২৬ বছর
প্রক্রিয়াধীন
সাহিত্যজগতে অনন্য প্রতিভা। সবসময়ই নিজের লেখা দিয়ে পাঠকের মন ছুঁয়েছেন, ভাবনা জাগিয়েছেন ভিন্নতার। মফস্বলে বেড়ে ওঠা। নিত্য দিনের জীবন থেকেই লেখার অনুপ্রেরণা খুঁজে নিয়েছেন। প্রকাশনার ক্ষেত্রে নতুন হলেও তাঁর হৃদয়গ্রাহী বর্নণার মাধ্যমে জীবন, প্রকৃতির জীবন্ত এক চিত্রই পাঠকের সামনে হাজির করেন।
See more >>-
ড. আবদুল করিম মোঘল আমলে ঢাকার বাণিজ্য প্রসার লিখেছেন: “নদীপথে চারিদিকের সকল অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত একটি কেন্দ্র হিসাবে ঢাকার অবস্থান সমগ্র দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক। এই শহরের প্রসার এবং এর ফলে জনসংখ্যা বৃদ্ধি শহরে জনগণের চাহিদা পূরণের জন্য বিভিন্ন দ্রব্য সরবরাহ এবং বাণিজ্যিক এলাকা ও হাটবাজারের উন্নয়ন অপরিহার্য করে তোলে। যেকোন শহরের প্রসারের কারণে শহরে কারিগর, পণ্য প্রস্তুতকারক, শিল্পী ও বিভিন্ন পেশাজীবী শ্রেণীর বসতি স্থাপন জরুরি হয়ে পড়ে যাতে তারা এখানে অবস্থা করে কাঁচামাল ক্রয় এবং তৈরি মালামাল বিক্রয় করতে পারে। ঢাকা মোগল প্রদেশ বাংলার রাজধানী এবং সামরিক ও বেসামরিক সদর দফতরে পরিণত হয়। বণিক ব্যবসায়ীগণ সরকার থেকে পরোয়ানা
-
মধুসুদন:আমি কৃষণজীর সঙ্গে পরিচিত হই ১৯৪০ সালে। সেই সময় আমি ২৮ বছরের যুবক এবং একমাত্র কৃষণজীর সঙ্গে মিলবার জন্য আমি দিল্লী থেকে লাহোর আসি। কৃষণজী তখন লাহোর অল ইন্ডিয়া রেডিওতে চাকরি করেন। আমাকে দেখে উনি অবাক হন। আমি তো সামান্য যুবক। আমার নিজের লেখা কিছু গল্প দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলাম। তিনি পড়ে আমাকে বলেন, মধুসুদন তুমি লেখাতে নিজের স্টাইল তৈরী করো। একটা ব্যাপার পরিষ্কার ছিলো, তখন আমি কৃষণজীর লেখার দ্বারা প্রবলভাবে প্রভাবিত এবং তাই আমার নিজের লেখার মধ্যে প্রায় পুরোটাই তাঁর স্টাইলের ছাপ পড়েছিলো। এর পর তিনি একই কাজ নিয়ে দিল্লী রেডিওতে চলে আসেন। কৃষণজী দিল্লী এলে সপ্তাহে প্রায় পাঁচ
-
লেখক: খালেদা ইয়াসমিন ইতি
"যারা বলেন যে বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চা সম্ভব নয় তারা হয় বাংলা জানেন না, নয়তো বিজ্ঞান জানেন না।"
