-
একদিন সকালবেলা পরাশর ডাক্তার নিজের প্রকাণ্ড লাইব্রেরীতে বসে চিঠি লিখছিলেন। চোরের মতো নিঃশব্দে ঘরে ঢুকে নগেন ধীরে ধীরে এগিয়ে তাঁর টেবিল ঘেঁষে দাঁড়ালো, পরাশর ডাক্তার মুখ না তুলেই বললেন, "বোসো নগেন।" চিঠিখানা শেষ করে খামে ভরে লিখে চাকরকে ডেকে সেটি ডাকে পাঠিয়ে দিয়ে তবে ডাক্তার নগেনের দিকে তাকালেন।
“বসতে বললাম যে, এরকম চেহারা হয়েছে কেন? অসুখ নাকি?”
নগেন ধপ করে একটা চেয়ারে বসে পড়ল, চোরকে যেন জিজ্ঞাসা করা হয়েছে সে চোর কিনা, এইরকম অতিমাত্রায় বিব্রত হয়ে সে বলল, “না না, অসুখ নয়, অসুখ আবার কিসের?”
গুরুতর কিছু যে ঘটেছে সে বিষয়ে নিঃসন্দেহ হয়ে পরাশর ডাক্তার দু-হাতের আঙুলের ডগাগুলো একত্র করে
-
দাঁড়াও, পথিকবর।
এই দেশে ত তোমার জন্ম। একবার দাঁড়াও। একটু দাঁড়াও। তুমি ত সীমার নও। কারবালার যুদ্ধের পর ইমাম হোসেনের কাটা শির নিয়ে দামেস্ক নগরীর দিকে ধাইছ। হঠাৎ এসে পড়েছো। কেউ ত এদিকে আসে না। যখন এসে পড়েছ, একটু দাঁড়াও।
আমি জানি, কেন এমন বে-পথে তুমি এসেছ। বন-জঙ্গলের পথে কেউ হাঁটে না। কিন্তু বাঙলাদেশের মোহিনী মায়া সকলকে টেনে নিয়ে যায়। আর তোমার জন্ম ত এই বঙ্গে। তুমি বে-পথু হবে, তা আর আশ্চর্য কী?
কতো দরিদ্র আমাদের গ্রাম। কী আছে মানুষের সম্পদ? একটা খড়ো ঘর বা কুটির। এক চিলতে উঠান। হয়ত কয়েকটা কলাগাছ বা বাঁশগাছ বাস্তুর ধারে। দুনিয়ার দৌলত নেই। সেই
-
কড়া নাড়ার শব্দে উঠে বসলাম। শীতকালে এতরাত্রে কে এল আবার !
“কে—”
“আমি, আমি, কপাট খোলো।”
খুললাম। সুইচ টিপে আলোটা জ্বাললাম। দেখি খর্বকায় একটি বৃদ্ধ দাঁড়িয়ে আছেন। আজানুলম্বিত গলাবন্ধ খদ্দরের কোট গায়ে। মাথার সামনের দিকটা কেশ-বিরল, চোখ নিষ্প্রভ, ভুরুতে পাক ধরেছে, সমস্ত মুখে বলি-রেখা, সামনে গোটা দুই দাঁত নেই। “আমার চিঠি পাওনি নিশ্চয়?”
“না।”
“চিতুয়া পোস্ট করেনি তাহলে। শালা ডাকু। নিজে হাতে পোস্ট করলেই ঠিক হত... তাকে দেওয়াটাই ভুল হয়েছিল। ভুল, ভুল, এ জীবনটা ভুল করতে করতেই কাটল বীরেনবাবু।”
হঠাৎ অর্জুনকাকাকে চিনতে পারলাম আমি। ক্ষুব্ধ কণ্ঠস্বরই চিনিয়ে দিলে তাঁকে। বহুদিনের যবনিকা সরে গেল যেন।
“অর্জুনকাকা! হঠাৎ এত রাত্রে কোথা থেকে?”
