-
সারাদিনে নবেন্দুর অনেক সময়। তুলনায় কাজ ও কাজের বিচিত্র কম। প্রতি কাজে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশী সময় সে বরাদ্দ করে। এই অতিরিক্ত বরাদ্দ করেও অধিকাংশ দিন উদ্বৃত্ত থাকে আরো অনেক সময়। এই উদ্বৃত্তের ভেতরে নিজেকে রেখে সময়ের আন্দোলন সে অনুভব করে।
নবেন্দর মাঝে মাঝে মনে হয়, এই যে অপচয়, সময়ের মূল্য এতে কমে যাচ্ছে কিনা। অনেকে বলাবলি করে, নবেন্দর সময়ের কোনো দাম নেই।
কিন্তু সময়ের দাম অর্থে কী! সময় থাকে বোধের ভেতরে, কখনো মনে হয় সময় পেরিয়ে যাচ্ছি আবার কখনো সময় এগিয়ে যায়, কোনো দাম দিতে হয় না এর জন্যে। কোনো কোনো কাজ এর সঙ্গে যুক্ত করে দেয়া যায় এইমাত্র।
-
সারার পা দুখানা অচল হয়ে পড়ার আগে সে আমাদের কাছেই কাজ করতো। খুবই মোটা ছিল সে আর তার গায়ের রঙ ছিল হালকা হলদেটে-বাদামী, যেন একটা বেলুনের মতো, বেলুন ফোলালে যেমন রঙটা তার হালকা হয়ে যায়, পিগমেন্টের (প্রাণী ও উদ্ভিদের তত্ত্বরঞ্জক পদার্থ বিশেষ) পাতলা স্তরের নিচের মেদ বৃদ্ধি হলে সেটা টানটান হয়ে আরও বেশি পাতলাভাবে ছড়িয়ে যায়। গিল্টি করা ছোট্ট সরু ফ্রেমের চশমা পরতো সে আর ভালো রাঁধুনী ছিল, মাখনের ব্যাপারে শুধু যা তার হাতটা ছিল দরাজ।
তার সম্বন্ধে এই সব জিনিসগুলোই আমরা লক্ষ্য করেছিলাম।
কিন্তু এর ওপর তার ছিল একটি মাত্র স্বামী, আইনসম্মতভাবে তার সঙ্গে গীর্জায় বিবাহিত, আর ছিল তিনটি
-
[সামাজিক বৈষম্য, বিশেষ করে বর্ণবৈষম্যের ওপর লিখিত তাঁর গল্পগুলির জন্য সুবিদিত লেখিকা নাডাইন গর্ডিমারের জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকার এক শ্বেতাঙ্গ পরিবারে। পঞ্চাশ দশকে যখন তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা সম্বন্ধে তাঁর জোরালো গল্পগুলি লিখতে আরম্ভ করেন তখন ওটা ঠিক ফ্যাশানও ছিল না বা শ্বেতাঙ্গ শাসনের অবিচারগুলোর কথা প্রকট করা যুক্তিযুক্তও ছিল না। কিন্তু তা সত্ত্বেও অত্যন্ত সাহসের এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তিনি তা ব্যক্ত করে গেছেন। অগণিত ছোটগল্প ছাড়া বেশ কয়েকটি উপন্যাসও তিনি লিখেছেন। ১৯৯১ সালে সাহিত্যের জন্য তাঁকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।]
রক্তিম দিগন্তের মধ্যে থেকে ট্রেনটা বেরিয়ে এসে একক সিধা রেল লাইন ধরে সবেগে তাদের দিকে নেমে এলো। স্টেশন মাস্টার তার ছুঁচোলো
-