আগামী প্রজন্মের উদ্দেশে এই চিরস্মরণীয় উক্তিটি যিনি করেছিলেন, তিনি হলেন, সত্যেন্দ্রনাথ বসু। যে সময়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিজ্ঞানের চার কিংবদন্তী- পরমাণু বিজ্ঞানী লিস মিটনার, অটোহ্যান, আলবার্ট আইনস্টাইন এবং ম্যাক্স ভনলু এর মতো প্রতিভাবান বিজ্ঞানীরা; সময়ের সেই সুবর্ণরেখার ধারায় এ উপমহাদেশে রামানুজন, মেঘনাদ সাহা, আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু এবং রবীন্দ্রনাথের পাশাপাশি জন্মগ্রহণ করেন সত্যেন্দ্রনাথ বসু।
১৮৯৪ সালের ১লা জানুয়ারি উত্তর কলিকাতার গোয়ানবাজান অঞ্চলে ঈশ্বরমিল লেনের পৈতৃক গৃহে তাঁর জন্ম। পিতা রেলওয়ের হিসাব রক্ষক- সুরেন্দ্রনাথ বসু, মাতা আমোদিনী দেবী। আর মাতামহ মতিলাল রায়
-
লেখক: আবদুল কাদের
মার্কস দুটি কৃতিত্বের জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। প্রথম কৃতিত্ব আধুনিক বস্তুবাদ (দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ) এবং দ্বিতীয় কৃতিত্ব ঐতিহাসিক বস্তুবাদ (সামাজিক বস্তুবাদ)।
আধুনিক বস্তুবাদের মূলকথা, বস্তু স্বনির্ভর এবং বস্তুর ভিতরের দুই বিপরীতের দ্বন্দ্বই বস্তু এবং বস্তুজগতে পরিবর্তন নিয়ে আসে। এ কথার অর্থ বস্তু ও শক্তি মূলত অভিন্ন। কাজেই বস্তুর অন্তর্নিহিত শক্তিই বস্তুর পরিবর্তনের নিয়ামক। মার্কস-পূর্ববর্তী বস্তুবাদকে বলা যায় জড়বাদ। জড়বাদী ধারণা অনুসারে জড় বহির্ভূত শক্তি জড়ের উপর সক্রিয় হলে তবেই জড়জগতে পরিবর্তন আসে। এখানে শক্তি এক অতিপ্রাকৃত ধারণা হিসেবে অবস্থান করে। জড়বাদের আর এক নাম যান্ত্রিক বাস্তুবাদ। যান্ত্রিক বস্তুবাদকে যান্ত্রিক বস্তুবাদ না বলে যান্ত্রিক ভাববাদ বলাই শ্রেয়, কারণ এটা
-
অনেক দিন আগের কথা। এক শহরে বাস করত এক দক্ষ কামার। মানুষ যতকিছু জিনিসের কথা জানে সবকিছুই সৃষ্টি করতে পারত তার হাত দুটি—সে হাত দুটি পারত না কেবল কামার আর তার বৌয়ের জন্য যথেষ্ট আহার যোগাতে। সেই শহরের লোকেরা ছিল খুবই গরীব, তাই কামার কোথাও কোন কাজ না পেয়ে খুবই কষ্টে দিন কাটাচ্ছিল। সে কখনও মনখারাপ করত না, সবসময়েই ঠাট্টাতামাসা করত, গান গাইত, কিন্তু দুঃখেকষ্টে তার মনটা পুড়ে কয়লার মতই কালো হয়ে গেছে। সে নিজে সব দুঃখকষ্টই সহ্য করতে পারে, কিন্তু তার অল্পবয়সী বৌ, অমন সুন্দরী একশো বছরে একজন জন্মায়, সে অভাবে এত কষ্ট পাচ্ছে দেখে তার ভীষণ দুঃখ হয়।
-
এক ছিল ময়দাকলের মালিক। তার ছিল তিন ছেলে। নিজের বয়স হয়েছে, মরার সময় হয়েছে বুঝতে পেরে সে বড় ছেলেকে কাছে ডেকে বলল: ‘আমি মরতে বসেছি। উত্তরাধিকার হিসাবে কি চাস তুই আমার কাছে—ধনসম্পদ না পিতৃ উপদেশ?’
