-
ষাট বৎসর আগেকার কথা, কুইন ভিক্টোরিয়ার আমল। তখন কলকাতায় বিজলী বাতি মোটর গাড়ি রেডিও লাউড স্পীকার ছিল না, আকাশে এয়ারোপ্লেন উড়ত না, রবীন্দ্রনাথ প্রখ্যাত হন নি, লোকে হেমচন্দ্রকে শ্রেষ্ঠ কবি বলত। কিন্তু রাখাল মাষ্টার মনে করত সে আরও উঁচু দরের কবি, হতাশের আক্ষেপের চাইতেও ভাল কবিতা লিখতে পারে। সে তার অনুগত ছাত্র নারানকে বলত, আজ কি একখানা লিখেছি শুনবি?—ক্ষিপ্ত বায়ু ধূলি মাখে গায়। আর একটা শুনবি?—শুষ্ক বৃদ্ধে ঝটিকার প্রভাব কোথায়। আর কেউ পারে এমন লিখতে?
রাখাল মুস্তাফী শুধু এনট্রান্স পাস, কিন্তু বিদ্বান লোক, বিস্তর বাংলা ইংরেজী বই পড়েছিল। সেকালে বেশী পাস না করলেও মাস্টারি করা চলত। কবিতা রচনা ছাড়া গান
-
আমার বিশ্বাস, প্রাণকান্ত ভুল করিতেছে।
গণেশ পপুলার লোক। জনপ্রিয় হইতে হইলে যে সকল গুণাবলী থাকা নিতান্তই প্রয়োজন গণেশের সে সকল আছে। সংক্ষেপে, সে মিথ্যাবাদী, মিষ্টভাষী এবং প্রয়োজনীয়। অনর্গল মিথ্যাভাষণ সত্ত্বেও তাহার মিষ্টবচনে আমরা বিগলিত হইয়া যাই এবং নিজেদের প্রয়োজনের খাতিরে তাহাকে ত্যাগ করিতে পারি না। গণেশের সহিত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করিলে প্রাণকান্তের পরাজয় অনিবার্য।
জনপ্রিয় বলিয়া গণেশ যে অজাতশত্রু এমন কথা বলিতেছি না। জনপ্রিয় বলিয়াই তাহার শত্রু আছে। কিন্তু এই সকল শত্রু এখনও পরোক্ষচারী। প্রকাশ্যত গণেশের বিরুদ্ধাচরণ করিবার মতো শক্তিসংগ্রহ এখনও তাহারা করিতে পারে নাই। মনে মনে তাহারা গণেশ-চরিত্রের ছোট বড় নানা দোষের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার করে এবং সুযোগসুবিধামতো সেগুলিতে নানা রঙ ফলাইয়া
-
আলো আর আকাশের থেকে নদী যতখানি আশা করে আমিও তেমনএকদিন করিনি কি? শুধু একদিন তবু? কারা এসে ব’লে গেল নেইগাছ নেই—রোদ নেই—মেঘ নেই—তারা নেই—আকাশ তোমার তরে নয়!… …
নদী কেন বেঁচে থাকে? একদিন এই নদী—শব্দ করে হৃদয়ে বিস্ময়আনিতে পারে না আর; মানুষের মন থেকে নদীরা হারায়—শেষ হয়!‘নদীরা’ : জীবনানন্দ দাশ
নদীর কি জীবন আছে? নদীর কি ইচ্ছা অনিচ্ছা আছে? নদীর কি বয়স আছে? আছে কি তার রাগ কিংবা ভালোবাসার অনুভূতি? নদী কি খুশি হয় কিংবা মন খারাপ করে? নদীর কি মৃত্যু আছে?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর কি হবে? আমি যদি সবগুলোর উত্তর ‘না’ বলি তাহলে প্রথাগত বিজ্ঞান আপত্তি করবে না। যারা
-
ছোটোবেলায় শুনিয়াছি—রূপকথার রাজপুত্র সোনার কাঠি স্পর্শ করাইয়া রাজকন্যার নিদ্রা ভাঙিয়া দেয়। বুড়া ঠাকুরমার মুখে ইহা শুনিয়া মনে হইত, নিছক একটি কাহিনি। কিন্তু বয়স হইবার সঙ্গে সঙ্গে সেই বিশাল জনহীন পুরীর মাঝে অনুপম সৌন্দর্য—লক্ষ্মী রাজকন্যা ও তেজস্বী এক রাজপুত্রের সাক্ষাৎকার ক্রমশই অপরূপ হইয়া উঠে।
