-
মেসোপটেমিয়ার বিজ্ঞান সম্বন্ধে কিছু বলার আগে আসেরিয়ার দ্বিগ্বীজয়ী সম্রাট আসূরবানিপালের কাছে আমাদের ঋণের স্বীকার করা দরকার। কারণ, মেসোপটেমিয়া সম্বন্ধে আজ যতটুকু জানতে পেরেছি, তার প্রায় সবটাই তাঁর কল্যাণে। আসিরিয়ার পূর্ববর্তী কীর্তিধর রাজাদের জয় করা সাম্রাজ্যসীমা তিনি আরও বিস্তৃত করেছিলেন। বিদ্রোহী প্রজাদের নির্মমভাবে হত্যা করতেন তিনি, ধ্বংস করতেন তাদের নগর। আসিরীয় নিষ্ঠুরতা তখনকার সভ্যজগতে ত্রাসের ব্যাপার ছিল। আসূরবানিপালের নামে মিশর থেকে পারস্য পর্যন্ত সবাই আতঙ্কিত হতো। যুদ্ধপ্রিয়, নির্মম আর নৃশংস ছিল এই আসিরীয়রা। শুধু তরবারির শাসনে এক বিস্তীর্ণ সাম্রাজ্য তারা টিকিয়ে রেখেছিল দীর্ঘকাল। সমস্ত সাম্রাজ্য লুঠ করা সম্পদে রাজধানী নিনেভা হয়ে উঠেছিল অনুপমা, অতুলনীয়া।
যুদ্ধক্ষেত্রে যিনি পরিচয় দিতেন চূড়ান্ত বর্বরতার, ভাবতেই
-
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য ও সঙ্গীত এবং সাধারণভাবে সাহিত্যসৃষ্টির বৈচিত্র্য ও বহুত্বকে একটি বৃক্ষের শাখা প্রশাখা হিসাবে না দেখে একেবারে পৃথক করে করে কাণ্ডজ্ঞানহীনভাবে আমাদের যার যার পছন্দমত বেছে নেবার একটা ঝোঁক তাঁর কাজের সামগ্রিকতাকে আড়াল করে দেয় এবং উৎকর্ষকে খণ্ডিত করে। অযৌক্তিক হলেও দুঃখের বিষয়, এটাই ঘটেছে বিশেষ করে চল্লিশের দশকে। এই বিভাজন ও তার ঝোঁকের মূলে কি কি কারণ রয়েছে এবং এদের অতিক্রম করার জন্যই বা কি কি পদক্ষেপ নেয়া, হয়েছে, আমরা এদের এখানে সংক্ষেপে খতিয়ে দেখছি এক এক করে। আমাদের মূল লক্ষ্য নজরুলের অব্যাহত ও অবিভাজ্য সত্তাটিকে প্রতিষ্ঠিত দেখা।
নজরুলের বিভাজনের জন্য হয়তো নজরুল নিজেও
-
সাহিত্য একটি নিরবচ্ছিন্নভাবে চর্চার মাধ্যমে হয়ে ওঠা চিন্তা, রুচি ও মননশীলতার শৈল্পিক পাঠকেন্দ্র। সাহিত্যে তাই সততা এবং নিষ্ঠার কমতি থাকলে, তা আর সঠিকরূপে বিকশিত হতে পারে না। ভাবনায় ব্যাঘাত ঘটলে যেমন থমকে যেতে হয়, ঠিক তেমনিভাবে সাহিত্যের জন্য ব্যক্তির স্বাধীনভাবে পূর্ণ মনোনিবেশের মধ্যে দিয়ে চিন্তার উৎকর্ষ স্তরে পৌঁছতে হয়। ফলে সাহিত্য চর্চার জন্য পূর্ণ স্বাধীনতা এবং সততার প্রয়োজন হয়।
বহুকাল আগে থেকে সাহিত্য চর্চা বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সত্যিকারের সাহিত্য নির্মাতা কখনও কিছুতে মাথা নত করে না, সাহিত্য সর্বদা সত্য ও সুন্দরের পথে অগ্রসরমাণ একটি প্রক্রিয়া। সমাজ বিনির্মাণে সাহিত্য চর্চার মানুষদের কদর সে কারণে অধিক। এরা রাষ্ট্র গঠন থেকে শুরু করে
-
আজকের মুসলিম বিশ্বে যেসব রাজনৈতিক আন্দোলন এক সাচ্চা ইসলামি বিশ্বাসের প্রতিনিধিত্ব দাবি করছে তাদের স্বরূপ কী? ভূমিকাই বা কী? পাশ্চাত্যে এসব আন্দোলনকে সাধারণভাবে ‘ইসলামী মৌলবাদ’ বলা হয়ে থাকে। তবে আরব বিশ্বে ‘রাজনৈতিক ইসলাম’ বলে যে শব্দবন্ধ চালু রয়েছে সেটিকেই আমি বেশি গ্রহণযোগ্য মনে করি। এগুলো নিরংকুশ ধর্মীয় আন্দোলন নয়। এসব গোষ্ঠীর মধ্যে দিব্যি মিল রয়েছে। রয়েছে আরো মামুলি একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য: এগুলো রাজনৈতিক সংগঠন এবং এদের লক্ষ্য রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করা। তার কম নয়, বেশিও নয়। এ ধরনের সংগঠনকে ইসলামের পতাকা দিয়ে মুড়ে দেওয়াটা নির্জলা সুবিধাবাদ। আধুনিক রাজনৈতিক ইসলাম উদ্ভাবন করেন ভারতবর্ষে ব্রিটিশ উপনিবেশবাদের সেবক প্রাচ্যবাদীরা। পাকিস্তানের মওলানা আবুল আলা মওদুদীর
