-
দূর ছাই। জায়গাটা তাকে ছাড়তেই হবে। তমোনাশ রায়ের আর একটা দিনও ইচ্ছা করে না এখানে থাকতে। কী নিয়ে থাকে সে এখানে? কী এখানে আছে? ভোঁস ভোঁস করে এক-একটা ট্রেন আসে; হাত-পা ছুড়ে যেন অচল হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। কোনোটা পাঁচ মিনিট, আর কোনোটা দু-মিনিট দাঁড়িয়ে থেকে আবার স্টার্ট দেয়। ক্ষুদ্র প্ল্যাটফর্মে সংখ্যায় অপ্রচুর যাত্রী-যাত্রিনীরা ভিড় করে। বেরোবার একটা লোহার গেট আগলে তমোনাশ আগে থেকেই দাঁড়িয়ে থাকে। তারা তার সঙ্গে বোঝাপড়া করে, কাকুতি করে, আবার বচসাও করে, বলে, ধনেখালির টিকেট করে ফকিরের হাটে কেন নেমেছি, শুধচ্ছো বাবু! আমরা গরিব, আমরা খেতে পাই না, এক বেলা খাই, তো দুবেলা উপোস করে থাকি।
আমরা
-
ভিতিম-ওলো জাতীয় এলাকাটা হচ্ছে পূর্ব সাইবেরিয়ায়। দক্ষিণ ইয়াকুতিয়ার গায়ে লাগা এই বিরাট পাহাড়ে অঞ্চলটার উত্তরাংশ গায়ে গায়ে লাগান অজস্র পর্বতশ্রেণীতে ভরা। সাইবেরিয়ায় বোধহয় এর চেয়ে উচু পাহাড় আর নেই। দুর্গম বুনো জায়গাটা একেবারেই পাণ্ডববর্জিত। এই সেদিন পর্যন্ত জায়গাটা ছিল অনাবিষ্কৃত। পনের বছর আগে আমিই প্রথম মানচিত্রের এই ফাঁকা জায়গাটায় পা দিই। “প্রথম” মানে আবিষ্কারকদের মধ্যে প্রথম। এদেশের আদিবাসী তুংগুস আর ইয়াকুত্রা আগেই শিকারের সন্ধানে এ অঞ্চলের চারিদিকে ঘুরে বেড়িয়েছে। তুংগুস শিকারীদের কাছ থেকে নানা মূল্যবান খবর পেয়েছি। দূর দূর প্রান্তের সন্ধান তারা আমায় দিয়েছে। নদী, নদীর উৎস আর পর্বতমালার ম্যাপ ভাল করে এ'কে দিয়েছে। এখানকার খুব ছোট ছোট নদীও আগেই
-
ন. ভদ্রলোকদের ক্লাবে চ্যারিটি বলুনাচ চলেছে। ফ্যান্সি-ড্রেস বলনাচ। স্থানীয় তরুণী মহিলারা অবশ্য এ ধরনের অনুষ্ঠানকে 'জোড়া নাচের আসর' বলে থাকেন।
মধ্যরাত্রি। বারোটা বেজেছে। একদল বুদ্ধিজীবী নাচে নামেনি বা মুখোশ পরেনি। সংখ্যায় তারা পাঁচজন। পড়ার ঘরে বড়ো টেবিলটার চারদিকে খবরের কাগজের পৃষ্ঠায় নাক এবং দাড়ি গুঁজড়ে বসে। বসে বসে পড়ছে এবং ঢুলছে। মস্কো ও পিটার্সবুর্গের খবরের কাগজের স্থানীয় বিশেষ প্রতিনিধির ভাষায় বলতে গেলে, সবিশেষ উদারমনোভাবাপন্ন ভদ্রলোকটি 'অনুধ্যানরত'।
নাচের ঘর থেকে ভেসে আসছে কোয়াড্রিল নাচের বাজনা। কাঁচের বাসনের ঝনঝন শব্দ তুলে পা ঠুকে খোলা দরজার কাছে ছুটোছুটি করছে ওয়েটাররা।
কিন্তু পড়ার ঘরে একটুও গোলমাল নেই।
হঠাৎ এই নিঃশব্দতাকে ভঙ্গ করে একটা চাপা
-
IT was Christmas Eve. Marya had long been snoring on the stove; all the paraffin in the little lamp had burnt out, but Fyodor Nilov still sat at work. He would long ago have flung aside his work and gone out into the street, but a customer from Kolokolny Lane, who had a fortnight before ordered some boots, had been in the previous day, had abused him roundly, and had ordered him to finish the boots at once before the morning service.
"It's a convict's life!" Fyodor grumbled as he worked. "Some people have been asleep long ago, others are
-
AT half-past eight they drove out of the town.
