-
২ লাখ ৩৭.৫ কিলোমিটার আয়তনের ইউরোপীয় এই দেশের লোক সংখ্যা ২ কোটি ২৪ লাখ (১৯৮২’র তথ্য)। হিটলারের ফ্যাসিস্ট বাহিনী উৎখাত হওয়ার পর ১৯৪৪ সাল থেকে দেশটি সমাজতন্ত্রের পথে অগ্রসর হতে শুরু করে।
প্রাচীন কথা
দানিয়ুবের তীরে রুমানিয়ায় প্রাচীনকালে দাস প্রভুদের রাজত্ব গড়ে উঠেছিল। দ্বিতীয় শতাব্দীতে রোম সাম্রাজ্যের অধীনে স্বাধীন একটি প্রদেশে পরিণত হয় দেশটি। বিভিন্ন সময়ে গোথ, হুন, জেপিড, এভারস, তাতার, হাঙ্গেরিয়ান প্রভৃতি শক্তির আক্রমণ ঘটে দেশটির ওপর। শ্লাভরা শরণার্থী হিসেবে এসে এখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। চতুৰ্দ্দশ শতাব্দীতে বিদেশীদের বিতাড়ণ করে রুমানিয়ায় স্বাধীন সামন্তবাদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীন রুমানিয়ার ওপর এরপর নেমে আসে তুর্কী আক্রমণ। রুমানিয়রা তুর্কী আক্রমণ প্রতিহত
-
আড্রিয়াটিক সাগরের তীরে ইউরোপীয় ক্ষুদ্র দেশ আলবেনিয়ার আয়তন ২৯ হাজার বর্গ কিলোমিটার। ২৫ লাখ ১১ হাজার (১৯৭৯’র তথ্য) মানুষের এই দেশটি ১৯৪৪ সালের নভেম্বর মাসে ফ্যাসিবাদের কবল থেকে মুক্তি লাভ করে সমাজতন্ত্রের পথে যাত্রা করে। দেশের অধিকাংশ মানুষ (৭০%) মুসলিম ধর্মাবলম্বী। বাকিদের ২০% অর্থোডক্স ও ১০% রোমান ক্যাথলিক। সুদূর অতীত থেকে দেশের মানুষ বিদেশী আধিপত্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে এসেছে।
বিদেশী আধিপত্য
পর্বত ঘেরা, সাগর ধোয়া এই দেশটির সাথে ভৌগলিক কারণেই বাইরের যোগাযোগ খুব ক্ষীণ। দেশের প্রাচীন ইতিহাসও বাইরের দুনিয়ার কাছে অনেকটা রহস্যাবৃত। তবে ইউরোপের বিশেষত বলকান অঞ্চলের অন্যান্য দেশের ইতিহাসের সাথে সঙ্গতি রক্ষা করে একথা ধারণা করা হয় যে, আলবেনিয়ার
-
চেক ও শ্লোভাক প্রজাতন্ত্রদ্বয়ের ফেডারেশন চেকোশ্লোভাকিয়া ১৯৪৫ সালের ১ মে নাৎসী দখলদারদের কবল থেকে মুক্তি লাভ করে। দেশটির আয়তন ১ লাখ ২৮ হাজার বর্গ কিলোমিটার, জনসংখ্যা ১ কোটি ৫০ লাখ । চেক ও শ্লোভাক জাতির আবাসভূমি চেকোশ্লোভাকিয়া নাৎসী দখলদারদের কবল থেকে মুক্ত হওয়ার পর ধীরে ধীরে সমাজতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করে। ইউরোপের প্রাচীন দেশ হওয়া সত্ত্বেও চেকোশ্লোভাকিয়াকে দীর্ঘদিন পর্যন্ত বিদেশী আগ্রাসনের শিকার হয়ে থাকতে হয়েছিল।
শোষণের দীর্ঘ পথ
চেকোশ্লোভাকিয়ার প্রাচীন ইতিহাস আলোচনায় দেখা যায় যে, শ্লাভ জাতির এই দেশটিতে সপ্তম শতকে সামো সাম্রাজ্য ও অষ্টম শতকে মোরাভিয়া সাম্রাজ্য বেশ প্রবল প্রতাপান্বিত ছিল। এরপর বোহেমিয়া সাম্রাজ্য তথা চেক রাষ্ট্র গড়ে ওঠে।
-
আমার বিশ্বাস, অর্থনীতি ও সামাজিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নন এমন ব্যক্তির পক্ষে সমাজতন্ত্র সম্পর্কে মতামত ব্যক্ত করতে যাওয়া নানাকারণেই ঠিক নয়।
বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টা প্রথমে বিবেচনা করা যাক। মেথোডলজির (Methodological) দিক থেকে, মনে হয়, জ্যোতির্বিদ্যা ও অর্থনীতির মধ্যে বিশেষ কোনো পার্থক্য নেই, উভয় ক্ষেত্রেই বৈজ্ঞানিকগণ সন্নিবিষ্ট ঘটনাবলীর মধ্যে পারস্পরিক যোগসূত্র আবিষ্কারের জন্য সাধারণভাবে গ্রহণযোগ্য এমন কতগুলো সূত্র আবিষ্কারের চেষ্টা করেন, যাতে বিষয়টা যতদূর সম্ভব সহজবোধ্য হয়ে ওঠে। বাস্তবক্ষেত্রে কিন্তু পদ্ধতিগত পার্থক্য থেকেই যায়। পর্যবেক্ষিত অর্থনৈতিক ঘটনাবলী প্রায়শই এমন কতগুলো কারণ দ্বারা প্রভাবান্বিত, যেগুলোর পৃথক পৃথক মূল্যায়ণ প্রায় অসম্ভব। এমন ক্ষেত্রে অর্থনীতির সাধারণ সূত্রাবলীর আবিষ্কার কঠিন হয়ে পড়ে। অধিকন্তু, মানব-ইতিহাসের তথাকথিত
-
প্রথম সফল সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সম্পাদনকারী দেশ—রাশিয়া পৃথিবীর মানুষের দীর্ঘ পথ চলার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। ১৯১৭ সালে যুগ যুগ ধরে শোষিত, বঞ্চিত, খেটে-খাওয়া মানুষ—রাশিয়ার শ্রমিক-কৃষকেরা ক্ষমতা দখল করে শোষণমুক্ত নতুন সমাজ—সমাজতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণে অগ্রসর হওয়ার মধ্য দিয়ে পৃথিবীর নিপীড়িত মানুষের সামনে আলোকোজ্জল পথরেখা তুলে ধরেছে। পৃথিবীর সর্ববৃহৎ দেশ এশিয়া-ইউরোপের বিশাল অঞ্চল, সাবেক পরাক্রমশালী রুশ সাম্রাজ্য পরিণত হয় শ্রমিক-কৃষকের মুক্তির কাফেলার বিপ্লবী ভূমিতে। এই বিপ্লবী পথরেখা সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের ফলশ্রুতিতে।
সামন্তবাদ থেকে পুঁজিবাদ
পূর্ব শ্লাভদের প্রাচীনভূমি রাশিয়ার অনেকগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজ্যের অন্যতম মস্কোভি রাজ্যের রাজাদের (জার) প্রচেষ্টায় কালক্রমে ঐক্যবদ্ধ হয়। এর মধ্য দিয়ে তাতারদের খবরদারি লোপ পায় এবং
-
দীর্ঘ সংগ্রামের পতাকাবাহী বুলগেরিয়ার শ্রমজীবী মানুষ ১৯৪৪ সালে রাষ্ট্রক্ষমতা অধিকার করে। ১১০,১০০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই বলকান দেশটিতে ১ কোটির কাছাকাছি সংখ্যক মানুষ বসবাস করে।
সংগ্রামের প্রাচীনকাল
সুদূর অতীত থেকে বুলগেরিয়ার মানুষ বিদেশী আধিপত্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে এসেছে। বর্তমান বুলগেরিয়ানদের প্রাচীন পূর্বপুরুষ থেসিয়ানরা ছিল ইন্দো-ইউরোপীয় গোষ্ঠীর মানুষ। খ্রী.পূ. ৫ম শতকের মধ্যেই তাদের কয়েকটি শক্ত রাষ্ট্র গড়ে ওঠে। সে সময়ে প্রতিনিয়তই গ্রীস, রোমসহ বিভিন্ন বিদেশী শক্তির সাথে তাদেরকে সংগ্রামে লিপ্ত হতে হয়। খ্রী.পূ. ২য় শতাব্দীতে তারা রোমানদের অধীনে চলে যেতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে রোম সাম্রাজ্য দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেলে বুলগেরিয়া পূর্ব রোম তথা বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের অধীনস্থ হয়। দাস সমাজের ধারক রোম সাম্রাজ্যের
-
দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনাম ১৯৪৫ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামে জয়লাভ করে সমাজ পরিবর্তনের পথে অগ্রসর হওয়ার কর্মসূচী নিলেও সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ লড়াই পরিচালনা করতে বাধ্য হয়েছে আরও তিন দশক কাল। কৃষি প্রধান এই দেশের আয়তন ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৬ শত বর্গ কিলোমিটার এবং লোকসংখ্যা ৫ কোটি ৭০ লাখ (১৯৮৩ সালের তথ্য)।