‘ধনসম্পদ ছাড়া আবার কি!’ বলল সে ছেলে। ‘শুধু উপদেশ কি আর পেট ভরে।’
‘ঠিক আছে। তুই পাবি আমার ময়দাকল, আর আমার ধনের অর্ধেক, যেমন চাস তেমনি ভাবেই থাকবি।’ বলল তার বাবা।
তারপর লোকটি মেজ ছেলেকে ডেকে জিজ্ঞাসা করল সেই একই কথা।
‘ধনসম্পত্তি দিও, বাবা। শুধু উপদেশ নিয়ে বাঁচা যায় না এ জগতে।’
‘ঠিক আছে আমি মরলে তুই পাবি আমার বাড়িটা আর আমার ধনের অর্ধেক, যেমন
-
লেখক: অধ্যাপক অজয় রায়
আমাদের বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেই তিনি চলে গেলেন। ১৯৩৩ সালে ১ অক্টোবরে ঢাকা শহরের বকশীবাজার এলাকায় নবকুমার ইনস্টিটিউটের পাশে মাতামহ পূর্ণানন্দ গুপ্তের বাড়িতে প্রিয়দর্শনের জন্ম হয়। তার শিক্ষা প্রধানত ঢাকা শহরে পগোজ হাইস্কুল, জগন্নাথ কলেজ এবং সর্বশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদবিজ্ঞানে এমএসসি ডিগ্রি (১৯৫৪) নিয়ে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। তবে অবশ্য মাঝখানে কলকাতায় এসে বঙ্গবাসী কলেজ থেকে উদ্ভিদবিজ্ঞানে দু'বছরের বিএসসি (Hons) ডিগ্রি নিয়ে ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেন।
তিনি কলকাতায় ১৯৫৪ সালে বঙ্গবাসী কলেজে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন এবং জনপ্রিয় শিক্ষক হিসেবে ওই কলেজ থেকে অধ্যাপকরূপে ১৯৯৩ সালে অবসর গ্রহণ করেন ছাত্র-শিক্ষকদের সম্মান ও ভালোবাসা
-
মাননীয় প্রেসিডেন্ট মহাশয়, ঢাকার আলোচনা ভেঙে যাওয়ার খবর এবং সামরিক প্রশাসন চূড়ান্ত ব্যবস্থা অবলম্বন প্রয়োজন মনে করে পূর্ব পাকিস্তানের জনসাধারণের বিরুদ্ধে সামরিক বলপ্রয়োগ করেছেন-এই মর্ম খবর সোভিয়েত ইউনিয়নের গভীর উদ্বেগের সঞ্চার করেছে।
এই ঘটনার ফলে পাকিস্তানের অগণিত মানুষের প্রাণহানি, নিপীড়ন ও দুঃখ-কষ্টের খবরে সোভিয়েতের জনগণ বিচলিত না হয়ে পারে না। মুজিবুর রহমান ও অন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বন্দী ও নির্যাতন করায়ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উদ্বেগ প্রকাশ করছে। এই নেতারা হালের সাধারণ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের সন্দেহাতীত সমর্থন লাভ করেছিলেন। সোভিয়েত জনগণ সর্বদাই পাকিস্তানের মানুষের মঙ্গল ও সমৃদ্ধি কামনা করেছে এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দেশের জটিল সমস্যার সমাধানে তাদের সফলতায় আনন্দিত
-
অনুবাদ: মুহম্মদ আবদুল হাই
ইসলাম যখন ভারতবর্ষে এলো তখন তার প্রগতিশীল ভূমিকা নিঃশেষ হয়ে এসেছে আর শিক্ষিত ও সুসংস্কৃত আরবদের হাত থেকে তার অধিনায়কত্ব করার ভারও খসে গেছে কিন্তু তার পতাকার উপরে ইসলামের শৈশব ও যৌবনের বিজয়বহুল দিনগুলোর বৈপ্লবিক নীতি ছিলো সুগ্রথিত। প্রমাণাভিলাষী মন নিয়ে ইতিহাস পাঠ করলে দেখা যাবে যে, যেমন পারস্য ও খ্রীষ্টান দেশগুলোতে তেমনি এই ভারতবর্ষেও মুসলিম বিজয়ের পথ সুপ্রশস্ত ক’রে দিয়েছিলো দেশীয় কতকগুলি ঘটনা। বিজিত জাতির বিপুল জনসাধারণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা না হোক অন্তত মৌখিক সহানুভূতি, কি মৌন সম্মতি না পেলে কোন বিদেশী আক্রমণকারীরাই সুদীর্ঘ ইতিহাস ও প্রাচীন সভ্যতাসম্পন্ন কোন বড় জাতিকে অতি সহজে তাদের পদানত করতে
