সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
বহুদিন পর কবিতার কোলে ঘুমিয়েছি।
ছোট্ট অবোধ শিশুটির মতো
আধশোয়া হয়ে স্বপ্নঘুমে কাটিয়েছি রাত্র।
রাত যখন জেগে রয় সারারাত ধরে
আমি তখন স্বপ্নঘুমে কবিতার কোলে।
তুমি যখন ছিলে বেদনার মতো আষ্টেপৃষ্টে
তখন সুখের অসুখে নির্ঘুম রাত্রির সাথে
কথায় কথায় ভোর হতো পুবের অদেখা স্নিগ্ধ আলোয়।
ক্লান্ত রাত ফুরুতো আঁধারের রঙে আলোর মিশেলে
তবুও অক্লান্ত প্রেম তোমার চোখজুড়ে
নতুন আলোয় নিষ্পলক চেয়ে রয় সদাই।
আমি সারাটিদিন ধরে আবার ফিরে যাই জীবনের কোলাহলে
এভাবে কত কত নির্ঘুম রাতের পর আজ স্বপ্নঘুমে
কবিতার মতো তোমার কোলে অবোধ শিশুটির মতো
জড়োসড়ো হয়ে আশ্রয় নিয়েছি নিয়তির নিরুদ্দেশে।
-
এই নিবন্ধের শিরোনামে স্বাধীনতা সংগ্রাম কথাটি ইচ্ছাকৃতভাবেই ব্যবহার করা হয়েছে। স্বাধীনতাযুদ্ধ বললে ’৭১ সালের নয় মাসের সময়কালের মধ্যে আলোচ্য প্রসঙ্গটি সীমাবদ্ধ থাকে। স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম, আরো আগে থেকেই শুরু হয়েছিল। জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্ত্বভিত্তিক চেতনা থেকে ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদী চেতনায় উত্তরণ, বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ, স্বায়ত্তশাসনের সংগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ডাক এবং সর্বশেষ পর্যায়ে মহান সশস্ত্র যুদ্ধ—সব কয়টি পর্যায়কে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম’ কথাটি গ্রহণ করলে। ’৪৭ থেকে ’৭১-এর প্রতিটি পর্যায়ে স্বাধীনতা সংগ্রামে বামপন্থীদের অবদান বিশাল এবং সেটাই স্বাভাবিক। শ্রেণী শোষণ থেকে আরম্ভ করে সব ধরনের শোষণ, অত্যাচার ও অবিচারের বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণীর পার্টি, কমিউনিস্টরাই সর্বকালে সর্বদেশে লড়াই করে এসেছে। বুর্জোয়া নেতৃত্বও নানা
-
১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় আসে বাংলাদেশে। বিজয়ের এই অলৌকিক আনন্দের মূল্য ছিলো মহান আত্মত্যাগ, দেশপ্রেম আর অসীম সাহসের এক অনুপম সমাবেশ। দীর্ঘ নয় মাস ধরে চলে মুক্তিযুদ্ধ...বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায়। আর এর পেছনে দেশের অগণিত মানুষের ভূমিকাকে যেমন খাঁটো করে দেখা যাবে না, তেমনি খাটো করা যাবে না এদেশে জন্ম নয় এমন কিছু মানুষের অবদানও। জন্মগতভাবে বিদেশী হলেও, দেশের সেই অক্লান্ত সংগ্রামের সময়ে তারা বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন অপার মমতায়।
তাদের কেউ লড়েছেন শিল্প-সংস্কৃতির ক্ষেত্রে, কেউ বা কূটনৈতিক ভাবে, কেউ বা আবার হাতে তুলে নিয়েছিলেন অস্ত্র। স্বাধীনতার ৪৪তম বার্ষিকীতে আমরা বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই লাল-সবুজের সেইসব অকৃত্রিম বন্ধুদের। আমি সংক্ষিপ্তভাবে
-
রিপোর্টার: সাইমন ড্রিং
[ওয়াশিংটন পোস্ট-এ প্রকাশিত লন্ডনের দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ-এর সাংবাদিক সাইমন ড্রিংয়ের এই লেখাটি ছিল একাত্তরের গণহত্যা সম্পর্কে বহির্বিশ্বে প্রচারিত প্রথম কোনো প্রতিবেদন]
পূর্ব পাকিস্তনের জনপ্রিয় নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সব বড় নেতাকেই গারদে ঢোকানো হয়েছে।