পূর্ব ইতিহাস
অতি প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান ভিয়েতনামের ভূখণ্ডে মনুষ্য বসতি ছিল বলে জানা যায়। ব্রোঞ্জ যুগে হ্যাং রাজবংশের শাসনামলে ভিয়েতনামে জাতীয় রাষ্ট্র গড়ে ওঠে। খ্রীষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকে কাও ব্যাং প্রদেশের একজন স্থানীয় রাজা গোটা দেশ অধিকার করেন। এরপর একের পর এক ঘটে চীনা আক্রমণ এবং হাজার বছর ধরে
-
শত কোটি মানুষের বিশাল দেশ চীনের আয়রন ১৬ লাখ বর্গ কিলোমিটার। বিশ্ব সভ্যতার প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারক এশিয়ার এই দেশটি দীর্ঘকাল পর্যন্ত সামন্তবাদী ও আধা উপনিবেশ হিসেবে শোষিত হয়েছে। দেশী-বিদেশী শোষকদের বিরুদ্ধে চীনা জনগণের দীর্ঘ সংগ্রামের ফলশ্রুতিতে ১৯৪৯ সালের অক্টোবরে চীনের গণবিপ্লব বিজয় অর্জন করে।
প্রাচীন আমল
দাসযুগের খণ্ড খণ্ড রাজ্যের স্থলে খ্রীষ্টের জন্মের সোয়া দুইশত বছর আগে চীনে ছিন রাজবংশের আমলে ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় সামন্ততন্ত্র শক্ত খুঁটির ওপর দণ্ডায়মান হয়। তা টিকে ছিল বর্তমান শতাব্দীর প্রথম পর্যন্ত। ছিন, পূর্ব হান ও পশ্চিম হান রাজবংশের আমলে সামন্ততান্ত্রিক ভূমি মালিকানার পোক্ত ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হলেও ব্যাপক কৃষকের জীবন ছিল চরম শোষনে ভরা। তাই
-
দ্য জাকার্তা মেথড: ওয়াশিংটন’স অ্যান্টি-কমিউনিস্ট ক্রুসেড অ্যান্ড দ্য মাস মার্ডার প্রোগ্রাম দ্যাট শেপড আওয়ার ওয়ার্ল্ড (The Jakarta Method: Washington's Anticommunist Crusade and the Mass Murder Program that Shaped Our World)
লেখক: ভিনসেন্ট বেভিনস (Vincent Bevins)
প্রকাশক: পাবলিক অ্যাফেয়ার্স (PublicAffairs)
প্রকাশকাল: মে ২০২০
নিজেকে সমাজতন্ত্রী বলে পরিচয় দেওয়া যে কাউকে জীবনের কোনো না কোনো সময় একটি প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে। প্রশ্নটি হলো, ‘সমাজতন্ত্রের নামে এ পর্যন্ত কত মানুষের প্রাণ গেছে?’ উত্তরে তারা একথা বলতে পারেন যে সোভিয়েত ধাঁচের রাষ্ট্রীয় সমাজতন্ত্রের সঙ্গে জেরেমি করবিনের মতো হাল আমলের রাজনীতিবিদদের উপস্থাপিত গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রের পার্থক্য প্রায় ঠিক ততটাই, যতটা পার্থক্য রয়েছে প্রায় দেখতে একই রকম
-
[জ্যোতি বসু, ভারতে প্রবীণ রাজনীতিবিদ। দু’দশক ধরে আছেন কোলকাতায়, কেন্দ্রে অবদানও কম নয়। এ মাসে তিনি ৮৩ বছরে পা রেখেছেন। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সঞ্চিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এ বয়সেও জ্যোতি বসু ভারতের অন্যতম প্রধান রাজনীতিবিদ। কেন্দ্রের দু'দুটি কোয়ালিশন সরকার গঠন ও কার্যকারিতায় তার ভূমিকা ব্যাপক। সম্প্রতি ইন্ডিয়া টুডে'তে প্রকাশিত তার সাক্ষাতকারটি প্রকাশ করা হলো কাগজ পাঠকদের জন্যে।
