-
[ভ্যালেনটিনা আইয়োভোভনা ডিমিট্রিয়েভা (১৮৫৯-১৯৪৭) সারাটোভ গুরেবিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একজন ভূমিদাসের কন্যা। গ্রামার স্কুলে শিক্ষালাভ করে চিকিৎসা বিদ্যা শিক্ষার জন্য ১৮৮৬ সালে তিনি সেন্ট পিটার্সবার্গে যান। গ্রামের একটি স্কুলে শিক্ষকতাকালে জনশিক্ষা ব্যবস্থার শোচনীয় অবস্থার সমালোচনা করে তিনি পত্রপত্রিকায় নানা প্রবন্ধ প্রকাশ করেন। এর ফলে তার চাকরি যায় এবং শিক্ষকতা করার ব্যাপারে তার ওপর চিরকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এর পর বহুকাল ধরে তিনি ভোরোনেজ গুবেরনিয়ায় চিকিৎসক হিসাবেই খুবই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে কাজ করেন।
বহু ঐতিহাসিক ঘটনার তিনি ছিলেন প্রত্যক্ষদর্শী এবং অংশগ্রহণকারী। ছাত্রদের বৈপ্লবিক মিছিলগুলিতে যোগদান করার জন্য তাঁকে গ্রেপ্তার করে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। ম্যাক্সিম গোর্কি, লিওনিড অ্যানড্রাইয়েভ
-
হোঁচট খেতে খেতে, টলতে টলতে বুড়ো লোকটি বালির রাস্তায় বেয়ে উঠছিল। সরু সরু আগাছা আর ঝোপে ঢাকা নিচু একটা টিলার গা বেয়ে এঁকে বেঁকে চলে গেছে রাস্তাটা।
কাছে পিঠের শহরতলি থেকে কাজের শেষে ফেরার মুখে মেরি তাকে পার হয়ে এলো। পিছন থেকে বুড়ো লোকটির ডাকে মেরি থমকে দাঁড়ালো, সে কোন রকমে টলতে টলতে মেরির দিকে এগিয়ে এলো। ছেঁড়া জুতোর ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে থাকা, রাঙাধুলোর পুরু প্রলেপ মাখা ফাটা ফাটা আঙুলগুলো মেরিকে বলে দিলো লোকটি আসছে বহু দূর থেকে।
“এন’ গুলা!” লোকটি চেঁচিয়ে উঠলো। “হ্যাঁ গো মা, ‘নেটিভ ক্যাম্পে (আদিবাসী শিবির) এন’ গুলা বলে কোনো মেয়ে আছে কিনা জানো?”
“কস্মিন কালে
-
অনুবাদ: রজত চৌধুরী
এটা-তো প্রমাণই হ'যে গেছে যে আমবা ভাবতীযবা কথায-কথায কাবণে-অকারণে হ্যাঙামা বাধাতে ওস্তাদ। একটুতেই মারপিট লেগে যেতে কোনো দেরি হয় না—এমনকী নিতান্ত তৃচ্ছকাবণেই লাঠালাঠি বেধে যেতে পাবে। মসজিদেব সামনে দিয়ে ঢাকঢোল বাজিযে গেছে কাফেববা, ফলে, সাচ্চা মুসলমান, ওদেব ধ'বে তুমি ঠ্যাঙাও। মন্দিবের সামনে দিয়ে গেছে বুক চাপড়াতে-চাপডাতে মহবমেব তাজিযা, শোকমিছিল, ব্বাস, দেবদ্বিজে ভক্তিমান হিন্দু, স্নেচ্ছদেব ধ'বে মাবো। আসলে আমবা আদপেই ভেবে-চিন্তে কাজ কবি না, সে আমাদেব ধাতেই নেই, চট ক'বেই আমাদের মাথায় খুন চ'ডে যায।