-
জাতীয় মুক্তি-সংগ্রামে শিল্প : চীনের কাঠখোদাই
এক
আধুনিক জার্মানীর বোধহয় সবচেয়ে বড় শিল্পী ছিলেন শ্রীমতী কেটি কোল্ভিজ—নিজের শিল্পীজীবনের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত যিনি ছবি এঁকে নির্মম সততার সঙ্গে প্রকাশ করে গেছেন অত্যাচার আর অবিচারের বিরুদ্ধে জার্মান জনতার সংগ্রামের কথা শোষকশ্রেণীর বিরুদ্ধে পঞ্চাশ বছরেরও বেশি কাল ধরে জার্মানীর সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের প্রতিরোধের ইতিহাস কেটি কোল্ভিজ-এর কাঠখোদাই-এচিং-লিথোগ্রাফ ইত্যাদিতে বিবৃত হয়ে আছে। কোল্ভিজ ছিলেন প্রধানত গ্রাফিক-শিল্পী—সামাজিক অত্যাচারের স্বরূপ উদ্ঘাটন আর তার বিরুদ্ধে প্রচণ্ড প্রতিবাদ হিসেবে শিল্পকে ব্যবহার করা—এই ছিল তাঁর শিল্পীজীবনের লক্ষ্য। এবং এর জন্য তাঁকে মূল্য দিতে হয়েছিল, নিজের জীবনের মূল্য। কোল্ভিজ, কমিউনিস্ট ছিলেন না, কিন্তু তাঁর মহৎ শিল্পীজনোচিত সততা তাঁকে এনে
-
আধুনিক দৃষ্টিতে জনশিক্ষা বলতে আমরা যা বুঝি ঊনবিংশ শতাব্দীতে তা ছিল না। জনশিক্ষার প্রতি সমাজের দৃষ্টিও সেভাবে আকৃষ্ট হয়নি। দেশের উচ্চ ও মধ্যবিত্তের ছেলেরাই কিছু কিছু শিক্ষার সুযোগ পেতো, বেশীর ভাগ গরীব অন্ত্যজ শ্রেণীর লোকেরা কোনরকম সুযোগ পেতো না।
স্যার জন শোরের শাসনকালেই (১৭৯৩-৯৮) ভারতবর্ষে জনশিক্ষার প্রশ্নটি সরকারী ভাবে উত্থিত হয়। তার Notes on Indian Affairs দলিলে তিনি এই প্রসঙ্গের উল্লেখ করেন এবং মাতৃভাষার মাধ্যমে যাতে দেশের সাধারণ মানুষ শিক্ষালাভ করতে পারে তার জন্য তৎকালিক বিদ্যালয়গুলির উন্নতি সাধন ও প্রয়োজনবোধে নতুন বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
সুচিন্তিত সরকারী প্রচেষ্টা কিংবা দেশীয় বিদ্যোৎসাহী বা মিশনারীদের পদক্ষেপের পূর্বেই ১৮০০ সালে
-
ভারতীয় ভাষার দরবারে বাংলা আজ দুয়োবানী। সর্বশ্রেষ্ঠ ভারতীয় ভাষা হিসাবে বাংলাকে স্বীকার করা তো দূরের কথা, বিজ্ঞানের ভাষা হিসাবে বাংলার যে উৎকর্ষ স্বাভাবিকভাবেই রয়েছে তা মেনে নিতেও অনেকের গায়ে বাধছে। অথচ দুরূহ বৈজ্ঞানিক তত্ত্বকে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার যে ক্ষমতা রয়েছে বিগত একশত চল্লিশ বৎসর ধরে রচিত অসংখ্য বাংলা বিজ্ঞান-গ্ৰন্থই তার প্ৰমাণ। ঊনবিংশ শতাব্দীতে অক্ষয়কুমার দত্ত, রাজেন্দ্রলাল মিত্র ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং বিংশ শতাব্দীতে রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, জগদীশচন্দ্র বসু, প্রফুল্লচন্দ্র রায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জগদানন্দ রায় প্রমুখ লেখকেরা প্রমাণ করে গেছেন দুরূহ বৈজ্ঞানিক তত্ত্বকে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার ক্ষমতা কতখানি। কিন্তু এঁরা হলেন বাংলা বিজ্ঞান-সাহিত্যের দিক্পাল। এদের থেকে দৃষ্টি
-