সেইরকম একটি জীবন্ত কাহিনি ছোটোবেলায় দেখিয়াছিলাম। তখন ভাবিয়াছিলাম—মানুষের কথা ও কাজের মধ্যে সত্য কতটুকু! কেবল প্রয়োজনবোধে বলিয়া ও করিয়া চলিয়াছে। কিন্তু এখন মনে হয়, কথার পিছনে যে অনুপ্রেরণাটুকু থাকে, অন্তরের ভিতরকার সেই বস্তুটির দাম অনেক।
অভ্রভেদী অচলায়তন, অস্ত সূর্যের রাঙা রশ্মি, শাল ও দেবদারু গাছ: ইহাদিগের মাঝে দুইটি একান্ত অজ্ঞাত বালক-বালিকার ইতিহাসই আমি বলিব। ঢাকা শহরে বাড়ি।
-
একজন গরীব কাঠুরে ছিল। সে রোজ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাঠ কাটত। কাঠ কেটে যখন তার কিছু টাকা জমল, তখন সে সেই টাকা দিয়ে তার ছেলেটিকে পাঠিয়ে দিল শহরে লেখাপড়া শিখতে।
ছেলে খুব মন দিয়ে পড়াশুনা করে, তার বেশ নামও হচ্ছে, এর মধ্যে তার বাবার টাকা গেল ফুরিয়ে। কাজেই তার লেখাপড়া শেখা হল না, সে বাড়ি ফিরে এল। কাঠুরেরও তাতে বড় দুঃখ হল। ছেলেটি তাকে এই বলে সান্ত্বনা দিল, 'তার জন্য ভাবছ কেন বাবা? যদি কপালে থাকে, ঢের লেখাপড়া হবে। এখন চল 'কাঠ কাটতে যাই।' কাঠুরে বলে, 'তোমার গিয়ে কাজ নেই। কখনো কাঠ কাটোনি, এত পরিশ্রম করতে তুমি কি পারবে?
-
বড়বাজারের মসলাপোস্তার দুপুরের বাজার সবে আরম্ভ হয়েছে। হাজারি বিশ্বাস প্রকাণ্ড ভুঁড়িটি নিয়ে দিব্যি আরামে তার মসলার দোকানে বসে আছে।
বাজার একটু মন্দা। অনেক দোকানেই বেচা-কেনা একেবারে নেই বললেই চলে, তবে বিদেশি খদ্দেরের ভিড় একটু বেশি। হাজারির দোকানে লোকজন অপেক্ষাকৃত কম। ডান হাতে তালপাতার পাখার বাতাস টানতে টানতে হাজারি ঘুমের ঘোরে মাঝে মাঝে সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ছিলো, এমন সময় হঠাৎ কার পরিচিত গলার স্বর শুনে সে চমকে উঠলো।
-বলি ও বিশ্বেস, বিশ্বেস মশাই!'-বার দুই হাঁক ছেড়ে যতীন ভদ্র তার ডান হাতের লাঠিটি একটা কোণে রেখে দিয়ে সম্মুখের খালি টুলটার উপর ধপাস্ করে বসলো।
যতীন হাজারি বিশ্বাসের সমবয়স্ক-অনেক দিনের বন্ধু। ভাগ্যলক্ষ্মী এতকাল
-
এ—ও গজখুড়োর মুখে শোনা।
বটুকদাদুর পৈতৃক বাড়ির মতো আরেকটা বাড়ি শুধু ভূ-ভারতে কেন, দুনিয়াতে কোথাও আছে কিনা সন্দেহ। ওপরের রাস্তায় সদর ফটক, সেখান থেকে মনে হয় একতলা বাড়ি। আবার ঐ রাস্তাটাই একটা পাক খেয়ে যখন বাড়ির পেছন দিয়ে নিচে হিঞ্চে বাজারের দিকে নামতে থাকে, সেখান থেকে দেখলে বোঝা যায় আসলে তিনতলা বাড়ি। নিচের দুটো তলা পাহাড়ের গায়ে ঠেস দিয়ে হিমালয়মুখো দাঁড়িয়ে আছে।
এর আগে ন্যাকা-বোকা যায়নি কখনো ওখানে। তবে বটুকদাকে আলু— কাবলি কিম্বা চানাচূর খাওয়ালে, ঐ বাড়ির সম্বন্ধে যে—সব রোমাঞ্চকর গল্প বলত, তাই শুনে ওরা তাজ্জব বনে যেত। সব গল্পের কেন্দ্রে একজন রহস্যময লোকই থাকতেন। তিনি ওদের ছোটদাদু—যিনি প্রায় ২০
