সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
লেখক: মুহম্মদ সবুর
টমাস জন বাটা জানতেন যুদ্ধংদেহী পাকিস্তানি বাহিনীর দখলে থাকা পূর্ব পাকিস্তানে তাদের প্রতিষ্ঠানটি জড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামে। পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর পক্ষে কঠিন অবস্থান নিয়েছে ঢাকায় প্রতিষ্ঠানটি এবং এর প্রধান কর্মকর্তা। সে এক বিশাল ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থান। পাকিস্তান সরকার বা সেনাবাহিনী ঘুণাক্ষরে টের পেলে অবস্থা হবে ভয়াবহ। প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবন রক্ষাই হয়ে পড়বে কঠিন, প্রতিষ্ঠানও হবে বেহাত। কিন্তু পিছু হটে যাওয়ার কোনো জো নেই। নীতিগত কারণে এই অবস্থান থেকে পিছিয়ে আসা সম্ভবও ছিল না আর। বিজয় অর্জন পর্যন্ত অত্যন্ত গোপনে কাজ চালাতে হয়েছে। তবে সদাসতর্ক থাকার জন্য ঢাকা অফিসকে নির্দেশ দিয়েছিলেন সেই '৭১ সালে। বিশ্ব মানচিত্রের
-
ঘটনাটি নিশ্চিতভাবেই ১৯৭১ সালের। আমি তখন লস অ্যাঞ্জেলেসে সাউন্ডট্র্যাকে রাগা অ্যালবামের কাজ করছি। রবি [শঙ্কর] আমার সঙ্গে কথা বলেন সে সময়টাতে। একটি কনসার্ট কীভাবে আয়োজন করা করা যেতে পারে, তিনি কথা বলেন তা নিয়ে। তিনি চাইছিলেন সে কনসার্টটি সাধারণের চেয়ে বড় আকারের হোক, যাতে বাংলাদেশে না খেয়ে থাকা মানুষের জন্য ২৫ হাজার ডলার তিনি ওঠাতে পারেন। তিনি জানতে চাইছিলেন, আমি কোনোভাবে তাতে সহযোগিতা করতে পারি কিনা। ধরা যাক, আমি কনসার্টের উপস্থাপনা করলাম বা পিটার সেলার্সকে নিয়ে এলাম...মানে যেকোনোভাবে হোক, তেমন কিছু একটা করা।
এরপর তিনি আমাকে বিভিন্ন পত্রিকা ও ম্যাগাজিনের যুদ্ধ ও দারিদ্র্য-সম্পর্কিত সংবাদের কর্তিকা ও এ সংক্রান্ত লেখাগুলো দেখতে
-
সাক্ষাৎকার: মানিক সরকারবাংলাদেশে বিএনপি শাসনামলে কখনও আমাদের অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করা হয়নি। সেই সময়কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী একদিন বললেন, 'ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রীর যদি সন্দেহ হয়, তাকে আমরা নিয়ে আসব। নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়াব। উপরে থেকে তাকে দেখাব এখানে কোন ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ঘাঁটি-টাটি নেই।'মানিক সরকার: ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য এবং আমাদের প্রতিবেশী ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী তিনি। চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়ে সততা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে জনগণের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে সাক্ষাত করতে এসেছি জেনে সময় দিলেন। পাটভাঙ্গা পাঞ্জাবি-পায়জামা পরে দৃঢ় এবং তেজোদ্দীপ্ত ব্যক্তিত্ব মানিক সরকার সিপিএম কার্যালয়ে অতিথিদের বসার জন্য সংরক্ষিত ছোট্ট একটি রুমে বসেই তাঁর সঙ্গে আমার কথা হয়। সংক্ষিপ্ত সময়ের এই আলোচনায়
-
