-
আজকের মুসলিম বিশ্বে যেসব রাজনৈতিক আন্দোলন এক সাচ্চা ইসলামি বিশ্বাসের প্রতিনিধিত্ব দাবি করছে তাদের স্বরূপ কী? ভূমিকাই বা কী? পাশ্চাত্যে এসব আন্দোলনকে সাধারণভাবে ‘ইসলামী মৌলবাদ’ বলা হয়ে থাকে। তবে আরব বিশ্বে ‘রাজনৈতিক ইসলাম’ বলে যে শব্দবন্ধ চালু রয়েছে সেটিকেই আমি বেশি গ্রহণযোগ্য মনে করি। এগুলো নিরংকুশ ধর্মীয় আন্দোলন নয়। এসব গোষ্ঠীর মধ্যে দিব্যি মিল রয়েছে। রয়েছে আরো মামুলি একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য: এগুলো রাজনৈতিক সংগঠন এবং এদের লক্ষ্য রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করা। তার কম নয়, বেশিও নয়। এ ধরনের সংগঠনকে ইসলামের পতাকা দিয়ে মুড়ে দেওয়াটা নির্জলা সুবিধাবাদ। আধুনিক রাজনৈতিক ইসলাম উদ্ভাবন করেন ভারতবর্ষে ব্রিটিশ উপনিবেশবাদের সেবক প্রাচ্যবাদীরা। পাকিস্তানের মওলানা আবুল আলা মওদুদীর
-
ভবিষ্যতের ঐতিহাসিকরা যাকে ‘সন্ত্রাসের শতাব্দী’ বলে আখ্যায়িত করতে পারেন তার একটা রূপরেখা তৈরি করতে হলে আমাদেরকে আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদী একগুঁয়েমী ও ইসলামিক ধর্মীয় মতান্ধতার মতো বিপদজনক উভয়-সঙ্কটের গতিপথ নির্দ্ধারণ করতে হবে। এই জটিল ঘটনাস্রোতের মধ্যে যত্নের সঙ্গে পথ করে আমাদের এগুতে হবে একটি যুক্তিশীল, গণতান্ত্রিক, মানবতাবাদী ও সেক্যুলার ভবিষ্যতের দিকে। তা না হলে জাহাজের দুর্ঘটনা ও ধ্বংস অনিবার্য।
প্রায় চার মাস হতে চলল যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম কম্যুনিটির নেতৃবৃন্দ এবং এমনকি প্রেসিডেন্ট বুশ পর্যন্ত রুটিন মাফিক জোরালো ঘোষণা দিয়ে যাচ্ছেন যে ‘ইসলাম একটি শান্তির ধর্ম—১১ সেপ্টেম্বর ধর্মান্ধরা তাকে হাইজ্যাক করে নিয়ে গেছে।’
এই দুই দাবীই অসত্য।
প্রথমত খ্রিষ্ট, ইহুদি, হিন্দু বা যে কোনো
-
স্বাধীনতা এসেছে বিপ্লবের মধ্য দিয়ে। এ বিপ্লব রাজনৈতিক সামাজিক-সাংস্কৃতিক। এই বিপ্লবটি যেন একটি তিন অংকের নাটক, যার মধ্যাংকে রয়েছি আমরা এই মুহূর্তে।
এ বিপ্লবের মধ্যে রাজনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক রূপান্তরের উপকরণ বিস্ফোরকের মতো মিশ্রিত রয়েছে। তাছাড়া এই উপকরণগুলি আনুপাতিকভাবে সুষম করে সাজানো নেই। জীবনের প্রবাহে উপকরণসমূহের সুষম সজ্জা আসে নাটকের মতোই তৃতীয় অংক। আমাদের অবস্থাটাও অনেকটা সেরকম। তবে স্বাধীনতার পরে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের অবস্থান ও গতিধারা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। স্বাধীনতা রাজনৈতিক মুক্তির পথের বাধাগুলিকে অপসারিত করার সঙ্গে সঙ্গে সাংস্কৃতিক বিকাশও সমৃদ্ধির বাধাগুলিকে অনেকাংশে অপসারিত করে দেওয়ার ফলে সংস্কৃতি আমাদের জীবনে কল্লোলিত হয়ে উঠবে এটাই স্বাভাবিক। আমাদের রাজনীতিকে অর্থপূর্ণ এবং আমাদের
-
যাত্রা সম্ভবতঃ অনেক আগেই শুরু হয়েছিল, যদিও তার সঠিক কোন দিনপঞ্জী নেই। উনিশশো সাইত্রিশ সালে ঢাকার বৃষ্টিস্নাত এক নিদাঘ অপরাহ্নে বিশ্বখ্যাত আইলিংটন কোরিম্বিয়ানস ফুটবল দলকে হারিয়ে এ দেশের খেলাধুলার প্রথম স্বীকৃতি ঘটে। তখন বৃটিশ আমল। সারা দেশে জেলা ক্রীড়া সংস্থা আর সংস্থার মাঠ সবে গড়ে উঠতে শুরু করেছে। বৃটিশ জাতের যত দোষই থাকুক না কেন তাদের একটা গুণ অনেক দোষকে ঢেকে দেবে সন্দেহ নেই। এ গুণটা হচ্ছে খেলাধুলার প্রতি তাদের ভালবাসার, আকর্ষণ ও ঐকান্তিকতা। তারা জাতীয় জীবনে রাষ্ট্রীয় জীবনে মানবিক জীবনে এই খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্বের কথা বুঝেছিল। যার জন্য আমাদের নিজেদের প্রচেষ্টার চেয়ে তাদের খেলাধুলার প্রতি এই দৃষ্টিভঙ্গি ক্রীড়া
