-
“It is very unfair, we will not study under a new teacher,” the boys said.
The new teacher, who is arriving, has the name Kalikumar Tarkalankar. Even though the boys had not seen him yet, they had nicknamed the teacher as “Black pumpkin fresh chilli”, a ridiculous translation of the teacher’s name.
The vacations had ended and the boys were returning back to school from their homes in a train. Among them was a jolly fellow who had composed a poem entitled “The black pumpkin’s sacrifice” and the boys were reciting the poem at the top of their voice. Just
-
সকালের নাস্তা সকাল-সকাল শেষ করার জন্য বড় বড় নাস্তার ডিমগুলি সামনে রেখে আমরা সবাই গোল হয়ে বসে আছি। নানাবাড়ির রান্নাঘরের লাগোয়া ঘরটার মেঝেতে পাটি বিছিয়ে খাওয়ার আয়োজন করা হয়েছে। লাল আটার মোটা মোটা রুটি, বুটের ডাল, পাঁচ রকমের মিশেলে দেওয়া সবজির নিরামিষ, গরুর মাংসের ভুনা, নারকেলের সন্দেশ আর রসমালাই নিয়ে নানাভাইয়ের জন্য অপেক্ষা করছি, তিনি এলেই খাওয়া শুরু হবে। এত সব খাবার অবশ্য প্রতিদিন হয় না। ঢাকা থেকে মেজ খালারা এসেছেন, তাদের জন্যই এই স্পেশাল আয়োজন।
পুবের ঘর থেকে নানাভাইয়ের কোরান-শরিফ পড়ার মিষ্টি করুণ সুর ভেসে আসছে। তিনি সকাল সাতটা পর্যন্ত কোরান-শরিফ পড়বেন সে তো এখনও প্রায় দু’তিন মিনিট বাকি।
-
নানাবাড়ি পুকুরঘাটে কাত হয়ে থাকা ঝাকড়া-পাতার চালতা গাছটায় বসে ভীষণ জটিল এবং চরম আপমানজনক একটা বিষয় নিয়ে চিন্তা করছিলাম আমরা চারজন অর্থাৎ দুলুমামা, রবিন, মনি আর আমি। সবার মুখই খুব গম্ভীর, রাগে থমথমে, উত্তেজনায় লাল। কেউ কোনো বলছে না। আসলে কথা বলার মতো মনের অবস্থাই নেই কারও।
বিষয়টা খুলেই বলি তা হলে—
আমাদের তোতা মামা থাকেন কানাডায়, সেখানেই চাকরি করেন, প্রচুর আয়-রোজগার। কদিন আগেই তিনি বাড়িতে বেশ কিছু টাকা পাঠিয়েছেন। কেন জানি, সেই টাকা পাওয়ার পর থেকেই বাড়ির প্রায় সবাই খুবই অসুস্থ হয়ে পড়েছিল, শরীর স্বাস্থ্যের হয়ে যাচ্ছিল চরম অবনতি। সমুদ্রের বাতাস গায়ে না লাগালে নাকি সেই স্বাস্থ্য উদ্ধারের আর
-
প্রতিবারই গ্রীষ্মের ছুটির আগে আমরা বসে যাই বেড়ানোর প্ল্যান করতে। আমাদের লিডার মাসুল মামা। সাথে রবিন, মনি আর আমি। মনি আর রবিন তো সবসময়ই সুইজারল্যান্ড, আর্জেন্টিনা কিংবা জাপানের দিকে যেতে চায়। মাসুল মামা অনেক টানাটানি করে তাদেরকে দার্জিলিং পর্যন্ত ধরে রাখার চেষ্টা করে। আমি অবশ্য তাদের মতো উচ্চাকাক্সক্ষী নই। বেশি হলে কক্সবাজার কিংবা সুন্দরবন পর্যন্ত যেতে পারলেই খুশি। কিন্তু কোনোবারই আমাদের প্ল্যান বাস্তবায়িত হয় না টাকার অভাবে। অনেক চেষ্টা করেও দু-তিন হাজারের বেশি জোগাড় করতে পারিনি। শেষ পর্যন্ত আমাদের দৌড় সেই চিরাচরিত নানাবাড়ি মোগলটুলায় গিয়েই শেষ হয়ে যায়। এবারও জাপান-সুন্দরবন পর্যন্ত প্ল্যান করে মোগলটুলায় যাওয়াই স্থির হয়েছে কিন্তু এবার সেখানেও
