-
ইতিহাসকে বদলায় জনগণের অপ্রতিরোধ্য প্রাণশক্তি, তার উদ্বোধন করেন যারা তাঁরাই হয়ে ওঠেন ইতিহাসের প্রাণপুরুষ। কিউবা-বিপ্লবের অন্যতম নায়ক চে গুয়েভারা তেমনি একটা যুগের ঐতিহাসিক পুরুষ। বুর্জোয়ারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে, এবং ভক্তরা ভক্তির আতিশয্যে চে'র ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বকে কিংবদন্তীর আড়ালে ঢাকতে চেয়েছে। তাঁর জীবন নিয়ে আলোচনা যা হয়েছে সবই কিউবা বিপ্লবের পর থেকে, বিপ্লবী হিসেবে তাঁর গড়ে ওঠাকে করা হয়েছে অস্বীকার। চের জীবনালেখ্য রচনার উদ্দেশ্যে নয়, কিংবদন্তীর আড়ালের প্রকৃত মানুষটির পরিচয় পাওয়ার জন্য এই আলোচনা ।
আর্জেন্টিনার এক স্বচ্ছল মধ্যবিত্ত পরিবারের আর্নেস্টো গুয়েভারা নামের এই ছেলেটি জন্মাবধিই দুঃসহ হাঁপানীতে কষ্ট পেত। তাই বোধহয় তার নিরন্তর প্রয়াস ছিল দৈহিক বাধাকে ছাড়িয়ে ওঠার, প্রলোভন ছিল কঠোর পরিশ্রমের
-
বিয়োগপঞ্জী : মোহিতলাল মজুমদার ও ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
গোপাল হালদার
মাস কয় মাত্র অতিবাহিত হয়েছে—কবি মোহিতলাল মজুমদার এই পৃথিবী থেকে বিদায় গ্রহণ করেছেন। সে শোক বিস্মৃত না হতেই আবার পূজাবকাশে ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়ের বিয়োগে বাংলা সাহিত্যের জিজ্ঞাসু পাঠকমাত্রই নিরতিশয় ব্যথিত বোধ করবেন নিতান্ত অকালে এরা কেউ আমাদের ত্যাগ করেননি, তা সত্য। কিন্তু এদের অভাব বাঙলা দেশ সহনক্ষম হয়ে ওঠেনি, তা আরও নিদারুণ সত্য। যে স্থান রিক্ত হয়, তা আর পূর্ণ হয় না—এদের গুণগ্রাহী সুহৃদ ও অনুরাগী অনুজ হিসাবে আমরা অনেকেই তা জানি। ব্যক্তিমানুষ হিসাবে এমন দুইজন বিভিন্ন প্রকৃতির মানুষ সম্ভবত আর দেখা যায় না। অথচ সততায়, আন্তরিকতায়, কর্তব্যনিষ্ঠায়, বন্ধুবাৎসল্যে এরা সমগোত্রের
-
সমাজ বদলের মানসে যে সব নারী ও পুরুষ স্বপ্ন দেখেছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন তাঁদেরই একজন উম্মেহানী খানম। প্রবীণ বয়সেও একটি সুন্দর সুস্থ সমাজের স্বপ্ন তাঁর চোখের তারায় ভাসছে। এই স্বপ্নকে ঘিরেই চলছে তাঁর কর্মযজ্ঞ।
সমাজ বদলের অকুতোভয় সৈনিক উম্মেহানী খানম ১৯২৬ সালে ৭ জানুয়ারি বগুড়া জেলার চন্দন বাইসা থানার লৌহদহ গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মা হাসিনা বানু, বাবা মৌলভী দেলোয়ার আলী খানের সাত সন্তানের মধ্যে পঞ্চম তিনি। ধর্মীয় ও রক্ষণশীল বলয়ের মধ্যে কেটেছে উম্মেহানীর বাল্যকাল। বাবা পেশায় সাব-রেজিস্ট্রার হওয়া সত্ত্বেও ছিলেন প্রচণ্ড রকমের ধার্মিক। তিনি অবসর সময় কাটাতেন ধর্মীয় গ্রন্থ পড়ে এবং সন্তানদের পড়ে শুনিয়ে। উম্মেহানী শৈশবে তাঁর
-
মোগলের বলবান অশ্ব কিংবা তীক্ষ্ণধার তরবারির রাজনীতি না এলেও এদেশে এসে যেত হাফেজ-ওমর খৈয়াম-আরব্য রজনী-গজল গান-মোল্লা নাসিরুদ্দিন। কেননা কলমের ডগা দ্রুততম অশ্বের চেয়েও চিরকাল দ্রুতগামী, কেননা তীক্ষ্ণ তরবারির চেয়ে গল্প অনেক অনায়াসে দেশ জয়ে সক্ষম। কাজেই সেই সব গল্প কাহিনী বাতাসের বেগে উড়ে এল এবং জুড়ে বসল আমাদের সাহিত্যিক সাধ আহ্লাদের অন্নব্যঞ্জনে। মরু প্রান্তরের বেদুইন জীবনের গভির এই ঠিকানা পেয়ে উল্লসিত হল আমাদের লেখক ও পাঠক। খেত খামার ফল ফসল গৃহসুখ নিয়ে তৃপ্ত সীমাবদ্ধ আমাদের লোকজীবন কখনো বা নিজেকে ছড়িয়ে দেবার জন্য রূপকথা লোককথা বনিযেছে। শব্দকে তালে লয়ে বেঁধে কখনো বা বানিযেছে ছড়া। সমাজের একতলাব সাহিত্য এরকমই ছিল।