The highroad was dry, a lovely April sun was shining warmly, but the snow was still lying in the ditches and in the woods. Winter, dark, long, and spiteful, was hardly over; spring had come all of a sudden. But neither the warmth nor the languid transparent woods, warmed by the breath of spring, nor the black flocks of birds flying over the huge puddles that were like lakes, nor the marvelous fathomless sky, into which it seemed one would have gone away so joyfully, presented anything new or interesting to
-
চোর গেল রাজবাড়িতে চুরি করতে। কিন্তু রাজবাড়িতে চুরি করা—সে কি আর চাট্টিখানি কথা? পাহারাওয়ালাগুলো সারারাত জেগে জেগে পাহারা দেয়। একটু পায়ের শব্দ কি খচর মচর শুনলে আর কি রক্ষা আছে! অমনি বাজখাই গলায় হেকে ওঠে—কৌন হ্যায় রে? ওরে বাপরে বাপ, সে কি গাল, শুনলে পরে পেটের পিলে চমকে ওঠে।
আচ্ছা, এমন করলে চুরি করা যায়? চোর এদিকে যায়, ওদিকে যায়, উঁকি মেরে দেখে, উঁহুঃ, কোথাও একটু ফাঁক নেই। ভীমের মতো পালোয়ান সব লাঠি বাগিয়ে বসে আছে। একটু টের পেলেই পিটিয়ে ময়দা বানিয়ে ছাড়বে। নাঃ, এখানে চুরি করা যাবে না। চোর মনের দুঃখে রাজবাড়ি থেকে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে এলো।
রাজবাড়ী থেকে
-
মাছের রাজা বোয়াল। রাজার মতো রাজা। যেমন নাম তেমন কাম। নদীর যত মাছ সব তার প্রজা। তার কথায় ওঠে বসে।
এহেন রাজা রাঘব বোয়াল, তার মা গেল মারা। মা থাকলে মরবেই। যার মা নেই, একমাত্র তারই মা মরে না। সবাই এই বলে রাজাকে সান্ত্বনা দিল। রাজা বললেন, মায়ের শ্রাদ্ধে এমন খাওয়া খাওয়াও, যা কেউ জন্মে দেখে নি। আমি রাজা, আমার কাছে বড়-ছোট ধনী-গরীব ভেদ নেই। আমি সবাইকে নেমন্তন্ন দেব। রাজ্যের এক দিক থেকে আর এক দিক পর্যন্ত ঢোল পড়ল।
শোন শোন মৎস্যগণ, করি নিবেদন—
রাজ-জননীর হইল পরলোক গমন (ঢ্যান্ ঢ্যান্ ঢ্যান্)
তার স্বর্গ কামনায় ভোজন উৎসব (ঢ্যান্ ঢ্যান্)
বড় ছোট
-
টিয়া পাখির বাচ্চা মার কাছে সারাদিন গল্প শোনে। ওর মা কত-যে গল্প জানে! পুরনো একটা ভাঙ্গা বাড়ির ছোট্ট খুপড়িতে ওদের বাসা। সেই বাড়িতে মানুষজন কেউ নেই, ছাড়াবাড়িটা জংলা গাছে ছেয়ে গেছে। গোটা দুই শেয়াল নীচের ঘরে বাসা বেঁধেছে। এ ছাড়া এ বাড়িতে একদল চামচিকে আছে, সাপ-খোপ আছে, পোকামাকড় আছে, অনেক কিছ্ইু আছে। কিন্তু ওদের সঙ্গে টিয়া পাখির কোনোই সম্পর্ক নেই। টিয়া তার বাচ্চাটাকে নিয়ে দোতলায় ঘুলঘুলিটায় বাসা বেঁধে আছে।
মা মাঝে মাঝে বাইরে থেকে খাবার নিয়ে আসে। সেই আধো আলো আধো অন্ধকারে ওই ছোট্ট বাসাটুকুর মধ্যে বাচ্চা কিন্তু বেশ মনের আনন্দেই আছে। মাঝে মাঝে মা যখন ওকে ফেলে বাইরে চলে
-
ধোপা আর নাপিত। দুই বন্ধু চলল বাণিজ্য করতে। বাণিজ্য করে সওদাগরেরা, ধোপা-নাপিত বাণিজ্যের কি জানে? এমন কথা কেউ জন্মেও শোনেনি। যে শোনে হাসে। কিন্তু যেই যত হাসুক, কেউ ওদের ঠেকাতে পারল না। ওরা বাণিজ্য করবেই।
আর বাণিজ্য না করে কি করবেই বা বলো। ধোপার হাতে জোর বেশী, সে যে কাপড় ধরে আছাড় মারে, সেই কাপড় ছিঁড়ে যায়। নাপিতের ক্ষুরে তেজ বেশী, যে গালে টান মারে সেই গালেই রক্তারক্তি কাণ্ড। এইভাবে দিন যায়। কিন্তু কদিন এইভাবে চলে? গ্রামের লোকের প্রাণ অতিষ্ঠ হয়ে উঠল। কত কাপড় খোয়ানো যায়, আর কত রক্ত ঝরানো যায়! একদিন গ্রামের লোক সবাই একত্র হয়ে তাদের জানিয়ে দিল,
-
রমলা বিরক্ত হয়ে উঠল। যেন এত বিরক্তি তার কোনোদিন আসেনি। নইলে ইকনমিক্সের পপুলেশন চ্যাপ্টারটা তো জমে ওঠবার কথা কিন্তু আজকার ক্লাসে কিছুতেই যেন তার লেকচার গভীর হয়ে উঠল।
