২৬ বছর
প্রক্রিয়াধীন
সাহিত্যজগতে অনন্য প্রতিভা। সবসময়ই নিজের লেখা দিয়ে পাঠকের মন ছুঁয়েছেন, ভাবনা জাগিয়েছেন ভিন্নতার। মফস্বলে বেড়ে ওঠা। নিত্য দিনের জীবন থেকেই লেখার অনুপ্রেরণা খুঁজে নিয়েছেন। প্রকাশনার ক্ষেত্রে নতুন হলেও তাঁর হৃদয়গ্রাহী বর্নণার মাধ্যমে জীবন, প্রকৃতির জীবন্ত এক চিত্রই পাঠকের সামনে হাজির করেন।
See more >>-
মানুষের জীবন এগিয়ে চলে নানা ঘাতপ্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে। যারা সচেতনভাবে বৃহত্তর জীবনের পথ বেছে নিতে চায় তাদের বেলায় সংঘাত হল অনুক্ষণের সাথী। তাই বুঝি কিছুদিন পরেই প্রিয় সঙ্গীর সঙ্গে তীব্র মতান্তর শুরু হয়। আমার ওপর তখন অধ্যাত্মবাদের প্রভাব খুব বেশি। বাড়িতে দাদার আমন্ত্রণে নানা আশ্রমের সন্ন্যাসীরা এসে সময়ে সময়ে অতিথি হন। দাদার সঙ্গে তাঁদের শাস্ত্র ও দর্শন সম্বন্ধে অনেক আলোচনা হয়। কখনও বা হয় তুমুল তর্কবিতর্ক। তার অনেক কিছুই বুঝতে পারি না, তবু মনে কিছু কিছু রেশ থেকে যায়। সেগুলিকে নিজের ধারণার রঙে রাঙিয়ে নিতে চাই। সেই সময়টা হিন্দু মিশন থেকে পার্থসারথিরূপে শ্রীকৃষ্ণের একখানা ছবিকে খুব জনপ্রিয় করে তুলেছিল। সেটি
-
“একটা ভাল ফিল্ম-স্টুডিয়ো তৈরি করা এমন কিছু কঠিন নয়। কিন্তু একটা ভাল ফিল্ম তৈরি করা খুবই কঠিন। বিষয় আর নির্মিতির অভাব ভাল স্টুডিয়ো আর ভাল যন্ত্রপাতি দিয়ে মেটানো যায় না। শিল্পের মানে শিল্পই। কোনো কিছুই শিল্পের বিকল্প নয়। রাজনীতি দিয়ে শিল্পের কাজ হয় না। নতুন যন্ত্রপাতি দিয়েও হয় না। রাজনীতি দিয়ে শিল্পের কাজ সারতে গেলে শুধু শ্লোগান-বানানো হয়। যন্ত্রপাতি দিয়ে শিল্পের কাজ সারতে গেলেও ভাল কিছু হয় না। মানবজমিনই, হচ্ছে আসল কথা।
‘(শিল্প) প্রতিভার বিকাশ অত সহজ কাজ নয়, দু-এক বছরে এ কাজ হয়, না, এর জন্যে ধৈর্য দরকার। ...শিল্পীদের বেশি খাটানো কখনোই উচিত নয়। শিল্পীদের পক্ষে রাতদিন খাটা সম্ভব
-
[ম্যাক্সিম গোর্কী (১৮৫৮-১৯৩৬) সোভিয়েত রাশিয়ার অমর কথাশিল্পী হিসেবে সুপরিচিত। বিজ্ঞানের স্বপক্ষে তিনি তাঁর এই ঐতিহাসিক ভাষণটি ১৯১৭ সালে কেরেনেস্কির অস্থায়ী সরকারের সময়ে ‘ফ্রি অ্যাসোসিয়েশন ফর দি ডেভেলপমেণ্ট অ্যান্ড প্রোপাগেশন অব দ্য পজিটিভ সায়েন্স’-এর প্রথম অধিবেশনে পাঠ করেন।]
...সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ! আপনাদের কাছে সম্ভবত এটি অদ্ভূত লাগবে যে, আমি বিজ্ঞান সম্পর্কে, নবজাত রাশিয়ার জীবনে এর তাৎপর্য সম্পর্কে এবং নতুন রাশিয়ার ইতিহাসে বিজ্ঞান প্রযুক্তবিদ্যা কী ভূমিকা পালন করবে সে সম্পর্কে আমার অনভিজ্ঞ মতামত উপস্থাপিত করে আপনাদের বিব্রত করব বলে মনস্থির করেছি।
কিন্তু আমার এই ঔদ্ধত্য সম্পর্কে আপনাদের স্বাভাবিক এবং সহজবোধ্য সন্দেহজনক মনোভাব হয়ত আমি দূর করতে পারি, যদি ব্যবহারিক বিজ্ঞান সম্বন্ধে আমার মনোভাব
-