সাহিত্যের দোতলায়
-
II ১ II
প্রেমচন্দের সঙ্গে দেখা করার জন্যে তরুণ চন্দ্রহাসন কেরালা থেকে বারাণসী এসেছেন। অনেক খোঁজাখুজি করে তিনি শেষ পর্যন্ত লেখকের বাড়ি খুঁজে পেলেন। কিন্তু বিস্তর ডাকাডাকি করার পরেও বাড়ি থেকে কোনো সাড়াশব্দ এল না। অগত্যা তিনি সামনের খোলা দরজা দিয়ে ভয়ে ভয়ে উঁকি মারলেন ভেতরে। ঘরের মধ্যে একটা ঝাঁকড়া গোঁফওয়ালা লোক একটা ছোট্ট চৌকির ওপর বসে একমনে কী যেন লিখছিল। ঘরে জিনিসপত্তর বলতে কিছু নেই। গোঁফওয়ালা লোকটার চেহারা এক্কেবারে সাধারণ, তাকে দেখে এই আগন্তুকের মনে হল লোকটা নির্ঘাত বিখ্যাত লেখকের কোনো কেরানী-টেরানি হবে।
তরুণটি এবার ঘরে ঢুকে বলল, “আমি মুন্সী প্রেমচন্দের সঙ্গে একটু দেখা করতে চাই।” তাই না শুনে
-
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে যে সমস্ত জাতীয়তাবাদী মুসলমান নেতা সক্রিয়ভাবে নেতৃত্ব দিয়ে গিয়েছেন, তাদের প্রথম সারির মধ্যে মওলানা আবুল কালাম আজাদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। অবিভক্ত ভারতের সর্বত্র সকল শ্রেণীর মানুষের মধ্যে এই নামটি সবচেয়ে সুপরিচিত। মওলানা আজাদ তাঁর আত্মজীবনীতে নিজের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে অতি সংক্ষেপে যে কথাগুলি লিখে গেছেন, তা থেকেই আমরা ভারতের এই প্রতিভাশালী, সদা সক্রিয়, স্থিরবুদ্ধি ও দৃঢ়চিত্ত চরিত্রটির পরিচয় পেয়েছি।
মওলানা আজাদের পূর্বপুরুষদের মধ্যে একজন বাবরের ভারত অভিযানের সময় হিরাট থেকে এদেশে এসেছিলেন। মোগল রাজত্বের যুগে এই বংশের বহু কৃতি পুরুষ ধর্মীয় ক্ষেত্রে এবং সরকারী প্রশাসন কার্যে বিশিষ্ট স্থান গ্রহণ করে এসেছেন। মওলানা আজাদের পিতামহের যখন
-
তাঁর আসল নাম ছিল সৈয়দ ফজলুল হাসান। কিন্তু এই নাম বললে কেউ তাকে চিনবেনা। ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে তিনি হজরত মোহানী নামেই সুপরিচিত। তিনি ১৮৭৮ সালে উত্তর প্রদেশের উন্নাউ জেলার ‘মোহান’ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর কিশোর বয়স থেকে তিনি ‘হযরত মোহানী’ ছদ্মনামে কবিতা লিখতেন। সেই নামে আজও তিনি আমাদের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
উন্নত মেধার ছাত্র হিসাবে তিনি তার শিক্ষকমণ্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। তিনি সরকারী বৃত্তি লাভ করে আলীগড় কলেজে এসে ভর্তি হলেন। এখানে অতি অল্পদিনের মধ্যেই তিনি তার রচনার গুণে এবং একজন সংস্কৃতিসেবী হিসাবে সকলেরই মন জয় করে নিয়েছিলেন। ভবিষ্যতে তিনি যে একজন উচ্চ শ্রেণীর লেখক বলে পরিচিত হবেন, এ
-
মওলানা হাবিবুর রহমান লুধিয়ানী ছিলেন পাঞ্জাবের লুধিয়ানার অধিবাসী। তাঁদের বংশে একটি দেশপ্রেমিক ঐতিহ্য ছিল, যেটা নিঃসন্দেহে তাঁর চরিত্রের উপর প্রভাব বিস্তার করেছিল। এখানে সেই পুরানো দিনের কাহিনীটির উল্লেখ করছি।