-
লেখক, রাজনীতিক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক সত্যেন সেন (১৯০৭-১৯৮১) কোনোটি বাদ দিয়ে কোনোটি করেননি। প্রয়োজনে সব কাজগুলো তিনি একই সঙ্গে করেছেন। অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে ১৯২১ সালে মাহাঙ্গু বানিয়া বা বাউ-এর সঙ্গে তিনি টঙ্গীবাড়িতে এক জনসভায় যোগদান করে তাঁর জীবনের গতিপথ নির্ধারিত হয়ে যায়। বাউ-এর মাধ্যমেই তিনি বিপ্লবী রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হন। ১৯২৪ সালে কলেজে পড়াকালে যোগ দেন বিপ্লবী দল যুগান্তর-এ। সে সময় ‘নবশক্তি’ পত্রিকায় কিছু কিছু কবিতা লিখেছিলেন বলেও জানা যায়। তারপরেই ১৯৩১ সালে ২৪ বছর বয়সে রাজনৈতিক কারণে জেল জীবন শুরু হয় অস্ত্রের মধ্যে তাঁর চিঠি পাওয়ার অপরাধে। তারপর জেল-বাহির-জেল এভাবে কেটে যায়। ১৯৬৮ সালের শেষভাগ পর্যন্ত প্রায় ৭৪
-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
পানি থেকে ছিন্নভিন্ন কালো পাহাড়ের মতো 'আভালাঁশে'র পিছন দিক উত্তোলনের কাজ শুরুর পূর্বে ডুবুরীদের জন্য প্রশিক্ষণ নেওয়ার কিছু পদ চালু করা হয়েছিল। প্রশিক্ষণের দ্বারা আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য বিশেষ কিছু অনুশীলনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। কয়েক বার পানির তলদেশে যাওয়ার পরে একেকজন ডুবুরীকে যার যার কর্মক্ষেত্রে পাঠিয়ে দেওয়া হত। ডুবুরীদের প্রশিক্ষণের ব্যাপারে বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন ছিলেন জাহাজটির উদ্ধারকাজে ইঞ্জিনিয়ার ইয়েঙ্গেনি লেগোশিন। একইসঙ্গে ডুবুরীদের প্রশিক্ষণদান আর বাস্তব উদ্ধার কাজ করানো এক কঠিন কর্ম সন্দেহ নেই। শুরুতে জাহাজের বডি হাত দিয়ে পরীক্ষা করতে হল। জাহাজের এই বাইরের শরীরটা ৪ হাজার বর্গমিটারের; এটি পরীক্ষার পরে জাহাজের ভিতরের কক্ষগুলো পরীক্ষার দরকার ছিল।
-
বাংলাদেশে যখন মোট জনসংখ্যা ছিল মাত্র সাত কোটি, তখন দেশের এক কোটি লোক দেশ ছাড়তে বাধ্য হলো। কেন এক কোটি বাংলাদেশি দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল তার কয়েকটি রাজনৈতিক ও আর্থ সামাজিক কারণ ও প্রেক্ষাপট উল্লেখ করা যেতে পারে:
রাজনৈতিক:
শরণার্থীদের এক বৃহৎ অংশ ছিল হিন্দু ধর্মের অনুসারী। এ সকল বাংলাভাষাবাসী হিন্দু ধর্মের অনুসারীরা প্রধানত ভোট দিয়েছে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে এককভাবে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদেরকে। কারণ অত্যন্ত সুস্পষ্ট ও স্বাভাবিক। আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী ইস্তেহারে সব সময় বলে আসছে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে তারা বিশ্বাসী এবং এই দল নির্বাচিত হলে তারা ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সকল মানুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে। সকল ধর্মের অনুসারীরা
-
লেখক: ফাদার রিগন
'১৯৭১-এর ১ মার্চ আমি ছিলাম ঢাকায়। ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করলেন। পূর্ব বাংলায় সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ঘৃণা আর প্রতিবাদের উত্তাল তরঙ্গ। এই তরঙ্গের আছাড়েই আমি আমার কর্মক্ষেত্র বানিয়ারচরে ফিরে এলাম। এরপর আরও অস্থিরতা! অপেক্ষা একটি স্বাধীনতা যুদ্ধ!'