-
[১৯৮০ সালে প্রেস ক্লাবের বাৎসরিক সংখ্যায় প্রকাশিত এই লেখাটি প্রয়াত অজিত চক্রবর্তীর। তিনি প্রেস ক্লাবের প্রাক্তন সম্পাদক এবং যুগান্তর পত্রিকার বর্ষীয়ান সাংবাদিক ছিলেন। অজিত চক্রবর্তী দীর্ঘকাল যুগান্তর পত্রিকার ডেপুটি চিহ্ন রিপোর্টারের দায়িত্ব সামলেছেন।]
১৬ এপ্রিল, ১৯৭১।
ঐ দিনটি এবং তারপরের দিনটি কলকাতা প্রেস ক্লাবের ইতিহাসে সোনার অক্ষরে লিখে রাখার মতো। আমি তখন ক্লাবে সেক্রেটারী। এখন প্রকাশ করা যেতে পারে যে যোগাযোগ ঘটিয়েছিলেন সমর বসু। সমর আমার সহপাঠী, অনেক দিনের বন্ধু। তখন বিএসএফ-এর পিআরও। ঐ যোগাযোগের উপর নির্ভর করেই বিকেল পাঁচটায় প্রেস ক্লাবে একটা প্রেস কনফারেন্স ডেকে দিলুম। লিখিত নয়, মুখে মুখে সকলকে আমন্ত্রণ জানান হল। এখনও সেদিনটির কথা মনে আছে।
-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
সামরিক নৌবাহিনীতে চাকরির দীর্ঘ বৎসরসমূহে, বিশেষত উত্তরাঞ্চলীয় নৌবহরে উদ্ধারকারী ও সহায়তাকারী ইউনিটসমূহের অধিনায়কের পদে থাকাকালীন আমি নানা ধরনের আকস্মিক কর্মকাণ্ডে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম। আমার দায়িত্বের ধরনটাই এমন ছিল যে, যেখানে যখনই কোনো জাহাজ কিংবা মানুষ দুর্ঘটনাকবলিত হোক তৎক্ষণাৎ সেখানে উদ্ধারকর্মে বেরিয়ে যেতে হবে তা নৌযানে কিংবা উড়োজাহাজে বা হেলিকপ্টারে বা মোটরগাড়ি বা রেলগাড়িতে যেভাবেই হোক। এ সমস্ত ক্ষেত্রে নেতৃস্থানীয় জাহাজে রিপোর্ট করার বিষয়ে খুব কড়াকড়িভাবে নিয়ম মানা হত। এ জন্য যেখানেই থাকি আর যাই করি না কেন আমার অবস্থান সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে অবগত রাখা ছিল বাধ্যতামূলক। ফলে, আমার ঘরে সব সময়ে একটা বিশেষ 'দুর্যোগ বাক্স' রাখা
-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
এপ্রিল মাসে বড়ো কঠিন সময় কাটল, তবে তার ইতিবাচক ফলাফল ক্রমশ দেখা দিতে লাগল; এবং যা-কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল সবই বাস্তবায়িত হতে লাগল। বিচ্ছিন্ন কিছু জাহাজ আমাদের নৌবহরের গতিপথ অনুসরণ করে বন্দরে এসে ভিড়ল এবং মাল খালাস করল।
মে মাসের প্রথম দিকে ১৫ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট 'সুদর্শনা হংকং' ট্যাঙ্কার জ্বালানি বহন করে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রবেশ করল। এটা ছিল উদ্ধারাভিযানের প্রথম সাফল্য। এর ফলে এদেশে প্রেরিত যাবতীয় সহায়তা ও মালামাল বন্দরে খালাস করার সুযোগ মিলল।
বাংলাদেশের জনজীবনে চট্টগ্রাম বন্দরের ভূমিকা সম্পর্কে কিছু বলা দরকার। কর্ণফুলী নদীর মোহনায় এই বন্দর অবস্থিত। তার পানি পলিমাটি-ভরা হওয়ার কারণে
-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
পানি থেকে ছিন্নভিন্ন কালো পাহাড়ের মতো 'আভালাঁশে'র পিছন দিক উত্তোলনের কাজ শুরুর পূর্বে ডুবুরীদের জন্য প্রশিক্ষণ নেওয়ার কিছু পদ চালু করা হয়েছিল। প্রশিক্ষণের দ্বারা আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য বিশেষ কিছু অনুশীলনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। কয়েক বার পানির তলদেশে যাওয়ার পরে একেকজন ডুবুরীকে যার যার কর্মক্ষেত্রে পাঠিয়ে দেওয়া হত। ডুবুরীদের প্রশিক্ষণের ব্যাপারে বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন ছিলেন জাহাজটির উদ্ধারকাজে ইঞ্জিনিয়ার ইয়েঙ্গেনি লেগোশিন। একইসঙ্গে ডুবুরীদের প্রশিক্ষণদান আর বাস্তব উদ্ধার কাজ করানো এক কঠিন কর্ম সন্দেহ নেই। শুরুতে জাহাজের বডি হাত দিয়ে পরীক্ষা করতে হল। জাহাজের এই বাইরের শরীরটা ৪ হাজার বর্গমিটারের; এটি পরীক্ষার পরে জাহাজের ভিতরের কক্ষগুলো পরীক্ষার দরকার ছিল।
