-
1. THE NATION IDENTITY AND ECOLOGY
THE nation of which we speak is about 80 million strong; God willing, it is likely to be in the year 2000 A.D. nearly 115 million. The habitat is approximately 55 thousand square miles to-day and we assume, will continue to be that in the 2000 A.D. It is probably the most densely populated 55 thousand square miles on earth. The volume of production, processed, semi-processed and unprocessed, after necessary exercise, gives us nearly the lowest per capita income in the world. These indubitable and unflattering facts have enabled international jesters to exercise their
-
অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে রক্তাক্ত পথ বেয়ে এসেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। ১৯৫০ সালের তেভাগা, নানকার, টংকের কৃষক বিদ্রোহ ’৪৮, ৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ’৫২-এর সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারের রক্তে রক্তাক্ত মহান একুশের জন্য। ২১ দফার ভিত্তিতে হক, ভাসানী, সোহরাওয়ার্দীর ’৫৪-তে যুক্তফ্রন্টের ধস নামানো বিজয়, মুসলিম লীগের ভরাডুবি। যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ও আমলাতন্ত্রের চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র। ৫৮’র মার্শাল ল’, জেনারেল আইয়ুবের ক্ষমতা দখল। ’৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৪-তে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে সম্মিলিত বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর বোন মাদার এ মিল্লাতের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা, পূর্ব পাকিস্তানে (আজকের বাংলাদেশ) জনজোয়ার। কিন্তু অপ্রত্যক্ষ নির্বাচনের কারণে অর্থাৎ ইউনিয়ন কাউন্সিলের মেম্বারদের ভোটে
-
বাংলাদেশে মাতৃভাষার জন্য আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল ১৯৪৮ সাল থেকে। সেদিনটি ছিল ২৫ ফেব্রুয়ারি। পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে পরিষদের ভাষা বাংলা করার দাবি উত্থাপন করা হলে পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান জানান যে পাকিস্তান মুসলিম রাষ্ট্র এবং মুসলমানের ভাষা উর্দু। তাই উর্দুই হবে রাষ্ট্রভাষা। এই বক্তব্যের বিরুদ্ধে ২৭ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা সম্মিলিতভাবে বিক্ষোভ মিছিল করেন। তাদের সেই মিছিলের প্রথম সারিতে ছিলেন নাদেরা বেগম। তিনি ছিলেন প্রখ্যাত ছাত্রনেত্রী। সে সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিষয়ের ছাত্রী। তাঁর বড় দুই ভাই কবীর চৌধুরী ও মুনীর চৌধুরী সে সময় প্রগতিশীল রাজনীতিতে সক্রিয়। পারিবারিকভাবে এবং পাশাপাশি নিজস্ব বিবেকবোধ থেকে সে সময় তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন।
-
পূর্ব বাংলায় বর্তমানে একটি অসাম্প্রদায়িক পরিবেশ রচিত হয়েছে বলে আমবা অনেক সময়েই দাবি করি এবং গর্বিত হই। কোনো একজন মানুষ অথবা একটি প্রতিষ্ঠানের নয় বরং বহুজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই পূর্ব বাংলার সংস্কৃতির এ রূপান্তর ঘটতে পেরেছে। সরকারি প্রতিকূলতা কী করে একটি মহৎ কাজে অন্যথায় নিষ্ক্রিয় মানুষকে সকর্মক করে তুলতে পারে, তার চমৎকার দৃষ্টান্ত দেখতে পাই রবীন্দ্রশতবার্ষিকী উৎসবকে কেন্দ্র করে। বাঙালি সংস্কৃতিতে পরিপূর্ণরূপে বিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা তখনো যথেষ্ট ছিলেন না পূর্ব বাংলায়। তবু অনেকেই ছিলেন। এরা শতবার্ষিকীর কিছুকাল আগে ঠিক করেন যে, সাড়ম্বরে তাঁরা শতবর্ষ পূর্তি উৎসব পালন করবেন রাজধানী ঢাকাতে। জাস্টিস মুরশেদ, প্রেস ক্লাব ও বেগম সুফিয়া কামালের নামে এরা তিনটি
-