নরেন্দ্র দেব গত ১৯শে এপ্রিল মারা গেছেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। সাহিত্য-জগতের সঙ্গে তাঁর শেষ দিন পর্যন্ত যোগাযোগ ছিল, কিন্তু তাঁর যুগ শেষ হয়েছিল অনেকদিন আগে। যে-কোনো মৃত্যুই দুঃখের, বিশেষত এমন মানুষের, যাঁর কাছ থেকে আমরা নিত্য স্নেহ ও ভালোবাসা পেয়েছি। বাঙলা সাহিত্যের দিক থেকেও ঘটনাটি তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ নরেন্দ্র দেবের মৃত্যু বাঙলা সাহিত্যে একটি যুগের অবসান। বর্তমান শতাব্দীর প্রথম দুই দশকের সাহিত্যপত্রিকাগুলিতে নূতনত্ব এসেছিল বক্তব্যে ও প্রকাশরীতিতে—‘মানসী’, ‘যমুনা’, ‘ভারতী’ পত্রিকা নানা কারণেই আজকের দিনেও স্মরণীয়। নরেন্দ্র দেব সে-যুগের আধুনিক লেখক। বাঙলা সাহিত্যের ইতিহাস থেকে তাই তাঁর নাম বাদ পড়বে না। রবীন্দ্রনাথের সান্নিধ্য পেয়েছিলেন, শরৎচন্দ্র স্নেহ করতেন; সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, মণিলাল
-
বিশ্ব-লোকসংস্কৃতির একটি সমৃদ্ধ এলাকা হলো বাঙলাদেশ, কারণ লোকসংস্কৃতির এমন কোনো উপাদান নেই, যা বাঙলাদেশে নেই। জনগণের, বিশেষত বাঙালি কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে লোকসংস্কৃতির সম্বন্ধ ঘনিষ্ঠ। লিখিত সাহিত্যে যাদের পরিচয় নেই, তাদের প্রকৃত পরিচয় রয়েছে লোকসংস্কৃতির মধ্যে। কাজেই জনগণের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির সন্ধান করতে হলে লোকসংস্কৃতির যথার্থ সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও চর্চা অপরিহার্য। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন বাঙালি জনগণকে নিজের স্বরূপ জানার দিকে আগ্রহী করে তোলে। ভাষা-আন্দোলনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফল ‘বাঙলা একাডেমী’র প্রতিষ্ঠা। একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর একটি লোকসাহিত্য বিভাগ খোলা হয়। প্রথম দিকে এ বিভাগের প্রধান কাজ ছিল লোকসংস্কৃতির বিভিন্ন উদাহরণের সংগ্রহ ও সংরক্ষণ। বৈজ্ঞানিকভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণের কাজ কিভাবে হতে
-
বাঙলা দেশের অভ্যুদয় (২৫-২৬ মার্চ, ১৯৭১) এবং তার স্বতন্ত্র রাষ্ট্র ব্যবস্থা হিসেবে আত্মপ্রকাশ (১৭ই এপ্রিল) দক্ষিণ এশিয়ায়, তথা সমগ্র বিশ্বে, রীতিমত এক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই আলোড়নের অন্যতম একটি কারণ হলো এই যে এই নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা পূর্ব পরিকল্পিত কোনও এক রাজনৈতিক চক্রান্তের প্রতিফল নয় অথবা কোনও বিদেশী শক্তির (ভারতেরতো নয়ই) ষড়যন্ত্র প্রসূত নয়। বাঙলাদেশ নিঃসন্দেহে কয়েকটি ঐতিহাসিক ঘটনাচক্রের এক অবশ্যম্ভাবী পরিণতি। বাস্তবিকই, সুদীর্ঘ ২৩ বছর ধরে যে অসহ্য শোষণ ব্যবস্থা পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব-পাকিস্তানের উপর আরোপ করেছিল, তার অবসান কামনা প্রত্যেকটি পূর্ববাঙলার মানুষের হৃদয়ের দাবি হিসেবে দেখা দিল ৷ তারপর যখন গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এই দাবি পরিপূরণের সমস্ত পথ বন্ধ হয়ে গেল,
-