-
লেখক: রফিকুল ইসলাম
বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনা তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চেতনার উন্মেষ কেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তাই ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী 'অপারেশন সার্চলাইট' বা 'বাঙালি এথনিক ক্লিনসিং' শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে। ঐদিন সকালবেলা একটি সামরিক হেলিকাপ্টারে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল জানজুয়া, মেজর জেনারেল মিঠা খান, মেজর জেনারেল নজর হোসেন শাহ এবং মেজর জেনারেল ওমর রংপুর, রাজশাহী, যশোর, চট্টগ্রাম এবং কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে গিয়ে 'অপারেশন প্ল্যান' পাকিস্তানী কমান্ডারদের দিয়ে আসেন। ঢাকায় প্রধান টার্গেট ছিল ৩২ নম্বর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর বাসভবন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা ইপিআর হেডকোয়ার্টার্স এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইন। জেনারেল ইয়াহিয়া খান প্রেসিডেন্ট হাউস (পুরনো গণভবন) ত্যাগ করে যান
-
লেখক: অজয় রায়
১৯৬৮-৬৯-এর গণআন্দোলন, স্বাধীনতা-পূর্ব স্বায়ত্তশাসন থেকে একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলনের প্রতিটি পর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে এবং এর ছাত্র-শিক্ষক ও কর্মচারীরা এক অনন্য ভূমিকা পালন করেছে। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকদের অবদান, ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং সর্বোপরি রণাঙ্গনে ছাত্রদের সাহসী অবদান আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে। শুধু কি স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়গুলোতে, এরও আগে ১৯৪৮ সাল থেকে ৫২ পর্যন্ত ভাষা আন্দোলনের প্রতিটি স্তরেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি শিক্ষকরা প্রকাশ করেছিলেন। সেদিনের ছাত্রদের ভূমিকা আজ আর কারও অজানা নেই, কাজেই তাদের কথা আজ আর বলব না। শুধু এটুকু বলি, সেদিন আন্দোলনে অংশগ্রহণের জন্য সেদিনের ছাত্র শেখ
-
লেখক: কামাল হোসেন
স্বাধীনতার স্বপ্ন বলতে গেলে প্রথমে সেই ষাটের দশকের কথা যদি আমরা চিন্তা করি, আমরা সবাই তরুণ ছিলাম। আমি নিজেও একজন তরুণ আইনজীবী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষক। আজকে যাঁরা নেতৃস্থানীয়, ষাটের দশকে তাঁদের বেশির ভাগই ছিলেন তরুণ ছাত্র। সেই পাকিস্তানে আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েও অসহায় বোধ করতাম।
ষাটের দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখালেখি শুরু হলো অর্থনৈতিক বৈষম্য নিয়ে। আমরা বাঙালিরা সংখ্যায় বেশি হয়েও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে, শিক্ষার সুযোগের ক্ষেত্রে, সিভিল সার্ভিসে, সামরিক বাহিনীতে বিভিন্ন ধরনের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার ছিলাম। ১৯৪৬ সালে পূর্ব বাংলায় যখন ভোট হয়েছিল, আমরা ভোট দিয়েছিলাম। আমরা চেয়েছিলাম, এই রাষ্ট্রটি হোক। তখন কেউ কেউ এটা সাম্প্রদায়িক
-
Author: Anwar Ouassini and Nabil Ouassini
Introduction
