-
এ্যানুয়েল পরীক্ষা শেষ। সারাদিন অবসর। কি যে করব ভেবেই পাই না। সারাদিন খালি খালি বসে মোটেই ভালো লাগে না।
এমন সময় একদিন কামাল ভাই বলল: ফোকলা, একটা কাজ করলে হয় না?
আমি উৎসুক হয়ে উঠলাম: কি কাজ?
: ভাবছি, এখন তো সারাদিনই অবসর, একটা নাটক করলে হয় না?
: নাটক?
মন্টু হঠাৎ হেসে উঠে বলে বসল: তোমরা করবে নাটক, তবেই সেরেছে। তোমাদের দ্বারা যদি নাটক হয়—
কামাল ভাই ঘুষি বাগিয়ে বলে উঠল: পাজী কোথাকার। কেন হবে না শুনি?
মন্টু ভয়ে ভয়ে চুপ করে গেল।
আমি কামাল ভাইকে একটু উৎসাহ দিয়ে বললাম: তবে একটা নাটক সিলেকশন করে ফেলো।
ঝন্টু এতক্ষণ চুপ
-
রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মাল নামানো দেখছিলাম। পাশের বাড়ীতে নতুন ভাড়াটে আসছে। দুটো ট্রাক ভরে মাল এসেছে। আর একটা ট্যাক্সিতে করে ভাড়াটেরা এসেছে। ওরা মোট সাতজন। দু'ভাই, তিন বোন আর আব্বা, আম্মা। ওরা যখন নামছে তখন দেখলাম যে আমার চেয়ে কিছু বড় একটা ছেলেও আছে। আমি ভাবলাম, যাক ওর সঙ্গেই ভাব করতে হবে।
বিকেলে ওদের বাসায় গেলাম। বাসার কড়া নাড়তেই ভেতর থেকে কে যেন বলল: ভেতরে এস।
আমি ভেতরে ঢুকে গেলাম। দেখলাম সেই ছেলেটি কি যেন বসে বসে লিখছে। সে আমার দিকে তাকালোও না।
আমি একটু অপ্রস্তুতের মত কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলাম। সে বসতেও বলল না। কতক্ষণ আর দাঁড়িয়ে থাকা যায়। সামনের
-
মেজো মামার বিয়ে। ছোট মামা আর মেজো মামা তাই এসেছেন দাওয়াত দিতে। বাড়ীর সবাই বিয়ের তিন দিন আগে মামা বাড়ী যাবে। শুধু আমিই যেতে পারব না। কারণ আমার পরীক্ষা। হ্যা, মামার যেদিন বিয়ে ঠিক তার আগের দিনই আমার পরীক্ষা শেষ হবে। মানে সতেরোই ডিসেম্বর মামার বিয়ে, আর ষোলই ডিসেম্বর আমার পরীক্ষা শেষ হবে। সুতরাং তিন দিন আগে যাওয়ার কোন প্রশ্নই ওঠে না।
মেজো মামা পরদিনই চলে গেলেন। শুধু ছোট মামা রইলেন। তিনি বিয়ের তিন দিন আগে সবাইকে (অবশ্য আমি বাদে) নিয়ে যাবেন।
সেদিন খাওয়ার পর ছোট মামার সাথে গল্প করছিলাম।
আমি বলছিলাম: মেজো মামার বিয়েতে এবার আর যাওয়া হল না।
-
বারো মাসের ছটা ঋতু আবু মিয়ার মনে ছত্রিশ রকমের চিন্তা বয়ে আনে। ফাল্গুন যখন বনে বনে রঙ চড়ায়, সে রঙে তারো মনে জাগে নেশা। এর পর জ্যৈষ্ঠের বাউল বাতাস আমের তলায় শুকনো পাতাগুলো ওড়ায়, তারো বুকটা শূন্যতায় খা খা করে ওঠে। কলকাতায় বসে কিছুই দেখছে না সে, কিন্তু যখনি ভাবতে বসেছে, মনে হয়েছে তখনি, তাদের গাঁয়ের পাশে পুকুর পাড়ে আপনি-ফোটা ফুলের বনের অন্তরাগ আর উদাস দুপুরের ঝরাপাতার মড়মড় খসখস শব্দ সবই দেখতে ও শুনতে পাচ্ছে। বড় বড় দু তলা তিন তলা বাড়িগুলোর উপর দিয়ে যে আকাশটুকু দেখা যায়, তাতে যখন মেঘ করে আসে, আর আসে একটা হাল্কা হাওয়া, তখন আবু
-
‘তাহলে আপনারা বলছেন ভালোমন্দের স্বাধীন বিচারশক্তি মানুষের নেই, সব হচ্ছে পরিবেশের ব্যাপার, মানুষ পরিবেশের ক্রীড়নক। কিন্তু আমার মনে হয় সব হল দৈবের হাতে। নিজের বিষয়ে বলি শুনুন...’