প্রথম সারির রাজনৈতিক কর্মীদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর শেখ মুজিবের আন্দোলনের সমর্থক দুটো পত্রিকার কার্যালয় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার রাস্তার যে ট্যাংক নেমে আসে, সেগুলোর প্রধান লক্ষ্য ছিল ছাত্ররা। অবস্থাদৃষ্টে তা-ই মনে হচ্ছে।
তিন ব্যাটালিয়ন সেনা ঢাকা আক্রমণে অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে একটি ছিল আর্মড, একটি আর্টিলারি ও আরেকটি পদাতিক। তারা রাত ১০টার পরপরই গ্যারিসন
-
লেখক: মঈন চৌধুরী
[আমি মানুষ, তুমি মানুষ, সৃষ্টির সেরা আশরাফুল মুখলোকাত। তোমার আর আমার মাঝে এমন সব গুণ সৃষ্টিকর্তা দিয়েছেন যার ফলে আমরা হয়েছি ফেরেশতা কিংবা জ্বীন থেকে অনেক অনেক মহৎ। আমাদের মাঝেই ঈশ্বর স্থাপন করেছেন দেবতার গুণাবলী; আমরা হয়েছি ঈশ্বরের অবতার। সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত এই গুণাবলীকে কেন্দ্র করেই মাঝে মধ্যে আমরা জন্ম নিচ্ছি পীর, ফকির, সাধু, সন্ন্যাসী কিংবা সমাজ সংস্কারক হিসেবে। মানবত্বের বাণী প্রচার করে আমরা তোমাদের জীবন আর সমাজকে সুন্দর করব, আমরা জাগিয়ে তুলব তোমাদের বিবেককে। তোমরা যদি আধুনিক যুক্তিবাদী হও, যদি অবিশ্বাস কর সাধু, সন্ন্যাসী, পীর, ফকির কিংবা ধর্মকেন্দ্রিক সমাজ সংস্কারকের ভূমিকা, তবু আমরা মানবত্ব প্রচারের তাগিদেই বারবার
-
স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে আমি এতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করি। ১০ই এপ্রিল ভারতে যাই এবং আগরতলা অবস্থান করি। ইষ্টার্ন জোনের এক থেকে চারটি সেক্টরের দায়িত্ব আমাকে দেয়া হয়। এখানে মুক্তিবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যবস্থা করি। ভারতে জেনারেল মানেক শ, জেনারেল অরোরা, জেনারেল গিল, জেনারেল সরকার, জেনারেল কালকাট প্রমুখ অফিসারদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করি। ৭ই মে তারিখে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করি। প্রধানমন্ত্রী আমাদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। আমি মুক্তিবাহিনী ইপিআর-দের নিয়ে সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে অপারেশন চালাই। হবিগঞ্জ থেকে শুরু করে শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার, শমসেরনগর, শেরপুর, সিলেট প্রভৃতি স্থানে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলি। পাক বাহিনীর সঙ্গে আমাদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে আমাদের দু’জন সৈন্য শহীদ
-
৭ অক্টোবর ২০২৩ : ফিরে দেখা
ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস গত বছর ৭ অক্টোবর ‘অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’ নামে ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালায়। হামলায় তারা সীমানা পেরিয়ে স্থল অভিযানের পাশাপাশি সমুদ্র দিয়ে ও আকাশপথে হালকা উড়োযান ব্যবহার করে। হামলায় ১২০০ জন নিহত হয়, যার বেশিরভাগই ছিল বেসামরিক নাগরিক। এছাড়াও ২৫১ জনকে জিম্মি করে। ঘটনাটি এতই আকস্মিক ও পরিকল্পিত ছিল যে ইসরাইলি গোয়েন্দারা বিষয়টি সম্পর্কে আঁচ করতে পারেনি। এরপর ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ‘ভয়ংকর প্রতিশোধ’ নেওয়ার কথা বলে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ‘অপারেশন আয়রন সোর্ড’ নামে পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইসরাইল। এখানেও ইসরাইলি হামলায় হত্যাযজ্ঞের শিকার হচ্ছে অসংখ্য ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য