[জ্যোতি বসু, ভারতে প্রবীণ রাজনীতিবিদ। দু’দশক ধরে আছেন কোলকাতায়, কেন্দ্রে অবদানও কম নয়। এ মাসে তিনি ৮৩ বছরে পা রেখেছেন। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সঞ্চিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এ বয়সেও জ্যোতি বসু ভারতের অন্যতম প্রধান রাজনীতিবিদ। কেন্দ্রের দু'দুটি কোয়ালিশন সরকার গঠন ও কার্যকারিতায় তার ভূমিকা ব্যাপক। সম্প্রতি ইন্ডিয়া টুডে'তে প্রকাশিত তার সাক্ষাতকারটি প্রকাশ করা হলো কাগজ পাঠকদের জন্যে।
সাক্ষাতকারটি ভাষান্তর করেছেন মনোতোষ রুমার।]
ভারতের প্রবীণ রাজনীতিবিদ জ্যোতি বসু সর্বভারতীয় রাজনীতিতে একটি আলোচিত নাম। দেশের সংকটময় মুহূর্তে তিনি বুক চিতিয়ে দাঁড়ান। বলা চলে সংকটজনক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মধ্যস্থতা করতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর জুড়ি নেই। গত সাধারণ নির্বাচনে কোনো দলই সরকার গঠন
-
বক্তা: এডওয়ার্ড কেনেডি
[মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি (২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২-২৫ আগস্ট ২০০৯) বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভমিকা রাখেন। সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিনি এ বক্তৃতা দেন।]
আমি বাংলাদেশে এসেছি আপনাদের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের লাখো মানুষের শুভকামনা পৌছে দিতে। বাঙালির সংগ্রামী চেতনার প্রতীক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দাঁড়িয়ে আমি গর্বিত।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস বলে, আমরা সব সময় স্বাধীনতার পক্ষে। যারা স্বাধীনতা, মানুষের মর্যাদার ও অন্যান্য মানবিক মূল্যবোধ অটুট রাখতে কাজ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ তাঁদের সঙ্গে আছে। কোনো কোনো সরকার আপনাদের এখনো স্বীকৃতি না দিলেও পৃথিবীর মানুষ শোষণ আর নিপীড়ন থেকে আপনাদের মুক্তি অর্জনকে স্বীকৃতি
-
লেখক: অজয় দাশগুপ্ত
১৯৭১ সালের পাকিস্তান হানাদার বাহিনী অধিকৃত বাংলাদেশ ভুখণ্ডে মুক্তিবাহিনী ক্রমশ অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছিল। তারা দেশের সর্বত্র গুলি-বোমায় নাস্তানাবুদ করছিল খানসেনাদের। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও দিল্লি সফরকালে সেটা ভালোভাবেই অবহিত হতে পেরেছেন। স্বদেশে ফিরে তিনি নিজেও বোমা ফাটালেন, যা কাঁপিয়ে দিল হোয়াইট হাউসকে। রিচার্ড নিক্সন ২৫ মার্চ ইয়াহিয়া খানের বর্বর গণহত্যা শুরুর পর থেকেই দাবি করে আসছিলেন—পাকিস্তানের সৈন্যরা তাদের দেওয়া অস্ত্র ব্যবহার করছে না। তারা পাকিস্তানকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। কিন্তু এডওয়ার্ড কেনেডি কংগ্রেসের মাধ্যমে অনুসন্ধান করে জানতে পেরেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাকিস্তানে ২০ লাখ ডলার মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের
-
লেখক: মশিউল আলমস্নায়ুযুদ্ধের কালে সোভিয়েত ইউনিয়ন দক্ষিণ এশিয়ায় নিজের প্রভাব অক্ষুণ্ণ রাখার স্বার্থে ভারত ও পাকিস্তান উভয়ের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে সচেষ্ট ছিল। