলাম ঢাকায়। ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করলেন। পূর্ব বাংলায় সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ঘৃণা আর প্রতিবাদের উত্তাল তরঙ্গ। এই তরঙ্গের আছাড়েই আমি আমার কর্মক্ষেত্র বানিয়ারচরে ফিরে এলাম। এরপর আরও অস্থিরতা! অপেক্ষা একটি স্বাধীনতা যুদ্ধ!'
এভাবে ধীরে ধীরে ব্যাপক পরিসরে ফাদার মারিনো রিগনের ডায়েরিতে উঠে এসেছে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম থেকে শুরু করে স্বাধীনতা যুদ্ধের চিত্র। তাঁর দিনলিপির পাতায় পাতায় ১৯৭১ সালে তিনি ইতালীয় ভাষায় লিখে রাখেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালির ওপর পাকসেনাদের আর তাদের এই দেশীয় দোসর রাজাকারদের অত্যাচারের কথা।
ক্যাথলিক এই ধর্মযাজকের বয়স হয়েছে ৮২ বছর। জীবনের বড় অংশটি তিনি কাটিয়েছেন বাংলাদেশের বুকে।
ক্যাটাগরি
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- পরিচয়
- প্রতিরোধ সংগ্রামে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- সাপ্তাহিক বিচিত্রা
- আশ্বাস
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- বাংলাদেশ কথা কয়
- কে আমি?
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
- রক্তাক্ত বাংলা
- জীবনের রেলগাড়ি
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র, পঞ্চদশ খণ্ড
আর্কাইভ
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অনু ইসলাম (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আব্দুল মালেক উকিল (১)
- আমীন আহম্মেদ চৌধুরী (১)
- আশুতোষ ভট্টাচার্য (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইলিয়া এরেনবুর্গ (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গৌরী আইয়ুব দত্ত (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জসীম উদ্দীন মণ্ডল (১)
- জহির রায়হান (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (২)
- প্রক্রিয়াধীন (৪৩)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফেরদৌসী মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- মণি সিংহ (১)
- মুজফ্ফর আহমদ (১)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (২)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৪)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রিয়ার অ্যাডমিরাল সের্গেই পাভিচ জুয়েনকো (১)
- শওকত ওসমান (১১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- সত্যেন সেন (২২)
- সন্তোষ গুপ্ত (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৪)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হাসান মুরশিদ (৬)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.