-
রোগ যেন প্রাণী জগতের, বিশেষ করে মানব জাতির জীবন কাব্যের এক মহাভিলেন। প্রতিরোধক, প্রতিষেধকের যাবতীয় ক্রিয়া-করণ অনুসরণ করার পরও এর থেকে নিস্তার তো মেলেই না অধিকন্তু টুটি চেপে সে বিনির্মাণ করে জীবন কাব্যের ট্রাজিক পরিণতি। কখনও সে রূপ ধারণ করেছে জ্বর সর্দি, কখনও বা যক্ষা, কলেরা, ক্যান্সার ইত্যাদি। কামার, কুমার, জেলে, তাঁতি, কৃষক, আমলা, কামলা, রাজন, সন্ন্যাসী, মৌলানা, যাজক যেন কিছুতেই কোন জাত-পাতের, ধর্ম-কর্মের, শ্রেণি-পেশার ধার সে ধারে না এমনই এক শক্তিধর। সে সমস্ত রোগের কারণ আজ আমাদের অনেকের কাছে অজানা না থাকলেও এ নিয়ে মানুষের মধ্যে যুগে যুগে রচিত হয়েছে বিভিন্ন ধোঁয়াশাময় গাল-গল্পের, ব্যাখ্যা নিয়ে ঘটেছে বহুমুখী দ্বন্ধ-সংঘাত। তবুও
-
পরীক্ষার হলে খাতায় লিখতে লিখতে আজকে সুমির মনে হচ্ছে, ঘড়ির কাঁটা কীভাবে এত দ্রুত ঘুরছে। এখন তার আরও তিনটা উত্তর দিতে হবে এদিকে যতবার ঘড়ির দিকে তাকাচ্ছে বুঝছে মিনিটের কাঁটাটা যেন দৌড়নো শুরু করেছে। পাঁচ মিনিট গেল মনে করে ঘড়ির দিকে তাকাচ্ছে আর দেখছে প্রায় পঁচিশ মিনিটই চলে গেছে। তার ইচ্ছা করছে কোনভাবে ঘড়ির গতিটা যদি ধীর করে দিতে পারত। কবে শুনেছিল আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার বিশেষ সূত্র থেকে পাওয়া এক অবাক করা তথ্য হল, গতিশীল অবস্থায় ঘড়ির কাঁটা নাকি স্থির ঘড়ির চেয়ে ধীরে চলে, একেই বলে সময়ের ধীরতা বা টাইম ডায়লেশন (Time Dilation)। এর অর্থ তখন বা এখনও ঠিক বুঝতে না
-
মানুষের কল্যাণে কাজ করলেও অনেকসময় সইতে হয় একরাশ নিন্দা ও গঞ্জনা। তবুও কিছু কিছু উদারমনা মানুষ নিরলস কাজ করে যান মানুষের জন্য, মানবতার জন্য, সভ্যতার জন্য। সমকালে মূল্যায়িত না হলেও ইতিহাস কিন্তু মূল্যায়ন করতে ভুল করে না। এ প্রসঙ্গে ড. হুমায়ুন আজাদের “আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে" কবিতার কথা মনে আসে।
ঠিক এমন একজনের কথাই জানবো, যিনি প্রকৃতপক্ষেই জন্মেছিলেন অন্যদের সময়ে, বেঁচে ছিলেন অন্যদের সময়ে। তিনি হলেন ডা. রেনে হিউফিল হায়াসিনথি লেনেক। ঊনিশ শতকের শুরুতে ১৮১৬ সালে তিনি ছিলেন প্যারিসের বিখ্যাত ন্যাক্কারে হাসপাতালে কর্মরত। এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের মধ্যে অধিকাংশই ছিল ফুসফুস ও শ্বাস-প্রশ্বাসের রোগাক্রান্ত। একদিন হঠাৎ করে অতিকায় এক
-
একসময় যে শ্রমিক নিজেদের অস্তিত্বের প্রশ্নে মিল-কলকারখানার যন্ত্রপাতি ভেঙে শিল্পায়নের বিরুদ্ধে শ্লোগান দিয়েছিল, কিংবা যে চার্চ, ধর্মীয় গোষ্ঠী কোপারনিকাস-গ্যালিলিও’র চিন্তা ও তত্ত্বকে বিরোধিতা করে বিজ্ঞানের বিপরীতে অবস্থান নিয়েছিল সেই একই শ্রমিক আজ শিল্পায়নের দাবিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পক্ষে শ্লোগান দিচ্ছে, ধর্মীয় গোষ্ঠীসমূহ বিজ্ঞানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে। এককথায়, বিরোধিতার মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা বিজ্ঞান আজ যে কোনো