পিপুল গাছের একটা ডাল বড়ো বাস্তাব ওপব নূষে প'ডে ছিলো, সে-পথ দিয়ে যাচ্ছিলো মুসলমানদেব এক মিছিল, তাবা কেন পিপুলের ডালেব কাছে মাথা নোযাবে।
-
অনুবাদ: আখতার-উন-নবী
কংগ্রেস হাউজ এবং জিন্না হল থেকে সামান্য কিছু দূরে একটি প্রস্রাবখানা আছে। সেটাকে বোঘের লোকেরা মুরী বলে। আশে-পাশের বিভিন্ন মহল্লার যাবতীয় ময়লা আবর্জনা সেই দুর্গন্ধময় কুঠুরীর বাইরে সব সময় স্তূপাকারে পড়ে থাকে। এমন দুর্গন্ধ ছড়ায় যে, মানুষকে নাকে রুমাল চাপা দিয়ে বাজার থেকে ফিরতে হয়।
একবার বড় অপারগ হয়ে তাকে সেই মুরীতে প্রবেশ করতে হয়—পেচ্ছাব করার জন্যে। নাকে রুমাল চেপে শ্বাস বন্ধ করে সেই দুর্গন্ধময় স্থানটিতে প্রবেশ করে। সারা মেঝেতে ময়লা-আবর্জনা বুদ্বুদের মতো ফুটে রয়েছে। দেয়ালগুলোতে মানুষের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যক্ষের ছবি বড় বিশ্রীভাবে চিত্রিত করে রেখেছে। সামনে কয়লা দিয়ে কে যেন লিখে রেখেছে—‘মুসলমানো কি বহেন কা পাকিস্তান মারা’।
শব্দগুলো
-
অনুবাদ: আখতার-উন-নবী
সোয়া চারটা বেজে গেছে। কিন্তু রোদের তেজ ঠিক দুপুর বারোটার মতোই কড়া ৷ সে বেলকনিতে এসে বাইরে তাকিয়ে দেখলো, একটি মেয়ে রোদের হাত থেকে বাঁচার জন্য একটি ছায়াদার বৃক্ষের নীচে বড় শ্লথ ভঙ্গীতে বসে আছে ৷
মেয়েটির গায়ের রঙ গাঢ় শ্যামলা। এতো গাঢ় যে, দেখতে তাকে বৃক্ষের ছায়ারই একটি অংশ মনে হয়। সুরেন্দ্র মেয়েটিকে দেখেই কাছে টানার জন্য তীব্র আকর্ষণ অনুভব করলে।। অথচ এই গরমের মধ্যে কাউকে কাছে আকর্ষণ করার মতো বাসনা তার না থাকারই কথা।
সময়টা বড় বাজে। প্রচণ্ড গরম। সোয়া চারটা বেজে গেছে। সূর্য অস্ত যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু সময়টা বড়ই বাজে। দরদর করে ঘাম ছুটছে
-
অনুবাদ: এ বি এম কামালউদ্দিন শামীম
ভুলু ও গামা দুই ভাই। খুবই পরিশ্রমী। ভুলু কুলিগিরি করতো। একটা টুকরি মাথায় নিয়ে, সারাদিন এখানে-সেখানে কুলিগিরি করতো। বিকেলে ঘরে ফিরে এলে দেখা যেতে৷ তার কোঁচার গিটে তিন-চার টাকা জমা হয়েছে।
গামা খাঞ্চা বিক্রি করতো। সারাদিনের ফেরী কাজে তিন-চার টাকা উপার্জন হতো। কিন্তু তার মদের নেশা ছিলো। রাতে দীনার হোটেলে খাবার আগে তাকে এক পোয়া মদ খেতেই হতো। সবাই জানতো যে সে পান করে আর এভাবেই বেঁচে থাকে।
ভুলু, গামার দু’বছরের বয়োজ্যেষ্ঠ। গামাকে সে অনেক করে বোঝালো যে, মদাসক্ততা খুবই খারাপ জিনিস। বিয়ে করেছ, অযথা কেন টাকা নষ্ট করছ? এক পোয়া মদের জন্যে যে