জনগণের যে বিভিন্ন স্তর ও শ্রেণী পূর্ববাঙলার মুক্তিসংগ্রামে ব্রতী, তাদের চিন্তা-চেতনার গতিধারা সম্পর্কে একটি সঠিক ধারণা বৈপ্লবিক শ্রেণীদৃষ্টিতে যাচাই করে দুইভাবে পাওয়া যেতে পারে। প্রথমত, বিগত চব্বিশ বছরে পর্যায়ে পর্যায়ে যে লোক-অভ্যুদয় হয়েছে, তার ঘটনাবলীর মধ্যেকার চেতনার উত্তরণগুলিকে বিশ্লেষণ করলে বিভিন্ন স্তর ও শ্রেণীর চিন্তার নব নব উপাদানকে বার করে আনা যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, গত চব্বিশ বছরে রাজনৈতিক নিবন্ধ রচনা এবং যেসব সাহিত্যচর্চা ও সাহিত্য সৃষ্টি হয়েছে, তার হিসাব-নিকাশ করলেও মুক্তিসংগ্রামের চেতনার উপাদানগুলির সাক্ষাৎ পাওয়া যেতে পারে।
এখানে লোক-অভ্যুদয়ের ব্যাপারটিকে প্রাথমিকভাবে যাচাই করে নিতে গেলে দেখা যাবে, কয়েকটি নির্দিষ্ট বিষয়ে লক্ষ্য অর্জনে ব্রতী গণ-আন্দোলন শ্রেণীসজ্জার দিক দিয়ে পরিমাণগতভাবে বৃদ্ধি পেয়ে
-
বাংলা ভাষায় যে বর্ণমালা বর্তমানে প্রচলিত তা মূলতঃ সংস্কৃত বর্ণমালার অনুকরণে। প্রত্নবৈদিক (Proto-Vedic বা সাধারণ নামে Indo-European বা মূল Aryan ভাষার) ভাষা যুগে প্রত্নপ্রাকৃত বা প্রত্নসংস্কৃত ভাষার কি বর্ণমালা ছিল এবং বর্ণগুলির উচ্চারণ কি ছিল তা বহুকাল পরে যথাযথভাবে জানা সম্ভব নয়। গুরু পরম্পরা বা প্রাচীন ব্যাকরণ এ বিষয়ে নানা সহায়তা করলেও মতভেদ ও পথভেদ রয়েই গেছে। বেশী কি আধুনিক কালের বহু ইংরেজী বর্ণের (যেথা f, s, r প্রভৃতি) উচ্চারণও অনেকের অজানা বা কখনও কখনও অশুদ্ধ হয়। আমাদের বর্ণমালায় যা বর্ণ আছে সেগুলির অনেকের প্রকৃত উচ্চারণ (যেমন: অন্ত্যস্থ ব, ণ, স, ষ প্রভৃতি) আমাদের অনেকের জানা নেই বা উচ্চারণও করি
-
পূর্ববঙ্গের সেই অঞ্চলে দুটি উৎসব বাল্যকালে মনকে খুব বেশি নাড়া দিত, দুটিই ছিল স্নানের উৎসব। তার মধ্যে প্রধান ছিল অতি জনপ্রিয় ব্ৰহ্মপুত্ৰ-স্নান, অন্যটি ছিল বারুণী স্নান, চৈত্র মাসের কৃষ্ণাত্রয়োদশীতে।
এই উপলক্ষ্যে অসংখ্য নারী-পুরুষ দলবেঁধে স্নান করবার জন্য লাঙ্গলবন্ধের দিকে যেতো-নয়তো স্থানীয় নদী বা পুকুরে স্নান করত। কিন্তু বাল সমাজের প্রধান আকর্ষণ ছিল এই উপলক্ষে অনুষ্ঠিত মেলা যাকে চলিত ভাষায় বলা হতো গলইয়া। এখানে সদ্য আকর্ষণের বস্তু ছিল চিনির গড়া মঠ আর পোড়ামাটির আল্লাদী। সাধারণ নাম মঠ হলেও সব চিনির মিষ্টিই মঠের আকারের ছিল না; হাতি ঘোড়া নানা পোশাকের মানুষের আকারের এই চিনির মিষ্টি এখনও বাজারছাড়া হয়নি। কিন্তু চলতি মাটির পুতুলের
-
বিশ্বাসঘাতকদের চক্রান্তে মহাবীর সেনাপতি মেনাহাতীর মৃত্যুর পর রাজা সীতারাম রায় অল্পদিনই তাঁর রাজত্ব রক্ষা করতে পেরেছিলেন। দিঘাপতিয়ার দয়ারাম রায় যুদ্ধে পরাজিত সীতারামকে নিয়ে যান মুর্শিদাবাদে নবাবের দরবারে। পথে নাটোর রাজবাড়ির কারাগারে সীতারামকে বন্দী থাকতে হয়েছিল। সীতারামের বিপুল ভূসম্পত্তির একটি অংশ, বিরাহিমপুর পরগনাও হয়েছিল নাটোরের রাজার হস্তগত। এরপর নবাবদের পালা ফুরোলো। বাঙলার তথা ভারতবর্ষের রাজদরবারের প্রতিষ্ঠা হয় কলকাতা শহরে। যশোর থেকে এসে সেখানে বাসা বাঁধলেন ঠাকুর পরিবার। ঠাকুর বংশের কৃতী সন্তান দ্বারকানাথ লক্ষ্মীর কৃপালাভ করলেন এই নতুন শহরে। কিন্তু তখনকার দিনে আভিজাত্যের নিদর্শন ছিল ভূসম্পত্তি। তাই বিখ্যাত কার-ঠাকুর কম্পানির মালিক দ্বারকানাথ প্রভূত জমিদারি সম্পত্তি খরিদ করেন বাঙলাদেশের একাধিক অঞ্চলে। কিন্তু বিরাহিমপুর