এভাবে ধীরে ধীরে ব্যাপক পরিসরে ফাদার মারিনো রিগনের ডায়েরিতে উঠে এসেছে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম থেকে শুরু করে স্বাধীনতা যুদ্ধের চিত্র। তাঁর দিনলিপির পাতায় পাতায় ১৯৭১ সালে তিনি ইতালীয় ভাষায় লিখে রাখেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালির ওপর পাকসেনাদের আর তাদের এই দেশীয় দোসর রাজাকারদের অত্যাচারের কথা।
ক্যাথলিক এই ধর্মযাজকের বয়স হয়েছে ৮২ বছর। জীবনের বড় অংশটি তিনি কাটিয়েছেন বাংলাদেশের বুকে।
-
১৯৪৭ সালে যখন পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হয় তখন বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের অধিকাংশই পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষার জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত ছিল। আজ ১৯৭১ সালে তাঁদের সকলেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত। বুদ্ধিজীবীদের মানসচৈতন্যের এই পরিবর্তন বিস্ময়কর হলেও অস্বাভাবিক নয়। দেশবিভাগের পূর্বে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের একটি প্রবল প্রতিবাদ ছিল অর্থনৈতিক শোষণের বিরুদ্ধে। এই অর্থনৈতিক শোষণের ক্ষমতা ছিল যাদের, তারা সেই ক্ষমতার প্রয়োগে শিক্ষা ও রাজনীতি ক্ষেত্রে আপন প্রতিষ্ঠাকে সম্ভবপর করেছিল। তাই অর্থনৈতিক শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ একটি রাজনৈতিক পরিমণ্ডল নির্মাণ করেছিল বাংলাদেশের মানুষের জন্য। তখন অর্থনৈতিক ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত ছিলেন বাংলাদেশের হিন্দু ভূস্বামীবৃন্দ এবং এই ক্ষমতার বলে শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁরা ছিলেন অগ্রসর এবং রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠা লাভের অধিকারী।
-
বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের পশ্চাতে সাংস্কৃতিক অনেক কারণ ছিলো, সন্দেহ নেই। বাঙালি সংস্কৃতিকে স্বাধীনতার পর থেকেই নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছেন পশ্চিমে পাকিস্তানি কায়েমি স্বার্থবাদীরা। কেননা পূর্ব ও পশ্চিমের অতি দুর্বল সাংস্কৃতিক যোগসূত্রকে তাঁরা মজবুত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এই প্রসঙ্গে সাংস্কৃতিক নিয়ন্ত্রণের কারণস্বরূপ অন্য একটি কথাও বিশেষভাবে মনে রাখা আবশ্যক যে পশ্চিম পাকিস্তানি শোষণকে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের পথে পূর্ব বাংলার জনগণের কাছে সহনীয় করে তুলতে চেয়েছিলেন শাসক সম্প্রদায়। সম্মানজনক শর্তে সম্পূর্ণ ভিন্ন জাতির সঙ্গেও বোধহয় সহাবস্থান সম্ভব, এবং তেমন অবস্থায়, একাত্মতা বোধ না করলেও, পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তান একটি ঢিলে কনফেডারেশনের অধীনে হয়তো বাস করতে পারতো। কিন্তু স্বাধীনতা লাভের অব্যবহিত পর
-
প্রতিভা কথাটা বালজাক সম্বন্ধে যেমন নির্ভয়ে ও নিঃসংশয়ে ব্যবহার করা যায় সে-রকম বোধহয় খুব অল্প লেখকের সম্বন্ধেই করা চলে। সত্যিই উনবিংশ শতাব্দীর ফরাসী কথা-সাহিত্যিক অনরে দ্য বালজাক (Honore de Balzac) এক অসাধারণ সৃজনী প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। ম্যাথ্যু আর্নল্ড-এর মতে শুধু উৎকর্ষ নয়, উর্বরতাও প্রতিভার একটি প্রধান লক্ষণ এবং সে-দিক থেকে বিচার করলে বালজাক-এর সাহিত্য-প্রতিভায় আর কিছুমাত্র সন্দেহ থাকে না। বালজাক-এর উর্বরতা সত্যিই বিস্ময়কর। অবশ্য, বলাই বাহুল্য, এই উর্বরতা পুস্তকের সংখ্যায় নির্ণীত নয়। কারণ অনেক সাধারণ লেখক-কেও অনেক সময় অসংখ্য বই লিখতে দেখা যায়। কিন্তু তাঁরা দু-একটি মৌলিক রচনার পর হয় নিজেদেরই চর্বিতচর্বণ করেন নয়তো কৌশলে অপরের সৃষ্টির পুনরাবৃত্তি করে থাকেন।
-