-
বঙ্গের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে, বর্তমান বাংলাদেশের সিলেট বিভাগ এবং তার সংলগ্ন এলাকায় সিলেটি নাগরীলিপি প্রবর্তন এবং প্রায় পাঁচশ’ বছর টিকে থাকা বিস্ময়কর এক ঘটনা। একটি ভাষার একাধিক লিপি উদ্ভাবনা, তার প্রয়োগ এবং চর্চায় মানুষের যে বিপুল অংশগ্রহণ তার নজীরও দুনিয়ায় বেশি একটা নেই। সিলেটি নাগরীলিপি একটি বর্ণমালা, বাংলাভাষারই বর্ণমালা। বাংলা বর্ণমালার সহযোগী বর্ণমালা। সৈয়দ মুতার্জা আলী, মুহম্মদ আসাদ্দর আলী, গবেষক ড. গোলাম কাদির, ড. মোহাম্মদ সাদিকসহ আরও অনেকেই একে বাংলা ভাষার ‘বিকল্প বর্ণমালা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। সিলেটি নাগরীলিপি বাংলা বর্ণমালার বিকল্প বর্ণমালা হলেও স্বকীয়তামণ্ডিত। কেবল বর্ণাকৃতিই আলাদা নয়, তার রয়েছে নিজস্ব রীতি। বাংলা বর্ণমালাকে ব্যাপক পরিমার্জনা করে ‘সিলেটি নাগরীলিপি’ উদ্ভাবন করেছেন প্রবর্তকেরা।
-
আর কিছুই নয়, মাসিক পত্রে একটা ভারি মজার প্রবন্ধ লিখিয়াছিলাম। পড়িয়া অন্তরঙ্গ বন্ধুরা তো হাসিয়াছিলই, আবার শত্রুপক্ষও খুব হাসিতেছে।
অষ্টপাইকা, সাপ্টিবারি ও টাঙ্গাইল হইতে তিন জন পাঠক জিজ্ঞাসা করিয়া পাঠাইয়াছেন প্রবন্ধটির অর্থ কী। তাঁহাদের মধ্যে একজন ভদ্রতা করিয়া অনুমান করিয়াছেন ইহাতে ছাপাখানার গলদ আছে; আর-এক জন অনাবশ্যক সহৃদয়তাবশত লেখকের মানসিক অবস্থা সম্বন্ধে উৎকন্ঠা প্রকাশ করিয়াছেন; তৃতীয় ব্যক্তি অনুমান এবং আশঙ্কার অতীত অবস্থায় উত্তীর্ণ, বস্তুত আমিই তাঁহার জন্য উৎকন্ঠিত।
শ্রীযুক্ত পাঁচকড়ি পাল হবিগঞ্জ হইতে লিখিতেছেন—
‘গোবিন্দবাবুর এ প্রবন্ধের উদ্দেশ্য কী? ইহাতে কি ফরাসডাঙার তাঁতিদের দুঃখ ঘুচিবে? দেশে যে এত লোককে খেপা কুকুর কামড়াইতেছে এ প্রবন্ধে কি তাহার কোনো প্রতিকার কল্পিত হইয়াছে?’
-
আচার্য জগদীশচন্দ্রের সঙ্গে আমার পিতার যখন প্রথম পরিচয় হয় তখন আমি নিতান্ত শিশু। পরিচয় ক্রমশ যখন বন্ধুত্বে পরিণত হল তখনও আমি বালক। জগদীশচন্দ্র সম্বন্ধে আমার স্মৃতি তাই বাল্যস্মৃতির সঙ্গেই বেশি জড়িত।
জগদীশচন্দ্র ১৯০০ সালে লণ্ডন-প্রবাসকালে আমার পিতাকে লিখেছিলেন, 'তিন বৎসর পূর্বে আমি তোমার নিকট একপ্রকার অপরিচিত ছিলাম…'
জগদীশচন্দ্র ইউরোপ-ভ্রমণের পর কলকাতায় ফিরে আসেন ১৮৯৭ সালের এপ্রিল মাসে। তাঁর জীবনীকার প্যাট্রিক গেডিস্ তাঁর বইয়ে লিখেছেন, পৌঁছ-সংবাদ পেয়ে আমার পিতা তাঁকে অভিনন্দন জানাবার জন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়ে দেখেন তিনি বাড়িতে নেই। তখন তাঁর টেবিলে একটি ম্যাগনোলিয়া ফুল রেখে আসেন। দ্বিতীয়বার যখন দেখা করতে যান দুই বন্ধুর কিরকম মিলন ঘটেছিল তার বর্ণনা গেডিসের
-
