-
লেখক: মীর মোশাররফ হোসেনআমরা বরং ‘অংক’ নিয়ে কথা বলি। ছোটবেলায় গণিতকে আমরা বেশিরভাগ সময়ই ‘অংক’ বলতাম। আমরা কেন, বোধকরি সিংহভাগ শিক্ষার্থী এখনও একে এ নামেই চেনে। অথচ ‘অংক’ হচ্ছে ‘গণিত’ এর যুক্তি বোঝানোর প্রতীক। গণিত যদি ভাষা হয়, অংক তাহলে অক্ষর; গণিত যদি যুক্তি হয়, অংক তাহলে ‘টুলস’।ছোট্ট এই পার্থক্যের মধ্যেই লুকিয়ে আছে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার দৈন্য। গণিতের ক্ষেত্রে যা ‘ভয়াবহতম’।II ১ IIঅন্য আলোচনায় ঢোকার আগে প্রথমে আমরা কিছু অনুষঙ্গ খুঁজি। এই যেমন গণিতে ‘ভালো’ হলে কি কি হয়? যেসব দেশের ছেলেমেয়েরা যুক্তিবাদী এবং অনুসন্ধিৎসু, সেসব দেশ সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় বিজ্ঞান, বিশেষত গণিত শিক্ষায়। অধুনা ইউরোপ -
রাজনীতির সঙ্গে শিক্ষা ও সংস্কৃতির ঘনিষ্ঠ যোগ রয়েছে। শিক্ষাদীক্ষায় পেছনে পড়ে থাকলে পরিচ্ছন্ন রাজনীতি হবে কীভাবে। এ যুগে পড়াশোনা চলে গেছে ব্যাক বেঞ্চে, আর সামনের বেঞ্চে এসে গেছে রাজনৈতিক দলাদলি। আমাদের যুগে এ রকম ছিল না।
আমরা তখন ক্লাস টু-তে পড়ি। পণ্ডিত মহাশয় ক্লাসে ঢুকেছেন, অমনি সবাই চুপ, একেবারে পিনপতন নীরবতা। স্যার হঠাৎ একটা শ্লোক ধরলেন: 'শুভঙ্করের ফাঁকি, ৩৬ থেকে তিন শ গেলে কত থাকে বাকি?' মানে ৩৬ থেকে তিন শ বিয়োগ করলে কত থাকবে সেটাই জানতে চাইছেন স্যার। আমরা তো থ। একটা ছোট সংখ্যা থেকে কোনো বড় সংখ্যা যে বিয়োগ করা যায়, সেটা আমরা জানতামই না! বীজগণিতে সম্ভব, সংখ্যার
-
গাণিতিক চিন্তার অগ্রদূতেরাঅনেকের ধারণা যে গণিত এক ধরনের স্থবির বিষয়। নিঃসন্দেহে ধারণাটি ভুল। তবে একথা সত্যি যে মানুষের ইতিহাসে এমন অনেক সময় ছিল যখন গাণিতিক চিন্তার অগ্রগতি একেবারে হয়নি। সে সব সময়ের কোনো গাণিতিক সৃজনশীলতা আমাদের নজরে পড়ে না। কিন্তু ক্রমাগত গণিতকে বোঝার ফলে ঘটতে থাকে তার বিকাশ। গাণিতিক বিকাশের প্রেক্ষিতে আমরা বর্তমান সময়কে আর সব সময়ের চেয়ে শ্রেষ্ঠ বলতে পারি।
যখন আমরা গণিত নিয়ে কথা বলছি তখন ‘কী গণিত’ আর ‘কী গণিত নয়’ সেটা জানা আমাদের জন্য বেশ জরুরি। তবে এক্ষেত্রে হয়ত সব গণিতবিদ একমত হবেন না। এ প্রসঙ্গে বার্ট্রান্ড রাসেল বলছেন, “গণিত হচ্ছে ‘p থেকে q-এ আসা
Page 1 of 1
ক্যাটাগরি
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.