অনুবাদক: তন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়
শয্যা-থলির কবোষ্ণ আবেষ্টনে নিশ্চিন্ত মনে বেশ কিছুক্ষণ ঘুমিয়েছিল রবার্ট জর্ডান। পিস্তলটা মণিবন্ধে বেধে রেখেছিল সে। সহসা মারিয়ার কোমল করস্পর্শে শিরশির করে উঠল তার সারা শরীর। মারিয়া শীতে কাঁপছিল। জর্ডান তাকে বুকে টেন নিল। প্রথমটা সে থলির ভেতর ঢুকতে চায়নি। বারবার বলেছিল, 'লক্ষ্মীটি, আমায় ছেড়ে দাও। আমার ভয় করছে।' লজ্জায় মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছিল সে। অবশেষে থলিতে ঢুকেছিল সে। জর্ডান তার ঘাড়ের নরম জায়গাটায় চুমু খেল। মারিয়া আবার বললে, 'না' লজ্জায় লাল হয়ো না। আমি কিছুতেই পারব না—অ্যমায় ছেড়ে দাও।' উঠেছে তার মুখ। জর্ডান বলে, 'দুষ্টুমি কারো না মারিয়া।'
—'আমায় ছাড়।'
—'সোনামণি, আমি তোমায় ভালোবাসি।'
—'আমিও কি তোমায় ভালোবাসিনা,'
-
রোজই ওকে মিলের সামনে দিয়ে হেঁটে যেতে দেখি। বছর বারো বয়স, মুখে বসন্তের দাগ, রোগা, কালো ছেলেটি। রোজই ও মিলের সামনে দিয়ে হেঁটে যায়। সকালবেলা হাজিরা ডাকার সময়ে, বিকেল বেলা জলখাবার খাওয়ার সময়ে, সন্ধ্যেবেলা মিল থেকে বাড়ি ফেরবার সময়ে ওকে আমি দেখি। চাকরির খোঁজে ও এখানে আসে না কারণ ও অন্ধ। আর এই দেশে চক্ষুষ্মান লোকেরাও চাকরি পায় না, অন্ধদের কথা ছেড়েই দেওয়া যাক্। অন্ধদের পক্ষে সব চেয়ে উপযুক্ত জীবিকা হল ভিক্ষে করা।
কিন্তু এই ছেলেটি বেশ চালাকচতুর। ওকে আমি কখনো ভিক্ষে করতে দেখিনি। ওর গলার স্বর সরু কিন্তু চমৎকার গাইয়ে-গলা। হাতে সব সময়ে এক তাড়া গানের বই আর মিলের
-
যখন পেশোয়ার স্টেশন ছেড়ে আসি তখন আমি তৃপ্তিতে এক দলা ধোঁয়া উগরে তুলেছিলাম। আমার খোপে-খোপে ছিল সব হিন্দু ও শিখ শরাণার্থীরা। তারা এসেছিল পেশোয়ার, হটিমর্দন, কোহাট, চরসরা, খাইবার, লাণ্ডি কোটাল, বানু নওশেরা, মানশেরা ইত্যাদি সীমান্ত প্রদেশের সব জায়গা থেকে। স্টেশনটা খুব সুরক্ষিত ছিল এবং সেনাবাহিনীর অফিসারেরাও খুব সজাগ ও দক্ষ ছিলেন। তবে, যতক্ষণ-না সেই রোমান্টিক পঞ্চনদীর দেশের দিকে আমি রওনা দিচ্ছিলাম, তারা অস্বস্তিতেই ভুগছিল। অন্য আর-পাঁচজন পাঠানের থেকে অবশ্য এই শরণার্থীদের তফাৎ করা যাচ্ছিল না। তাদের চেহারা ছিল বেশ লম্বা ও সুদর্শন, শক্ত গড়নের হাত-পা, পরনে ছিল কুল্লা ও লুঙ্গি, কারো-বা শালোয়ার। তাদের ভাষা ছিল গাঁয়ের পুশতু, প্রত্যেক খোপে দুজন
-
“লুকোও! লুকোও !”