আমার বিশ্বাস, অর্থনীতি ও সামাজিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নন এমন ব্যক্তির পক্ষে সমাজতন্ত্র সম্পর্কে মতামত ব্যক্ত করতে যাওয়া নানাকারণেই ঠিক নয়।
বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টা প্রথমে বিবেচনা করা যাক। মেথোডলজির (Methodological) দিক থেকে, মনে হয়, জ্যোতির্বিদ্যা ও অর্থনীতির মধ্যে বিশেষ কোনো পার্থক্য নেই, উভয় ক্ষেত্রেই বৈজ্ঞানিকগণ সন্নিবিষ্ট ঘটনাবলীর মধ্যে পারস্পরিক যোগসূত্র আবিষ্কারের জন্য সাধারণভাবে গ্রহণযোগ্য এমন কতগুলো সূত্র আবিষ্কারের চেষ্টা করেন, যাতে বিষয়টা যতদূর সম্ভব সহজবোধ্য হয়ে ওঠে। বাস্তবক্ষেত্রে কিন্তু পদ্ধতিগত পার্থক্য থেকেই যায়। পর্যবেক্ষিত অর্থনৈতিক ঘটনাবলী প্রায়শই এমন কতগুলো কারণ দ্বারা প্রভাবান্বিত, যেগুলোর পৃথক পৃথক মূল্যায়ণ প্রায় অসম্ভব। এমন ক্ষেত্রে অর্থনীতির সাধারণ সূত্রাবলীর আবিষ্কার কঠিন হয়ে পড়ে। অধিকন্তু, মানব-ইতিহাসের তথাকথিত
-
[ম্যাক্সিম গোর্কী (১৮৫৮-১৯৩৬) সোভিয়েত রাশিয়ার অমর কথাশিল্পী হিসেবে সুপরিচিত। বিজ্ঞানের স্বপক্ষে তিনি তাঁর এই ঐতিহাসিক ভাষণটি ১৯১৭ সালে কেরেনেস্কির অস্থায়ী সরকারের সময়ে ‘ফ্রি অ্যাসোসিয়েশন ফর দি ডেভেলপমেণ্ট অ্যান্ড প্রোপাগেশন অব দ্য পজিটিভ সায়েন্স’-এর প্রথম অধিবেশনে পাঠ করেন।]
...সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ! আপনাদের কাছে সম্ভবত এটি অদ্ভূত লাগবে যে, আমি বিজ্ঞান সম্পর্কে, নবজাত রাশিয়ার জীবনে এর তাৎপর্য সম্পর্কে এবং নতুন রাশিয়ার ইতিহাসে বিজ্ঞান প্রযুক্তবিদ্যা কী ভূমিকা পালন করবে সে সম্পর্কে আমার অনভিজ্ঞ মতামত উপস্থাপিত করে আপনাদের বিব্রত করব বলে মনস্থির করেছি।
কিন্তু আমার এই ঔদ্ধত্য সম্পর্কে আপনাদের স্বাভাবিক এবং সহজবোধ্য সন্দেহজনক মনোভাব হয়ত আমি দূর করতে পারি, যদি ব্যবহারিক বিজ্ঞান সম্বন্ধে আমার মনোভাব
-
বাঙলা দেশের অভ্যুদয় (২৫-২৬ মার্চ, ১৯৭১) এবং তার স্বতন্ত্র রাষ্ট্র ব্যবস্থা হিসেবে আত্মপ্রকাশ (১৭ই এপ্রিল) দক্ষিণ এশিয়ায়, তথা সমগ্র বিশ্বে, রীতিমত এক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই আলোড়নের অন্যতম একটি কারণ হলো এই যে এই নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা পূর্ব পরিকল্পিত কোনও এক রাজনৈতিক চক্রান্তের প্রতিফল নয় অথবা কোনও বিদেশী শক্তির (ভারতেরতো নয়ই) ষড়যন্ত্র প্রসূত নয়। বাঙলাদেশ নিঃসন্দেহে কয়েকটি ঐতিহাসিক ঘটনাচক্রের এক অবশ্যম্ভাবী পরিণতি। বাস্তবিকই, সুদীর্ঘ ২৩ বছর ধরে যে অসহ্য শোষণ ব্যবস্থা পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব-পাকিস্তানের উপর আরোপ করেছিল, তার অবসান কামনা প্রত্যেকটি পূর্ববাঙলার মানুষের হৃদয়ের দাবি হিসেবে দেখা দিল ৷ তারপর যখন গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এই দাবি পরিপূরণের সমস্ত পথ বন্ধ হয়ে গেল,
-