শ্রেণী-পেশা-বর্ণ-ধর্মের মানুষের নিকট সর্বজনীন মতাদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। সেই সাথে তা প্রগতি কিংবা পশ্চাৎপদতার নির্ধারক হিসেবে চর্চা হচ্ছে। ফলে বর্তমানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি সম্মত্তির এই বিস্তৃত পাটাতনে আমরা যখন বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করব, মানুষ এবং সমাজকে বিজ্ঞানমুখী করার লক্ষ্য নির্ধারণ করি তখন তার আয়োজন
-
লেখক: খালেদা ইয়াসমিন ইতি
"যারা বলেন যে বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চা সম্ভব নয় তারা হয় বাংলা জানেন না, নয়তো বিজ্ঞান জানেন না।"
আগামী প্রজন্মের উদ্দেশে এই চিরস্মরণীয় উক্তিটি যিনি করেছিলেন, তিনি হলেন, সত্যেন্দ্রনাথ বসু। যে সময়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিজ্ঞানের চার কিংবদন্তী- পরমাণু বিজ্ঞানী লিস মিটনার, অটোহ্যান, আলবার্ট আইনস্টাইন এবং ম্যাক্স ভনলু এর মতো প্রতিভাবান বিজ্ঞানীরা; সময়ের সেই সুবর্ণরেখার ধারায় এ উপমহাদেশে রামানুজন, মেঘনাদ সাহা, আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু এবং রবীন্দ্রনাথের পাশাপাশি জন্মগ্রহণ করেন সত্যেন্দ্রনাথ বসু।
১৮৯৪ সালের ১লা জানুয়ারি উত্তর কলিকাতার গোয়ানবাজান অঞ্চলে ঈশ্বরমিল লেনের পৈতৃক গৃহে তাঁর জন্ম। পিতা রেলওয়ের হিসাব রক্ষক- সুরেন্দ্রনাথ বসু, মাতা আমোদিনী দেবী। আর মাতামহ মতিলাল রায়
-
লেখক: আবদুল কাদের
মার্কস দুটি কৃতিত্বের জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। প্রথম কৃতিত্ব আধুনিক বস্তুবাদ (দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ) এবং দ্বিতীয় কৃতিত্ব ঐতিহাসিক বস্তুবাদ (সামাজিক বস্তুবাদ)।
আধুনিক বস্তুবাদের মূলকথা, বস্তু স্বনির্ভর এবং বস্তুর ভিতরের দুই বিপরীতের দ্বন্দ্বই বস্তু এবং বস্তুজগতে পরিবর্তন নিয়ে আসে। এ কথার অর্থ বস্তু ও শক্তি মূলত অভিন্ন। কাজেই বস্তুর অন্তর্নিহিত শক্তিই বস্তুর পরিবর্তনের নিয়ামক। মার্কস-পূর্ববর্তী বস্তুবাদকে বলা যায় জড়বাদ। জড়বাদী ধারণা অনুসারে জড় বহির্ভূত শক্তি জড়ের উপর সক্রিয় হলে তবেই জড়জগতে পরিবর্তন আসে। এখানে শক্তি এক অতিপ্রাকৃত ধারণা হিসেবে অবস্থান করে। জড়বাদের আর এক নাম যান্ত্রিক বাস্তুবাদ। যান্ত্রিক বস্তুবাদকে যান্ত্রিক বস্তুবাদ না বলে যান্ত্রিক ভাববাদ বলাই শ্রেয়, কারণ এটা
-
বিংশ শতাব্দীর অন্যতম সেরা বাঙালি বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা (১৮৯৩-১৯৫৬)। বিজ্ঞান জগতে তাঁর সেরা অবদান হলো ‘তাপীয় আয়নন তত্ত্ব’। আর তাপীয় আয়নন ব্যাখ্যা করার জন্য যে সূত্র প্রণয়ন করেন তা ‘সাহা সমীকরণ’ নামে খ্যাত। জ্যোতিপদার্থবিজ্ঞানে একাধিক জটিল রহস্য উদঘাটনের জন্য তার সার্থক প্রয়োগ রয়েছে। ফলে এ-তত্ত্বটি বিজ্ঞান জগতে নতুন যুগের সূচনা করেছিলো। তার সুদূর প্রসারী প্রভাব ও পরবর্তীকালে লক্ষ্য করা গেছে। ১৯২০ সালে এ-তত্ত্বটি উদ্ভাবনকালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করতেন এবং তাঁর বয়স ছিলো ২৭ বছর। তাঁর এ-গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্বটি সম্পর্কে সেকালের প্রতিথযশা জোতির্বিজ্ঞানী আর্থার স্ট্যানলি এডিংটন মন্তব্য করে বলেছিলেন যে, ‘গ্যালিলিওয়ের পর থেকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে যে ১২টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের উল্লেখ