বাচ্চা বাচ্চা ছেলেরা এ কে রাইফেলগুলো নিয়ে রাস্তা আর উঠোনগুলোর মধ্যে দিয়ে ছোটাছুটি করছিল। মাটিতে ধরাশায়ী হবার আগে বেড়াগুলোর ভেতর দিয়ে তারা গুলি করছিল সেই সঙ্গে চীৎকার করছিল তারপর আবার উঠে পড়ে পরস্পরের মুখোমুখি হচ্ছিল। যতটা সম্ভব বিকটাকার করার জন্য তারা মুখ বিকৃতি করছিল, চাইছিল নিজেদের যেন আর বেশি নির্মম আর নিষ্ঠুর দেখায়। গুলির শব্দ নকল করছিল তারা। তাদের মাটিতে গড়াগড়ি খাওয়া লম্বা লম্বা ঘাসের আর কাল্পনিক প্রতিরক্ষার পাথরগুলোর পিছনে লুকোতে দেখে বাচ্চা বাচ্চা মেয়েগুলো মজা পেয়ে হাসছিল।
“জোচ্চুরি করছো তুমি। আমি বলেছিলাম ‘লুকোও!’ কিন্তু তুমি তো ছুটেই চলেছিলে। এ খেলাটা তুমি তো মোটেই খেলতে জানো না।
-
অনুবাদ: রজত চৌধুরী
এটা-তো প্রমাণই হ'যে গেছে যে আমবা ভাবতীযবা কথায-কথায কাবণে-অকারণে হ্যাঙামা বাধাতে ওস্তাদ। একটুতেই মারপিট লেগে যেতে কোনো দেরি হয় না—এমনকী নিতান্ত তৃচ্ছকাবণেই লাঠালাঠি বেধে যেতে পাবে। মসজিদেব সামনে দিয়ে ঢাকঢোল বাজিযে গেছে কাফেববা, ফলে, সাচ্চা মুসলমান, ওদেব ধ'বে তুমি ঠ্যাঙাও। মন্দিবের সামনে দিয়ে গেছে বুক চাপড়াতে-চাপডাতে মহবমেব তাজিযা, শোকমিছিল, ব্বাস, দেবদ্বিজে ভক্তিমান হিন্দু, স্নেচ্ছদেব ধ'বে মাবো। আসলে আমবা আদপেই ভেবে-চিন্তে কাজ কবি না, সে আমাদেব ধাতেই নেই, চট ক'বেই আমাদের মাথায় খুন চ'ডে যায।
পিপুল গাছের একটা ডাল বড়ো বাস্তাব ওপব নূষে প'ডে ছিলো, সে-পথ দিয়ে যাচ্ছিলো মুসলমানদেব এক মিছিল, তাবা কেন পিপুলের ডালেব কাছে মাথা নোযাবে।
-
অনুবাদ: অজয় গুপ্ত
বাচ্চাদের মধ্যে যারা প্রথমে সাগরের ওপর দিয়ে কালো ফুলে ওঠা জিনিসটাকে ধীরে-ধীরে ভেসে আসতে দেখেছিলো, ভেবেছিলো বুঝি শত্রুপক্ষের কোনো জাহাজ। পরে তারা দেখতে পেলো ওর কোনো নিশান বা মাস্তুল নেই, তখন তারা ভাবলো ওটা তিমিমাছ। কিন্তু জিনিসটা যখন ঢেউয়ের দোলায় কূলে এসে পড়লো, তারা সামুদ্রিক আগাছার ঝাড়, জেলিফিশের, মাছের আর সমুদ্রে ভেসেবেড়ানো জিনিসের টুকিটাকি তার গা থেকে সরিয়ে ফেললো, আর তখনই কেবল তারা দেখতে পেলো, ওটা একজন ডুবে-যাওয়া মানুষ।
সারাটা বিকেল তারা তার সঙ্গে খেলা করলো, বালির নিচে তাকে কবর দিলো, কবর খুঁড়ে আবার তাকে তুললো, সেইসময় কেউ একজন হঠাৎ তাদের দেখে ফেললো আর খবরটা গাঁয়ে রটিয়ে
-
Kantichandra was young; yet after his wife’s death he sought no second partner, and gave his mind to the hunting of beasts and birds. His body was long and slender, hard and agile; his sight keen; his aim unerring. He dressed like a countryman, and took with him Hira Singh the wrestler, Chakkanlal, Khan Saheb the musician, Mian Saheb, and many others. He had no lack of idle followers.