-
‘লোভে পাপ’—কথাটা কী নিদারুণ হতে পারে, সেটা এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলাটা বড়-পর্দার প্লাজমা টিভিতে দেখতে গিয়ে শাকের মামা আর আমি খুব ভালো করেই উপলব্ধি করেছিলাম। আর সেই উপলব্দিকে শুধু সাদামাটা উপলব্ধি বললে খুব কমই বলা হয়। আমাদের বাংলা স্যারের ভাষায় যাকে বলতে হয় একেবারে হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি।
মারাত্মক সেই উপলব্ধির ফলে পরের দুতিন সপ্তাহ আমার কাছে দুনিয়ার সব খাবার এমনকি মুক্তগাছার ‘মুক্তাগাছার বিখ্যাত সেই গোপাল পালের মডা’ পর্যন্ত করলার মতো তিতা-বিচ্ছিরি লেগেছে। ও-দিকে রাগে দুঃখে শাকের মামা তার নিজের মাথার লম্বা-ঘন-কালো চুল পটপট করে ছিঁড়তে ছিঁড়তে মাথাটা প্রায় ‘জিদান-মার্কা’ করে ফেলেছে। মাঝে-মধ্যে আবার হিংস্র দৃষ্টিতে তাকাতে তাকাতে অন্যদের মাথার
-
আমাদের মিল্কী মামাকে নিয়ে হয়েছে এক মহামুশকিল।
এমনি তো মিল্কী মামার সবই ভালো। সারাদিন টো-টো করে ঘুরছে, রাস্তায় অন্য পাড়ার ছেলেদের সাথে মারামারি করছে, সবাইকে নিয়ে হোটেল-রেস্তোরাঁয় খেয়ে নিজে সবার বিল দিচ্ছে। ফুটবল-হকি-ভলিবল নিয়ে খেলার মাঠে সকাল-বিকাল দৌড়াদৌড়ি করছে। সন্ধ্যায় ক্লাব ব্যাডমিন্টন-টেবিল টেনিস নিয়ে লাফালাফি করে রাত ন’টায় বাড়ি ফিরছে। এক কথায় দারুণ ফুর্তিবাজ, দুর্দান্ত ক্রীড়া-পাগল ছেলে।
কিন্তু মিল্কী মামার সামনে ক্রিকেট খেলার কথা উঠলে তো সেই মিল্কী মামা আর মিল্কী মামা নেই রেগে আগুন হয়ে তেলে বেগুনে জ্বলে, উঠবে যেন টেংরাটিলার গ্যাসক্ষেত্র। এদিকে মিল্কী মামা বাদে আমরা অন্য সবাই তো ক্রিকেট খেলার দারুণ ভক্ত। আর শুধু ভক্ত বললে কমই
-
সন্ধ্যা ঘনিয়ে ওঠার অনেক আগে থেকেই কড়ইতলার শেকড়ে নাও বেঁধে গোরস্থানের আশপাশটায় ঘুরঘুর করছে কেরায়া নাওয়ের মাঝি মকবুল। তার দোস্ত খায়রুল সেই যে গেছে―এখনও আসছে না দেখে বিরক্তি নিয়ে একটা অস্থিরতার মধ্যে আছে সে। খায়রুলও অপেক্ষা করছিল আরও দুজনের জন্য। অপেক্ষা করে করে বড় রাস্তার দিকে তালাশ নিতে গেছে।
গোরস্থানের শেষ প্রান্তে বিষখালির ভাঙন ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে ওই শিলকড়ই। এমনই অতিকায় সে―পাঁচজনে হাত ধরাধরি করেও বেড় পাওয়া যায় না বৃক্ষটার। বাকলে ফাটল ধরে পাথর হয়ে আছে। চারদিকে ছড়ানো শ্যাওলাজমা মস্ত ডালগুলোতেও তেমন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নদীর এই নির্জনে এটিকে এভাবেই দেখে আসছে সবাই।