-
তপুকে আবার ফিরে পাব, এ কথা ভুলেও ভাবিনি কোনোদিন। তবু সে আবার ফিরে এসেছে আমাদের মাঝে। ভাবতে অবাক লাগে, চারবছর আগে যাকে হাইকোর্টের মোড়ে শেষবারের মতো দেখেছিলাম, যাকে জীবনে আর দেখব বলে স্বপ্নেও কল্পনা করিনি- সেই তপু ফিরে এসেছে। ও ফিরে আসার পর থেকে আমরা সবাই যেন কেমন একটু উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছি। রাতে ভালো ঘুম হয় না। যদিও একটু-আধটু তন্দ্রা আসে, তবু অন্ধকারে হঠাৎ ওর দিকে চোখ পড়লে গা হাত পা শিউরে ওঠে। ভয়ে জড়সড় হয়ে যাই। লেপের নিচে দেহটা ঠক্ ঠক্ করে কাঁপে।
দিনের বেলা অনেকেই আমরা ছোটখাটো জটলা পাকাই।
দিনের বেলা ওকে ঘিরে দেখতে আসে ওকে। অবাক হয়ে
-
সে ভেসে চলেছিল।
পঞ্চভূত এখনও তার সহায় হয়নি। শুধু বাতাস আর জলের সাথে সে এগিয়ে চলেছে। স্রোতের টান মৃদু। বাতাসের আমেজ ঝিরিঝিরি ৷ বাইরের জগতে কোন তাড়াহুড়৷ নেই। আর যে ভাসছে, তার কাছে গতি এখন অর্থহীন। শ্লথ বা দ্রুত—কী আসে যায়। মহাকাল সামনে পড়ে আছে। বেসবুর হওয়ার প্রয়োজন অনেক আগেই ফুরিয়ে গেছে। বুকে যখন বাতাস থাকে, তখন বাইরের বাতাসকে জমা খরচের হিসেবে আনা যায় ৷ আজ সব হিসেব-নিকেশ আগামী ইতিহাসের কাছে তুলে দিয়ে সে পরম নিশ্চিন্ত।
সে ভেসে চলেছে।
সটান চিৎশায়িত। মুখ আকাশের দিকে। চোখ নেই। দাঁড় কাক দু'তিন দিন ধরে তা খুবলে খুবলে খেয়ে শেষ করেছে। কারণ, চোখের মালিকের
-
স্বর্ণ ডাইনিকে মনে পড়ছে।
শুকনো কাঠির মতো চেহারা। একটু কুঁজো, মাথায় কাঁচা-পাকা চুল, হাটে তরি-তরকারি কিনে গ্রামের ঘরে ঘরে বেচে বেড়াতো। চোখ দুটো ছিল নরুনে- চেরা চোখের মতো ছোট। দৃষ্টি তীক্ষ্ণই ছিল, কিন্তু ডাইনি শুনে মনে হতো সে চোখ যেন আমার ভেতরে ঢুকে আমার হৃপিণ্ডটা খুঁজে ফিরছে।
স্বর্ণ গ্রামে বড় কারোর ঘরে ঢুকতো না। আমার অনেক বয়স পর্যন্ত স্বর্ণ বেঁচে ছিল। আমরা স্বর্ণপিসি বলতাম। বেচারি গ্রামের ভদ্রপল্লী থেকে দূরে— জেলেপাড়ার মোড়ে একখানি ঘর বেঁধে বাস করতো। সে-পথে যেতে আসতে দেখেছি, বুড়ি ঘরের মধ্যে আধো অন্ধকার আধো-আলোর মধ্যে বসে আছে। চুপ করে বসে আছে। কথা বড় কারো সঙ্গে বলতো না। কেউ
-
পাটের গুদামে আগুন লেগেছিল। বিরাট টিনের শেডের নীচে হাজার হাজার গাঁট স্তূপ। কিভাবে অগ্নিকাণ্ড শুরু হয়, তা কেউ বলতে পারবে না। চারিদিকে আগুনের লকলকে জিভ যখন সব চেটেপুটে ছাই করে দিতে বেরিয়ে আসছিল, তখনই খবর পাওয়া যায়। ফায়ার ব্রিগেডে খবর পৌঁছতে বেশী দেরী হয়নি।
দমকল বাহিনী লড়ায়ে নেমে পড়েছিল যেন শত্রু পক্ষ আর এগুতে না পারে। কাছেই নদী। সুতরাং গোলাবারুদের অভাব হয়নি। হোস পাইপের ভেতর দিয়ে পানির ফোয়ারা কামানের গোলার মত ছিটিয়ে পড়ছিল।
কিন্তু এই শত্ৰু তো লাফিয়ে লাফিয়ে চলে। তাই ফায়ার ব্রিগেডের সৈন্যসামন্তরা স্থির করেছিল গুদামের চালের একদিক খুলে উপর থেকে পানি মারার বন্দোবস্তই যুক্তিযুক্ত।