সাক্ষাতকারটি ভাষান্তর করেছেন মনোতোষ রুমার।]
ভারতের প্রবীণ রাজনীতিবিদ জ্যোতি বসু সর্বভারতীয় রাজনীতিতে একটি আলোচিত নাম। দেশের সংকটময় মুহূর্তে তিনি বুক চিতিয়ে দাঁড়ান। বলা চলে সংকটজনক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মধ্যস্থতা করতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর জুড়ি নেই। গত সাধারণ নির্বাচনে কোনো দলই সরকার গঠন
-
[লেখাটি প্রকাশিতব্য সংকলন গ্রন্থ “ইরানের কমিউনিস্ট আন্দোলন ও তুদেহ পার্টি”-এর জন্য লিখিত ভূমিকা]
১৯১৭ সালে সোভিয়েত বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বিপ্লবের ঢেউ দেশে দেশে আছড়ে পড়তে থাকে। সে জোয়ার থেকে বাদ যায়নি ইরানও। ইরানের বন্দর-ই আনজালিতে সে দেশের কমিউনিস্ট পার্টি গঠিত হয় ১৯২০ সালের ২২ জুন—সে হিসেবে শতবর্ষী। এমনকি ভারতবর্ষের কমিউনিস্ট আন্দোলনের চেয়েও পুরনো। কিন্তু ইরানে শ্রমিক ও বিপ্লবী আন্দোলনের সূচনা উনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে। সেই সময় ও বিংশ শতাব্দীর গোড়াতেই পুঁজিবাদী উৎপাদন ও শিল্পের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মার্কসবাদী ভাবাদর্শও ইরানে পথ খুঁজে নেয়। প্রথম মহাযুদ্ধ পর্যন্ত ইরানে দুটি সাম্রাজ্য রাজ করত—উত্তর ইরানে জার শাসিত রাশিয়া আর আফগান সীমান্তের দক্ষিণ অংশে
-
ইসলাম একটি ধর্মমত। কিন্তু আমরা এতোটুক বলেই সন্তুষ্ট নই: বরং গলার জোর যথা সম্ভব বাড়িয়ে বলতে চাই—ইসলাম শুধু একটি ধর্মমত নয়—‘একটি পরিপূর্ণ জীবন বিধান।
অবশ্য জোরেই বলি আর আস্তেই বলি, একথা বলার অধিকার আমাদের আছে। নিজের ধর্মমতকে কেই বা ছোট বলতে চায়! তাছাড়া ইসলাম শুধু আমাদের বলার জন্য নয়, ঐতিহাসিকভাবেই জীবন বিধানের দাবী নিয়ে আবির্ভূত হয়েছে। প্রচলিত যতোগুলি ধর্মমত আছে, তার মধ্যে একমাত্র ইসলামই ইতিহাসের আলোতে তার সকল আয়োজন ও উপকরণ তুলে ধরতে পেরেছে। এর কোথাও রহস্যের কিছু নেই: লুকোচুরির আড়াল নেই। যে মরু পরিবেশে এর জন্ম, সেই পরিবেশের মতোই প্রখর সূর্যালোকে এর সকল কিছু উদ্ভাসিত!
অথচ...
হ্যাঁ, সে সত্যও
উৎস
আর্কাইভ
লেখক
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আলবার্ট আইনস্টাইন (১)
- আহমদ রফিক (১)
- এম এম আকাশ (২)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- গ্রেস ব্ল্যাকলি (১)
- তপন কুমার দে (১)
- নাদেঝদা ক্রুপস্কায়া (১)
- নিতাই দাস (১৪)
- প্রক্রিয়াধীন (৩)
- বিকাশ সাহা (১)
- মওলানা হোসেন আলী (১)
- মুজফ্ফর আহমদ (৩)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহিত সেন (১)
- যতীন সরকার (১)
- রজনীপাম দত্ত (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (২)
- রেবতী বর্মন (৩)
- লুনা নূর (১)
- শাহীন রহমান (১)
- সত্যেন সেন (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (১)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.