ছেলেটা গেল কই! যে দিনকাল পড়িয়াছে তাহাতে যে আসিবার সে যদি আসিতে এক প্রহরও বিলম্ব করে তবেই ভাবনা হয়। দুশ্চিন্তার তো কোনো মাথামুণ্ডু নাই, শুধু একবার আরম্ভ হইলেই হইল। হয়তো কাল খবরের কাগজ খুলিয়াই দেখিব পুলিশের গুলিতে নিহত তরুণ অথবা কলোনির মাঠের মধ্যে গলাকাটা মৃতদেহ প্রাপ্তির নিয়মিত সংবাদের পাতায় ছেলেটার নাম। সত্যিই, ছেলেটা গেল কোথায়! তিনদিন আগেই উহার ফিরিয়া আসার কথা। কিন্তু আজও পর্যন্ত পাত্তা নাই।
বাঙলাদেশ শরণার্থীদের জন্য রিলিফের মাল লইয়া দিনকয়েক হইল সে কৃষ্ণনগরের পথে সীমান্তের দিকে গিয়াছে। একাজ সে নতুন করিতেছে না। গত দুই মাস ধরিয়া ছেলেটাকে আমি এই কাজই করিতে দেখিতেছি। আজ আগরতলা, কাল বনগাঁ, পরশু
-
‘ভীষণ দাঙ্গা’— বিগত রবিবার রাত্রি অনুমান ৯ ঘটিকার সময় স্থানীয় নবাবপুর পুলের উত্তর পারবর্তী মসজিদের নিকটে হিন্দু ও মুসলমানদিগের মধ্যে ভীষণ দাঙ্গা হইয়া গিয়াছে। সহোদরসম উভয় জাতির মধ্যে কেন পুনরায় এই বৈরিভাব সঞ্চারিত হইয়াছে, তাহার প্রকৃত কারণ আজিও আমরা জানিতে পারি নাই। বঙ্গ বিভাগের আন্দোলনকালে ঢাকার যে হিন্দু মুসলমানকে এক মাতৃগর্ভজাত সন্তানের ন্যায় গলাগলি ধরিয়া কাঁদিতে দেখিয়াছি, আজ সহসা কেন তাহাদের মধ্যে ভাবান্তর উপস্থিত হইল, ইহা বস্তুতই বিশেষ ভাবনার বিষয়। যাহা হউক, ঘটনার বিবরণ যতদূর জানিতে পারা গিয়াছে নিম্নে তাহা সংক্ষেপে বিবৃত হইল। রবিবার সন্ধ্যার পরে শ্রীশ্রী রক্ষাকালীর ভাসান উপলক্ষে শাঁখারি বাজার হইতে সংকীর্তনাদিসহ দেবীমূর্তি বাহির করা হইয়াছিল সংকীর্তনদল নবাবপুর
-
যে ধর্ম স্বয়ং ভগবানের উপদিষ্ট; যাহা পরম যোগীগণের শত সহস্র বর্ষব্যাপী কঠোর তপস্যার ফল; যাহার জন্য সাম্রাজ্যাধিপতিগণও অনায়াসে বিষয় ভোগ তুচ্ছ করিয়া গভীর অরণ্যে প্রবেশপূর্বক গলিত পত্রাদি ভক্ষণ দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করা শ্রেয়োবোধ করিতেন; যে সারবান্ ধর্মকে বিনাশ জন্য কত শত দৈত্য রাক্ষস সমুদ্যত হইয়াও কিছু করিতে পারে নাই; যাহা অনন্তকাল হইলে অনন্ত লোকের সদগতির একমাত্র নিদান স্বরূপে বিরাজমান, সর্বজ্ঞ মহর্ষিদিগের ভষ্যিবাদিতা সাফল্য করিবার জন্যই যেন এই কলিকালে সেই ধর্মে লোক সমূহ আস্থাহীন হইয়া নানা অসৎপথে বিচরণ করিতেছে। মহাকাল পুরুষ মহাপ্রলয়ের হেতুভূত পাপরাশি সঞ্চিত করিবার জন্য জীবসমূহকে নিয়তই পাপের দিকে নানা প্রলোভন দ্বারা টানিতেছে, তাহারই কৌশলে সামান্য বুদ্ধি আধুনিক মানবের
-
[গত ২৫শে জুন, ১৯৯৭ বাংলাদেশের লেখক, শিল্পী, সাংবাদিক তথা সর্বস্তরের, সর্বজন স্বীকৃত বুদ্ধিজীবীরা রণেশ দাশগুপ্তকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাবার জন্য যে আবেদন জানান তার অনুলিপি নীচে প্রকাশ করা হল।]
শ্রী রণেশ দাশগুপ্ত
শ্রদ্ধাভাজনেষু
বাংলাদেশে আপনার নবীন-প্রবীণ অগণিত অনুরাগীজনের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা গ্রহণ করুন। এদেশের মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসিকান্না, আনন্দবেদনার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত থেকে আপনার আদর্শ-উজ্জ্বল ত্যাগী সুদীর্ঘ সংগ্রাম আমরা সর্বদা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। পাকিস্তানি যুগের সূচনা থেকে বাঙালি জাতির মুক্তিচেতনা পরিপুষ্ট করতে, জেল-জুলুম-নিপীড়ন হাসিমুখে উপেক্ষা করে আপনি যে জীবনসংগ্রামে ব্রতী ছিলেন তা আমাদের কাছে অশেষ প্রেরণাদায়ক হয়ে আছে। আপনার বিপুল পঠন-পাঠন ও গভীর জীবন জিজ্ঞাসার পরিচয়বহ রচনাসমূহ আমাদের সাহিত্য ও শিল্পচেতনাকে