এই ঐতিহ্যের উৎস সন্ধানে আমাদের ফিরে যেতে হবে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের যুগে। লুধিয়ানের ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে সবচেয়ে বিশিষ্ট পরিবারটি এই মহাবিদ্রোহে অংশগ্রহণ করেছিল। পরিবারের প্রধান ছিলেন আবদুল কাদের। দিল্লীশ্বর বাহাদুর শাহ্ স্বাধীনতার ঘোষণার পর আবদুল কাদেরকে দিল্লীতে চলে আসার জন্য নির্দেশ পাঠালেন। সেই নির্দেশ পেয়ে আবদুল কাদের এবং তাঁর বীর ছেলেরা দিল্লীর পথে যাত্রা করলেন। কিন্তু সে পথ বড় বিপজ্জনক, পথে পথে ব্রিটিশ সৈন্যদের ঘাঁটি। আবদুল কাদেরের সশস্ত্র দল সেই প্রতিরোধের
-
লেখক: খালেদা ইয়াসমিন ইতি
"যারা বলেন যে বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চা সম্ভব নয় তারা হয় বাংলা জানেন না, নয়তো বিজ্ঞান জানেন না।"
আগামী প্রজন্মের উদ্দেশে এই চিরস্মরণীয় উক্তিটি যিনি করেছিলেন, তিনি হলেন, সত্যেন্দ্রনাথ বসু। যে সময়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিজ্ঞানের চার কিংবদন্তী- পরমাণু বিজ্ঞানী লিস মিটনার, অটোহ্যান, আলবার্ট আইনস্টাইন এবং ম্যাক্স ভনলু এর মতো প্রতিভাবান বিজ্ঞানীরা; সময়ের সেই সুবর্ণরেখার ধারায় এ উপমহাদেশে রামানুজন, মেঘনাদ সাহা, আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু এবং রবীন্দ্রনাথের পাশাপাশি জন্মগ্রহণ করেন সত্যেন্দ্রনাথ বসু।
১৮৯৪ সালের ১লা জানুয়ারি উত্তর কলিকাতার গোয়ানবাজান অঞ্চলে ঈশ্বরমিল লেনের পৈতৃক গৃহে তাঁর জন্ম। পিতা রেলওয়ের হিসাব রক্ষক- সুরেন্দ্রনাথ বসু, মাতা আমোদিনী দেবী। আর মাতামহ মতিলাল রায়
-
মণি সিং—রহস্য আর রোমাঞ্চ দিয়ে ঘেরা একটি নাম। পূর্ব পাকিস্তানের অধিবাসীদের মুখে মুখে প্রচারিত এই নামটি। তার সঠিক পরিচয় আর কার্যকলাপের ইতিহাস অনেকেরই জানা নেই। তাঁকে কেন্দ্র করে বাস্তবে আর কল্পনায় মিশানো বহু কাহিনি রচিত হয়ে উঠেছে। ময়মনসিংহ জেলার গ্রামাঞ্চলের বুড়ো চাষীরা তাঁদের নাতি-নাতনীদের কাছে রূপকথার মতো সেই সমস্ত কাহিনি শোনায়। ছোটরা অবাক কৌতুহলে বড় বড় চোখ করে সেই সব কথা শোনে। আধুনিক যুগের রূপকথার নায়ক মণি সিং।
কমরেড মণি সিং ময়মনসিংহ জেলার সুসং-দুর্গাপুরের রাজ পরিবারের ছেলে—এই কথাটা, কে জানে কেমন করে, ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়ে গেছে। এমনকি তাঁর পরিচিত মহলেও অনেকের মনে এই ধারণাটা বদ্ধমুল হয়ে আছে। কিন্তু কথাটা সত্যি
-
লেখক: মেসবাহ কামাল ও ঈশানী চক্রবর্তী
জনগণের আন্দোলন যেমনভাবে তার নেতৃত্বকে তৈরি করে, তেমনিভাবে নেতৃত্বের ভূমিকা নির্ধারণ করে আন্দোলনের সাফল্য বা ব্যর্থতার সোপান। আবার অন্যদিকে সমসাময়িক ইতিহাসের কাঠামো যেমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ব্যক্তির ভূমিকাকে, তেমনিভাবে ব্যক্তিবিশেষের ভূমিকাও বিকশিত করতে পারে জনগণের আন্দোলনকে, দ্রুততর করতে পারে পরিবর্তনের গতিবেগ। নাচোলের সাঁওতাল ও বাঙালি কৃষকদের মিলিত সংগ্রাম তৈরি করেছে তার নেতৃত্বকে যার পুরোভাগে ছিলেন রমেন্দ্রনাথ মিত্র, ইলা মিত্র, মাতলা মাঝি, শেখ আজাহার হোসেন, অনিমেষ লাহিড়ী, বৃন্দাবন সাহা প্রমুখ। তেমনি এই নেতৃত্বের এবং তাদের ঊর্ধ্বতন পার্টি নেতৃত্বের ভূমিকা নির্ধারণ করেছে এই বিদ্রোহের ফলাফল। এদের মধ্যে অনেকানেক কারণ মিলিয়ে বিশেষত ইলা মিত্রের ভূমিকা হয়ে উঠেছিল অনেকটা
