-
নৌবহরের গল্পের সাথে যে সাগরটির নাম সবচেয়ে বেশী জড়িত, তার চারদিকে তিনটি মহাদেশের ভূমি—এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপ। তাই অজানাকাল থেকে সে সাগরটির নাম ভূমধ্যসাগর। সে সাগরে প্রাচীন যে নৌবহর ভাসত, তার জাহাজগুলো অবশ্য এখনকার বিরাট বিরাট যান্ত্রিক জাহাজের মতো ছিল না। ছিল কাঠের তৈরি বড় বড় নৌকা। সেগুলো চলত পালের হাওয়ায় আর ক্রীতদাসদের অমানুষিক পরিশ্রমে বাওয়া লম্বা লম্বা দাঁড়ের শক্তিতে।
ভূমধ্যসাগরের একদিকে ফিনিশিয়া নামে এক প্রাচীন রাজ্য ছিল। ফিনিশিয়রা ছিল সে যুগের সবচেয়ে নামকরা বণিক—একজায়গা থেকে পণ্যসামগ্রী কিনে অধিক লাভে অন্য জায়গায় তারা বিক্রি করত। তাদের নাবিকরা সুদক্ষ হওয়ায় জাহাজগুলো দ্রুত চলতে সক্ষম ছিল। ফিনিশিয়রা সাগর পাড়ি দিয়ে দেশে দেশে
-
লেফ্ট-রাইট-লেফ্ট। লেফ্ট-রাইট-লেফ্ট। এভাবেই রাজপথে মার্চ করে চলে পৃথিবীর সবদেশের সৈনিকেরা। এখন তোমাদের কাছে যে দেশের গল্প করব, সে দেশের সৈনিকেরা এক সময়ে ছিল পৃথিবীর সেরা সৈনিক। রাজপথ কাঁপিয়ে তারা যাত্রা করত পৃথিবীর নানা দিকে—অজানা নানা দেশ জয় করতে। তখন দেশটির নাম ছিল রোম, আর সে দেশের লোকদের বলা হতো রোমান।
সেই রোম বর্তমানে ইতালির রাজধানী। টাইবার নদীর তীরে অবস্থিত রোম ছিল সারা পৃথিবীর শক্তিকেন্দ্র। তখন প্রবাদ ছিল যে সব রাজপথই রোম নগরে গিয়ে শেষ হয়। অর্থাৎ রোমানরা দিগ্বিজয় করে সুন্দর রাজপথ নির্মাণ করেছিল অধিকৃত সব সাম্রাজ্য সহজে শাসন করার সুবিধার্থে। পূর্ব-পশ্চিম, উত্তর-দক্ষিণ চারিদিকে তখন তাদের সাথে যুদ্ধ করে পেরে উঠার
-
এক সময় এই পৃথিবীর চেহারা ছিল সম্পূর্ণ অন্যরকম। ট্রেন, বাস, মোটর গাড়ি কিংবা উড়োজাহাজ তো ছিলই না—এমনকি মানুষের ঘর-বাড়িও ছিল না। তাহলে মানুষ তখন কোথায় থাকত? তখনকার মানুষ, অর্থাৎ আমাদের প্র-প্র ও হাজার বার প্র-পিতামহ ও পিতামহীরা থাকতো অন্ধকার গুহার ভেতর। অন্ধকার—কেননা তখন বিজলিবাতি ছিল না, হ্যাজাক লাইট এমনকি কেরোসিনের ল্যাম্পও ছিল না। শিকার করা পশু অর্থাৎ বলগা হরিণ, বাইসন, দানবাকৃতি ম্যামথের চর্বি দিয়ে জ্বালানো টিমটিমে আলোতে তারা কাজকর্ম করত। শুকনো কাঠ দিয়ে আগুন জ্বেলে তাদের গুহা গরম রাখত, কেননা তখন পৃথিবীতে ছিল ঠান্ডা তুষার যুগ। মানুষ তাদের শিকার করা পশুর চামড়া দিয়ে বানানো কর্কশ কাপড় পরত, আর সেই পশুর
-
দুঃসাহসী অভিযাত্রীদের অভিযান আমাদের পৃথিবীকে সবার কাছে পরিচিত করে তার বর্তমান রূপে তুলে ধরেছে। কিন্তু এমন এক সময় ছিল, যখন এই পৃথিবীর অর্ধেকেরও বেশি জায়গা ছিল আমাদের অজানা। এর বিরাট বিরাট সাগর, হ্রদ, নদী-নালা, পাহাড়-মরুভূমির সামান্য অংশই মানুষের জ্ঞানের পরিধিতে ছিল। অবশ্য সভ্য দুনিয়ার অজানা জায়গাতেও যে মানুষের পদচারণা ছিল না, তোমরা তা ভেবোনা। তবে সেসব জায়গার আদি অধিবাসীরা তাদের আদিম সংস্কৃতি ও জীবন-জীবিকা নিয়ে সঙ্গোপনে ছিল বলে অগ্রসরমান সভ্যতার আলো থেকে তারা ছিল অনেক দূরে। দুঃসাহসী অভিযাত্রীরা অজানা দেশে পর্যটনের মাধ্যমে সভ্যজগতকে সেসব অজানা দেশের খোঁজ দিয়েছে। আবার একই সাথে সেসব অজানা দেশের মানুষও আস্তে আস্তে বৃহত্তর পৃথিবীর সাথে
Page 1 of 1
ক্যাটাগরি
আর্কাইভ
লেখক
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.