একটু আগেই বড় রাস্তার ওপারের মসজিদে
-
"এই দেখ ইন্দুর ডায়েরি। আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না, তুমি পড়ে দেখ দিকি, কিছু মানে বার করতে পার কিনা।"
বলিষ্ঠকায় ভুজঙ্গধর মরক্কো-চামড়া দিয়া বাঁধানো সুদৃশ্য খাতাখানি আমার দিকে আগাইয়া দিল।
"ঊনত্রিশে তারিখে যেটা লিখেছে সেইটে পড়! আরও পাতা উলটে যাও—হ্যাঁ, ওইখান থেকে পড়।"
পড়িতে লাগিলাম। ভুজঙ্গধর ভ্রু-কুঞ্চিত করিয়া আমার মুখের দিকে চাহিয়া রহিল। ভুজঙ্গাধর আমার বাল্যবন্ধু এবং ইন্দুমতীর স্বামী।
ইন্দুমতী লিখিয়াছেন, "কাল রাত্রে যে অদ্ভুত ঘটনাটা ঘটেছে তা এতই অসম্ভব যে বললে কেউ বিশ্বাস করবে না। আমি কাউকে বলিওনি, এমন কি মাণিককেও না। মাণিককে বলতে খুবই লোভ হচ্ছে, কিন্তু ভয় হচ্ছে পাছে সে আমাকে ভীতু বলে ঠাট্টা করে। তার
-
দীপ-শিখা নিষ্কল্পভাবে জ্বলছিল। মনে হচ্ছিল, যেন অধীরভাবে কার প্রতীক্ষা করছে। আর আকুল আগ্রহই যেন অচঞ্চল করেছিল তাকে। একটু পরেই ধীরে ধীরে সে কাঁপতে লাগল। এসেছে, হাওয়া এসেছে। কাঁপুনি বেড়ে গেল তার। মনে হতে লাগল, হাওয়ার বাহুপাশে আত্মহারা হয়ে পড়েছে সে বুঝি।
দীপ-শিখা। ছেড়ে দাও, ও কি করছ?
হাওয়া। আমাকে ছেড়ে কি থাকতে পারবে তুমি? বিজ্ঞানীরা কি বলেছেন জানো?
দীপ-শিখা। কি?
হাওয়া। আমার মধ্যে না কি অক্সিজেন-নামে একরকম গ্যাস আছে। সেই গ্যাসই নাকি মূর্ত করেছে তোমাকে শিখা-রূপে। আমি না থাকলে, তুমিও থাকতে না।
দীপ-শিখা। ইস্—। কি করছ তুমি—
হাওয়ার বেগ বাড়ল। দীপ-শিখা কাঁপতে লাগল অসহায়ভাবে।
ঘরের আর এক কোণে।
"ছিঃ, কি
-
৬৮ সালের একেবারে শেষের দিকে সারা পাকিস্তানে গণতন্ত্রের দাবিতে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে যে মিটিং মিছিলের আন্দোলন শুরু হলো তা চরমে উঠলো ৬৯-এর জানুয়ারী-ফেব্রুয়ারীতে গণ অভ্যুত্থানে। শহীদের রক্তের রেখায় বাংলাদেশের মানচিত্র আলাদা করে আঁকা হয়ে গেলো।
২০শে জানুয়ারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মিছিলের ওপর গুলী চললে আসাদ শহীদ হলো ৷
এই হত্যার বিরুদ্ধে ২৪শে জানুয়ারী হরতাল, মিছিল, জমায়েত করার জন্য সারা বাংলাদেশে সংযুক্ত ছাত্র সংগ্রাম কমিটি জনসাধারণকে আহ্বান করলো। সামরিক শাসক আইয়ুব খানের বশংবদ গভর্ণর মোনায়েম খাঁ ব্যবসায়ীদের কেন্দ্রে কেন্দ্রে হরতালের বিরুদ্ধে হেঁটে হেঁটে বললেও ২৪শে জানুয়ারী সমস্ত দোকান পাট বন্ধ হলো। গাড়ীর চাকা ঘুরলো না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী তরু
-
যখন যেটা
অঙ্ক কষা ফেলে রেখেই ছুটলাম বাগানে ছেলেগুলোর কাছে। ছুটছি, দেখি সামনে মাস্টার মশাই।
বললেন, ‘কী খবর? বাতাসের সঙ্গে পাল্লাই দিচ্ছিস?’