-
পুরনো ছবিগুলো দিনে দিনে আবছা হয়ে আসছিল। অনেক দিনের পুরনো সব ছবি।
পূব বাঙলা এখন বাঙলাদেশ। বাঙলাদেশ আমার জন্মভূমি। সেখানে আমার জীবনের উদ্দাম দুরন্ত দিনগুলো কেটেছিল। সেই স্মৃতি আমার সত্তায় আমি বহন করেছি, সেই স্মৃতির গায়ে এখন শুধু রক্ত।
অনেক সব কথা মনে পড়ে এখন। অনেক মুখ জেগে ওঠে যেন। ঢাকা ছাড়ার কথা মনে পড়ে। দেশভাগ হওয়ার কথা মনে পড়ে। তারপর আর দেশে যাওয়া হয়নি। দেশ তখন বিদেশ।
জন্মভূমি পরভূমি হওয়ার ব্যাপারটা দিনে দিনে সয়ে গিয়েছিল। পুরনো স্মৃতির ওপর নতুন স্মৃতির স্তূপ জমা হচ্ছিল। মাঝে মাঝে ঢাকা ফেরত কোনো বন্ধুর মুখে শুনতাম শহরের গল্প। ঢাকা শহরের দিন বদলের গল্প। মন
-
বাঙলাদেশের জাতীয় স্বাধীনতা-সংগ্রাম সম্পর্কে ইতিমধ্যেই বিভ্রান্তি প্রচারের প্রয়াস শুরু হয়ে গিয়েছে।
বাঙলাদেশের অভ্যন্তরে মুসলীম লীগ কিংবা জামায়েত ঈ-ইসলামীর কথা বলছি না, বলছি না পশ্চিমবাঙলায় অখণ্ড বঙ্গ পরিষদ, কিংবা ‘জাগো বাঙালী’ আন্দোলনের কথা; কেননা, সমগ্র বাঙলাদেশে বা পশ্চিমবাঙলার জনজীবনে এরা এতই নগণ্য যে ব্যাপক ক্ষতি করার ক্ষমতাও এদের নেই।
বাঙলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে প্রকৃত কার্যকরী বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে কোনো কোনো বামপন্থী মহল থেকে, বিপ্লবী বুলির আড়ালে, তথাকথিত শ্রেণী-বিশ্লেষণের নামে।
কলকাতার রাস্তায় পোস্টার পড়ছে, ‘মুজিব মার্কিন দালাল। চীন বিরোধী যুদ্ধ ঘাঁটি হিসাবে পূর্ব-পাকিস্তানকে (এঁরা বাঙলাদেশ বলেন না) ব্যবহার করতে চায়’—ইত্যাদি।
এইসব বক্তব্য ইয়াহিয়া খাঁর প্রতি এমনই সমর্থনসূচক যে স্বাভাবিক কারণে এও কোনো
-
লেখক: আবদুল হক
এ-দেশের সংস্কৃতি-আলোচনায় অনেক সময় শিথিলভাবে এ-রকম একটা ধারণা সৃষ্টির চেষ্টা করা হয় যে পাকিস্তানের সংস্কৃতি সর্বাত্মকভাবে ইসলামী বৈশিষ্ট্যেই বিশিষ্ট, এবং ভবিষ্যতে যে সংস্কৃতি গড়ে উঠবে তাও হবে ইসলামী সংস্কৃতি। পাকিস্তানের সংস্কৃতি যে সর্বাত্মকভাবে ইসলামী সংস্কৃতি নয় তা প্রমাণের অপেক্ষা রাখে না; কিন্তু ভবিষ্যতের সংস্কৃতি সর্বাত্মকভাবে ইসলামী সংস্কৃতি হবে কিনা, সেটা একটা প্রশ্ন। অনেকে বলেন, পাকিস্তানের সংস্কৃতি সর্বাত্মকভাবে ইসলামী সংস্কৃতিই হবে, কেননা পাকিস্তান একটা আদর্শভিত্তিক ‘রাষ্ট্র’ তার শাসন-সংবিধানেও সেই কথা বলা হয়েছে, এবং ইসলামী আদর্শ রূপায়ণের জন্যই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠা।
এ-বিষয়ে বোধ হয়, দ্বিমতের অবকাশ নেই যে পাকিস্তানে ইসলামী সংস্কৃতি বিকাশ সাধন মুসলমানদের একটা বিশেষ দায়িত্ব। এ-দায়িত্ব উপলব্ধির নির্ভুল
-