-
তার একটু দেরি হয়ে গেল। কারণ শিশির-ভেজা ঘাসের জন্য পা-ঢাকা জুতো পরে নিতে হল তাকে। ঘর থেকে বেরিয়ে সে দেখতে পেল, তার স্বামী অপেক্ষা করছে, বাদামের কুঁড়ির ফুটে-ওঠা দেখতে দেখতে বিস্ময়ে তন্ময়। লম্বা লম্বা ঘাসের উপর দিয়ে ফলের গাছগুলোর চারপাশে সে সন্ধানী দৃষ্টি ফেলল।
“নেকড়েটা কোথায়?” জিজ্ঞেস করল সে।
কুঁড়িদের সৃষ্টি-রহস্যের দার্শনিক ও কাব্যিক জগৎ থেকে নিজেকে যেন সজোরে বিচ্ছিন্ন করে নিল ওয়াল্ট আরভিন। উত্তর দিল—“এই তো ছিল কিছুক্ষণ আগেও।” চারদিকটা দেখে নিয়ে সে বলল, “একটা খরগোশের পেছনে ছুটতে দেখেছিলাম তখন।”
ছিমছাম জায়গাটা ছেড়ে সরু পথটা ধরে যাবার সময় সে ডাকল, “নেকড়ে, নেকড়ে, এদিকে আয়, নেকড়ে।” সরু পথটা গিয়ে পড়েছে
-
রবিনের হাতে সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা কাহিনি ‘দার্জিলিং জমজমাট!’ মনির হাতে ক্রীড়া-লেখক কাজী আবদুল আলীমের ‘খেলাধুলার আইন কানুন’ আর আমার হাতে প্রজাপতি প্রকাশনার বাংলা-অনুবাদ রবার্ট লুই স্টিভেনসনের ‘ট্রেজর আইসল্যান্ড’। তিনজনের হাতেই বই কিন্তু কেউ পড়ছি না। পড়ার মতো মনের অবস্থা নেই কারও। তিনজনের মুখই খুব গম্ভীর, ভিতরে ভিতরে রাগে ফুঁসছি তিনজনই’।
শেষ পর্যন্ত আমিই প্রথমে একটু সামলে নিলাম। মনের রাগটা ভিতরে রেখেই রবিন-মনির গম্ভীর মুখের দিকে চেয়ে একটা গদগদমার্কা হাসি দিয়ে খুব নরম গলায় বললাম, ‘তা-হলে চল ময়নামতি। কুমিল্লা তো কাছেই, পয়সা খরচও কম হবে। ময়নামতি পাহাড় আর লালমাই পাহাড় তো দেখলামই, অষ্টম শতকে বানানো বৌদ্ধদের শালবন বিহারও দেখলাম। এ-ছাড়া ক্যান্টনমেন্টে
-
নাঃ বিজ্ঞাপনে কাজ হয় সত্যিই!
হর্ষবর্ধন এসে ধপ করে বসলেন আমার ডেকচেয়ারে। হাঁপ ছেড়ে বললেন কথাটা।
‘হ্যাঁ, কথাটা যেমন বিজ্ঞাপনসম্মত তেমনি বিজ্ঞানসম্মতও বটে।’ বিজ্ঞজনের মতই তার কথায় আমার সায়।
‘সেদিন আপনাকে দিয়ে আনন্দবাজারে বার করার জন্যে সে বিজ্ঞাপনটা লিখিয়ে নিয়ে গেলুম না?...’
‘হ্যাঁ মনে আছে আমার।’ আমি বললাম, ‘রাতের পাহারাদারের জন্যে সেই ত?’
‘আমাদের কাঠের কারখানায় রোজের বিক্রির বহুৎ টাকা পড়ে থাকে ক্যাশ বাক্সে, বাড়ি নিয়ে আসা সম্ভব হয় না, পরদিন সে টাকা সোজা গিয়ে জমা পড়ে ব্যাঙ্কে—সেই কারণে, রাত্রে টাকাটা আগলাবার জন্যই কারখানায় থাকবার একজন সুদক্ষ লোক চেয়েছিলাম আমরা।...’