সাম্রাজ্য ও সম্পদের লোভে আরব-ইরান থেকে যে মুসলমানরা এ দেশে এসেছিলেন তাঁদের সঙ্গে দেশীয় দীক্ষিত মুসলমানদের একটা মৌল পার্থক্য, এমন কি, এ শতাব্দীতেও দুর্লক্ষ্য নয়। মোগল-পাঠানের সঙ্গে সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজদের সাদৃশ্য বরং যথেষ্ট। উভয় গোষ্ঠীই এদেশে এসে শাসনের নামে শোষণ ও স্বৈরাচারে মত্ত হয়েছেন। এরা কখনোই একাত্ম হননি এ দেশীয়দের সঙ্গে। উপরন্তু স্বদেশীয় ভাষা-সংস্কৃতি এবং খানাপিনার প্রতি আত্যন্তিক আনুগত্যবশত এ দেশেই একটি আপন দেশীয় পরিমণ্ডল সৃষ্টি করে, সেই গণ্ডির মধ্যে তাঁরা বাস করেছেন। আর দেশীয় যে-সব নিম্নবর্ণের হিন্দু ও বৌদ্ধরা বর্ণহিন্দুদের অত্যাচার থেকে আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে অথবা সুলতানদের কিংবা মিশনারিদের দয়া ও আর্থিক সুযোগসুবিধার প্রলোভনে ইসলাম বা খৃস্টান ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন, তাঁদের
-
বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক আন্দোলন অঙ্গাঙ্গী জড়িত। দেখা গেছে রাজনৈতিক কিছু মুনাফা আদায়ের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে সাংস্কৃতিক আন্দোলন। আবার শেষোক্ত আলোড়ন উপরি উপরি যাই হোক, তার দীর্ঘ মেয়াদী উদ্দেশ্য কিন্তু রাজনৈতিক। বাংলাদেশে এখনকার প্রবণতার হেতু সন্ধানের জন্য পাকিস্তানের রাজনৈতিক পটভূমি-সম্পর্কে কিছু বলা দরকার।
অনেকে তো পাকিস্তানের জন্মলগ্ন নিজের নাড়িতেই অনুভব করেছেন।
তাঁদের জন্যে বেশী কিছু বলা নিষ্প্রয়োজন। কিন্তু অনেকের জ্ঞান কেবল ইতিহাস মারফৎ। তাই অতীতের কবর আবার নতুন করে খুঁড়ে দেখতে হয়।
পাকিস্তান গঠিত হয় দ্বিজাতিতত্ত্বের উপর। মুসলমানরা এক জাতি, যেহেতু তাদের ধর্ম এক। মোদ্দা কথা এইখানে এসে দাঁড়ায়। ধর্মকেই জাতীয়তা গঠনের একমাত্র উপাদান-রূপে তখন মুসলিম লীগ প্রচার করে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের
-
Comrade Moni Singh, one of the national heroes of Bangladesh, accepted Marxism and leninism at an early age. In his autobiographical book, ‘Jiban Sangram’, Comrade Moni Singh says that he joined the communist movement of workers and peasants during the last stage of the twenties. He used to organize the workers first and subsequently he launched the struggle for the betterment of life of peasants and other toiling masses of the people. During this tíme, Comrade Moni Singh met in Calcutta a number of famous communists including Comrade Muzaffar Ahmed.
Comrade Moni Singh's maternal uncle was a feudal lord or
-
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের মধ্যে ‘মুজিববাদ’ এবং ‘বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র’ এই দুই শ্লোগানের পরিচয়ে এক দ্বিধা-বিভক্তি ক্রমশ প্রকাশ পেতে থাকে ৷ ঐ বৎসরের ২৩শে জুলাই একই সময়ে রেসকোর্স এবং পল্টন ময়দানে পৃথক পৃথক সম্মেলন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছাত্রলীগের এই দ্বিধা-বিভক্তি চূড়ান্ত সাংগঠনিক রূপ লাভ করে। একদিকে যখন ‘মুজিববাদ’-পন্থী ছাত্রলীগ দেশে ‘মুজিববাদ’ প্রতিষ্ঠার শপথ নেয়, অন্যদিকে ‘বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রে’র অনুসারী ছাত্রলীগ দেশে ‘শ্রেণী সংগ্রামের মাধ্যমে সামাজিক বিপ্লব সংঘটিত করে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রতিজ্ঞা নেয়। ১৭ই সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবস উপলক্ষে পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগের জনসভায় আ স ম আবদুর রব একটা পার্টি গঠন করার ইঙ্গিত দেন। ৩১শে অক্টোবর মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) জলিল এবং আ স
-