ছেলেটা গেল কই! যে দিনকাল পড়িয়াছে তাহাতে যে আসিবার সে যদি আসিতে এক প্রহরও বিলম্ব করে তবেই ভাবনা হয়। দুশ্চিন্তার তো কোনো মাথামুণ্ডু নাই, শুধু একবার আরম্ভ হইলেই হইল। হয়তো কাল খবরের কাগজ খুলিয়াই দেখিব পুলিশের গুলিতে নিহত তরুণ অথবা কলোনির মাঠের মধ্যে গলাকাটা মৃতদেহ প্রাপ্তির নিয়মিত সংবাদের পাতায় ছেলেটার নাম। সত্যিই, ছেলেটা গেল কোথায়! তিনদিন আগেই উহার ফিরিয়া আসার কথা। কিন্তু আজও পর্যন্ত পাত্তা নাই।
বাঙলাদেশ শরণার্থীদের জন্য রিলিফের মাল লইয়া দিনকয়েক হইল সে কৃষ্ণনগরের পথে সীমান্তের দিকে গিয়াছে। একাজ সে নতুন করিতেছে না। গত দুই মাস ধরিয়া ছেলেটাকে আমি এই কাজই করিতে দেখিতেছি। আজ আগরতলা, কাল বনগাঁ, পরশু
-
ফ্যাসিবাদের পরাজয়ের ৩০শ বার্ষিক উদযাপনের মুহূর্তে আজ আমরা গর্বের সঙ্গে স্মরণ করি সোভিয়েত ইউনিয়নের সেই গৌরবময় ভূমিকার কথা, যা ফ্যাসিবাদী বর্বরতার আক্রমণ থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করেছিল। ইতিহাস এই সাক্ষ্য বহন করছে যে ফ্যাসিবাদের পরাজয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন চূড়ান্ত ভূমিকা গ্রহণ করেছিল। সোভিয়েত রেড আর্মিকে পুরোভাগে রেখে ফ্যাসিবাদ-বিরোধী যুদ্ধে প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে লড়াই করেছিল বিভিন্ন দেশের কমিউনিস্টরা ও অন্যান্য দেশপ্রেমিক ও গণতান্ত্রিক শক্তি। আজ আমরা সেই কমিউনিস্ট যোদ্ধাদের গৌরবমণ্ডিত ভূমিকা সম্পর্কে গর্ব অনুভব করি।
বিশ্ব-বিপ্লবী প্রক্রিয়ার বিকাশস্বাভাবিকভাবেই, এই দুর্জয় সংগ্রামের ফলপরিণাম হিসাবে যুদ্ধোত্তরকালে পৃথিবীর রাজনীতিতে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট আন্দোলনের প্রভাব দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতিহাসের পাতায় পাতায় এর প্রমাণ ছড়িয়ে
-
গাণিতিক চিন্তার অগ্রদূতেরাঅনেকের ধারণা যে গণিত এক ধরনের স্থবির বিষয়। নিঃসন্দেহে ধারণাটি ভুল। তবে একথা সত্যি যে মানুষের ইতিহাসে এমন অনেক সময় ছিল যখন গাণিতিক চিন্তার অগ্রগতি একেবারে হয়নি। সে সব সময়ের কোনো গাণিতিক সৃজনশীলতা আমাদের নজরে পড়ে না। কিন্তু ক্রমাগত গণিতকে বোঝার ফলে ঘটতে থাকে তার বিকাশ। গাণিতিক বিকাশের প্রেক্ষিতে আমরা বর্তমান সময়কে আর সব সময়ের চেয়ে শ্রেষ্ঠ বলতে পারি।
যখন আমরা গণিত নিয়ে কথা বলছি তখন ‘কী গণিত’ আর ‘কী গণিত নয়’ সেটা জানা আমাদের জন্য বেশ জরুরি। তবে এক্ষেত্রে হয়ত সব গণিতবিদ একমত হবেন না। এ প্রসঙ্গে বার্ট্রান্ড রাসেল বলছেন, “গণিত হচ্ছে ‘p থেকে q-এ আসা
-
গণতান্ত্রিক বিধিব্যবস্থায় রাষ্ট্র সকল মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা; অনিয়ম-অত্যাচারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ কিংবা সকল ধরনের কর্তৃত্বের বিপরীতে ক্ষোভ প্রকাশের অধিকারকে নিশ্চিত করে। খাওয়া, পরা, থাকাসহ সুস্থভাবে বেঁচে থাকার সার্বিক পরিবেশ নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের স্বীকৃত দায়িত্ব। রাষ্ট্রীয় এসব দায়িত্ব কিংবা অধিকার