On 26 March 1971, the independence of Bangladesh was declared by Shiekh Mujib Rahman (1920–1975), the eventual first president of the new nation state after he had called for campaigns of civil disobedience and armed resistance against President Yahya Khan’s junta in West Pakistan. For the next six months, the Bangladeshi War of Liberation was fought between the Pakistani military junta (West Pakistan) that was unwavering in its possession of “East Pakistan” and Bengali nationalists determined to gain independence in the face of political, economic, cultural, and linguistic suppression. The protracted conflict resulted
ক্যাটাগরি
উৎস
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
- প্রক্রিয়াধীন
- মূল্যায়ন
- বিজ্ঞানচেতনা
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- প্রসঙ্গ মৌলবাদ
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- আলোর উদ্দাম পথিক
- বিজ্ঞান পাঠ
- পরিচয়
- সুকান্তসমগ্র
- কথা পাঞ্জাব
- শহরের ইতিকথা
- বাংলাদেশ ’৭৩
- বঙ্গ বাংলা বাংলাদেশ
- লেখকদের প্রেম
- যুগবাণী
- সংস্কৃতির রূপান্তর
- শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে
- বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন
- সাপ্তাহিক বিচিত্রা
- বনে পাহাড়ে
আর্কাইভ
- ২০২৬ (২৩)
- ২০২৫ (১৫)
- ২০২৪ (৪)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (১)
- ২০২১ (১)
- ২০১৭ (২)
- ২০১৬ (৪)
- ২০১৫ (১৮)
- ২০১২ (১)
- ২০১১ (৭)
- ২০১০ (১)
- ২০০৬ (২)
- ২০০৪ (৫)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৫ (১২)
- ১৯৯২ (২)
- ১৯৮৮ (১)
- ১৯৮৬ (৮)
- ১৯৮৪ (৫)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৬ (১)
- ১৯৭৩ (৪)
- ১৯৭২ (১)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৭০ (১৩)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬০ (২)
- ১৯৫৬ (২)
- ১৯৫৫ (৯)
- ১৯৫১ (১)
- ১৯৪৫ (১)
- ১৯৪৪ (১)
- ১৯৩১ (১)
- ১৯২২ (২১)
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অরুণ সেন (১)
- আকবর উদ্দীন (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আসাহাবুর রহমান (৫)
- আহমদ কবির (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৫)
- এম এম আকাশ (১)
- এহসান হায়দার (২)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কল্পতরু সেনগুপ্ত (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (২১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কাশীনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- কিওকো নিওয়া (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- খায়রুল হাসান জাহিন (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিত্রা দেব (১)
- জগৎ ঘটক (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- জয়নাল হোসেন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- পাভেল পার্থ (২)
- পারভেজ আমির আলী হুডভয় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২৭)
- প্রতিভা বসু (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৯)
- মন্মথ রায় (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাহবুব হাসান (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৯)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শামসুন নাহার মাহমুদ (১)
- শাহরিয়ার কবির (২)
- শাহীন রহমান (১)
- শিশির কর (১)
- শেখর বসু (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৩)
- সামির আমিন (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন বসু (১)
- হাসান তারেক (৫)
- হাসান মুরশিদ (১২)
- হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.