এমন এক-একটা দিন আসে সত্যি যখন কিছই ভালো লাগে না। আজ যেন তাই। সে যেন আজ প্রথম টের পেল, ইস্কুলের মেয়েদের চেয়ে কলেজের মেয়েরা গোলমাল করে বেশি। অথচ এখানে কিছুই বলা যায় না, ইস্কুলের মতো যায় না বেঞ্চির ওপর দাঁড় করানো, যায় না কান মলে দেওয়া। ইস্কুল থেকে কলেজে উঠে মনে করে, কী-না-কী করে ফেললাম; দুর্ভাগ্য সব। তার মেয়ে যদি হয়, সে কোনোদিন তাকে কলেজে পড়াবে না। পড়িয়ে বা লাভ কী? কিছু
-
হাজরাদের বাড়ি বীণা বেড়াইতে গিয়াছে। পাড়ার অন্য দুই-একটা বাসা খুঁজিয়া সেখানে রনু গিয়া তাহাকে পাইল। বীণা আরও কয়েকজন মেয়ে ও বধূর সাথে বসিয়া গল্প করিতেছিল।
রনু ঘরের বাহিরে দাঁড়াইয়াই ডাক দিল, ‘বীণাদি, শুনে যান তো।’
বীণা বলিল, ‘ওখান থেকে বলো।’
হাজরাদের বধূ কনক হাসিয়া বলিল, ‘ও, রণজিতের বীণাদি বুঝি এসেছে এখানে? নইলে কোনোদিন যে ভুলেও এ বাড়িতে পা দেয় না, সে আজ এল! বীণাদির সাথে কী কথা আছে আমরা শুনতে পারব রনু?’
একটা মৃদু হাস্য-তরঙ্গ খেলিয়া গেল।
রনু লজ্জায় ঈষৎ কাত করিয়া বলিল, ‘আপনি কী যে বলেন বউদি। হ্যাঁ বীণাদি, শিগগির’—গোটাকতক কথা রনুর সকলের সঙ্গেই থাকে।
কনক বলল, ‘তুমি তো
-
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
সেই শরতে সুরকার এদভার্দ গ্রিগ বের্গেন-এর কাছের অরণ্যময় অঞ্চলে ছিলেন।
পাতার মর্মর আর ব্যাঙের ছাতার তীব্র গন্ধময় সমস্ত অরণ্যগুলি ভারি চমৎকার; কিন্তু যে অরণ্যগুলি সমুদ্রের পাশের পাহাড়ের গা বেয়ে উঠেছে সেগুলির সৌন্দর্য এক বিশেষ ধরনের। ঢেউয়ের মর্মর ধ্বনি সেখানে হয় প্রতিধ্বনিত, সমুদ্র-কুয়াশা জড়িয়ে থাকে তাদের গাছগুলিকে আর ভিজে বাতাসে বেঁচে থাকা সবুজ শ্যাওলা গাছের ডাল থেকে মাটি পর্যন্ত দাড়ির মতো থাকে ঝুলে।
এই সব অরণ্যে আছে এক ধরনের আনন্দিত প্ৰতিধ্বনি, শব্দানুকারী গায়ক পাখীর মত, যে কোনো শব্দকে ধরতে আর সেগুলোকে পাহাড়ের উপর দিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে পাঠাতে সর্বদাই উৎসুক।
এই ধরনের এক অরণ্যে গ্রিগ-এর সঙ্গে দেখা হয়েছিল ছোট্ট
উৎস
- শিউলি-মালা
- প্রক্রিয়াধীন
- বারো মামার এক ডজন
- পুরাণের গল্প
- বিজ্ঞান পাঠ
- গল্পগুচ্ছ
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- বনফুল গল্পসমগ্র
- কথা পাঞ্জাব
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- পাতাবাহার
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- বাংলাদেশ কথা কয়
- মেঘমল্লার
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- কুশলপাহাড়ী
- পরিচয়
- গল্প ভারতী
- বিজ্ঞানচেতনা
- ভেদ-বিভেদ (২)
- মানুষের জন্ম
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- রূপের ডালি খেলা
- নবাগত
- রূপহলুদ
- মৌরীফুল
- কিন্নর দল
- জ্যোতিরিঙ্গন
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- সুকান্তসমগ্র
- ফুলকি ও ফুল
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- রাঙা পাল
- যাত্রাবদল
- জন্ম ও মৃত্যু
- তালনবমী
- উপলখণ্ড
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- ক্ষণভঙ্গুর
- অসাধারণ
- বিধু মাস্টার
- ছায়াছবি
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- অনুসন্ধান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮৩)
- ২০২৫ (৬৬)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (২৬)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৩)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১৩)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (১)
- ১৯৪৮ (১)
- ১৯৪৭ (২)
- ১৯৪৬ (৮)
- ১৯৪৫ (১১)
- ১৯৪৪ (৭)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৪)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৩)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২০)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.