-
সারাদিনে নবেন্দুর অনেক সময়। তুলনায় কাজ ও কাজের বিচিত্র কম। প্রতি কাজে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশী সময় সে বরাদ্দ করে। এই অতিরিক্ত বরাদ্দ করেও অধিকাংশ দিন উদ্বৃত্ত থাকে আরো অনেক সময়। এই উদ্বৃত্তের ভেতরে নিজেকে রেখে সময়ের আন্দোলন সে অনুভব করে।
নবেন্দর মাঝে মাঝে মনে হয়, এই যে অপচয়, সময়ের মূল্য এতে কমে যাচ্ছে কিনা। অনেকে বলাবলি করে, নবেন্দর সময়ের কোনো দাম নেই।
কিন্তু সময়ের দাম অর্থে কী! সময় থাকে বোধের ভেতরে, কখনো মনে হয় সময় পেরিয়ে যাচ্ছি আবার কখনো সময় এগিয়ে যায়, কোনো দাম দিতে হয় না এর জন্যে। কোনো কোনো কাজ এর সঙ্গে যুক্ত করে দেয়া যায় এইমাত্র।
-
সারার পা দুখানা অচল হয়ে পড়ার আগে সে আমাদের কাছেই কাজ করতো। খুবই মোটা ছিল সে আর তার গায়ের রঙ ছিল হালকা হলদেটে-বাদামী, যেন একটা বেলুনের মতো, বেলুন ফোলালে যেমন রঙটা তার হালকা হয়ে যায়, পিগমেন্টের (প্রাণী ও উদ্ভিদের তত্ত্বরঞ্জক পদার্থ বিশেষ) পাতলা স্তরের নিচের মেদ বৃদ্ধি হলে সেটা টানটান হয়ে আরও বেশি পাতলাভাবে ছড়িয়ে যায়। গিল্টি করা ছোট্ট সরু ফ্রেমের চশমা পরতো সে আর ভালো রাঁধুনী ছিল, মাখনের ব্যাপারে শুধু যা তার হাতটা ছিল দরাজ।
তার সম্বন্ধে এই সব জিনিসগুলোই আমরা লক্ষ্য করেছিলাম।
কিন্তু এর ওপর তার ছিল একটি মাত্র স্বামী, আইনসম্মতভাবে তার সঙ্গে গীর্জায় বিবাহিত, আর ছিল তিনটি
-
রাত্রের ট্রেনে যে সব যাত্রীরা রোম ছাড়তো, ফাব্রিয়ানা স্টেশনে তাদের ভোর পর্যন্ত থাকতে হতো তারপর সালমোনার মেল লাইন ধরবার জন্য হেরকালের ছোট্ট একটা লোকাল ট্রেনে করে তাদের যেতে হতো। দমবন্ধ করা, ধোঁয়া ভরা একটা সেকেন্ড ক্লাস গাড়ি, ইতিমধ্যেই পাঁচজন লোক যার মধ্যে রাত কাটিয়েছে, ভোরবেলায় সেটাতে গভীর শোকের পোশাক পরা প্রায় বেঢপ একটা বস্তার মতো এক মহিলাকে টেনে তোলা হলো। তার পিছনে হাঁফাতে হাঁফাতে, কাতরাতে কাতরাতে উঠে এসেছিল তার স্বামী—ছোট্ট এতটুকু এক লোক। রোগাটে আর নিস্তেজ, মুখ তার মড়ার মতো ফ্যাকাশে, চোখগুলো ছোট ছোট আর চকচকে, তাঁকে কেমন যেন সলজ্জ আর অস্থির দেখাচ্ছিল।
শেষ পর্যন্ত একটা সীটে বসে পড়ে সে,
-
কোনো একটা অফিসে কাজ করা তার পক্ষে খুব সুখকর যে হবে না, মিস হুয়াং এটা অনুমানই করেছিল, কিন্তু সেখানে তার জীবন বিষময় করে তোলার বস্তুগুলো সে কল্পনাও করতে পারেনি।
সকাল সাড়ে আটটায় মিস হুয়াং কোম্পানির প্রধান অফিসে গিয়ে ঢুকলো। চাকরিজীবী হিসাবে তার জীবনের প্রথম পাতার প্রথম পংক্তি শুরু হলো নিচুগলায় আলোচনারত কিছু লোকের চাপা হাসি দিয়ে। প্রধান অফিসে আলো খুবই কম। পূবমুখী ও উত্তরমুখী জানালাগুলো বেশ বড় হলেও সামনের আকাশছোঁয়া বড় বড় বাড়িগুলো দৃষ্টিপথ অবরোধ করেছে। জানালার কাঁচের শার্সিগুলোর মধ্য দিয়ে সূর্যের আলোর পরিবর্তে এসে পড়ছে উলটোদিকের অফিসগুলোর বৈদ্যুতিক বাতির আভা। ছাত থেকে ঝুলছিল ফুলের আকারের হাতমুখ ধোবার গামলার মত