-
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এ দেশের নারীদের রয়েছে ঐতিহাসিক ভূমিকা। বহু নারী যুদ্ধের সময় জীবন দিয়েছেন। অস্ত্র হাতে পুরুষের পাশাপাশি লড়াই করেছেন, নানা অপারেশনে অংশগ্রহণ করেছেন। তেমনি সে সময় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা দিয়ে সুস্থ করে তুলেছেন নারী মুক্তিযোদ্ধারা। বহু নারী মুক্তিযোদ্ধা বেতার কেন্দ্রে কাজ করেছেন শিল্পী হিসেবে, যা প্রতি ক্ষণে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে খবর, অস্ত্র আদান-প্রদানের কাজ করেছেন তারা। মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি পর্ব থেকেই নারীসমাজ পালন করে আসছিল অগ্রণী ভূমিকা। তেমনি তিন মহীয়সী নারী মুক্তিযোদ্ধার কথাই বলছি।
নাসরীন রব রুবা
১৯৭১ সালের ১০ মার্চ। তখন তিনি হলি ক্রস কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। সেদিনই হঠাৎ করে জানতে পারেন ১৪
ক্যাটাগরি
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- পরিচয়
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- বিজ্ঞানচেতনা
- ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলমানদের ভূমিকা
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- বিজ্ঞান পাঠ
- মূল্যায়ন
- জননেতা মণি সিং
- কে আমি?
- হেগেল ও মার্কস
- গল্প ভারতী
- প্রতিরোধ সংগ্রামে বাংলাদেশ
- শহরের ইতিকথা
- বাংলাদেশের কৃষকের সংগ্রাম
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- লেখকদের প্রেম
আর্কাইভ
লেখক
- অমিত রঞ্জন দে (১)
- অমৃত রাই (১)
- অরবিন্দ গুহ (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ রফিক (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৭)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (১)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গোপাল হালদার (২)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- জাফর আলম (১)
- জয়নাল হোসেন (২)
- দীননাথ সেন (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৪)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৮)
- মালেকা বেগম (১)
- মুজফ্ফর আহমদ (৩)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- যতীন সরকার (২)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৫)
- রেবতী বর্মন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শহীদুল্লা কায়সার (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহীন রহমান (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুপা সাদিয়া (১)
- সোমেন বসু (৪)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.