In the month of Agrahayan Kanti had gone out shooting near the swamp of Nydighi with a few sporting companions. They were in boats, and an army of servants, in boats
-
A couple of years after the partition of the country, it occurred to the respective governments of India and Pakistan that inmates of lunatic asylums, like prisoners, should also be exchanged. Muslim lunatics in India should be transferred to Pakistan and Hindu and Sikh lunatics in Pakistani asylums should be sent to India.
Whether this was a reasonable or an unreasonable idea is difficult to say. One thing, however, is clear. It took many conferences of important officials from the two sides to come to the decision. Final details, like the date of actual exchange, were carefully worked out. Muslim
-
শুধু বৃহত্তর ইউরোপে নয়, সমগ্র পৃথিবীর সাহিত্যানুরাগীদের কাছে মৌলিক, সহৃদয় ও বুদ্ধিদীপ্ত এক বিশ্লেষণে দস্তয়েভ্স্কিকে উপস্থিত করেছিলেন অঁদ্রে জিদ্। বলা যেতে পারে, পরবর্তীকালের দস্তয়েভ্স্কি ও রুশ সাহিত্যের ব্যাপক চর্চার মূলে আছে জিদের ওই অসাধারণ স্টাডি।
‘দস্তয়েভস্কি’-শীর্ষক গ্রন্থে সংকলিত বক্তৃতামালার এক জায়গায় জিদ্ বলেছেন: আমরা অর্থাৎ ফরাসীরা ফর্মুলা শুনতে ও প্রয়োগ করতে ভালবাসি। একজন লেখককে মার্কা দিয়ে শো-কেসে সাজিয়ে রাখার এটি একটি সহজ পথ। সহজে মনে রাখা যায় এমন তথ্যই আমরা চাই। আলাদা করে মাথা খাটাতে কে আর পছন্দ করে। ফর্মুলাগুলি এইরকম—। নীৎশে? দাঁড়াও বলছি, নীৎশে হল ‘দি সুপারম্যান। বি রুখলেস। লিভ ডেঞ্জারাসলি।’ তলস্তয় ‘নন-রেজিসটান্স টু ইভিল।’ ইবসেন? ‘নর্দার্ন মিস্টস।’ ডারউইন?
উৎস
- পাতাবাহার
- বনফুল গল্পসমগ্র
- গল্পগুচ্ছ
- প্রক্রিয়াধীন
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- রাঙা পাল
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- পুরাণের গল্প
- ফুলকি ও ফুল
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- অসাধারণ
- পরিচয়
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- বাংলাদেশ কথা কয়
- বারো মামার এক ডজন
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- মানুষের জন্ম
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- মেঘমল্লার
- উপলখণ্ড
- শিউলি-মালা
- সুকান্তসমগ্র
- ভেদ-বিভেদ (২)
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- রূপের ডালি খেলা
- যাত্রাবদল
- জন্ম ও মৃত্যু
- কিন্নর দল
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- কুশলপাহাড়ী
- বিজ্ঞান পাঠ
- গল্প ভারতী
- বিজ্ঞানচেতনা
- কথা পাঞ্জাব
- বিধু মাস্টার
- মৌরীফুল
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- নবাগত
- ক্ষণভঙ্গুর
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- জ্যোতিরিঙ্গন
- অগ্রন্থিত গল্পাবলি
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- ছায়াছবি
- রূপহলুদ
- তালনবমী
- অনুসন্ধান
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
- নয়নচারা
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প
- ব্যথার দান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮৬)
- ২০২৫ (৬৪)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৫ (১০)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (৩৫)
- ১৯৬৩ (৪)
- ১৯৬১ (১)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৪)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১২)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (৩)
- ১৯৪৮ (৪)
- ১৯৪৭ (৪)
- ১৯৪৬ (৯)
- ১৯৪৫ (২২)
- ১৯৪৪ (৮)
- ১৯৪৩ (৮)
- ১৯৪২ (৮)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৪০ (১)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯২২ (৫)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯১৩ (৬)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অস্কার ওয়াইল্ড (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আবু ইসহাক (৩)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সান্দ্র কোনোনভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (১০)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৪)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীহাররঞ্জন গুপ্ত (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৯)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (৪)
- মাৎভেই তেভেলেভ (৯)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখ ওয়াজেদ আলি (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৪৮)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.