প্রশ্নে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ যতবেশি বিস্তৃত ও গভীর হয়, রাষ্ট্র ততই গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমুখী হয়ে ওঠে। এক্ষেত্রে রাষ্ট্র পরিচালনায় সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বর্তমান আর্থ-সামাজিক-রাজনীতিক পরিসরে ব্যাপকতর জনগণের প্রতিনিধিত্ব ক্রমশ সংকুচিত হয়ে পড়ছে। সেখানে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় অগণতান্ত্রিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সুবিধা ও ক্ষমতাভোগী ভাবনা প্রসারিত হচ্ছে, প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে গোষ্ঠীগত ক্ষমতা আর বিশেষ শ্রেণী-পেশার মানুষের আধিপত্য। এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় যে কোনো
-
দুই দশকেরও বেশি আগে বিজ্ঞানচেতনা পরিষদের যাত্রার শুরুতে বিজ্ঞান ও চেতনা শব্দ দুটি আলাদা না কি একসঙ্গে লিখব তা নিয়ে আমাদের মধ্যে তর্ক ছিল। পরে আমরা সিদ্ধান্ত নিই দুটি শব্দ একসঙ্গেই লিখব: বিজ্ঞানচেতনা। আমাদের সমাজে পরীক্ষাগার, গবেষণা ইত্যাদি সম্পর্কিত ভাবনার জায়গা থেকে বিজ্ঞানকে দেখার চল বেশ প্রতিষ্ঠিত, শক্তিশালীও বটে। কিন্তু এসব থেকে প্রকৃতি ও মানুষ বিচ্ছিন্ন থাকলে তা সামগ্রিকতা পায় না। তাই শুরু থেকেই আমরা বিজ্ঞান ও চেতনাকে আলাদা করিনি। বিজ্ঞানকে চেতনা থেকে আলাদা করলে তা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে প্রকৃতির জন্য, মানুষের জন্য। এই সামগ্রিকতার মধ্যে পরস্পরের সম্পর্ক ও অবস্থানকে বিশ্লেষণ ও যাচাই করা, মানুষের মধ্যে প্রশ্ন করার সক্ষমতা তৈরির
-
ঢাকার রাস্তায় প্রতিদিন মানুষের যে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়, তার প্রকৃত অবস্থা কেবলমাত্র ভুক্তভোগীদের পক্ষেই অনুভব করা সম্ভব। যানজটের কারণে প্রতিদিন যে শুধু ৫০ লাখ কর্মঘণ্টা নষ্ট [যার আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ বছরে ৩৭ হাজার কোটি টাকা, যা জাতীয় বাজেটের ১১ ভাগের একভাগ] হচ্ছে তাই নয়, এর সরাসরি প্রভাব রয়েছে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ, সড়ক দুর্ঘটনা ও চলাচলকারী ব্যক্তির মানসিকতার উপর [মেজাজ খিটখিটে হওয়া, ক্লান্তি, বিরক্তি, কাজের গতি কমে যাওয়া, আয়ুষ্কাল কমে যাওয়া]। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই অসহনীয় যানজটের হাত থেকে আমাদের সাধারণ মানুষের মুক্তি মিলবে কি? সত্যি বলতে এই বিষয় নিয়ে এত বেশি আলোচনা হয়েছে এবং হচ্ছে, তাই আমি উত্তরটি
-
উপক্রমণিকা (prologue)
অনেক সময়ই আমরা পত্রিকার পাতায় বা অন্তর্জালে [Internet] এই ধরনের খবর দেখে থাকি—পুঁইশাকের চচ্চড়ি খেলে এইডস হওয়ার সম্ভাবনা কমে কিংবা এই আশ্চর্য অভ্যাস আপনাকে ক্যান্সার থেকে দূরে রাখবে...ইত্যাদি। সচেতন পাঠক হয়ত এগুলোকে বিশেষ পাত্তা দেন না। কিন্তু তারপরও প্রশ্ন থেকে যায়, দুটো ঘটনার মধ্যে একটিকে কারণ এবং অপরটিকে ফলাফল বলতে গেলে কী কী শর্ত মানতে হবে? আমরা কীভাবে জানি যে, কোনো একটা রোগের কারণ একটি বিশেষ রোগজীবাণু বা একসেট জীবনাচরণ? কেমন করে জানা যায় যে অমুক ওষুধ বা চিকিৎসায় তমুক অসুখটা সারে, নিছক দৈবক্রমে নয়? কারণ ও ফলাফলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন সংক্রান্ত এরূপ প্রশ্নের মীমাংসা বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা
-
কাজটার নাম লেখাপড়া। শিশুকাল, বাল্যকাল, কিশোরকাল থেকে শুরু করে একেবারে অন্তিমকাল পর্যন্ত সব সময়েই এ-কাজটা মনের খুশীতে চালিয়ে যাওয়া বেশ কঠিন। কঠিন যে তা প্রমাণের অপেক্ষা রাখে না। মানতে হবে, কাজটা ব্যয়সাপেক্ষ। অবশ্যই ডিগ্রির টাকশালের ছাপ নিতে হলে। শুধু অনুরাগবশত পড়তে এ ছাপের প্রয়োজন হয় না। ব্যয়টাও একেকজনের কাছে এক এক ওজনের চাপের ব্যাপার। দারিদ্র্যতম এবং দুর্নীতিগ্রস্ততম এই বাংলাদেশে সবরকমের উদাহরণই আছে। মুখে কথাই ফোটেনি এমন সন্তানের লেখাপড়ার জন্য অথবা লেখাপড়ার প্রথম ধাপ প্লে-গ্রুপে খেলার জন্য মাসে লক্ষ টাকা খরচ করার বাবা-মা যেমন আছে, তেমনি এই বাংলাদেশেই আরজ আলী মাতুব্বর পড়া শুরু করেছিলেন একখানা ভিক্ষায় পাওয়া ‘আদর্শ লিপি’ এবং ভাঙা
-
একসময় যে শ্রমিক নিজেদের অস্তিত্বের প্রশ্নে মিল-কলকারখানার যন্ত্রপাতি ভেঙে শিল্পায়নের বিরুদ্ধে শ্লোগান দিয়েছিল, কিংবা যে চার্চ, ধর্মীয় গোষ্ঠী কোপারনিকাস-গ্যালিলিও’র চিন্তা ও তত্ত্বকে বিরোধিতা করে বিজ্ঞানের বিপরীতে অবস্থান নিয়েছিল সেই একই শ্রমিক আজ শিল্পায়নের দাবিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পক্ষে শ্লোগান দিচ্ছে, ধর্মীয় গোষ্ঠীসমূহ বিজ্ঞানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে। এককথায়, বিরোধিতার মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা বিজ্ঞান আজ যে কোনো শ্রেণী-পেশা-বর্ণ-ধর্মের মানুষের নিকট সর্বজনীন মতাদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। সেই সাথে তা প্রগতি কিংবা পশ্চাৎপদতার নির্ধারক হিসেবে চর্চা হচ্ছে। ফলে বর্তমানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি সম্মত্তির এই বিস্তৃত পাটাতনে আমরা যখন বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করব, মানুষ এবং সমাজকে বিজ্ঞানমুখী করার লক্ষ্য নির্ধারণ করি তখন তার আয়োজন
-
আজ থেকে প্রায় ৭০ বছর আগের কথা। এদেশ সবেমাত্র ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত হয়েছে। এদেশের মানুষের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবন এখনকার চেয়ে অনেকটাই পিছিয়ে। এমন সমাজে যৌনতা ভীষণ নিষিদ্ধ একটি বিষয়। সে সময়ে আমাদের দেশে এ বিষয়ে কথাবার্তা বা আলাপ-আলোচনা অত্যন্ত গর্হিত একটি ব্যাপার বলে পরিগণিত হত। শুধু এদেশেই নয় ইয়োরোপ-আমেরিকাতেও ১৯৬০-এর দশকে ‘যৌন বিপ্লব’-এর ধাক্কায় গোটা সমাজে যৌনতা সম্পর্কিত দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাপকভাবে পাল্টে যাবার আগে যৌন বিষয়ে কিংবা নরনারীর যৌন সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা আলোচনাকে সহজভাবে নেয়া হত না। ভাবতে খুব অবাক লাগে, ওরকম একটি সময়ে বয়সে অত্যন্ত তরুণ একজন মানুষ এই বিষয়ে লিখতে দৃঢ় হাতে কলম ধরেছেন। শুধু যৌনতা নয়,