‘না, এমনি আর কি, বাগানে যাচ্ছি।’
ও’র পাশাপাশি চলেছি আর ভাবছি, এইবার নিশ্চয় জিজ্ঞেস করবেন অঙ্কটার কথা, কী বলব? এখনো তো কষা হয়নি।
উনি কিন্তু বললেন, ‘দিব্যি আবহাওয়া...’
বললাম, ‘হ্যাঁ, দিনটা ভালোই,’ আর মনে মনে ভয় হঠাৎ যদি অঙ্কটার কথা তোলেন।
বললেন, ‘নাকটা যে তোর লাল হয়ে গেছে।’ বলে হাসলেন।
‘নাক আমার অমনি, চিরকালই লাল।’
‘তাহলে লাল নাক নিয়েই দিন কাটাবি?’
ভয় পেয়ে গেলাম, ‘কিন্তু কী করব?’
‘বিক্রি করে দিয়ে নতুন একটা নাক কিনে নে।’
‘আপনি ঠাট্টা করছেন।’
-
দাদুর জন্যে পথ চেয়ে আছে উলদুজ। দাদু কাজ করেন সামুদ্রিক পেট্রলখনিতে। আজ তাঁর ঘরে ফেরার কথা। কিন্তু তুফান উঠেছে। লোকে বলে এরকম দিনে সাগরের ঢেউ ওঠে তিন তলা বাড়ির সমান উঁচু, বাতাসের ঠান্ডা ঝাপট তলোয়ারের মতো শনশনে, মেঘে ছেয়ে আসমান এমন জমাট যে চোখে কিছু দেখা যায় না।
উলদুজ দাদুর কাছে শুনেছে যে লোকে সাগরের বুকে মস্তো এক শহর তুলেছে। রাস্তাগুলো তার ভারী লম্বা লম্বা। দুধারে তার বড়ো বড়ো উঁচু বাড়ি। তারই একটা বাড়িতে থাকেন দাদু। এক হপ্তা থাকেন সেখানে, তেল তোলার ডেরিকে যতক্ষণ কাজ চলে, তারপর ফিরে আসেন বাড়িতে। ক’দিন জিরিয়ে আবার চলে যান তাঁর সাগরের শহরে। সত্যি বলতে
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- গল্পগুচ্ছ
- পুরাণের গল্প
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- পাতাবাহার
- ফুলকি ও ফুল
- বারো মামার এক ডজন
- বাংলাদেশ কথা কয়
- মৌরীফুল
- উপলখণ্ড
- ক্ষণভঙ্গুর
- নবাগত
- শিউলি-মালা
- বনফুল গল্পসমগ্র
- কথা পাঞ্জাব
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- মানুষের জন্ম
- রাঙা পাল
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- রূপের ডালি খেলা
- বিধু মাস্টার
- সুকান্তসমগ্র
- ভেদ-বিভেদ (২)
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- মেঘমল্লার
- যাত্রাবদল
- জন্ম ও মৃত্যু
- তালনবমী
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- কুশলপাহাড়ী
- জ্যোতিরিঙ্গন
- পরিচয়
- বিজ্ঞান পাঠ
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- গল্প ভারতী
- বিজ্ঞানচেতনা
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- ছায়াছবি
- কিন্নর দল
- অসাধারণ
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
- রূপহলুদ
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- অনুসন্ধান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৭৯)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৫ (৫)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (২৬)
- ১৯৬৩ (২)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৩)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১৩)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (১)
- ১৯৪৮ (১)
- ১৯৪৭ (২)
- ১৯৪৬ (৮)
- ১৯৪৫ (১১)
- ১৯৪৪ (৭)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯১৩ (৪)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৪)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৩)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২০)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (৫)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.