-
লেখক: বাসুদেব মুখোপাধ্যায়
ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে মনোবিদ্যা দর্শন থেকে নিজেকে মুক্ত করে ফেলে। চেতনা ও বস্তুর আন্তসম্পর্ক সভ্যতার সময় থেকে মানুষকে ভাবিয়েছে এবং যুগে যুগে সব বড় মাপের মানুষ এ সম্পর্কে তাঁদের মতামত রেখেছেন। এই চিন্তা-চেতনাকে দর্শন থেকে বার করে বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে দু'জন বড় মাপের মানুষ সবচেয়ে বেশি ভেবেছেন ও কাজ করেছেন তাঁরা হলেন ফ্রয়েড ও পাভলভ। সুতরাং এটা অত্যুক্তি নয় যে এই দুইজন মানুষ ও তাঁদের কাজ ঠিকমত জানার অর্থ হল মনোবিদ্যার একটা প্রধান অংশ জেনে ফেলা। কিন্তু এই জানার পদ্ধতিতে আমরা অবশ্যই বিজ্ঞানকে ব্যবহার করবো নইলে আমাদের সব পরিশ্রম বিফলে যাবে। তাই এই
-
মূল রুশ থেকে অনুবাদ: হীরেন্দ্রনাথ সান্যাল
অনুবাদ সম্পাদনা: অর্দ্ধেন্দু গোস্বামী
একজনের একটা কুকুর ছিল। তার নাম সেরকো। কুকুরটা বুড়ো হয়েছে—থুত্থুরে বুড়ো। লোকটি তাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিল। সেরকো তখন মনের দুঃখে মাঠে মাঠে ঘুরে বেড়াতে লাগল।
‘বছরের পর বছর মনিবের সেবা করেছি, তার বাড়ি-ঘর পাহারা দিয়েছি। আর আজ আমার এই বুড়ো বয়সে আমায় এক টুকরো রুটি দিতেও সেই মনিবের কষ্ট হয়! আমায় সে তাড়িয়েই দিল!’
এমনি সে ঘুরতে ঘুরতে ভাবছে।... হঠাৎ দেখতে পেল একটা নেকড়ে আসছে। নেকড়েটা তার কাছে এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করল, ‘এখানে ঘুরে বেড়াচ্ছো কেন হে?’
সেরকো জবাব দিল, ‘মনিব আমায় তাড়িয়ে দিয়েছে, তাই।’
নেকড়ে বলল, ‘তাহলে এমন
-
মূল রুশ থেকে অনুবাদ: হীরেন্দ্রনাথ সান্যাল
অনুবাদ সম্পাদনা: অর্দ্ধেন্দু গোস্বামী
তিনটি অনাথ ভাই। বাপও নেই, মাও নেই। না আছে বাড়ি, না আছে ঘর। দিনমজুরের কাজের আশায় তাঁরা ঘুরে বেড়াতে লাগল গাঁয়ে গাঁয়ে, জোতদারদের বাড়িতে বাড়িতে।
ঘুরতে ঘুরতে ভাবছে, ‘ভালো মনিবের কাছে যদি কাজ পেতাম!’ এমন সময় দেখতে পেল এক বুড়ো যাচ্ছে—খু-উ-ব বুড়ো, পেট পর্যন্ত লম্বা তার সাদা দাড়ি।
ভাইদের কাছে এসে বুড়ো জিজ্ঞেস করল, ‘বাছারা কোথায় চলেছ?’
তারা জবাব দিল, ‘মজুরের কাজের খুঁজে চলেছি।’
‘তোমাদের নিজেদের বুঝি জায়গা-জমি নেই?’
তারা বলল, ‘না। যদি ভালো মনিব পেতাম, সৎভাবে তাঁর কথামতো কাজ করতাম, আর তাঁকে নিজেদের বাপের মতো ভক্তি-শ্রদ্ধা করতাম।’
বুড়ো একটু
-
মূল রুশ থেকে অনুবাদ: হীরেন্দ্রনাথ সান্যাল
অনুবাদ সম্পাদনা: অর্দ্ধেন্দু গোস্বামী
এক হতভাগা নেকড়ে। খিদেয় তার প্রাণ যায় যায়। কোথাও কোনো শিকার জুটছে না। এক চাষির কাছে গেল সে খাবার চাইতে। ভাব দেখাল যেন সে কতই কাহিল! বলল, ‘দয়া করো চাষি! আমায় কিছু খেতে দাও, নইলে খিদেয় প্রাণ যে যায়।’
চাষি বলল, ‘তোকে কী খেতে দেব?’