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- অনুবাদ
- কিশোর
- লোককাহানি
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ঢাকা
- হিন্দু
- ছোটগল্প
- যুদ্ধ
- কলকাতা
- গদ্য
- বিশ্ববিদ্যালয়
- মুক্তিযুদ্ধ
- আইন
- সংবিধান
- ফ্যাসিবাদ
- মার্কসবাদ
- স্মৃতিকথা
- ভারত
- জ্যোতির্বিদ্যা
- বিজ্ঞান
- মহাকাশ
- আলোচনা
- বই
- পৌরাণিক
- সাংবাদিকতা
- সঙ্গীত
- উদ্ভিদ
- রূপকথা
- শিশুতোষ
- লোককাহিনী
- আন্দোলন
- জীবনী
- ইংরেজি
- লালন
- নৃত্য
- নির্বাচন
- অপরাধ
- গোয়েন্দা
- যুক্তরাষ্ট্র
- শিল্পকলা
- রোজনামচা
- চীন
- জাতীয়তাবাদ
- ক্রিকেট
- চলচ্চিত্র
- উদ্ভাবন
- ওষুধ
- নারী
- সমাজ
- পাকিস্তান
- ভাষা
- ইউরোপ
- বাংলা
- পাখি
- প্রাণিবিদ্যা
- কবিতা
- সমাজতন্ত্র
- লেখক
- ভাষণ
- রবীন্দ্রনাথ
- পশ্চিমবঙ্গ
- গণিতশাস্ত্র
- গবেষণা
- দাঙ্গা
- ভৌতিক
- চিঠি
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- গণতন্ত্র
- সংঘর্ষ
- বিজ্ঞানী
- দর্শন
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- সমালোচনা
- ফুটবল
- যুক্তরাজ্য
- গণহত্যা
- সংবাদ
- সরকার
- ইসলাম
- খাদ্য
- বিপ্লব
- সাম্যবাদ
- পুঁজিবাদ
- বইমেলা
- চিরায়ত
উৎস
- ইউক্রেনের লোককথা
- ঢাকা প্রকাশ
- প্রক্রিয়াধীন
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- তাজিক লোককাহিনী
- মূল্যায়ন
- পরিচয়
- শান্তি স্বাধীনতা সমাজতন্ত্র
- সমকালীন
- উক্রাইনীয় উপকথা
- কাজাখ লোককাহিনী
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- প্রবাসী
- আশ্বাস
- বিজ্ঞান পাঠ
- বিজ্ঞানচেতনা
- গল্পগুচ্ছ
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- সাহিত্যচিন্তা
- বাংলাদেশ ’৭৩
- বাংলাদেশ কথা কয়
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র, পঞ্চদশ খণ্ড
আর্কাইভ
- ২০২৬ (১০)
- ২০২৫ (১২)
- ২০২৪ (৩১)
- ২০২২ (১)
- ২০১৯ (৪)
- ২০১৬ (১)
- ২০১৫ (১২)
- ২০১১ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৫ (১)
- ২০০৩ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৮ (৫)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৫ (১০)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৯০ (১৮)
- ১৯৮৯ (১০)
- ১৯৮৮ (২৯)
- ১৯৮৭ (১)
- ১৯৮৫ (৩)
- ১৯৮৪ (৩)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৮ (৪)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (৩)
- ১৯৭১ (১৯)
- ১৯৬৯ (১)
- ১৯৬৮ (২)
- ১৯৬৫ (২)
- ১৯৬২ (১)
- ১৯৬০ (৬)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৪৬ (১)
- ১৯০৪ (১)
- ১৯০৩ (১)
- ১৯০১ (১)
- ১৮৯২ (১)
- ১৮৯১ (১)
- ১৮৯০ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.