আমাদের হিন্দুস্থান যেমন কীর্তির শ্মশান, বীরত্বের গোরস্থান, তেমনই আবার তাহার বুক অত্যাচারীর আততায়ীর আঘাতে ছিন্নভিন্ন। সেইসব আঘাতের কীর্তিস্তম্ভ বুকে ধরিয়া স্তম্ভিতা এই ভারতবর্ষ দুনিয়ার মুক্তবুকে দাঁড়াইয়া আজ শুধু বুক চাপড়াইতেছে। অত্যাচারীরা যুগে যুগে যত কিছু কীর্তি রাখিয়া গিয়াছে, এইখানে তাহাদের সব কিছুরই স্মৃতিস্তম্ভ আমাদের চোখে শূলের মতো বাজিতেছে। কিন্তু এই সেদিন জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হইয়া গেল, যেখানে আমাদের ভাইরা নিজের বুকের রক্ত দিয়া আমাদিগকে এমন উদ্বুদ্ধ করিয়া গেল, সেই জালিয়ানওয়ালাবাগের নিহত সব হতভাগ্যেরই স্মৃতিস্তম্ভ বেদনা-শেলের মতো আমাদের সামনে জাগিয়া থাক, ইহা খুব ভালো কথা, – কিন্তু সেই সঙ্গে তাহাদেরই দুশমন ডায়ারকে বাদ দিলে চলিবে না। ইহার যে স্মৃতিস্তম্ভ খাড়া করা
ক্যাটাগরি
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- মূল্যায়ন
- বিজ্ঞানচেতনা
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- বিজ্ঞান পাঠ
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- প্রসঙ্গ মৌলবাদ
- লেখকদের প্রেম
- যুগবাণী
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- আলোর উদ্দাম পথিক
- পরিচয়
- সুকান্তসমগ্র
- সংস্কৃতির রূপান্তর
- শহরের ইতিকথা
- শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে
- বাংলাদেশ ’৭৩
- সাপ্তাহিক বিচিত্রা
- বঙ্গ বাংলা বাংলাদেশ
- বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন
- কথা পাঞ্জাব
- বনে পাহাড়ে
আর্কাইভ
- ২০২৬ (২২)
- ২০২৫ (১৫)
- ২০২৪ (৪)
- ২০২৩ (১)
- ২০১৭ (২)
- ২০১৬ (৪)
- ২০১৫ (১৮)
- ২০১২ (১)
- ২০১১ (৭)
- ২০১০ (১)
- ২০০৬ (২)
- ২০০৪ (৫)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৫ (১২)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৮৮ (১)
- ১৯৮৬ (৮)
- ১৯৮৪ (৫)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৬ (১)
- ১৯৭৩ (৪)
- ১৯৭২ (১)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৭০ (১৩)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬০ (২)
- ১৯৫৬ (১)
- ১৯৫৫ (৯)
- ১৯৫১ (১)
- ১৯৪৫ (১)
- ১৯৪৪ (১)
- ১৯৩১ (১)
- ১৯২২ (২১)
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অরুণ সেন (১)
- আকবর উদ্দীন (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আসাহাবুর রহমান (৫)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৫)
- এহসান হায়দার (২)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কল্পতরু সেনগুপ্ত (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (২১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কাশীনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- কিওকো নিওয়া (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- খায়রুল হাসান জাহিন (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিত্রা দেব (১)
- জগৎ ঘটক (১)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- পাভেল পার্থ (২)
- পারভেজ আমির আলী হুডভয় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২৯)
- প্রতিভা বসু (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৯)
- মন্মথ রায় (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাহবুব হাসান (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৯)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শামসুন নাহার মাহমুদ (১)
- শাহরিয়ার কবির (২)
- শাহীন রহমান (১)
- শিশির কর (১)
- শেখর বসু (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সাদত হাসান মান্টো (৩)
- সামির আমিন (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন বসু (১)
- হাসান তারেক (৫)
- হাসান মুরশিদ (১২)
- হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.