-
যখন পেশোয়ার স্টেশন ছেড়ে আসি তখন আমি তৃপ্তিতে এক দলা ধোঁয়া উগরে তুলেছিলাম। আমার খোপে-খোপে ছিল সব হিন্দু ও শিখ শরাণার্থীরা। তারা এসেছিল পেশোয়ার, হটিমর্দন, কোহাট, চরসরা, খাইবার, লাণ্ডি কোটাল, বানু নওশেরা, মানশেরা ইত্যাদি সীমান্ত প্রদেশের সব জায়গা থেকে। স্টেশনটা খুব সুরক্ষিত ছিল এবং সেনাবাহিনীর অফিসারেরাও খুব সজাগ ও দক্ষ ছিলেন। তবে, যতক্ষণ-না সেই রোমান্টিক পঞ্চনদীর দেশের দিকে আমি রওনা দিচ্ছিলাম, তারা অস্বস্তিতেই ভুগছিল। অন্য আর-পাঁচজন পাঠানের থেকে অবশ্য এই শরণার্থীদের তফাৎ করা যাচ্ছিল না। তাদের চেহারা ছিল বেশ লম্বা ও সুদর্শন, শক্ত গড়নের হাত-পা, পরনে ছিল কুল্লা ও লুঙ্গি, কারো-বা শালোয়ার। তাদের ভাষা ছিল গাঁয়ের পুশতু, প্রত্যেক খোপে দুজন
উৎস
- গল্পগুচ্ছ
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- পুরাণের গল্প
- শিউলি-মালা
- প্রক্রিয়াধীন
- বনফুল গল্পসমগ্র
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- রূপহলুদ
- অসাধারণ
- বিজ্ঞান পাঠ
- পাতাবাহার
- বারো মামার এক ডজন
- রাঙা পাল
- বাংলাদেশ কথা কয়
- রূপের ডালি খেলা
- মেঘমল্লার
- মৌরীফুল
- কিন্নর দল
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- কুশলপাহাড়ী
- নবাগত
- পরিচয়
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- বিজ্ঞানচেতনা
- ভেদ-বিভেদ (২)
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- ছায়াছবি
- যাত্রাবদল
- জন্ম ও মৃত্যু
- ক্ষণভঙ্গুর
- জ্যোতিরিঙ্গন
- গল্প ভারতী
- কথা পাঞ্জাব
- ফুলকি ও ফুল
- মানুষের জন্ম
- তালনবমী
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- উপলখণ্ড
- সুকান্তসমগ্র
- বিধু মাস্টার
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- অনুসন্ধান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮৩)
- ২০২৫ (৬৬)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (২৬)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৩)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১৩)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (১)
- ১৯৪৮ (১)
- ১৯৪৭ (২)
- ১৯৪৬ (৮)
- ১৯৪৫ (১১)
- ১৯৪৪ (৭)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৪)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৩)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২০)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.