-
বিংশশতাব্দীর মহাদিকপাল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১) এবং বিশ্ববিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন (১৮৭৯-১৯৫৫)। প্রাচ্যের কবি ১৯১৩ সালে, আর পাশ্চাত্যের বিজ্ঞানী ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কার পেলেন। গত শতাব্দীর বিশের দশকের আগে এদের দেখা-সাক্ষাৎ হয়নি। কিন্তু উভয়ই উভয়কে জানতেন। তাঁদের চলার পথ ভিন্ন হলেও সত্যসন্ধানে তাঁরা ছিলেন একই আলোর পথযাত্রী। সত্য ও সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠায় তাঁরা প্রয়াসী ছিলেন। মানবতার সুমহান আদর্শকে তাঁরা উর্ধ্বে তুলে ধরেছেন। দু দুটি বিশ্বযুদ্ধের ফলে বিশ্বজোড়া অনাহার, অবদমন ও অশান্তির প্রতিটি দিকেই ছিল তাঁদের সুতীক্ষ্ণ দৃষ্টি। তাছাড়া স্ব-স্ব দেশে নির্যাতন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে তাঁরা প্রতিবাদ করেছেন এবং জনমত গঠনের প্রচেষ্টা নিয়েছেন। ১৯১৯ সালে রবীন্দ্রনাথ জালিয়ানওয়ালাবাগের নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করেছেন এবং
-
[এ বছর ২৫ নভেম্বর আপেক্ষিকতা তত্ত্বের শতবর্ষ পূর্তিতে লেখাটি পুনঃপ্রকাশিত হলো। ইতোপূর্বে লেখাটি ত্রৈমাসিক ‘নতুন দিগন্ত’-এ প্রকাশিত হয়েছিল।]
II ১ II
ঠিক একশো বছর আগে, ১৯০৫ সালে চব্বিশ বছরের এক জার্মান যুবক সুইজারল্যান্ডের বার্ন শহরে সুইস পেটেন্ট অফিসের নিম্নপদস্থ একজন কর্মচারী অফিস ছুটির শেষে জার্মান বিজ্ঞানবিষয়ক পত্রিকা ‘Annalen Din Physik’ এর ঠিকানায় একটি খাম পোস্ট বাক্সে ফেলে আসেন। খামের মধ্যে ছিল তিনটি ছোট বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ। পেটেন্ট অফিসের সেই কর্মচারী যুবকের নাম আলবার্ট আইনস্টাইন। পদার্থবিদ্যার উপর প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া সমাপ্ত করেছেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে শিক্ষকতার কোন কাজ পাননি। তাই চাকুরী নিতে হয়েছিল পেটেন্ট অফিসে যেখানে বিজ্ঞানচর্চার কোন সুযোগই ছিল না। তবু
-
লেখক: পিনাকীলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের দৌলতে পেনিসিলিনের নাম আজ আর কারও অজানা নেই। দু'এক বছরের মধ্যেই খবরের কাগজের পাতায় পাতায় এ খবর সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে অথচ পেনিসিলিন নেহাৎ নূতন নয়। কতকটা অভাবনীয় ও নাটকীয়ভাবে পেনিসিলিনের অস্তিত্ব ও রোগনিবারণী ক্ষমতা ধরা পড়ার জন্যই বোধ হয় এটি এত অল্পকালের মধ্যেই বহুজনপরিচিত ও বহুপ্রচলিত হয়েছে।