মানুষ যেমন, গুগলীও তেমনি হাঁটা-পথে চলে, কাজেই কৈলাস যাবার হাঁটা-পথের খবরই গুগলী রাখত। কিন্তু মাটির উপর দিয়ে হাঁটা-পথ যেমন, তেমনি আকাশের উপর দিয়ে জলের নিচে দিয়ে সব পথ আছে, সেই রাস্তায় পাখিরা মাছেরা দূর-দূর দেশে যাতায়াত করে। মানুষ, গরু, গুগলী, শামুক—এরা সব পাহাড়-জঙ্গল ভেঙে, নদী পেরিয়ে চলে, কাজেই কোথাও যেতে এদের অনেক দিন লাগে। মাছেরা এঁকে-বেঁকে এ-নদী সে-নদী করে যায়, তাদের ডাঙায় উঠতে হয় না, কাজেই তারা আরো অল্পদিনে ঠিকানায় পৌঁছয়। আর পাখিরা নদী-ডাঙা দুয়েরই উপর দিয়ে সহজে উড়ে চলে—সব চেয়ে আগে চলে তারা! কিন্তু তাই বলে পাখিরাও যে পথের কষ্ট একেবারেই পায় না, এমন নয়। আকাশের নানাদিকে নানা-রকম নরম-গরম
-
বড়বাজারের মসলাপোস্তার দুপুরের বাজার সবে আরম্ভ হয়েছে। হাজারি বিশ্বাস প্রকাণ্ড ভুঁড়িটি নিয়ে দিব্যি আরামে তার মসলার দোকানে বসে আছে।
বাজার একটু মন্দা। অনেক দোকানেই বেচা-কেনা একেবারে নেই বললেই চলে, তবে বিদেশি খদ্দেরের ভিড় একটু বেশি। হাজারির দোকানে লোকজন অপেক্ষাকৃত কম। ডান হাতে তালপাতার পাখার বাতাস টানতে টানতে হাজারি ঘুমের ঘোরে মাঝে মাঝে সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ছিলো, এমন সময় হঠাৎ কার পরিচিত গলার স্বর শুনে সে চমকে উঠলো।
-বলি ও বিশ্বেস, বিশ্বেস মশাই!'-বার দুই হাঁক ছেড়ে যতীন ভদ্র তার ডান হাতের লাঠিটি একটা কোণে রেখে দিয়ে সম্মুখের খালি টুলটার উপর ধপাস্ করে বসলো।
যতীন হাজারি বিশ্বাসের সমবয়স্ক-অনেক দিনের বন্ধু। ভাগ্যলক্ষ্মী এতকাল
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- ইসলাম
- ছোটগল্প
- দাঙ্গা
- হিন্দু
- বইমেলা
- জীবনী
- বই
- ভারত
- শিশুতোষ
- আন্দোলন
- গদ্য
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- রবীন্দ্রনাথ
- পাকিস্তান
- সংঘর্ষ
- নদী
- ফুল
- স্মৃতিকথা
- ভূমিকা
- মুক্তিযুদ্ধ
- উদ্ভিদ
- ঢাকা
- পরিবেশ
- ভৌতিক
- কবিতা
- সাংবাদিকতা
- গণহত্যা
- সংবাদ
- যুদ্ধ
- গবেষণা
- ভাষা
- সিলেট
- ব্যাঙ্গাত্মক
- বিজ্ঞানী
- কিশোর
- রূপকথা
- অনুবাদ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- বিজ্ঞান
- সমালোচনা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- চট্টগ্রাম
- ইংরেজি
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- যুক্তরাষ্ট্র
- পশ্চিমবঙ্গ
- খুলনা
- নজরুল
- রমন্যাস
- লেখক
- ফ্যাসিবাদ
- আলোচনা
- কারুশিল্প
- পুঁজিবাদ
- অর্থনীতি
- জাতীয়
- জাতীয়তাবাদ
- বাংলা
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- সমাজ
- ভাষণ
- ছাত্র আন্দোলন
- বঙ্গবন্ধু
- লালন
- আর্টিস্ট
- চিরায়ত
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- অভ্যুত্থান
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- শৈশব
- সরকার
- অতিপ্রাকৃত
- লোককাহিনী
- সাম্রাজ্যবাদ
- রাশিয়া
- চিঠি
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- গান
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- রংপুর
- আত্মজীবনী
- দুঃসাহসিক
- নারী
- কলকাতা
- আইন
- সংবিধান
- ময়মনসিংহ
- বিপ্লব
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪০)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (২)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৮)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.