বললেন আমাদের সকলের মাননীয় বন্ধু ইভান ভাসিলিয়েভিচ একটি আলোচনার উপসংহারে। ব্যক্তির উন্নয়নের জন্য আগে দরকার পরিবেশ বদলানো, যে অবস্থায় লোকে আছে সে অবস্থাটা বদলানো, এই নিয়ে চলেছিল আমাদের কথাবার্তা। সত্যি বলতে, ভালো কা মন্দের বিচারশক্তি অসম্ভব- এমন কথা কেউ বলে নি, কিন্তু ইভান ভাসিলিয়েভিচের অভ্যেস ছিল, আলোচনা প্রসঙ্গে নিজের মনেই যে সব ভাবনা উঠেছে তারই জবাব দেওয়া এবং সেই উপলক্ষে নিজের জীবনের নানা ঘটনার কথা বলা। মাঝে মাঝে গল্পতে তিনি এত মত্ত হয়ে
-
[প্রাচীন কাল থেকে তাজিক সাংস্কৃতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে পারস্য ও ভারতে সাংস্কৃতির।
সাদ্রিদ্দীন আইনি (১৮৭৮-১৯৫৪) ছিলেন মহাপন্ডিত ও ধ্রুপদী কবি এবং তাজিক গদ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর রচনাবলী তাজিক জনগণের উপকথা বিশেষ।
বারো বছরের সাদ্রিদ্দীন বোখারায় আসেন জ্ঞান পিপাসার তাগিদে। কিন্তু মাদ্রাসার দুঃস্থ ছাত্রটির বেশির ভাগ সময় কাটত অন্য লোকের কাপড়জামা ধোওয়ায়, পড়াশুনোয় নয়। সুদীর্ঘ রাত্রে ঘুমের কথা ভুলে সে সাগ্রহে পড়ত হাফিজ, সাদি, কামল খুজান্তি এবং আহমেদ দানিশ এর মতো মহাকবিদের রচনা।
বিপ্লবের পর বোখারা আমিরের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে সাদ্রিদ্দীন আইনি, তাঁর নিজের ভাষায়, ‘অক্টোবর বিপ্লবের পাঠশালায় চল্লিশ বছর বয়সের পড়ুয়া হলেন,’’ নিজেকে সম্পূর্ণভাবে নিয়োগ করলেন সাহিত্য সেবায়। তাজিক
-
দীর্ঘকাল সফরের পর বেরিং বাড়ি ফিরে আসার আগে আগে তার ছেলে, ছোট্ট টম বেরিং কর্ণেলিয়া-পিসি আর তার স্বামী কার্ল-পিসেমশাইয়ের কাছে নাস্তানাবুদ হল।
টম অন্ধকার লাইব্রেরী-ঘরে সাবানের ফেনার রঙিন বুদ্বদ ছাড়ছিল। এর চেয়েও বড় বড় অপরাধ অবশ্য সে করেছে: যেমন, আতসকাচ দিয়ে হলুদ পর্দা ফুটো করে দেওয়া ‘দেকামেরন’ বই খুলে তার ছবি দেখা, পড়শীর ছেলের সঙ্গে মারামারি—তবে কর্ণেলিয়াকে বিশেষ করে উত্তেজিত করে তোলে সাবানের বুদ্বুদ। বিশাল, কেতাদুরস্ত বাড়িতে এরকম চাপল্য অসহ্য, তাই কার্ল -পিসেমশাই গম্ভীর ভাবে বালকের কাছ থেকে সাবানের ফেনাসুদ্ধ পাত্রটা কেড়ে নিলেন, আর কর্ণেলিয়া-পিসি কাচের নলটা।
কর্ণেলিয়া অনেকক্ষণ ধরে টমকে নষ্ট ছেলেদের নিদারুণ ভাগ্য সম্পর্কে—ভবিষ্যদ্বাণী করে বললেন যে তারা
-
অপরূপ একরাতে নাম-করা কেরানি ইভান দুমিত্রিচ্ চেরভিয়াকভ[☆]স্টলের দ্বিতীয় সারিতে বসে অপেরা গ্লাস দিয়ে 'লা ক্লশে দ্য কর্ণেভিল্' অভিনয় দেখছিলেন। মঞ্চের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে তাঁর মনে হচ্ছিল, মরজগতে তাঁর মতো সুখী বুঝি আর কেউ নেই। এমন সময় হঠাৎ... ‘হঠাৎ’ কথাটা বড়ো একঘেয়ে হয়ে পড়েছে। কিন্তু কী করা যায় বলুন, জীবনটা এতই বিস্ময়ে ভরা যে কথাটা ব্যবহার না করে লেখকদের গত্যন্তর নেই! সুতরাং, হঠাৎ, ও'র মুখখানা উঠল কুঁকড়ে, চক্ষু শিবনেত্র, শ্বাস অবরুদ্ধ...এবং অপেরা গ্লাস থেকে মুখ ফিরিয়ে সিটের ওপর ঝুঁকে পড়ে—হ্যাঁচ্চো! অর্থাৎ হাঁচলেন। হাঁচার অধিকার অবশ্য সকলেরই আছে, এবং যেখানে খুশি। কে না হাঁচে—চাষী হাঁচে, বড়ো দারোগা হাঁচে, এমন
-
ন. ভদ্রলোকদের ক্লাবে চ্যারিটি বলুনাচ চলেছে। ফ্যান্সি-ড্রেস বলনাচ। স্থানীয় তরুণী মহিলারা অবশ্য এ ধরনের অনুষ্ঠানকে 'জোড়া নাচের আসর' বলে থাকেন।
মধ্যরাত্রি। বারোটা বেজেছে। একদল বুদ্ধিজীবী নাচে নামেনি বা মুখোশ পরেনি। সংখ্যায় তারা পাঁচজন। পড়ার ঘরে বড়ো টেবিলটার চারদিকে খবরের কাগজের পৃষ্ঠায় নাক এবং দাড়ি গুঁজড়ে বসে। বসে বসে পড়ছে এবং ঢুলছে। মস্কো ও পিটার্সবুর্গের খবরের কাগজের স্থানীয় বিশেষ প্রতিনিধির ভাষায় বলতে গেলে, সবিশেষ উদারমনোভাবাপন্ন ভদ্রলোকটি 'অনুধ্যানরত'।
নাচের ঘর থেকে ভেসে আসছে কোয়াড্রিল নাচের বাজনা। কাঁচের বাসনের ঝনঝন শব্দ তুলে পা ঠুকে খোলা দরজার কাছে ছুটোছুটি করছে ওয়েটাররা।
কিন্তু পড়ার ঘরে একটুও গোলমাল নেই।
হঠাৎ এই নিঃশব্দতাকে ভঙ্গ করে একটা চাপা