১৯৫০ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাঁওতাল অধ্যূষিত এলাকা নাচোলে যে রক্তক্ষয়ী কৃষক বিদ্রোহ সংঘটিত হয় তাঁর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রামচন্দ্রপুরের জমিদার পুত্রবধূ বিপ্লবের অগ্নিকন্যা ইলা মিত্র (১৯২৫-২০০২)। এলাকায় তিনি পরিচিতা ছিলেন ‘বধূমাতা’ হিসেবে। ১৯৪৫ সালে রামচন্দ্রপুরের জমিদার পুত্র কমিউনিস্ট কর্মী রমেন মিত্রর সঙ্গে বিয়ে হয়। এবং এক সময় তিনি নিজে স্বামীর মত ও পথের সহযাত্রী হন। প্রথম রামচন্দ্রপুরে স্থাপন বালিকা বিদ্যালয়। তারপর আর থেমে নেই। ১৯৪৬ সালে হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা প্রতিহত করতে এক বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। সে বছর বাগেরহাটের মৌভোগে যে ঐতিহাসিক বঙ্গীয় কৃষাণ সভার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় চির অবহেলিত কৃষকদের তে-ভাগা আন্দোলনের। সে আন্দোলনের নেতৃত্বদান করেন ইলা মিত্র।
-
বিগত শতাব্দীর মাঝামাঝির পরে কবি নবীনচন্দ্র সেনরা যখন কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়তেন তখন পশ্চিমবঙ্গের ছেলেরা তাঁদের 'বাঙাল' বলে খ্যাপাত। আমি যখন ১৯১৩ সালে কলকাতায় পড়তে এসেছি তখনো পশ্চিমবঙ্গের ছেলেরা আমাদের বাঙাল নামে ডাকত। তবে, কবি নবীন সেনদের আমলের মত নয়। আমাদের কেউ কেউ আবার ঠাট্টা করে বলতেন, 'ওঁরা তো বঙ্গদেশ হতে এসেছেন।' এটাও ভদ্রভাষায় 'বাঙাল' বলা ছিল। সত্যই কোন সময়ে পূর্ববঙ্গের একটা অংশকে বাঙাল নগর বা বাঙাল দেশ বলা হত। আর আজ বাংলাদেশের সেই দেশ সত্য সত্যই স্বাধীন রাষ্ট্র রূপে গণ-প্রজাতান্তিক বাংলাদেশ হয়ে গেল। আরো আশ্চর্যের কথা পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেকটি মানুষ এই স্বাধীন রাষ্ট্র গড়ে ওঠার জন্য মনে-প্রাণে কামনা করলেন বা
-
গণসংগীত রচনা করার হাতে খড়ি আমার হয়েছিল গণনাট্য সংঘ গড়ে ওঠার বেশ কিছু আগে থেকেই। আমি থাকতুম আমার মামার বাড়ি সোনারপুর থানার অন্তর্গত কোদালিয়া গ্রামে (এখন নাম সুভাষগ্রাম)। ওখান থেকে ডেলি-প্যাসেঞ্জারি করে বঙ্গবাসী কলেজে পড়তে যেতুম। সোনারপুর অঞ্চলে কৃষক আন্দোলন তখন বেশ দানা বেঁধে উঠেছে। বিদ্যাধরী নদী মজে যাওয়ায় বঙ্গোপসাগরের নোনা জল ঢুকে হাজার হাজার বিঘে ধান জমি নোনাজলে ভেসে গিয়ে অনাবাদী হয়ে গিয়েছিল। ফলে লক্ষ লক্ষ কৃষক ভূমিহীন কৃষকে পরিণত হয়েছিল। সেটা ব্রিটিশ আমল। দাবি ছিল ড্রেজার দিয়ে খাল কাটতে হবে। মজা বিদ্যাধরীর বালু তুলে ফেলে দিয়ে ওটাকে জীবন্ত করে তুলতে হবে। তাছাড়া কৃষককে ভরতুকি দিয়ে স্বল্পমূল্যে বা বিনামূল্যে
-
ময়মনসিংহের উত্তরে গারো পাহাড়ের পাদদেশে ১৯৩৭ সাল থেকে শুরু করে সুদীর্ঘ বারো বৎসর টংক প্রথার বিরুদ্ধে এক রক্তক্ষয়ী ও জঙ্গী সংগ্রাম গড়ে উঠেছিল টংক প্রথা হচ্ছে কৃষকদের উপর এক প্রকার জঘন্য ও বর্বরতম সামন্তবাদী শোষণ। টংক কৃষকদের জমিতে কোন কর্তৃত্ব ছিল না। জমিতে ধান হোক বা না হোক টংক কৃষকদের জমির মালিক জমিদার ও অন্যান্যদের ধানে খাজনা দিতেই হতো। টাকায় খাজনা না দিয়ে এই প্রথার খাজনায় কৃষকরা মারাত্মক রকম শোষণের শিকার হতো। এই প্রথার বিরুদ্ধে এবং টাকায় খাজনা দেওয়ার দাবিতে টংক কৃষকের মরণপণ সংগ্রাম বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের কৃষক আন্দোলনে এক গৌরবময় ঐতিহ্য সৃষ্টি করেছে।
শোষণে জর্জরিত হয়ে টংক কৃষকরা যখন
ক্যাটাগরি
উৎস
আর্কাইভ
লেখক
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অমিত রঞ্জন দে (১)
- আব্দুল লতিফ (১)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- জহির রায়হান (১)
- ড. ভেলাম ফন স্ক্রেন্ডেল (১)
- তপন কুমার দে (১)
- নজরুল ইসলাম (১)
- নিতাই দাস (১২)
- প্রক্রিয়াধীন (৪)
- মণি সিংহ (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (১)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (২)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শিশির কর (১)
- সত্যেন সেন (২৪)
- সলিল চৌধুরী (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (২)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ তোশারফ আলী (১)
- হাসান তারেক (১)
- হাসান মুরশিদ (৫)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.