কয়েকজন ফায়ারম্যান সিঁড়িযোগে চালে
-
আমি এবং আমার আত্মীয় পূজার ছুটিতে দেশভ্রমণ সারিয়া কলিকাতায় ফিরিয়া আসিতেছিলাম, এমন সময় রেলগাড়িতে বাবুটির সঙ্গে দেখা হয়। তাঁহার বেশভূষা দেখিয়া প্রথমটা তাঁহাকে পশ্চিমদেশীয় মুসলমান বলিয়া ভ্রম হইয়াছিল। তাঁহার কথাবার্তা শুনিয়া আরো ধাঁধা লাগিয়া যায়। পৃথিবীর সকল বিষয়েই এমন করিয়া আলাপ করিতে লাগিলেন, যেন তাঁহার সহিত প্রথম পরামর্শ করিয়া বিশ্ববিধাতা সকল কাজ করিয়া থাকেন। বিশ্বসংসারের ভিতরে ভিতরে যে এমন-সকল অশ্রুতপূর্ব নিগূঢ় ঘটনা ঘটিতেছিল, রুশিয়ানরা যে এতদূর অগ্রসর হইয়াছে, ইংরাজদের যে এমন-সকল গোপন মতলব আছে, দেশীয় রাজাদের মধ্যে যে একটা খিচুড়ি পাকিয়া উঠিয়াছে, এ সমস্ত কিছুই না জানিয়া আমরা সম্পূর্ণ নিশ্চিন্ত হইয়া ছিলাম। আমাদের নবপরিচিত আলাপীটি ঈষৎ হাসিয়া কহিলেন: There happen
-
এত বড়ো বটগাছ সচরাচর দেখা যায় না। পিরপুরের হাটকে যদি চিনিতে হয়, তবে যে-কোনো অশীতিপর ক্ষীণদৃষ্টি বৃদ্ধকে জিজ্ঞাসা করিলেও ইহার উত্তর মিলিবে—দূরে, সে যত দূরেই হোক না কেন, যেন আকাশেরও প্রায় অর্ধেক ছাইয়া আছে, এমন একটা দৈত্যের মতো প্রকাণ্ড গোলাকার গাছের দিকে দারুণ তৎপরতায় শীর্ণ হাতটি উঠাইয়া সে বলিবে, ‘আরে, তুমি কি কানা? ওই দৈত্যিটার বরাবর চলে যেতে পার না?’ যাহাকে বলা হইবে, সে যেন কোনো ব্যবসায়ী, ওই হাটের দিকেই যাইতেছে, আর কোনো উদ্দেশ্য তাহার নাই। পিরপুর গ্রামটি অন্যান্য গ্রামের মতো নয়, সেখানে কেউ ঘর বাঁধিয়া বাস করিতে পারে, একথা কেউ ভুলেও কল্পনা করিতে পারে না। কেবল একটি হাট লইয়াই
-
শিবের সঙ্গে যখন পার্বতীর বিবাহ হইল তখন পার্বতী কৈলাস পর্বতে আসিয়া ঘরকন্না করিতে লাগিলেন। শিব খেয়ালশূন্য লোক, তাহাতে আবার ভূতের দল নিয়া থাকিতেন—মেয়েরা বাড়িতে থাকিলে কেমন করিয়া চলাফেরা করিতে হয় সেদিকে তাঁহার নজর একটু কম। যখন-তখন তিনি তাঁহার ভূতদের নিয়া বাড়ির ভিতর আসিয়া উপস্থিত হন, পার্বতী আর তাঁর সখীদের তাহাতে বড় অসুবিধা হয়। দারোয়ান নন্দী তাঁহাকে মানা করিলেও তিনি তাহা শোনেন না, তাঁহাকে ধমকাইয়া ঠিক করিয়া দেন।
পার্বতীর সখী জয়া আর বিজয়া ক্রমাগত বলেন, ‘ইহারা সকলেই শিবের লোক, কাজেই তাঁহার ধমকে ভয় পায়। আমাদের নিজের একটি ভাল লোক হইলে বেশ ভাল হইত।’ এ কথায় পার্বতী কাদা দিয়া যারপরনাই সুন্দর একটা
-
বিধু মাস্টারের কথা আমি কখনো ভুলতে পারব না। তাঁর স্মৃতি হয়তো আজীবন আমায় বহন করে বেড়াতে হবে। মাত্র ক-টা মাস তিনি আমার কাছে এসেছিলেন, তারপর চলে গেলেন—শুধু এই ক্ষণিকের পরিচয় আজ অমর হয়ে রয়েছে।
বেশ মনে আছে, সে দিনটা ছিল রবিবার। আমি সকাল বেলা কৌমুদী খুলে ধাতুরূপ মুখস্থ করছি চোখ বন্ধ করে দুলে দুলে, এমন সময় বাইরে কে যেন ডাকলেন, হারাণবাবু আছেন? হারাণবাবু!