১৮৭৭ সালে লুই পাস্তুর লক্ষ্য করেন পরখনলের মধ্যে একজাতের ব্যাধিজীবদের (ব্যাক্টিরিয়া) বৃদ্ধি অন্য আর একজাতের ব্যাধিজীবদের সংস্পর্শে ও সমকালীন বৃদ্ধির ছোঁয়াচে থেমে যায়। এর কারণ এখন অজানা নেই। ব্যাধিজীবরা হ'ল অনুদেহী অনুজীব- (মাইক্রো-অরগ্যানিজম্)। তাদের প্রাণক্রিয়ার ফলে নানা জাতের সুনির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ তৈরী হয়। এক জাতের ব্যাধিজীবদের বৃদ্ধি-বিরোধী
-
নিউটন এক দিন আপেল ফল ভূমিতে পড়িতে দেখিয়া হঠাৎ আবিষ্কার করিয়া ফেলিলেন, পৃথিবীর আকর্ষণশক্তি আছে। অমনই মাধ্যাকর্ষণের অস্তিত্ব বাহির হইল ও নিউটনের নাম ইতিহাসে চিরস্থায়ী হইয়া গেল। এবং তদবধি আপেল ফল কেন পড়ে, জিজ্ঞাসা করিলেই প্রত্যেক পাঠশালার বালকে উত্তর দেয়, মাধ্যাকর্ষণই উহার কারণ। গল্পটা কত দূর সত্য, সে বিষয়ে অনেকে সন্দেহ করেন। গল্পটা সত্যই হউক আর মিথ্যাই হউক, আপেল ফল যে কেন ভূমিতে পড়ে, তাহার প্রকৃত কারণ সম্বন্ধে বোধ করি, কাহারও আর সন্দেহ নাই।
মানুষের মন সর্ব্বদাই কারণ অনুসন্ধান করিতে চায়; এবং শুনা যায়, এই জন্যেই জীবসমাজে মনুষ্যের স্থান এত উচ্চে। কিন্তু সেই কারণ-অনুসন্ধানস্পৃহাটা যদি এত সহজে পরিতৃপ্তি লাভ করে,
-
অনেকদিন আগের কথা। ময়মনসিংহের জমিদার বাড়ির পেছনে এক অচিন বৃক্ষে আচমকা চোখ আটকে যায়। বৃক্ষের প্রতি আমার ছোট্ট থেকেই ভীষণ আগ্রহ। বাবার সরকারি চাকরীসূত্রে আমরা যখন কুষ্টিয়া ছিলাম, তখন (স্কুল থেকে কলেজ পর্যন্ত) আমার সংগ্রহে প্রায় দেড়শ’ প্রজাতির সৌখিন গাছ ছিল। কুষ্টিয়া থেকে গ্রামের বাড়ি জামালপুর স্থানান্তরিত হতে তখন অনেক গাছ অনিচ্ছাসত্ত্বেও বিসর্জন দিতে হয়েছে।
এরপর আনন্দমোহন কলেজে অনার্স পড়তে যাওয়া। সেখানেও উদ্ভিদ থেকে নিষ্কৃতি পেলাম না। যদিও ইচ্ছে ছিল পদার্থবিদ্যায় পড়বো, কিন্তু মামার অনুরোধে ঢেঁকি গিলতে গিয়ে হলো বিপত্তি। অগত্যা মুখস্থবিদ্যার সঙ্গে ৬ বছর কাটাতে হলো। মুখস্থকরণে আমার ছিল বড্ডবেশি দুর্বলতা। পরিণামে ফলাফল তথৈবচ। যাহোক শুরু করি। আজকের লেখাটি
ক্যাটাগরি
উৎস
আর্কাইভ
লেখক
- অ্যান্ড্রু রবিনসন (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আসাহাবুর রহমান (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৫)
- কানিজ ফাতিমা (৩)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- জগদীশ চন্দ্র বসু (৩)
- ড. আলী আসগর (১)
- দ্বিজেন শর্মা (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৬)
- ফিরোজ আহমেদ (১)
- বদিউর রহমান (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (২)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- যতীন সরকার (৩)
- রাজশেখর বসু (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (৬)
- রুশো তাহের (১)
- শাহীন আজিজ (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৩)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (১)
- হাসান তারেক (৪)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.