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর তাসখন্দে ওই দুই দেশের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের ঘটনা সোভিয়েত নেতাদের মধ্যস্থতার ফল। তার পরের বছরগুলোতেও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয় দেশকে নিজের প্রভাব বলয়ের মধ্যে রাখার চেষ্টা অব্যাহত রাখে। পাকিস্তান মার্কিন শিবিরের অধিকতর ঘনিষ্ঠ দেশ হওয়া সত্ত্বেও সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে তার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধি পায়। ১৯৬৮ সালে মস্কো ও ইসলামাবাদের মধ্যে এক দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় সোভিয়েত ইউনিয়ন পাকিস্তানকে সীমিত পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম পাঠাতে রাজি হয়। এ ছাড়া পাকিস্তানের সবচেয়ে
-
লেখক: এনামুল হক
একটা সময় ছিল যখন কিংবদন্তির ব্যান্ড দল বিটলস-এর জনপ্রিয়তা পশ্চিমা দুনিয়ায় আকাশকে স্পর্শ করেছিল। সেটা ছিল ষাটের দশক। হিপ্পি আন্দোলনের জোয়ার বইছিল পশ্চিমে। সেই জোয়ারে মিশে গিয়ে তরুণ সমাজের এক বিরাট অংশ সমাজের প্রতিষ্ঠিত মূল্যবোধ, রাজনীতি, আদর্শ, দর্শন সবকিছুকেই অস্বীকার করে বসে। তারা তাদের পোশাকআশাক, চালচলন, জীবনযাপনের দ্বারা সমাজের প্রতি বিজাতীয় ঘৃণার প্রকাশ ঘটায়। তারা লম্বা চুল রাখতে থাকে, উদ্ভট ধরনের পোশাক পরে, মারিজুয়ানা, কোকেন প্রভৃতি ড্রাগে আসক্ত হয় এবং সেই সঙ্গে লিপ্ত হয় অবাধ যৌনাচারে। ব্যান্ড দল বিটলস যেন এদের দর্শনকে তুলে ধরার জন্য জন্ম নিয়েছিল। এই ব্যান্ড দল প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম জর্জ হ্যারিসনের সঙ্গে ষাটের দশকের
-
॥ ১॥
যে-প্রবল প্রাণশক্তি সৃজনশীলতার সকল দুয়ার খুলে দেয়, জীবন-যাপনের ব্যর্থ আবর্জনা সরিয়ে সুন্দরের কল্যাণের ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করে, ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার, অশিক্ষা এবং দেউলে রাজনীতিকে অতিক্রমণ করার প্রেরণা যোগায়, আমাদের বাংলাদেশের (পূর্ব পাকিস্তানের) মানুষদের দুর্ভাগ্য, সে-প্রবল প্রাণশক্তি তন্দ্রাচ্ছন্ন ছিল, কখনো মূর্চ্ছাতুর ছিল, কখনো সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্পে বিকারগ্রস্ত ছিল। সুন্দরভাবে বাঁচার প্রশ্নই ওঠে না, মামুলীভাবে বাঁচাটাই আমাদের আকাঙ্ক্ষিত ছিল। স্বাধীনতা, মানুষের সকল রকম বন্ধন থেকে মুক্তির প্রতিশ্রুতি—আমাদের কাছে সকল রকম বন্ধনের অবিশ্বাস্য দৃষ্টান্ত। ইখতিয়ারুদ্দীন বখতিয়ার থেকে নবাব সিরাজউদ্দোলাহ্ যে-ভাষায় আঘাত দিতে চেষ্টা করেন নি, দুশো বছরের ইংরেজ শাসনে যে-ভাষা আক্রান্ত হয় নি—স্বাধীনতাপ্রাপ্তির পরের বছরই সে-ভাষা প্রবলভাবে আক্রান্ত হ’ল। আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে আমরা একদা
-
Comrade Moni Singh, one of the national heroes of Bangladesh, accepted Marxism and leninism at an early age. In his autobiographical book, ‘Jiban Sangram’, Comrade Moni Singh says that he joined the communist movement of workers and peasants during the last stage of the twenties. He used to organize the workers first and subsequently he launched the struggle for the betterment of life of peasants and other toiling masses of the people. During this tíme, Comrade Moni Singh met in Calcutta a number of famous communists including Comrade Muzaffar Ahmed.