‘যা দেবে তাই খাব।’
‘ঐ যে মাঠে পাদ্রির ঘোড়াটা চরে বেড়াচ্ছে, তোকে দেখে পালাবে না। তুই তাকেই খেয়ে ফেল।’
তপ্ তপ্ করতে করতে নেকড়ে তাড়াতাড়ি চাষির কাছ থেকে ছুটে ঘোড়ার কাছে গেল। গিয়ে বলল, ‘ভালো আছ ঘোড়া ভায়া! চাষি আমায় হুকুম দিয়েছে তোমাকে খেয়ে ফেলতে।’
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- বিজ্ঞান
- অপরাধ
- গোয়েন্দা
- রোজনামচা
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- লোককাহিনী
- ক্রিকেট
- বাংলা
- লেখক
- ছোটগল্প
- মুক্তিযুদ্ধ
- গদ্য
- জীবনী
- স্মৃতিকথা
- অনুবাদ
- ওষুধ
- চলচ্চিত্র
- কিশোর
- লোককাহানি
- বই
- লালন
- পশ্চিমবঙ্গ
- ভারত
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সরকার
- নির্বাচন
- নারী
- ঢাকা
- বিজ্ঞানী
- দর্শন
- রূপকথা
- গণহত্যা
- চিঠি
- পাকিস্তান
- ইসলাম
- চীন
- জাতীয়তাবাদ
- শিল্পকলা
- ভাষণ
- দাঙ্গা
- হিন্দু
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- শিশুতোষ
- আন্দোলন
- আলোচনা
- রবীন্দ্রনাথ
- সঙ্গীত
- ভৌতিক
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- বিশ্ববিদ্যালয়
- যুক্তরাজ্য
- যুক্তরাষ্ট্র
- পাখি
- জ্যোতির্বিদ্যা
- উদ্ভাবন
- ভাষা
- ইউরোপ
- ফ্যাসিবাদ
- যুদ্ধ
- মহাকাশ
- গবেষণা
- ফুটবল
- আইন
- সংবিধান
- সংবাদ
- কবিতা
- কৃষি
- বিপ্লব
- সাম্যবাদ
- পুঁজিবাদ
- খুলনা
- নৃত্য
- সমাজ
- প্রাণিবিদ্যা
- গণিতশাস্ত্র
- পৌরাণিক
- সাংবাদিকতা
- উদ্ভিদ
- কলকাতা
- গণতন্ত্র
- সংঘর্ষ
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- সমালোচনা
- ইংরেজি
- খাদ্য
উৎস
- বিজ্ঞানচেতনা
- শান্তি স্বাধীনতা সমাজতন্ত্র
- পরিচয়
- বাংলাদেশ কথা কয়
- প্রক্রিয়াধীন
- আশ্বাস
- তাজিক লোককাহিনী
- ইউক্রেনের লোককথা
- কাজাখ লোককাহিনী
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- বিজ্ঞান পাঠ
- ঢাকা প্রকাশ
- সাহিত্যচিন্তা
- উক্রাইনীয় উপকথা
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- মূল্যায়ন
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- প্রবাসী
- সমকালীন
- বাংলাদেশ ’৭৩
- গল্পগুচ্ছ
আর্কাইভ
- ২০২৬ (১২)
- ২০২৫ (১২)
- ২০২৪ (৩২)
- ২০২২ (১)
- ২০১৯ (৪)
- ২০১৬ (২)
- ২০১৫ (১৬)
- ২০১১ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৫ (১)
- ২০০৩ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৮ (৫)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৫ (১১)
- ১৯৯০ (১৮)
- ১৯৮৯ (১০)
- ১৯৮৮ (২৯)
- ১৯৮৭ (১)
- ১৯৮৪ (৪)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৮ (৪)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (১৯)
- ১৯৬৯ (১)
- ১৯৬৮ (২)
- ১৯৬৫ (২)
- ১৯৬২ (১)
- ১৯৬০ (৫)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৪৬ (১)
- ১৯০৪ (১)
- ১৯০৩ (১)
- ১৯০১ (১)
- ১৮৯২ (১)
- ১৮৯১ (১)
- ১৮৯০ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.