-
BETWEEN nine and ten on a dark September evening the only son of the district doctor, Kirilov, a child of six, called Andrey, died of diphtheria. Just as the doctor's wife sank on her knees by the dead child's bedside and was overwhelmed by the first rush of despair there came a sharp ring at the bell in the entry.
All the servants had been sent out of the house that morning on account of the diphtheria. Kirilov went to open the door just as he was, without his coat on, with his waistcoat unbuttoned, without wiping his wet face
-
SHORTLY after finding his wife in flagrante delicto[1]Fyodor Fyodorovitch Sigaev was standing in Schmuck and Co.'s, the gunsmiths, selecting a suitable revolver. His countenance expressed wrath, grief, and unalterable determination.
"I know what I must do," he was thinking. "The sanctities of the home are outraged, honour is trampled in the mud, vice is triumphant, and therefore as a citizen and a man of honour I must be their avenger. First, I will kill her and her lover and then myself."
He had not yet chosen a revolver or killed anyone, but already in imagination he saw three
-
AT half-past eight they drove out of the town.
The highroad was dry, a lovely April sun was shining warmly, but the snow was still lying in the ditches and in the woods. Winter, dark, long, and spiteful, was hardly over; spring had come all of a sudden. But neither the warmth nor the languid transparent woods, warmed by the breath of spring, nor the black flocks of birds flying over the huge puddles that were like lakes, nor the marvelous fathomless sky, into which it seemed one would have gone away so joyfully, presented anything new or interesting to
উৎস
- গল্পগুচ্ছ
- প্রক্রিয়াধীন
- বনফুল গল্পসমগ্র
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- পুরাণের গল্প
- শিউলি-মালা
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- রূপহলুদ
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বারো মামার এক ডজন
- রাঙা পাল
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- বাংলাদেশ কথা কয়
- মেঘমল্লার
- কিন্নর দল
- উপলখণ্ড
- ক্ষণভঙ্গুর
- অসাধারণ
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- পরিচয়
- বিজ্ঞান পাঠ
- গল্প ভারতী
- পাতাবাহার
- ফুলকি ও ফুল
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- মানুষের জন্ম
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- রূপের ডালি খেলা
- যাত্রাবদল
- জন্ম ও মৃত্যু
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- নবাগত
- বিধু মাস্টার
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- সুকান্তসমগ্র
- বিজ্ঞানচেতনা
- ভেদ-বিভেদ (২)
- কথা পাঞ্জাব
- ছায়াছবি
- মৌরীফুল
- তালনবমী
- জ্যোতিরিঙ্গন
- কুশলপাহাড়ী
- অনুসন্ধান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮৩)
- ২০২৫ (৬৬)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (২৬)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৩)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১৩)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (১)
- ১৯৪৮ (১)
- ১৯৪৭ (২)
- ১৯৪৬ (৮)
- ১৯৪৫ (১১)
- ১৯৪৪ (৭)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৪)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৩)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২০)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.