Comrade Moni Singh's maternal uncle was a feudal lord or
-
তাজউদ্দীন আহমদের জন্ম ২৩ জুলাই ১৯২৫ সালে, ঢাকার অদূরে (বর্তমান গাজীপুর) কাপাসিয়া থানার দরদরিয়া গ্রামে। তাঁর বাবা মৌলভি মুহাম্মদ ইয়াসিন খান এবং মা মেহেরুন্নেসা খানম। তাঁরা ছিলেন চার ভাই ও ছয় বোন। রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারের সন্তান হিসেবে তাজউদ্দীন আহমদের শিক্ষাজীবন শুরু হয় বাড়িতে তাঁর বাবার কাছে আরবি শিক্ষার মাধ্যমে। একই সময় তিনি ভর্তি হন বাড়ি থেকে দুই কিলোমিটার দূরবর্তী ভূলেশ্বর প্রাইমারি স্কুলে। তিনি প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন প্রথম হয়ে। এ জন্য স্কুল জীবনের প্রথম ১০ পয়সা মূল্যমানের পুরস্কার লাভ করেন। পুরস্কারটি ছিল দেড় পয়সার কালির দোয়াত এবং সাড়ে আট পয়সার একটি কলম।
চতুর্থ শ্রেণিতে উঠে তিনি ভর্তি
-
মেয়ে দেখতে আসছেন পাত্রের জ্যাঠামশাই এবার।
এটা নিয়ে তিনবার হবে। প্রথমে দেখে গেছেন পাত্রের বাবা এবং মামা। বাবা মনে হল একটু সাদাসিধা ঢিলেঢালা মানুষ, নিতান্ত নাকি ছেলের বাপ তাই এসেছেন। মামা কিন্তু এক্সপার্ট মেয়ে-দেখিয়ে। সাধারণ প্রশ্ন এমনি যা সব তা তো হলই, তারপর অঙ্গাদি পরীক্ষাতেও বেশ বিচক্ষণতার পরিচয় দিলেন। বাঁ হাতে ওর ডান হাতটি নিয়ে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে আঙুলগুলি পরীক্ষা করলেন, পরে বাঁ হাতের গুলিও। একটু ঘষে ঘষেই হাতের উলটো পিঠ, মণিবন্ধ পরীক্ষা করলেন, ত্বকের মসৃণতা দেখবার ছলেই অবশ্য, কিন্তু যারা বোঝবার তারা বুঝল, রঙ-পাউডার মাখানো হয়েছে কিনা তারই যাচাই। আসনপিঁড়ি হয়ে বসেছিল, পা-দুটি জড়ো করিয়ে পা দেখলেন, আঙুল দেখলেন। খোঁপা বাঁধা
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- ছোটগল্প
- বইমেলা
- আন্দোলন
- গদ্য
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- পাকিস্তান
- ভারত
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- কবিতা
- জীবনী
- নজরুল
- রমন্যাস
- লেখক
- মুক্তিযুদ্ধ
- চট্টগ্রাম
- রবীন্দ্রনাথ
- বাংলা
- ভাষণ
- অনুবাদ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- শিশুতোষ
- বই
- যুদ্ধ
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- বিজ্ঞান
- ব্যাঙ্গাত্মক
- কারুশিল্প
- কিশোর
- ঢাকা
- বিজ্ঞানী
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- স্মৃতিকথা
- নদী
- পশ্চিমবঙ্গ
- বঙ্গবন্ধু
- ভাষা
- সমাজ
- লালন
- সাংবাদিকতা
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- যুক্তরাষ্ট্র
- গবেষণা
- সিলেট
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- ভৌতিক
- পুঁজিবাদ
- অর্থনীতি
- জাতীয়
- জাতীয়তাবাদ
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- অভ্যুত্থান
- ছাত্র আন্দোলন
- দুঃসাহসিক
- সমালোচনা
- নারী
- ফুল
- বিশ্ববিদ্যালয়
- ইংরেজি
- গণহত্যা
- সংবাদ
- রাশিয়া
- খুলনা
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- রূপকথা
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- আত্মজীবনী
- আলোচনা
- সাম্রাজ্যবাদ
- আর্টিস্ট
- সরকার
- অতিপ্রাকৃত
- লোককাহিনী
- ভূমিকা
- ফ্যাসিবাদ
- চিরায়ত
- রংপুর
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- কলকাতা
- আইন
- সংবিধান
- শৈশব
- চিঠি
- ময়মনসিংহ
- গান
- বিপ্লব
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪০)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (২)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৮)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.