‘রাতের চার প্রহর পাহারা দেবার জন্য সুদক্ষ এক প্রহরী —বেশ
-
দারুণ গরমে বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক বজ্রেশ্বর গড়গড়ির ঘুম ভাঙল।
ঘরে ইলেকট্রিক পাখা ঘুরছিল, সেটা কখন থেমে গেছে। একট পাঁচ পাওয়ারের নীল বেড-সাইড ল্যাম্প জ¦লে, সেটাও নিবে রয়েছে, বাইরের জানালায় গুমোট মেঘে ঢাকা থমথমে ভাদ্রের আকাশ চারিদিকে নীরেট অন্ধকার, ঘরের ভেতরে যেন সারি সারি কষ্টি পাথরের দেওয়াল তুলে দিয়েছে কেউ। তার মানে, আজও ইলেকট্রিক ফেল করেছে। প্রায়ই এই কাণ্ড হচ্ছে আজকাল। জ্বালাতন করে মারল। তবু দেখা যাক একবার। বিছানা ছেড়ে উঠতে গেলেন বজ্রেশ্বরবাবু।
তখন কে যেন কর্কশ খসখসে গলায় বললে, বিছানা থেকে নাববেন না, যেমন আছেন তেমনি থাকুন।
বজ্রেশ্বর বুঝলেন, অন্ধকারে যদিও তিনি কাউকে দেখছে পাচ্ছেন না, কিন্তু ঘরে আর একজন কেউ
-
সুবিখ্যাত ফরাসী গ্রন্থকার আনাতোল ফ্রাঁস তাঁহার 'পেঙ্গুইন আইল্যান্ড' নামক প্রসিদ্ধ গ্রন্থে দেখাইয়াছেন, কি করিয়া পেঙ্গুইন পাখিরা মানুষে রূপান্তরিত হইল এবং নানা বিবর্তনের ভিতর দিয়া শেষ পর্যন্ত তাহাদের কি পরিণতি ঘটিল। পাখিকে মানুষে পরিণত করিবার জন্য কোনও দুরূহ বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ার সাহায্য লইতে হয় নাই। ভগবানের ইচ্ছা হইল—পাখিরা মানুষ হোক, অমনই তাহারা মানুষ হইয়া গেল।
প্রাগৈতিহাসিক যুগে বঙ্গদেশেও অনুরূপ ঘটনা ঘটিয়াছে। আনাতোল ফ্রাঁস বোধ হয় খবরটি টের পান নাই, পাইলে তাহা নিশ্চয় উক্ত পুস্তকের একটি অধ্যায় বৃদ্ধি করিত।
প্রাচীন আর্যগণ বাংলা দেশের তদানীন্তন অধিবাসীদের পক্ষীজাতি বলিয়াই বর্ণনা করিয়াছেন। সুধী-সমাজে এ কথা সুবিদিত। যে কথাটি সুবিদিত নয়, তাহাই আমি বর্ণনা করিতেছি।
পিতামহ ব্রহ্মা
-
বিশ্বাস করে না। খুকুর ভাল নাম কথায় কথায় ঠোঁট খুকুর বিয়ের গল্প, সে এক অদ্ভুত গল্প। বললে কেউ তোমাদেরও বলছি, দেখ তোমরা বিশ্বাস করতে পার কি না। মানকুমারী। মানের মরাই একটি, নামের মর্যাদা ও রেখেছে। ফুলে ওঠে, নাকের ডগা কাঁপতে থাকে, তারপর চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ে। এখন তার বয়স ষোল, এখনও অমনি।
তার এই আশ্চর্য' বিয়ের গল্প বলতে হলে শুরু করতে হবে তার ছেলেবেলা থেকে।
যখন তার বয়স তিন কি চার তখন তার মাসী তাকে একটি বড় পুতুল উপহার দিয়েছিল তার জন্মদিনে। বেশ বড় পুতুল, যেন বড়সড় খোকা একটি। নীল চোখ, মাথার চুল চমৎকার কোঁকড়ানো, ঠোঁট দুটি টুকটুকে লাল,
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- গল্পগুচ্ছ
- পুরাণের গল্প
- পাতাবাহার
- ফুলকি ও ফুল
- বারো মামার এক ডজন
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- বাংলাদেশ কথা কয়
- মৌরীফুল
- উপলখণ্ড
- ক্ষণভঙ্গুর
- নবাগত
- শিউলি-মালা
- বনফুল গল্পসমগ্র
- কথা পাঞ্জাব
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- মানুষের জন্ম
- রাঙা পাল
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- রূপের ডালি খেলা
- বিধু মাস্টার
- সুকান্তসমগ্র
- ভেদ-বিভেদ (২)
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- মেঘমল্লার
- যাত্রাবদল
- জন্ম ও মৃত্যু
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- কুশলপাহাড়ী
- জ্যোতিরিঙ্গন
- পরিচয়
- বিজ্ঞান পাঠ
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- গল্প ভারতী
- বিজ্ঞানচেতনা
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- ছায়াছবি
- কিন্নর দল
- তালনবমী
- অসাধারণ
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
- রূপহলুদ
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- অনুসন্ধান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৭৯)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৫ (৫)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (২৬)
- ১৯৬৩ (২)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৩)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১৩)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (১)
- ১৯৪৮ (১)
- ১৯৪৭ (২)
- ১৯৪৬ (৮)
- ১৯৪৫ (১১)
- ১৯৪৪ (৭)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯১৩ (৪)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৪)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৩)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২০)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (৫)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.