আমি জানলা দিয়ে মুখ বার করে প্রশ্ন করলুম, কাকে চাই?
—এখানে হারাণবাবু বলে কি কেউ থাকেন?
—থাকেন। তিনি আমার কাকা।
—তাঁকে একবার ডেকে দাও তো।
—কী দরকার?
—তাঁর কি একজন টিউটর চাই?
সত্যিই তো, মেজোকাকা আমাদের জন্য
-
আর থোড়া অক্ত।
আর কিছু সময়।
অনন্তের সুড়ঙ্গে এই হামাগুড়ি আর কতক্ষণ দেওয়া যায়?
সোলেমান সারেঙের কাছে তখন কি প্রশ্ন বার বার ঘাই মেরেছিল, তা আজ জানার কথা নয়।
কারণ, মুহূর্ত নির্যাস হয়ে এলে অনেক ছবি, অনেক কথা, ঘটনা একাকার যে রূপপরিগ্রহ করে তা নিতান্ত অনুভবের ব্যাপার। ক্যামেরার লেস অতি দ্রুত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে একই ফিল্মের সমতলে নানা ছাপ সংগ্রহ সহজ। তার পাঠ উদ্ধারও সম্ভব। সেখানে একক ছবি ছাড়া আর কিছু নেই।
কিন্তু ঘটনা আবেগ-প্রবাহ যখন তেমন কায়দায় গতির চোটে একটার পর একটা—একটার ভিতর একটা সেঁধিয়ে যায় এবং সঙ্গে সঙ্গে স্বতন্ত্র জানান দেওয়ার দাবি হাঁক-ফুকর ছড়াতে থাকে, তখন অর্থহীনতার কাছে সব
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- বনফুল গল্পসমগ্র
- গল্পগুচ্ছ
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- পুরাণের গল্প
- কিন্নর দল
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- শিউলি-মালা
- ভেদ-বিভেদ (২)
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- পাতাবাহার
- সুকান্তসমগ্র
- বিজ্ঞানচেতনা
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বারো মামার এক ডজন
- মানুষের জন্ম
- রাঙা পাল
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- বাংলাদেশ কথা কয়
- রূপের ডালি খেলা
- ছায়াছবি
- মৌরীফুল
- জন্ম ও মৃত্যু
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- কথা পাঞ্জাব
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- মেঘমল্লার
- যাত্রাবদল
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- নবাগত
- বিধু মাস্টার
- ক্ষণভঙ্গুর
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- জ্যোতিরিঙ্গন
- পরিচয়
- বিজ্ঞান পাঠ
- গল্প ভারতী
- ফুলকি ও ফুল
- রূপহলুদ
- তালনবমী
- উপলখণ্ড
- অসাধারণ
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- কুশলপাহাড়ী
- অনুসন্ধান
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৭৯)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৫ (১০)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (২৬)
- ১৯৬৩ (২)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৩)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১৩)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (১)
- ১৯৪৮ (১)
- ১৯৪৭ (২)
- ১৯৪৬ (৮)
- ১৯৪৫ (১১)
- ১৯৪৪ (৭)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯১৩ (৪)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৪)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৩)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২০)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.